অচেনা মানুষের গল্প

অচেনা মানুষের গল্প

Share

বাস্তব জীবনের প্রেম, বিশ্বাসভঙ্গ, অভিমান আর ফিরে না আসার গল্প…
যে গল্পগুলো বলা হয় না, লেখা হয় এখানে।

13/11/2025

Messi Fall & Getup...😈😈😈
শুধু এই কয়টা ম্যাচ এর Recap এর সাথে ই অন্য কোন প্লেয়ার এর সাথে Compare করবে ,, বলে দিও 🥲

17/07/2025

গল্প: "যার ছিলাম না সে, হয়ে গেলো সব”
পর্ব-০৪

> “এই বইটা চাইছিলে তো? আমি খুঁজে পেয়েছি।”

রাজ বিস্ময়ে তাকাল—
সে তো কাউকে বলেনি।

ফারহানা হেসে বলল—

> “তুই যে বইয়ের নামটা গত সপ্তাহে হঠাৎ বলেছিলি, আমি মনে রেখেছি।”

রাজ বুঝে গেল—এই মেয়েটা শুধু তাকে শোনে না,
তাকে অনুভবও করে।

ফারহানা একদিন রাজকে রান্নার ক্লাসে টেনে নিয়ে যায়।

রাজ বলে—

> “আমি ডিমও ভাজতে পারি না!”
ফারহানা হেসে বলল—
“আমি তোর পাশে থাকলে, তুই সব পারবি।”

রাঁধা হলো ‘চিকেন খিচুড়ি’, রাজের হাতের লবণ বেশি হয়েছিল—
তবু ফারহানা খেয়ে বলেছিল—

> “তুই ছাড়া এমন স্বাদ আমি কোথাও পাইনি!”

রাজ ফারহানার চোখের দিকে তাকিয়ে,
চুপচাপ বলেছিল—

> “তুই কি জানিস, তুই আসার পর আমার মধ্যে আর কেয়া ফিরতে পারেনি?”

একবার রাজের চিত্রপ্রদর্শনীতে,
ফারহানা হঠাৎ একটি ছবির সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদছিল।

ছবিটায় ছিল এক মেয়ে—দু'চোখে মেঘ জমে আছে,
কিন্তু পাশে এক টুকরো রোদ বসে আছে।

রাজ ধীরে এসে বলল—

> “এই মেয়েটার চোখে তুই আছিস।
আর রোদটা… আমার ভাগ্য।”

ফারহানা ফিসফিস করে বলেছিল—

> “তুই আমায় ভালোবাসিস?”
রাজ বলেছিল—
“আমি তোকে ভয় পেয়েও ভালোবাসি।”
“ভালোবাসার ভয় সবচেয়ে সত্যি।” — ফারহানা উত্তর দিয়েছিল।

রাজ বলত,

> “তুই আমার জীবনের এমন একটা অধ্যায়,
যেটা পড়লে সব আগের কষ্টের মানে খুঁজে পাই।”

ফারহানা বলত,

> “তুই আমার ভাঙা ঘড়িটায় নতুন কাঁটা লাগিয়ে দিয়েছিস।
এখন জীবন এগোয় আবার।”

একদিন বিকেলে নদীর ধারে দাঁড়িয়ে,
রাজ ফারহানার দিকে একটা ছোট্ট আংটি এগিয়ে দিল।

> “তুই চাইলে আমি সারাজীবন তোর সঙ্গে হাঁটতে চাই…
হাতে হাত রেখে, চোখে চোখ রেখে, ভয় ছাড়িয়ে।”

ফারহানা চোখে জল নিয়ে বলল—

> “আমি তো সেই প্রথমদিন থেকেই হাঁটছি তোর পাশে…
আজ শুধু নামটা ঠিক হবে—রাজের ফারহানা।”

অন্যদিকে,

কেয়ার মা-বাবা যখন জানলেন, রাজের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ,
তারা দ্রুত এক পাত্র দেখে তার বিয়ে ঠিক করে ফেলেন।

ছেলেটি বাহ্যিকভাবে ছিল উপযুক্ত—চাকরি, গাড়ি, অর্থ, সামাজিক অবস্থান।
কেয়ার কানে কানে বলা হয়েছিল—

> “রাজ কি তোকে বাঁচাবে? জীবন শুধু প্রেম দিয়ে চলে না।”

কেয়া চুপ করে সম্মতি দেয়।
কিন্তু সে জানত, সে এখনো রাজকে ভালোবাসে।

বিয়ের পরে স্বপ্নগুলো দ্রুত ভেঙে পড়ে।

স্বামী ছিল সন্দেহপ্রবণ, রূঢ়, অহংকারী।
কেয়া শুধু “স্ত্রী” হয়ে ওঠে, কোনো মানুষ নয়।

বৃষ্টি হলে সে জানলার ধারে দাঁড়াত—রাজের কথা মনে পড়ে।

গায়ে হাত তুললেও কেউ বিশ্বাস করত না, কারণ "ছেলেটা ভালো পরিবার থেকে।"

প্রতিদিন কেয়া একটু একটু করে ভেতরে মরে যাচ্ছিল।
একদিন সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে জিজ্ঞেস করল—

> “আমি কি রাজকে ঠকিয়ে নিজেকেই শেষ করলাম?”

একদিন ভীষণ ঝড়ের রাতে,
স্বামী চিৎকার করে বলে—

> “তোর চোখে আজও কার ছায়া দেখি রে! তুই কার?”
কেয়া চুপ করে কাঁদতে থাকে।
সে জানত—সে আজও রাজের।

ডিভোর্স হয়ে যায়।

কেয়া একা হয়ে যায়, পুরোপুরি।
কিন্তু তার মনে পড়ে রাজের সেই শান্ত চোখ…
সেই ভরসাভরা স্পর্শ।

সে ভাবল—এখনই যদি ফিরি, রাজ হয়তো ফিরিয়ে নেবে…

কেয়া রাজকে হোয়াটসঅ্যাপে খুঁজে পায়।

গল্পটি হারাতে না চাইলে ফলো করেন
পরবর্তী পর্ব এখানেই আপলোড দেয়া হবে।
গল্পটি পছন্দ হলে লাইক ও কমেন্ট করতে ভুলবেন না..🥰🥰

01/07/2025

গল্প: "যার ছিলাম না সে, হয়ে গেলো সব”
পর্ব-০৩

কিন্তু রাজ জানত—
সেই 'তুই' এখন একা হয়ে যাচ্ছে।

কেয়ার আচরণে আগ্রহের ঘাটতি,
অবহেলা, মিথ্যে কথা…
সব মিলিয়ে রাজ বুঝে যায়—
কেয়া এখন শুধু তার নয়।

তার হৃদয়ে রক্ত জমে, চোখ শুকিয়ে আসে।
তবু সে কাউকে দোষ দিতে পারে না।

একদিন কেয়া নিজেই স্বীকার করে—

> “আমি জানি তোর সাথে অন্যায় করেছি…
কিন্তু জানি না কেন, আমার মন অন্যদিকে টানছিল।”

রাজ সেই রাতে একটা ছবি আঁকে—
একটা মেয়ের মুখ, যার চোখে জল
আর তার চারপাশে শুধুই ফাঁকা।

---

🪔 শেষে শুধু একটা উপলব্ধি:

> রাজ কেয়ার সাথে ৫ বছর কাটায়নি—
সে কাটিয়েছিল ৫টা ঋতু,
প্রতিটা রঙ, প্রতিটা বৃষ্টি, প্রতিটা সূর্যাস্ত…
আর তার প্রতিটা শ্বাসে শুধু ছিল কেয়া।

কেয়ার বিশ্বাসঘাতকতার পর রাজ নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিল।

সে অনেকটা সময় ছবি আঁকায় ডুবে থাকত,
একটা খোলা জানালার পাশে বসে বৃষ্টির শব্দ শুনত,
আর কানের কাছে বেজে যেত—
কেয়ার ফেলে যাওয়া শব্দ:

> “আমি জানি তুই ভালো, কিন্তু আমায় বুঝতে পারিস না।”

সেই ‘না বোঝা’ শব্দটাই রাজকে নিঃশব্দ করে দিয়েছিল।

কেয়ার বিশ্বাসঘাতকতার পর রাজ নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিল।

সে অনেকটা সময় ছবি আঁকায় ডুবে থাকত,
একটা খোলা জানালার পাশে বসে বৃষ্টির শব্দ শুনত,
আর কানের কাছে বেজে যেত—
কেয়ার ফেলে যাওয়া শব্দ:

> “আমি জানি তুই ভালো, কিন্তু আমায় বুঝতে পারিস না।”

সেই ‘না বোঝা’ শব্দটাই রাজকে নিঃশব্দ করে দিয়েছিল।

রাজের এক বন্ধুর বিয়েতে,
রাজ এক কোণায় দাঁড়িয়ে ছিল একগুঁয়ের মতো,
কারও সঙ্গে কথা বলছিল না।
হাতের কফি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল,
কিন্তু তার চোখে কেয়ার পুরনো ছবি গেঁথে ছিল।

তখনই ফারহানা পাশে এসে দাঁড়ায়—
একটা হালকা গোলাপি শাড়ি,
চোখে স্নিগ্ধতা, ঠোঁটে হাসি।

> “এই চা খাচ্ছেন না কেন?”
“আমি আসলে… স্রেফ দাঁড়িয়ে। মানুষ দেখি।”
“তাহলে আমায় দেখে কী বুঝলেন?”

রাজ হেসে বলেছিল—

> “আপনার চাহনি শান্ত, কিন্তু চোখে একরাশ বৃষ্টি জমে আছে।”

ফারহানা সেই প্রথম মুগ্ধ হয়েছিল।

সেই দিন থেকেই তারা কথা বলতে শুরু করে।
প্রথমে ইনবক্সে “বন্ধু” হিসেবে,
তারপর ধীরে ধীরে নিয়ম হয়ে যায়:

সকাল ৮টায় ফারহানার "গুড মর্নিং" মেসেজ

দুপুরে রাজের "আজ দুপুরে কী খেলে?"

রাতে ফারহানার কণ্ঠে—

> “তুই জানিস, তোকে বলা ছাড়া আজকাল দিনটা অসম্পূর্ণ মনে হয়।”

রাজ ভয় পেত…
আবারও যদি তার মন গুঁড়িয়ে যায়?

কিন্তু ফারহানা কখনো তাকে দাবী করেনি,
বরং বলত—

> “তুই যেমন আছিস, তেমনটাই থাক।
আমি কোনো কিছুর বদল চাই না। তোর পাশে বসে থাকতে চাই শুধু।”

রাজ বইমেলায় একটা পুরনো কবিতার বই খুঁজছিল।
হঠাৎ ফারহানা এসে বলল—

> “এই বইটা চাইছিলে তো? আমি খুঁজে পেয়েছি।”

রাজ বিস্ময়ে তাকাল—
সে তো কাউকে বলেনি।

গল্পটি হারাতে না চাইলে ফলো করেন
পরবর্তী পর্ব এখানেই আপলোড দেয়া হবে।
গল্পটি পছন্দ হলে লাইক ও কমেন্ট করতে ভুলবেন না..🥰🥰

29/06/2025

গল্প: "যার ছিলাম না সে, হয়ে গেলো সব”
পর্ব-০২

“আমি তো নিজেকেই এত সুন্দর কোনোদিন দেখিনি।”

📞 মাঝরাতে ঝগড়া হলে রাজ চুপ করে যায়,
আর কেয়া কাঁদতে কাঁদতে মেসেজ করে—

> “চুপ করে থাকিস না, কথা বল না প্লিজ…”
রাজ তখন লিখে—
“রাগ করে থাক না, কিন্তু আমার থেকে দূরে যাস না।”

🚌 ক্লাস শেষে বাসে কেয়া ঘুমিয়ে পড়ে রাজের কাঁধে মাথা রেখে।
রাজ বসে থাকে চুপচাপ, যেন সময়টা থেমে যায়।

---

🌪️ প্রথম বড় অভিমান

তাদের তৃতীয় বর্ষে একদিন রাজ একটু বেশিই গম্ভীর হয়।

কোনো এক ছেলে কেয়াকে নিয়ে কিছু বলেছিল।
রাজ হঠাৎ মুখ কালো করে বসে থাকে।

কেয়া রেগে যায়—

> “তুই কি আমায় বিশ্বাস করিস না?”

রাজ কিছু না বলে চলে যায়।
সেই রাতে কেয়া ফোন বন্ধ রাখে, রাজ রাতভর জেগে থাকে।
পরদিন রাজ গেটের সামনে দাঁড়িয়ে—
হাতে চায়ের কাপ, আর মুখে একটাই কথা—

> “আমি ভুল ছিলাম, কিন্তু তুই তো আমার—এটা ভুল ছিল না।”

ঝগড়ার শেষে কান্না, আর তারপরে গভীর ভালোবাসা।

---

🧸 তাদের অভ্যাস

তারা একে অপরকে “তুই” বলত, যেন ভালোবাসায় কোনো দূরত্ব না থাকে।

কেয়া রাজকে “বোকা রাজু” বলে ডাকত, আর রাজ বলত,

> “তুই না থাকলে আমি পুরো পৃথিবীর সামনে হারিয়ে যেতাম।”

তারা দুজনে মিলিয়ে একটা “ভবিষ্যতের তালিকা” বানায়—
যেখানে ছিল:

> “একটা ছোট্ট বাসা, একটা কুকুর, সকালে চায়ের কাপ,
ছুটির দিনে সিনেমা দেখা, রাতে একসাথে ঘুম…”

কেয়া নিজের চুল কেটে ফেলে একবার।
রাজ বলে—

> “কিন্তু তোর চোখে সেই আগের মেয়েটাই এখনো আছে।”

---

🕳️ অদ্ভুত বদল, চতুর্থ বছরের শেষের দিকে

কেয়া একটু বদলে যেতে শুরু করে।

প্রতিদিন ফোনে কথা কমে যায়।
রাজ লক্ষ্য করে—
কিছু মেসেজে আগের সেই উচ্ছ্বাস নেই।
কোনো ছবি তুললে কেয়া আর পোস্ট করে না,
তার চোখে একটা অচেনা ক্লান্তি জমে।

রাজ প্রশ্ন করে—

> “তুই কি ঠিক আছিস?”
কেয়া বলে—
“হ্যাঁ, একটু ব্যস্ত, তবে তুই আছিস তো।”

কিন্তু রাজ জানত—
সেই 'তুই' এখন একা হয়ে যাচ্ছে।

গল্পটি হারাতে না চাইলে ফলো করেন
পরবর্তী পর্ব এখানেই আপলোড দেয়া হবে।
গল্পটি পছন্দ হলে লাইক ও কমেন্ট করতে ভুলবেন না..🥰🥰

28/06/2025

গল্প: "যার ছিলাম না সে, হয়ে গেলো সব”
পর্ব-০১

তাদের প্রথম দেখা হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ক্লাসে।
কেয়া পেছনের সারিতে বসেছিল, রাজ ঠিক সামনে।
রাজের কলমটা পড়ে যায় পেছনে, কেয়া সেটা তুলে দেয়—
চোখের দিকে এক ঝলক তাকায়।

সেই চোখে ছিল একরকম স্পষ্ট আগ্রহ,
যেটা লুকানো যায় না।

সেদিন প্রথম, রাজের হৃদয়ে শব্দ উঠেছিল

📱বন্ধুত্ব থেকে শুরু

প্রথমদিকে তারা স্রেফ বন্ধু।
লাঞ্চ ব্রেকে একসাথে বসে খাওয়া,
লাইব্রেরিতে নোট শেয়ার করা,
আর হোস্টেলের ছাদে একসাথে আকাশ দেখা।

রাতে কেয়া মেসেজ করত—

> “ঘুম আসছে না… তুই কি জেগে আছিস?”
রাজ লিখত—
“তুই না বললে ঘুম আসবেই না।”

ধীরে ধীরে, কোনো দিন ঘোষণা ছাড়াই—
বন্ধুত্বটা প্রেমে রূপ নেয়।

---

❤️ প্রেমের শুরু, গোপন রাখার দিনগুলো

প্রথম বছরটাতে কেউ কাউকে ভালোবাসি বলেনি।
তবু ক্যাম্পাসে একসাথে হাঁটা,
ফেস্টিভ্যালে রাজের হাতে কেয়ার চুড়ি পড়ানো,
বা বৃষ্টির মধ্যে দুইজনের এক ছাতার নিচে দাঁড়িয়ে থাকা—
সবই বলে দিত,
তারা একে অপরকে ভালোবাসে।

রাজ নিজের হাতের কাঁধে খোঁজে কেয়ার মাথা,
কেয়া নিজের মুঠোফোনে ছবি তোলে রাজকে না জানিয়ে।
তাদের ভালোবাসা ছিল প্রকাশহীন,
তবু চোখে চোখ রাখলেই বোঝা যেত।

🌦️ বিশেষ দিন, ছোট ছোট মুহূর্ত

🎂 কেয়ার জন্মদিনে রাজ একটা খোপায় গুঁজে দেওয়া ছোট্ট গোলাপ উপহার দেয়।
কেয়া বলে— "এটা তো তোর দেয়া প্রথম ফুল…"
রাজ জবাব দেয়— "আর শেষ হবে না।"

🎨 একবার রাজ কেয়ার মুখের একটা স্কেচ আঁকে।
কেয়া দেখে আবেগে বলে—

> “আমি তো নিজেকেই এত সুন্দর কোনোদিন দেখিনি।”

গল্পটি হারাতে না চাইলে ফলো করেন
পরবর্তী পর্ব এখানেই আপলোড দেয়া
গল্পটি পছন্দ হলে লাইক ও কমেন্ট করতে ভুলবেন না..🥰🥰

Want your school to be the top-listed School/college in Al Ajman?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Al Muwaihat/3
Al Ajman
000000