18/06/2026
সত্যিকারের বন্ধু চেনা দায়।শত্রুরা বন্ধু বেসে যেমন তোমার ক্ষতি করতে পারে তেমনি তোমার থেকে সুবিধা নেবার জন্যও তোমার বন্ধুর অভিনয় করতে পারে।
বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও।হাসি ও তেলের আড়ালে কী লুকিয়ে আছে সেটাও বুঝে নিও।আমি তোমার হয়তো বন্ধু হবার যোগ্য নই।শুধু তোমার কেন, কারোই না।কারণ,একটাই আমি মুখোশ চিনে ফেলি।ভন্ড মানুষটাকে তেল মারাতো দূরের কথা, চাইবো তার থেকে যথাসম্ভব নিরাপদ দূরত্বে থাকতে।
যদিও লোকে বলে বন্ধুত্বকে যোগ্য অযোগ্যতার মাপকাঠিতে মাপতে নেই।তবুও বলছি, এখনকার যুগেতো সম সম না দেখে কেউ কারো বন্ধু হয় না বরং বেটার পজিশন খোঁজে।
আমি তোমার কাছ থেকে কিছুই চাই নি, চেয়েছি একটু মিষ্টি হাসি,যত্ন ও ভালোবাসা।
এখন থেকে আর না হয় কিছুই চাইবো।শুধুই তোমার ভালো থাকাটাই চাই। তবুও তুমি ভালো থেকো।হারিয়ে যেও না শুধু, কথা না হয় নাই বা হোক।মনটা হয়তো তুমি কতটা ভালো আছো তাই জানতে চাইবে, এই সুযোগটা দিও যাতে আড়ালে থেকেও তোমার সুখ দুঃখের ভাগিদার হই।
আমাদের দূরত্ব হোক। কারণ, তুমি এটাই চাও।দূরে থেকেই নাকি ভালো থাকবে।তাহলে, তাই হোক।
17/06/2026
একটা মেয়ে তোমার কাছে কেন আসে?
14/06/2026
মাঝে মাঝে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি আমাদের দাঁড়াতে হয়,অন্যের রোষানলে পরতে হয়।আপনি কোন অন্যায় করেছেন সেজন্য আপনাকে অন্যরা খারাপ চোখে দেখছে এমন নয়।আপনাকে সবাই ভালো জানে কেন সে হিংসায় সে জ্বলে যাচ্ছে। আপনাকে সবাই ভালো জানে এটাকে সে মনে করে আপনি শুধু অন্যের সিমপ্যাথি নিচ্ছেন, অন্যের সাথে ভালো সেজে আছেন।
ঐ টাইপের মানুষগুলো কীভাবে নিজেকে ভালো বলে দাবি করতে চায় যারা নিজের মা-ভাই-বোন, পরিবারের সদস্য নিয়ে কটূক্তি করে,তাদের সাথে ঝগড়া বাঁধায় এবং হিংসার রোষানলে ভাসায়?
আমি তাদেরকে ঘৃণা করি যারা মিথ্যে ছড়ায়, অনুমানে অন্যের বদনাম করে ও নিজেকে ভালো বলে জাহির করতে গিয়ে অন্যকে অপমান করে।
07/06/2026
১.
বাংলাদেশ থেকে কাতার পর্যন্ত ফ্লাইটে আমার পাশের সিটে যে ছেলেটা বসেছিল— তার ওপর আমি একটা ছোটখাট ক্রাশ খেয়েছি। ছেলেটা সম্ভবত সিলেটি। আমার সাথে ওনার দু-তিনটে বাক্যের বেশি কথা হয়নি। আমি ওনাকে প্রথম ভালোভাবে খেয়াল করি খাবার পরিবেশনের পরপর। সাধারণত খাবার খাওয়ার সময় বা টেবিলে যা আছে আমি সব একটু সিরিয়াল করে রাখি। খাবার শেষেও জায়গাটা একটু পরিষ্কার করি। ওঠার পর চেয়ারটা আবার সুন্দর করে টেবিলের নিচে ধাক্কা দিয়ে রাখি। প্লেনে ছোট জায়গায় এত এত প্যাকেট এবং বাটির মাঝে গুছিয়ে খাওয়া একটু জটিল। তারপরও আমি চেষ্টা করি। যে কাজটা আমি নিজে করি সেটাই যখন কাউকে এত যত্ন করে করতে দেখলাম— মুগ্ধ না হয়ে পারলাম না।
এইটুকুন একটা টেবিল। তারমাঝেই ছেলেটা সব গুছিয়ে নিল। ন্যাপকিন খুলে কোলের ওপর রাখল। প্রত্যেকটা জিনিস খাওয়ার সাথেসাথে খালি বাটি বা প্যাকেটকে গুছিয়ে/ভাঁজ করে একপাশে সরিয়ে রাখল। খাবার শেষে টেবিলটাকে আবার সুন্দর করে মুছে পরিষ্কাের করে টিস্যুটাকে ভাজ করে অন্যান্য প্যাকেটের সাথে কফির কাপে ঢুকিয়ে দিল। এতে আশেপাশে ছাড়ানো ছিটানো খালি প্যাকেট বা টিস্যু থাকল না এবং পুরো ট্রে হয়ে উঠল ভীষণ পরিপাটি। এই ট্রের দিকে একটু দূর থেকে কেউ তাকালে বুঝবে না যে এটা খাবার খাওয়ার আগের ট্রে নাকি পরের। এত যত্ন করে এত পরিপাটি হয়ে খুব কম মানুষকেই খেতে দেখা যায়। কেউ খাওয়ার সময় তারদিকে তাকিয়ে থাকা অশোভন। কিন্তু কেউ যখন ছবি আঁকার মতো করে খায় তখন আড়চোখে তার দিকে তাকালে নিশ্চয়ই পাপ হয় না! যে বা যারা ওনাকে এত সুন্দর করে গুছিয়ে খেতে শিখিয়েছে, তাদের যদি আরো বেশি সংখ্যক মানুষজনকে শেখানোর সুযোগ হতো— তাহলে আমার ক্রাশের সংখ্যা আরো বেড়ে যেত!
২.
কাতার থেকে ফ্রাঙ্কফুর্টের ফ্লাইটে আমার পাশের সিটে এক ভিয়েতনামী বসেছিল। উনি কেবল দুইটা ইংরেজি বাক্য বলতে পারে— Okay এবং Thank you! সম্ভবত এটাই ওনার প্রথম বিমান ভ্রমণ। আমি জানালার পাশের সিটে এবং উনি আমার পাশে। কিছুক্ষণ পরপর উনি মাথা বাড়িয়ে জানালার দিকে উঁকি দিচ্ছিল এবং ছবি তোলার চেষ্টা করছিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম ফোন আমার হাতে দিবে কিনা— আমি ছবি তুলে দিব। উনি সম্ভবত না বুঝেই বললেন— Okay! আমি ফোন হাতে নিতে যাওয়া মাত্রই উনি নিজের ভাষায় কী কী যেন বলতে থাকলেন। খুব স্বাভাবিকভাবেই আমি ঘোড়ার ডিমটাও বুঝিনি। যেহেতু ওয়াইফাই নাই সেহেতু গুগল ট্রান্সলেটরও ব্যবহার করতে পারছিলাম না। তবে বডি ল্যানগুয়েজ থেকে এটা বুঝলাম যে আমার ছবি তুলে দেয়ার দরকার নেই। আর এরমাঝেই বিমানবালা এলো খাবার নিয়ে। ভদ্রলোক খাবারের ট্রলি দেখে সিটবেল্ট খুলে দাঁড়িয়ে পানির বোতল ছুঁয়ে দেখালেন যে উনি পানি খেতে চান। তারপর আসলো সবচেয়ে জটিল পরীক্ষা— বিমানবালার কাছে সম্ভবত ৩টা আইটেম, উনি কোনটা নিবেন। বিমানবালা যাই জিজ্ঞেস করছে উনি হয় বলছে Okay নয় Thank you. অবস্থা বেগতিক দেখে আমি বললাম— উনি ইংরেজি পারেন না। ওনাকে যেকোনো একটা দিয়ে দিন। কথা শুনেই বিমানবালা ট্রলি রেখে চলে গেলেন৷ কিছুক্ষণ পর একটা ফোন নিয়ে ফিরে ট্রান্সলেটরে লিখে ওনাকে জিজ্ঞেস করলেন উনি কী চান। মানে চাইলেই উনি যেকোনো একটা ধরিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু সেটা উনি করেননি। আমি ভীষণ মুগ্ধ হলাম ওনার সাহায্য করার মনমানসিকতা দেখে। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে ট্রান্সলেটরেও কোনো কাজ হয়নি। উনার চেহারা দেখে চাইনিজ মনে হওয়াতে বিমানবালা মেন্ডারিন চেষ্টা করেছেন। অবশেষে আমি আমার খাবারের আইটেম দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলাম এটা খাবে কিনা। উনি সম্মতিসূচক মাথা নাড়লেন। এরপর পুরো ৬ ঘণ্টার ফ্লাইটে উল্লেখযোগ্য একটা সময় এই ভিয়েতনামী এবং আমি কোনো রকম কোন কথ্য ভাষা ছাড়াই কথা চালিয়ে গেলাম। হাত পা নেড়ে, আঙ্গুল দেখিয়ে এমনকি ফোন গ্যালারির ছবি দেখিয়ে পর্যন্ত কথা বলেছি আমরা। খুব সম্ভবত এটাই আমার সম্পূর্ণ অপরিচিত কারো সাথে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং কনভারসেশন। উল্লেখ্য, শেষে উনি আমার সাথে একটা সেলফিও নিতে চাইলেন। আমিও রাজি হলাম। উনি হয়তো এই ছবি কাউকে দেখিয়ে কোনো একদিন গল্প করবে— আমি একটা বাক্যও বুঝি নাই উনি কী বলেছে; তারপরও আমরা বেশ গল্প জমিয়েছিলাম।
৩.
লম্বা ফ্লাইটগুলো সাধারণত ভীষণ বোরিং হয়। বেশিরভাগ সময় আমি মুভি দেখে কিংবা বই পড়ে কাটাই। তবে আশপাশের মানুষজনকে খেয়াল করাও আমার একটা শখের মধ্যে পড়ে। মানুষ বড় বিচিত্র। একেকজন একেকটা নতুন বইয়ের মতো। না পড়া পর্যন্ত আপনি বুঝবেন না এরা কে কেমন!
ফ্লাইট
০৩.০৬.২০২৬(It's copied)
07/06/2026
নিজের ব্যপারে সচেতনতা ও নিজের কাজটা নিজে করার মাঝে একটা সৌন্দর্য ফুটে উঠে।সেটা অনেকেই বুঝে না।
১.বাংলাদেশ থেকে কাতার পর্যন্ত ফ্লাইটে আমার পাশের সিটে যে ছেলেটা বসেছিল— তার ওপর আমি একটা ছোটখাট ক্রাশ খেয়েছি। ছেলেটা সম্ভবত সিলেটি। আমার সাথে ওনার দু-তিনটে বাক্যের বেশি কথা হয়নি। আমি ওনাকে প্রথম ভালোভাবে খেয়াল করি খাবার পরিবেশনের পরপর। সাধারণত খাবার খাওয়ার সময় বা টেবিলে যা আছে আমি সব একটু সিরিয়াল করে রাখি। খাবার শেষেও জায়গাটা একটু পরিষ্কার করি। ওঠার পর চেয়ারটা আবার সুন্দর করে টেবিলের নিচে ধাক্কা দিয়ে রাখি। প্লেনে ছোট জায়গায় এত এত প্যাকেট এবং বাটির মাঝে গুছিয়ে খাওয়া একটু জটিল। তারপরও আমি চেষ্টা করি। যে কাজটা আমি নিজে করি সেটাই যখন কাউকে এত যত্ন করে করতে দেখলাম— মুগ্ধ না হয়ে পারলাম না।
এইটুকুন একটা টেবিল। তারমাঝেই ছেলেটা সব গুছিয়ে নিল। ন্যাপকিন খুলে কোলের ওপর রাখল। প্রত্যেকটা জিনিস খাওয়ার সাথেসাথে খালি বাটি বা প্যাকেটকে গুছিয়ে/ভাঁজ করে একপাশে সরিয়ে রাখল। খাবার শেষে টেবিলটাকে আবার সুন্দর করে মুছে পরিষ্কাের করে টিস্যুটাকে ভাজ করে অন্যান্য প্যাকেটের সাথে কফির কাপে ঢুকিয়ে দিল। এতে আশেপাশে ছাড়ানো ছিটানো খালি প্যাকেট বা টিস্যু থাকল না এবং পুরো ট্রে হয়ে উঠল ভীষণ পরিপাটি। এই ট্রের দিকে একটু দূর থেকে কেউ তাকালে বুঝবে না যে এটা খাবার খাওয়ার আগের ট্রে নাকি পরের। এত যত্ন করে এত পরিপাটি হয়ে খুব কম মানুষকেই খেতে দেখা যায়। কেউ খাওয়ার সময় তারদিকে তাকিয়ে থাকা অশোভন। কিন্তু কেউ যখন ছবি আঁকার মতো করে খায় তখন আড়চোখে তার দিকে তাকালে নিশ্চয়ই পাপ হয় না! যে বা যারা ওনাকে এত সুন্দর করে গুছিয়ে খেতে শিখিয়েছে, তাদের যদি আরো বেশি সংখ্যক মানুষজনকে শেখানোর সুযোগ হতো— তাহলে আমার ক্রাশের সংখ্যা আরো বেড়ে যেত!
২.
কাতার থেকে ফ্রাঙ্কফুর্টের ফ্লাইটে আমার পাশের সিটে এক ভিয়েতনামী বসেছিল। উনি কেবল দুইটা ইংরেজি বাক্য বলতে পারে— Okay এবং Thank you! সম্ভবত এটাই ওনার প্রথম বিমান ভ্রমণ। আমি জানালার পাশের সিটে এবং উনি আমার পাশে। কিছুক্ষণ পরপর উনি মাথা বাড়িয়ে জানালার দিকে উঁকি দিচ্ছিল এবং ছবি তোলার চেষ্টা করছিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম ফোন আমার হাতে দিবে কিনা— আমি ছবি তুলে দিব। উনি সম্ভবত না বুঝেই বললেন— Okay! আমি ফোন হাতে নিতে যাওয়া মাত্রই উনি নিজের ভাষায় কী কী যেন বলতে থাকলেন। খুব স্বাভাবিকভাবেই আমি ঘোড়ার ডিমটাও বুঝিনি। যেহেতু ওয়াইফাই নাই সেহেতু গুগল ট্রান্সলেটরও ব্যবহার করতে পারছিলাম না। তবে বডি ল্যানগুয়েজ থেকে এটা বুঝলাম যে আমার ছবি তুলে দেয়ার দরকার নেই। আর এরমাঝেই বিমানবালা এলো খাবার নিয়ে। ভদ্রলোক খাবারের ট্রলি দেখে সিটবেল্ট খুলে দাঁড়িয়ে পানির বোতল ছুঁয়ে দেখালেন যে উনি পানি খেতে চান। তারপর আসলো সবচেয়ে জটিল পরীক্ষা— বিমানবালার কাছে সম্ভবত ৩টা আইটেম, উনি কোনটা নিবেন। বিমানবালা যাই জিজ্ঞেস করছে উনি হয় বলছে Okay নয় Thank you. অবস্থা বেগতিক দেখে আমি বললাম— উনি ইংরেজি পারেন না। ওনাকে যেকোনো একটা দিয়ে দিন। কথা শুনেই বিমানবালা ট্রলি রেখে চলে গেলেন৷ কিছুক্ষণ পর একটা ফোন নিয়ে ফিরে ট্রান্সলেটরে লিখে ওনাকে জিজ্ঞেস করলেন উনি কী চান। মানে চাইলেই উনি যেকোনো একটা ধরিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু সেটা উনি করেননি। আমি ভীষণ মুগ্ধ হলাম ওনার সাহায্য করার মনমানসিকতা দেখে। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে ট্রান্সলেটরেও কোনো কাজ হয়নি। উনার চেহারা দেখে চাইনিজ মনে হওয়াতে বিমানবালা মেন্ডারিন চেষ্টা করেছেন। অবশেষে আমি আমার খাবারের আইটেম দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলাম এটা খাবে কিনা। উনি সম্মতিসূচক মাথা নাড়লেন। এরপর পুরো ৬ ঘণ্টার ফ্লাইটে উল্লেখযোগ্য একটা সময় এই ভিয়েতনামী এবং আমি কোনো রকম কোন কথ্য ভাষা ছাড়াই কথা চালিয়ে গেলাম। হাত পা নেড়ে, আঙ্গুল দেখিয়ে এমনকি ফোন গ্যালারির ছবি দেখিয়ে পর্যন্ত কথা বলেছি আমরা। খুব সম্ভবত এটাই আমার সম্পূর্ণ অপরিচিত কারো সাথে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং কনভারসেশন। উল্লেখ্য, শেষে উনি আমার সাথে একটা সেলফিও নিতে চাইলেন। আমিও রাজি হলাম। উনি হয়তো এই ছবি কাউকে দেখিয়ে কোনো একদিন গল্প করবে— আমি একটা বাক্যও বুঝি নাই উনি কী বলেছে; তারপরও আমরা বেশ গল্প জমিয়েছিলাম।
৩.
লম্বা ফ্লাইটগুলো সাধারণত ভীষণ বোরিং হয়। বেশিরভাগ সময় আমি মুভি দেখে কিংবা বই পড়ে কাটাই। তবে আশপাশের মানুষজনকে খেয়াল করাও আমার একটা শখের মধ্যে পড়ে। মানুষ বড় বিচিত্র। একেকজন একেকটা নতুন বইয়ের মতো। না পড়া পর্যন্ত আপনি বুঝবেন না এরা কে কেমন!
ফ্লাইট
০৩.০৬.২০২৬(ইটস কপিড)...
03/06/2026
For husbands and boys....