Darul Uloom Emdadia

Darul Uloom Emdadia

Share

জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম এমদাদিয়া মাদ্রাসা
কোনাখোলা, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।

18/06/2026

আগামীকাল শুক্রবার, আমরা তাহাজ্জুদ নামাজের ব্যাপারে যত্নবান হই ইনশাআল্লাহ।

17/06/2026

অনেক তালিবে ইলমের অবস্থা হলো, ইলমী আলোচনা শুনতে তো তারা খুব আগ্রহী। কিন্তু আমলী আলোচনা, যুহুদ তাক‌ওয়ার আলোচনা, জান্নাত জাহান্নামের আলোচনা শুনতে তারা আগ্রহী নয়। এরা শয়তানের ধোঁকায় নিপতিত। তাদের বিষয়ে ইবনুল জাওযী রহ. বলেছেন,

فإن ذكر لهم كلام يلين به القلب، قالوا: هذا كلام الوعاظ (تلبيس إبليس: ص ١٧٤)

"তাদের কে যদি অন্তর নরমকারী কোনো কথা বলা হয় তাহলে তারা এই বলে এড়িয়ে যায়, এগুলো তো ওয়ায়েজদের কথা।"

আমি নিজেও এক সময় এই ধোঁকায় ছিলাম। ইলমী আলোচনা ছাড়া অন্য কোনো আলোচনা শোনার আগ্রহ পেতাম না। আমলী কোনো আলোচনা শোনার উপলক্ষ সামনে আসল মনে মনে বলতাম, কী বলবে তা তো জানি‌ই। নতুন কিছু তো জানা হবে না!

আমার এই চরম ভুল ভাঙ্গে আরো আট নয় বছর আগের মারকাযুদ দাওয়াহর টিনের মসজিদে আব্দুল মালেক সাহেব হুজুরের জুমার আরবী খুতবার এক আলোচনায়। তিনি বলেছিলেন, শুধু শেখার জন্যেই শুনতে হয় না। কখনো কখনো শুনতে হয় উপদেশ গ্রহণের জন্য। আর উপদেশ গ্রহণের জন্য নতুন কিছু হতে হয় না। জানা কথা শুনে শুনেও উপদেশ গ্রহণ করা যায়। শুধু تعلم এর জন্যে শুনবে না। تذكر এর জন্যেও শুনবে।

হুজুরের এই কথা শুনার পর আমার জন্য আমলী কথা শোনা সহজ হয়ে গেছে। সাদামাটা আমলী কথাও এখন মনোযোগ দিয়ে শুনতে পারি আলহামদুলিল্লাহ। দোয়া চাই, আল্লাহ যেন আমল করার‌ও তাওফিক দেন।

সংগ্রহীত

16/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ! পবিত্র হিজরী ১৪৪৮ সালের সূচনা এবং বরকতময় মহররম মাসের আগমন ঘটেছে।

মহান আল্লাহ এ নতুন বছর ও মহররম মাসকে আমাদের জন্য কল্যাণ, রহমত, ক্ষমা ও তাকওয়া অর্জনের মাধ্যম বানিয়ে দিন। আমীন।


#নতুন_হিজরি_বর্ষ
#ইসলামিক_নিউ_ইয়ার

16/06/2026

মাদ্রাসার আঙিনায় তখনো পা রাখিনি। পথেঘাটে ওয়াজের পোস্টারে বক্তাদের নামের শুরুতে নানা উপাধি দেখতাম। এর মাঝে ‘শাইখুল হাদিস’ উপাধিটা কেন যেন খুব রাজকীয় মনে হতো। বয়োজ্যেষ্ঠদের দেখতাম শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক রহ. এর নাম কী ভীষণ শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার সাথে উচ্চারণ করছেন! একবার এক শাইখুল হাদিসের (নামটি এখন আর মনে নেই) ওয়াজ শুনে অঝোরে কেঁদেছিলাম। সব মিলিয়ে এই উপাধি ও উপাধির মানুষদের প্রতি ছোট্ট মনে অজান্তেই এক গভীর ভক্তি জন্ম নিয়েছিল।

একদিন শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক রহ. আমাদের পাশের থানায় এলেন। তাঁকে একনজর দেখার জন্য বাবা-মায়ের অনুমতি ছাড়াই তার সাক্ষাৎ প্রত্যাশীদের পিছু নিলাম। জীবনে সেটাই ছিল পরিবার ছাড়া একা একা এত দূরে যাওয়ার প্রথম অভিজ্ঞতা। বয়সের তুলনায় বেশ বড়সড় অপরাধই বটে! ফলে বাড়ি ফিরে বিস্তর বকাঝকা শুনতে হলো। যদি হারিয়ে যেতাম বা ছেলেধরায় নিয়ে যেত, সেই ভয় থেকেই বকে ছিলেন তারা। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, শাইখুল হাদিস রহ. কে দেখার যে স্নিগ্ধ তৃপ্তি আমার মন ছুঁয়েছিল বকুনির জোয়ারে তাতে একটুকুও ভাটা পড়েনি।

এরপর একদিন মাদানীনগর মাদ্রাসায় ভর্তি হলাম। নতুন ছাত্র হিসেবে মাদ্রাসার সবকিছু চেনার এক অন্যরকম কৌতূহল ছিল। তবে সবচেয়ে বড় কৌতূহল ছিল মাদানীনগরের শাইখুল হাদিস সাহেবকে দেখার। কয়েকজনকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘হুজুরের কামরা কোথায়?’ তারা জানালেন, দোতলায়। কয়েকবার দোতলায় উঠলাম। এদিক-সেদিক তাকাই, অনেককেই দেখি, কিন্তু কাউকেই আমার কল্পনার সেই ‘শাইখুল হাদিস’ বলে মনে হয় না। দাওরায়ে হাদিসের ক্লাস শুরু হলে ভয়ে ভয়ে কয়েকদিন উঁকি দিলাম, সেখানেও একই অবস্থা!
অবশেষে একদিন সাহস করে দাওরায়ে হাদিসের এক বড় ভাইকে জিজ্ঞেস করলাম, শাইখুল হাদীস সাহেব এখন কোথায় আছেন। তিনি একজনের দিকে ইশারা করে বললেন, ‘এই তো শাইখুল হাদীস সাহেব।’

আমি যেন আকাশ থেকে পড়লাম! উনাকে তো আমি এর আগেও কয়েকবার দেখেছি! দাওরায়ে হাদিসের বারান্দায় বসে থাকেন। একবার দেখলাম, মসজিদ থেকে এলাকার সাধারণ মানুষদের সাথে তাবলীগের গাশতে বের হতে। আমি ঘুর্ণাক্ষরেও ভাবিনি, তিনি‌ই শাইখুল হাদীস। আসলে তাঁর সাদাসিধা পোশাক ও সহজ সরল চালচলন দেখে ভেবেছিলাম, তিনি হয়তো সাধারণ কোনো উস্তাদ হবেন। তিনি কোন বিভাগের উস্তাদ, কী কিতাব পড়ান এসব জানার‌ও কৌতূহল জাগেনি। আমার মনের ভেতর শাইখুল হাদিসের যে জৌলুসপূর্ণ রাজকীয় ছবি আঁকা ছিল তার সাথে এই সাদাসিধা মানুষটির কোনো মিলই পাচ্ছিলাম না। আমার সরল মন তখন কিছুটা হতাশ হয়েছিল।

কিন্তু দিন যত গড়িয়েছে, পূর্বসূরি বুজুর্গদের জীবনধারা সম্পর্কে যত জানা হয়েছে, শাইখুল হাদীস সাহেবকে কাছ থেকে দেখার‌ও সুযোগ দিন দিন যত বৃদ্ধি পেয়েছে; হৃদয়ের গভীর থেকে ততোটাই উপলব্ধি করেছি, তিনি ছিলেন কুর‌আন সুন্নাহর একজন প্রকৃত অনুসারী এবং আমাদের পূর্বসূরিদের স্বচ্ছ হৃদয় ও সরল জীবনের একনিষ্ঠ ধারক। সব সময় মনে হতো, এখনো হয়, এই দুনিয়া মানুষটাকে স্পর্শ করতে পারেনি। আজ স্মৃতিচারণ করতে বসে বারবার মনে হচ্ছে, ফিতনা হাঙ্গামায় ভরা এই যুগে এমন খাঁটি মানুষের কতই না প্রয়োজন ছিল, আর তা এখন কতই না দুর্লভ!

জ্ঞানের গভীরতা, দ্বীনের সঠিক বুঝ, অন্তরের পরিচ্ছন্নতা, দুনিয়ার আরাম-আয়েশের প্রতি চরম অনীহা, সুনাম ও প্রচারবিমুখতা, অনর্থক কথা ও কাজ এড়িয়ে চলা, স্পষ্টবাদিতা এবং বিদআতের প্রতি কঠোরতা এই গুণগুলো তাঁর মধ্যে এতই প্রবল ছিল যে, শুধু কাছ থেকে নয়, দূর থেকে স্বাভাবিকভাবে দেখলেও তা গভীরভাবে অনুভব করা যেত।

আমি যখন ‘শরহে জামী’ পড়ি তখন মাদানীনগরের এক ফাজেল ভাইয়ের কাছে একটি গল্প শুনেছিলাম। তাদের দাওরায়ে হাদিসের বছর ছাত্র আমির হুজুরের দরসের প্রস্তুতি মূলক মোতালাআর জন্য ‘ফয়জুল বারী’ 'ঈযাহুল বুখারীসহ বুখারি শরিফের কিছু ব্যাখ্যাগ্রন্থ নিয়ে যান। হুজুর তখন ফয়জুল বারী বা ঈযাহুল বুখারী দেখিয়ে বলেছিলেন, এটা নিয়ে যাও। এটা আমার মুখস্থ হয়ে গেছে!"
কথাটা হুজুর ঠিক কীভাবে বলেছিলেন, বর্ণনাকারী কতটা হুবহু মনে রাখতে পেরেছিলেন তা জানি না। তবে দাওরায়ে হাদীসের দরসে বসার পর বুঝেছিলাম, কথাটায় তেমন একটা অতিরঞ্জন ছিল না। এই তো সেদিনও মাদ্রাসার নাজেমে তালিমাত মুফতি আবুল বারী সাহেবের মুখে শুনলাম, শাইখুল হাদীস সাহেবের যতটুকু ইলম আমাদের কাছে প্রকাশ পেয়েছে তার চেয়েও অনেক বেশি ইলম তার মধ্যে লুক্কায়িত ছিল।

হুজুরের কাছে আমরা ‘মুখতাসারুল মাআনী’র মতো জটিল কিতাব পড়েছি। যারা মনোযোগ দিয়ে দরস শুনেছেন তাদের সকলে একবাক্যে স্বীকার করবে, এত কঠিন কিতাবও হুজুর একদম পানির মতো সহজ করে বুঝিয়ে দিতেন।
পরবর্তীতে হুজুরের কাছে মেশকাত (আউয়াল) ও বুখারি (আউয়াল) পড়ার সৌভাগ্য হয়। তখন হুজুরের দৃষ্টিশক্তি বেশ কমে গেছে, চোখে অস্ত্রোপচারও হয়েছে। মাথা নিচু করে কিতাবের একেবারে কাছে চোখ নিয়ে লেখা দেখতে হতো। বোঝাই যায়, এমন অবস্থায় দরসের প্রস্তুতি নেওয়াটা তাঁর জন্য কতটা কষ্টের ছিল! তবু আমাদের বা আমাদের আগের-পরের কোনো ছাত্রের হুজুরের দরস নিয়ে বিন্দুমাত্র অভিযোগ ছিল না। হাদীসের কঠিন সব অর্থ তিনি অনায়াসে বলে দিতেন। যেখানে যতটুকু ব্যাখ্যা প্রয়োজন তা স্পষ্টভাবে সংক্ষেপে বুঝিয়ে দিতেন। মতভেদপূর্ণ মাসআলাগুলো প্রয়োজনমতো আলোচনা করতেন। আর দরস শেষ হ‌ওয়ার ঘণ্টা বাজামাত্রই তিনি উঠে যেতেন। কিন্তু বছর শেষে ঠিক সময়েই কিতাবের পাঠদান শেষ করে দিতেন।

আমাদের সময়ের‌ও অনেক আগে থেকেই হুজুরের নির্দিষ্ট কোনো খাদেম ছিল না। দাওরায়ে হাদীসের ছাত্ররাই পালা করে উনার বিভিন্ন কাজ আঞ্জাম দিতেন। সেই সুবাদে হুজুরের কামরায় যতবার গিয়েছি, ততবারই আমার সাহাবিদের সরল জীবনের কথা মনে পড়েছে। মনে পড়েছে পূর্বসূরিদের দুনিয়াবিমুখতার গল্প আর কাসেম নানুতুবি (রহ.)-এর সেই সহজ-সরল অনাড়ম্বর জীবনের কথা।

লিখতে বসে আজ একটি হাদীসের কথা খুব মনে পড়ছে। একবার উমর রা. নবীজি সা. এর কামরায় গিয়ে দেখলেন, তিনি একটি সাধারণ চাটাইয়ের ওপর শুয়ে আছেন। চাটাইয়ের দাগ নবীজির মোবারক পিঠে বসে গেছে। এই দৃশ্য দেখে উমর রা. কেঁদে ফেললেন। নবীজি সা. জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কাঁদছ কেন?" উমর রা. বললেন, "রোম আর পারস্যের সম্রাটরা কত বিলাসবহুল জীবন কাটায়, আর আপনি আল্লাহর রাসুল হয়েও এত সাধারণ জীবনযাপন করছেন!" নবীজি (সা.) তখন বললেন, "তুমি কি এতে খুশি নও যে, তাদের জন্য এই দুনিয়া আর আমাদের জন্য আখেরাত?" হুজুরের কামরায় গেলে আমারও ঠিক এমনটাই অনুভব হতো।

তিনি মাদ্রাসার খাবার খেতেন না। খুব স্বাভাবিক কিছু খাবার তার জন্য রান্না করা হতো। দাওরা হাদীসের ছাত্ররাই তিন জনের গ্রুপ করে একেক দিন রান্না করত। আমি একটা গ্রুপে ছিলাম কাটাকাটির জন্য। আমার সাথে আরেকজন কাটাকাটি করত। আর তৃতীয়জন রান্না করত। একদিন আমাদের পালা আসলে রান্নাকারী ভাই ছিলেন না। তখন আমরা কাটাকাটিকারীরাই রান্না করার স্পর্ধা দেখালাম। ফলে যা হবার তাই হলো। লবন আর মসলার বাড়াবাড়ির কারণে রান্না মুখে দেওয়ার মত ছিলো না। এদিকে হুজুর মাদ্রাসার খাবার‌ও খাবেন না। বাহিরের খাবারের তো প্রশ্ন‌ই আসে না। বাধ্য হয়ে আমাদের কারসাজিতে তৈরি ঐ অপদার্থ রান্নাই হুজুরের সামনে পেশ করতে হলো। আশ্চর্যের বিষয়, হুজুর একটুও কিছু বললেন না। কষ্ট করে নিরবে খেয়ে নিলেন।

একটি কথা না বললেই নয়। হুজুরকে প্রায় দিন অনেক মনোযোগ দিয়ে পত্রিকা পড়তে দেখতাম। খুব অবাক লাগত, এমন দুনিয়াবিমুখ একজন মানুষ দুনিয়ার এত খোঁজখবর কেন রাখেন! পরক্ষণেই মনে হতো, হুজুর একজন সাধক কথাটা যেমন সত্যি তার চেয়ে বড় সত্যি হলো তিনি একজন বিজ্ঞ ‘আলেম’ ছিলেন। আর তাঁর পর্যায়ের একজন আলেমের জন্য যুগ সম্পর্কে সচেতন থাকাটা যে কতটা জরুরি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। পত্রিকা পড়াটাকে তিনি যুগ সচেতনতার সহায়ক হিসেবেই দেখতেন।

সংগ্রহীত

15/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ! ছাত্রদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাদ্রাসার দেয়ালিকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা তাদের এই প্রচেষ্টা কবুল করুন এবং উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমীন।

#আলহামদুলিল্লাহ
#দেয়ালিকা
#মাদ্রাসা
#ছাত্রদের_পরিশ্রম
#সৃজনশীলতা
#ইসলামী_শিক্ষা





14/06/2026

সকল প্রকার বিপদ-আপদ, অনিষ্ট ও অকল্যাণ থেকে নিরাপত্তা ও হেফাজত কামনার দোয়া।

اللَّهمَّ احفظني من بينِ يدىَّ ومن خَلفي وعن يَميني وعَن شِمالي ومن فَوقي وأعوذُ بعظَمتِك أن اغتالَ من تحتي

হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আমার সামনে থেকে, পেছন থেকে, ডান দিক থেকে, বাম দিক থেকে এবং উপর থেকে হেফাজত করুন। আর আমি আপনার মহিমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যেন আমার নিচের দিক থেকে আকস্মিকভাবে ধ্বংস বা ক্ষতির সম্মুখীন না হই।

#দোয়া
#নিরাপত্তা_ও_হেফাজতের_দোয়া
#দৈনিক_দোয়া
#ইসলামিক_পোস্ট
#কুরআন_ও_সুন্নাহ
#রাসূলের_দোয়া
#আমল

11/06/2026

كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ

প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে।
— সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৮৫।

আজ জুমার রাত। শেষ রাতে জেগে উঠে আল্লাহর কাছে নিজের সকল হাজাত, পেরেশানি ও আশা-আকাঙ্ক্ষার জন্য দোয়া করি। নিশ্চয়ই এটি দোয়া কবুলের এক মহামূল্যবান সময়।

10/06/2026

ইনশাআল্লাহ, খুব শীঘ্রই ছাত্রদের মাসিক পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশ করা হবে।

Darul Uloom Emdadia

09/06/2026

আর তুমি আল্লাহর উপর ভরসা করো এবং কর্মবিধায়ক (অভিভাবক ও তত্ত্বাবধায়ক) হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।
- সূরা আল-আহযাব, ৩৩:৩

07/06/2026

ইনশাআল্লাহ, দীর্ঘদিনের বিরতির পর আগামীকাল জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম এমদাদিয়া খুলতে যাচ্ছে। মহান আল্লাহ তাআলা যেন সকল ছাত্র ও উস্তাদগণকে সুস্থতা ও নিরাপত্তার সাথে মাদ্রাসায় উপস্থিত হওয়ার তাওফিক দান করেন এবং শিক্ষাজীবনে বরকত নসীব করেন। আমীন।

#জামিয়া_ইসলামিয়া_দারুল_উলুম_এমদাদিয়া
#মাদরাসা_খোলা
#ইলমের_পথে
#তালিবুল_ইলম
#ইসলামি_শিক্ষা
#দ্বীনি_শিক্ষা
#মাদরাসা_জীবন
#শিক্ষার_আলো
#বরকতময়_শিক্ষা
#সুস্থতা_ও_নিরাপত্তা
#আল্লাহর_রহমত
#দোয়া_চাই
#ইনশাআল্লাহ
#আলহামদুলিল্লাহ










Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

হাফেজ্জী নগর (কোনাখোলা) কেরানীগঞ্জ। কোনাখোলা উপজেলা পরিষদের পিছনে
Dhaka