18/06/2026
উর্দু সাহিত্যের প্রথম যুগে শেখ শরীফুদ্দীন গন্জ-এ-শকরের পথ ধরেই এগিয়ে আসেন কবি আমীর খসরু। কবি নিজেই তাঁর 'সব-সখিউঁ-মে-ছাদর মেরে মিলে' কবিতায় পূর্বসূরিকে স্মরণ করেছেন এই বলে :
'সদকায়ে বাবা গন্জ-এ-শকর কা রাখলে লাজ হামারে
কুতবে ফরিদ মিল আয়ে বরাতে
খসরু রাজ দুলারি।'
"বাবায়ে গন্জ-এ-শকরের দানকৃত আমার লজ্জা রেখে দাও
ভাগ্যক্রমে দরবেশ ফরিদ মিলেছে
আদরণীয় খসরুর রাজ্যে।"
উর্দু সাহিত্যে কবি ও কবিতা: উৎস ও ক্রমবিকাশ
সৈয়দ মবনু
পৃষ্ঠা ১৬০
মূল্য ২৮০৳
17/06/2026
আব্দুল মুগিস হাম্বলী নামের এক আলেম ইয়াযিদের প্রশংসায় ‘ফাদাইলু ইয়াযিদ’ নামে একটি বই লিখেন! এই বইয়ে তিনি ইয়াযিদের প্রশংসা সংক্রান্ত বানোয়াট ইতিহাস রচনা করেন, ইয়াযিদের অপকীর্তিগুলোর সাফাই গেয়ে তাকে সাধু প্রমাণের চেষ্টা করেন।
ইমাম ইবনুল জাওযী (রাহিমাহুল্লাহ) আব্দুল মুগিসের ইয়াযিদের প্রশংসামূলক বইয়ের জবাবে একটি বই লিখেন। বইয়ের নাম- ‘আর রাদ্দু আলাল মুতাআসসিবিল আনিদ আল মানি মিন যাম্মি ইয়াযিদ’। বইটি বাংলায় ‘ইয়াযিদকে নিন্দা করার বৈধতা ও বিরুদ্ধবাদীদের যুক্তিখণ্ডন’ নামে অনূদিত।
10/06/2026
মাকতাবাতুল হিকমাহ ও আল বুশরা প্রকাশনীর বইগুলো আমাদের কাছে পাবেন🤗
08/06/2026
মাওলানা জালালুদ্দিন রুমি ❤️
আল্লামা ইকবাল ❤️
মির্জা গালিব ❤️
05/06/2026
খাজায়ে সাইয়্যেদ বাহাউদ্দীন নকশায়ে নকশবন্দ (রহ.) এর জীবনী ও শিক্ষার বিশ্লেষণে অন্যদের রচিত অনেক কিতাব বাংলা ভাষায় আছে। কিন্তু স্বয়ং উনার মালফুযাত (সংকলিত বয়ান ও শিক্ষা) প্রথমবারের মত বাংলা ভাষায় আসতেসে
হাদিয়া মূল্য ৩৫০ টাকা নির্ধারিত (৫৪০ টাকা লিখিত মূল্য)
02/06/2026
রুমি,ইকবাল ও গালিব শীগ্রই আসছে 📣📣📣
01/06/2026
শায়খ আব্দুল কাদির ইসা রাহিমাহুল্লাহর বিখ্যাত কিতাব "হাকাইক আনিত তাসাউউফ" এর অনুবাদ "তাসাউউফের মূলকথা" ইন শা আল্লাহ এবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামাতে মাহে রবিউল আওয়াল শরিফে প্রকাশ করার প্রাণপণ চেষ্টা করছি। সবার দোয়া ও সহযোগিতা চাই।
উল্লেখ্য: এই প্রচ্ছদ প্রাথমিক সিলেকশন। পরিবর্তন হতে পারে।
লেখকের পোস্ট থেকে সংগৃহীত
24/05/2026
বই। এক মায়াবী সঙ্গী, যা নীরবে আমাদের হাত ধরে চলতে শেখায়। জীবনের প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি চড়াই-উতরাইয়ে, বই থাকে আমাদের পাশে। কখনো এটি আমাদের হাসায়, কখনো কাঁদায়। আবার কখনো একেবারে নিঃশব্দে আমাদের ভেতরের অন্ধকার দূর করে আলোর দিশা দেখায়।
একলা বিকেলে, জানালার পাশে বসে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে একটি বই খুলে বসা—এ অভিজ্ঞতা অমৃতের মতো। প্রথম পৃষ্ঠার শব্দগুলোই যেন এক অদৃশ্য জাদুর মতো আমাদের টেনে নিয়ে যায় আরেক জগতে। যে জগৎ কখনো আমাদের বাস্তবের চাইতেও বেশি জীবন্ত মনে হয়।
বইয়ের চরিত্রগুলো ধীরে ধীরে আমাদের আপন হয়ে ওঠে। আমরা তাদের হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ অনুভব করি। কোনো গল্পের নায়ক যখন সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে, তখন আমাদের ভেতরেও এক ধরনের শক্তি অনুভূত হয়। আবার কোনো কাহিনির বেদনাদায়ক পরিণতি আমাদের হৃদয়ে কষ্টের ঢেউ তোলে। তবুও বই পড়ার পর মনে হয়, এই অনুভূতিগুলো অনন্য, এই তৃপ্তি অভূতপূর্ব।
বই আমাদের নিয়ে যায় ইতিহাসের গভীরে। আমরা জানি প্রাচীন সভ্যতার উত্থান-পতন, দেখি বীরদের বীরত্বগাথা। আবার কখনো বইয়ের পাতা ঘেঁটে ভবিষ্যতের দুনিয়ায় হারিয়ে যাই। এমনকি কবিতার ছোট্ট একটি পংক্তিও কখনো গভীর আবেগ তৈরি করতে পারে।
বই শুধু তথ্য দেয় না; এটি আমাদের ভাবতে শেখায়। একটি বই কখনো প্রশ্ন তোলে, কখনো উত্তর খুঁজতে উদ্বুদ্ধ করে। আমরা বইয়ের মধ্যে জীবনের মানে খুঁজি। আমাদের ভেতরের দ্বিধা, ভয় বা শূন্যতাকে পূর্ণ করতে বইয়ের জুড়ি নেই। বইয়ের একটি শব্দ, একটি বাক্য কখনো এমনভাবে আমাদের ছুঁয়ে যায়, অনেক সময় রক্ত-মাংসের মানুষও যা পারে না।
জীবনের পথে হাঁটতে হাঁটতে আমরা কতবার দিশেহারা হই। কখনো মনে হয়, সব কিছু থমকে গেছে। ঠিক তখনই, একটি ভালো বই হয়ে ওঠে আলোর দিশারি। বই আমাদের ভাবায়—“সব ঠিক হয়ে যাবে,” বা “তুমিও পারবে।” এই আশ্বাস কখনো কোনো আসে বইয়ের শব্দরাশি থেকে, কখনো বা একজন লেখকের জীবনদর্শন থেকে।
বই আমাদের ভাবনার পরিসর বাড়ায়। একটি গল্প কিংবা প্রবন্ধ আমাদেরকে দেখায় যে, পৃথিবী কত বড়, কত বৈচিত্র্যময়। মানুষে মানুষে, সংস্কৃতিতে সংস্কৃতিতে যে ভিন্নতা, তা বুঝতে শেখায় বই। তাই বই পড়া মানে কেবল শব্দের পেছনে ছুটে চলা নয়; এটি এক ধরনের যাত্রা, যা আমাদের হৃদয় ও মনকে উন্নত করে।
বই আমাদের স্বপ্ন দেখায়। কোনো কোনো বই পড়তে গিয়ে আমরা বুঝি, আমাদের জীবনেও পরিবর্তনের সুযোগ আছে। বইয়ের আশ্রয়ে আমাদের ভেতর একটি নতুন লক্ষ্য, একটি নতুন ভাবনা জন্ম নেয়। বইয়ের পৃষ্ঠাগুলো যেন একেকটি দরজা, যা খুললেই আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুনিয়া উন্মোচিত হয়।
বই আমাদের জীবনের নীরব নায়ক। বই আমাদের সান্ত্বনা দেয়, আমাদের প্রশ্ন করে, আমাদের ভাবতে শেখায়। বই ছাড়া জীবন যেন এক অসম্পূর্ণ জীবন। প্রতিটি বই আমাদের জীবনের গল্পে নতুন নতুন মাত্রা যোগ করে, আমাদের স্বপ্নকে নতুন রঙে রাঙিয়ে তোলে।
তাই, জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে বইকে কাছে রাখা মানে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে আরও গভীরভাবে অনুভব করা। জীবনের মানেকে আরও অনেক বেশি অর্থবহ করে তোলা।
বই হোক আমার জীবনের অন্যতম সঙ্গী।