IKO Pharma Hub

IKO Pharma Hub

Share

The Founder and CEO of IKO Pharma hub is Ifrad Kholil. Their dedication to student empowerment ensures a brighter future for the healthcare sector.

IKO Pharma Hub: Empowering Pharmacy Students in Bangladesh
IKO Pharma Hub is more than just a company; it's a community dedicated to empowering pharmacy students in Bangladesh. They foster a dynamic environment where students can learn, collaborate, and make a real impact on the healthcare landscape. Bridging the Gap Between Education and Action

IKO Pharma Hub recognizes the value of practical ex

03/06/2026

হিটস্ট্রোকের সতর্কতা!!
দেশজুড়ে চলছে তাপপ্রবাহ। পাশাপাশি বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় প্রচণ্ড ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। এতে এক অসহনীয় ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাই এই সময়ে, বিশেষ করে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সরাসরি কড়া রোদের মধ্যে দীর্ঘ সময় অবস্থান করা থেকে বিরত থাকুন।

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়াই উত্তম। বাইরে যেতে হলে ছাতা বা মাথা ঢাকার ব্যবস্থা ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, তাই ঘন ঘন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

এই সময়ে খোলা মাঠে কৃষিকাজ বা দীর্ঘ সময় পরিশ্রমমূলক কাজ করা হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই সবাই এসব বিষয়ে সচেতন থাকুন এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন।
জনসচেতনতায়
Bangladesh Weather Observation Team Ltd.

27/05/2026

Eid Mubarak . Have a Healthy Eid Ul Adha .

26/05/2026

গরুর গুঁতো বা কোরবানি ঈদের পশুর আঘাতে তীব্র ব্যথা? জেনে নিন সঠিক ঔষধ ও সেবনবিধি
​কোরবানির হাটে বা পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় পশুর গুঁতো, লাথি কিংবা চাপা খেয়ে মাংসপেশিতে তীব্র আঘাত বা মচকে যাওয়ার ঘটনা অহরহ ঘটে। এই ধরণের ব্লান্ট ট্রমা (Blunt Trauma) বা ভোঁতা আঘাতের ব্যথা উপশমে কিছু প্রাথমিক ঔষধ বেশ কার্যকর।
​ব্যথার তীব্রতা অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শে নিচের ঔষধগুলো সেবন করা যেতে পারে:
​১. মৃদু থেকে মাঝারি ব্যথায়: প্যারাসিটামল (Paracetamol)
​আঘাত পাওয়ার পর যদি ব্যথা হালকা বা মাঝারি ধাঁচের হয়, তবে শুরুতেই প্যারাসিটামল বেছে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ। এটি পাকস্থলীর ক্ষতি করে না।
​সেবনবিধি: প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০০ মিলিগ্রাম (mg) থেকে ১ গ্রাম (১০০০ mg) করে দিনে ৩ থেকে ৪ বার (প্রতি ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা পর পর) খাওয়া যেতে পারে। তবে ২৪ ঘণ্টায় যেন কোনোভাবেই ৪ গ্রামের বেশি না হয়। ভরা পেটে বা খালি পেটে খাওয়া যায়।
​ব্র্যান্ড গাইড:
​Square: Ace / Ace Plus (এস / এস প্লাস)
​Beximco: Napa / Napa Extend (নাপা / নাপা এক্সটেন্ড)
​Incepta: Reset (রিসেট)
২. মাঝারি থেকে তীব্র ব্যথায়: ইবুপ্রফেন (Ibuprofen)
​আঘাতের স্থানে যদি ব্যথার পাশাপাশি ফুলে যায় বা লাল হয়ে থাকে, তবে এটি একটি চমৎকার NSAID (নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ)। এটি ব্যথা ও ফোলা দুই-ই কমায়।
​সেবনবিধি: ২০০ থেকে ৪০০ মিলিগ্রাম করে দিনে ৩ বার (প্রতি ৮ ঘণ্টা পর পর)। এটি অবশ্যই ভরা পেটে খেতে হবে এবং সাথে একটি গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ (যেমন- ওমিপ্রাজল বা এসোমিপ্রাজল) খেয়ে নেওয়া ভালো।
​ব্র্যান্ড গাইড:
​Square: Flamax (ফ্ল্যাম্যাক্স)
​Beximco: Proxen (প্রোক্সেন - এটি মূলত নেপ্রোক্সেন, ইবুপ্রফেন হিসেবে বেক্সিমকোর সাধারণ ব্র্যান্ড লভ্য নয়) / বিকল্প হিসেবে ইনসেপ্টা বা স্কয়ার দেখা যায়।
​Incepta: Intafen (ইনটাফেন)
​৩. দীর্ঘমেয়াদী বা পেশির তীব্র টানে: ন্যাপ্রক্সেন (Naproxen)
​পশুর লাথি বা গুঁতোয় যদি হাড় বা মাংসপেশিতে তীব্র মোচড় লাগে এবং ব্যথা দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয়, তবে ন্যাপ্রক্সেন দীর্ঘ সময় ধরে (১২ ঘণ্টা পর্যন্ত) শরীরে কাজ করে।
​সেবনবিধি: ২৫০ থেকে ৫০০ মিলিগ্রাম করে দিনে ২ বার (প্রতি ১২ ঘণ্টা পর পর)। এটিও অবশ্যই ভরা পেটে সেবন করতে হবে এবং গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ বাধ্যতামূলক।
​ব্র্যান্ড গাইড:
​Square: Anaprox (অ্যানাপ্রক্স)
​Beximco: Proxen (প্রোক্সেন)
​Incepta: Napryn (ন্যাপ্রিন)
​⚠️ কিছু জরুরি সতর্কতা ও সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQs)
​প্যারাসিটামল ও NSAID কি একসাথে খাওয়া যায়?
হ্যাঁ, তীব্র ব্যথায় চিকিৎসকরা অনেক সময় প্যারাসিটামলের সাথে ইবুপ্রফেন বা ন্যাপ্রক্সেন একসঙ্গে প্রেসক্রাইব করেন, কারণ এদের কাজের ধরন আলাদা। তবে নিজে নিজে ওভারডোজ করা যাবে না।
​আইস প্যাক থেরাপি: আঘাতের প্রথম ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা কোনো গরম সেঁক দেবেন না। আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে বরফ বা ঠান্ডা পানির সেঁক (Ice pack) দিন ১০-১৫ মিনিট করে। এতে ভেতরের রক্তক্ষরণ ও ফোলা কমে আসবে।
​ধনুষ্টংকার (Tetanus) এর ঝুঁকি: গরুর শিং বা খুরের আঘাতে যদি চামড়া কেটে যায় বা ছিলে গিয়ে রক্ত বের হয়, তবে অবশ্যই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি Tetanus Toxoid (TT) ইনজেকশন নিয়ে নিতে হবে।
​🚨 কখন দ্রুত হাসপাতালে যাবেন?
​আঘাতের পর যদি ক্ষত স্থান থেকে প্রচুর রক্তপাত হয়।
​যদি কোনো হাড় ভেঙে গেছে বলে সন্দেহ হয় (অঙ্গটি অস্বাভাবিক বেঁকে গেলে বা নাড়াতে না পারলে)।
​পেটে বা বুকে গুরুতর গুঁতো খাওয়ার পর যদি তীব্র শ্বাসকষ্ট, বমি বা প্রস্রাবের সাথে রক্ত আসে (অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের লক্ষণ)।

25/05/2026

শিরোনাম: কুরবানির ঈদে গরুর মাংস খাচ্ছেন? জেনে নিন কিছু জরুরি স্বাস্থ্য সচেতনতা! 🥩🩺
​কুরবানি ঈদের আনন্দ মানেই পরিবার-পরিজন মিলে চমৎকার সব মাংসের পদের স্বাদ নেওয়া। কিন্তু অতিরিক্ত তৈলাক্ত ও মসলাযুক্ত মাংস খাওয়ার ফলে ঈদের পরপরই আমাদের অনেকেরই পেটের সমস্যা, গ্যাস্ট্রিক কিংবা রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। সুস্থ থেকে ঈদের আনন্দ পুরোপুরি উপভোগ করতে গরুর মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চলা জরুরি।
​১. মাংসের চর্বি ও পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করুন ⚖️
​গরুর মাংসে প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। তাই কাটার সময়ই দৃশ্যমান চর্বিগুলো যতটা সম্ভব ফেলে দিন।
​একবারে অতিরিক্ত মাংস না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার অভ্যাস করুন। বিশেষ করে যাদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা হার্টের সমস্যা আছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করুন।
​২. রান্নার পদ্ধতিতে আনুন পরিবর্তন 🍳
​মাংস রান্নায় অতিরিক্ত তেল বা ডালডা ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। মাংসে নিজস্ব যে চর্বি থাকে, তাতেই অনেক সময় সুন্দর রান্না হয়ে যায়।
​বেশি সময় ধরে উচ্চ তাপে ঝোল কষানোর চেয়ে বার্বিকিউ, স্টু বা কম তেলে বেক/গ্রিল করে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী।
​৩. খাবারের প্লেটে থাকুক সবজি ও সালাদ 🥗
​শুধু মাংস না খেয়ে খাবারের মেন্যুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে শসা, টমেটো, লেবু ও গাজরের সালাদ রাখুন।
​আঁশযুক্ত সবজি (যেমন: লাউ, পেঁপে বা পটল) দিয়ে মাংস রান্না করলে তা হজমে দারুণ সাহায্য করে।
​৪. পর্যাপ্ত পানি ও টকদই খাবেন 💧🥛
​মাংস খাওয়ার পর হজমপ্রক্রিয়া ঠিক রাখতে সারাদিনে পর্যাপ্ত (কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস) পানি পান করুন।
​খাওয়ার শেষে কোমল পানীয় (Soft drinks) এড়িয়ে চলাই ভালো। এর বদলে ঘরে পাতা টকদই বা পুদিনা পাতার বোরহানি খেতে পারেন, যা মেদ জমতে বাধা দেবে এবং হজম সহজ করবে।
​৫. মাংস সংরক্ষণে সতর্কতা ❄️
​কুরবানির পর মাংস ভালোভাবে ধুয়ে রক্ত পরিষ্কার করে পানি ঝরিয়ে ফ্রিজে রাখুন।
​ফ্রিজে রাখার সময় ছোট ছোট অংশে ভাগ করে রাখুন, যেন প্রতিবার রান্নার সময় পুরো মাংসের প্যাকেট ডিফ্রস্ট (বরফ গলানো) করতে না হয়। বারবার বরফ গলালে মাংসের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় এবং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে।
​৬. খাওয়ার পরপরই ঘুমিয়ে পড়বেন না 🚶‍♂️
​রাতের ভারী খাবার খাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা পর ঘুমাতে যান। খাওয়ার পর কিছুক্ষণ ঘরের ভেতর বা বারান্দায় হালকা হাঁটাচলা করুন। এতে শরীরের ওপর চাপ কম পড়বে।
​বিশেষ দ্রষ্টব্য: যারা আগে থেকেই বিভিন্ন ক্রনিক ডিজিজে (যেমন: কিডনি রোগ, উচ্চ কোলেস্টেরল) ভুগছেন, তারা ঈদের আগেই নিজের চিকিৎসকের কাছ থেকে মাংস খাওয়ার নিরাপদ পরিমাণটি জেনে নিন।
​সচেতনতাই পারে উৎসবের আনন্দকে দ্বিগুণ করতে। নিজে সুস্থ থাকুন, পরিবারকে সুস্থ রাখুন। সবাইকে অগ্রিম ঈদ মোবারক! ✨🐑

24/05/2026

✍️*জরুরি নোটিশ*✍️
"" "" "" "" "" "" "" "" "" "" "" "" ""
*সারাদেশে হিট এলার্ট জারি, হিট ওয়েভ আসছে, তাপমাত্রা হতে পারে ৪০°-৫০° সে: সতর্ক হোন ।*

✒️*করনীয়: বর্জনীয়*

—স্বভাবিক পানি পান করুন।
ধীরে ধীরে।

—ঠান্ডা পানি পান পরিহার করুন। বরফ/বরফ পানি পুরোপুরিই পরিহার করুন।

—বর্তমানে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুরে এই HEAT WAVE চলছে।

—যখন তাপমাত্রা ৪০°সে-এ পৌঁছে তখন খুব ঠান্ডা পানি পান করতে নিষেধ করেন চিকিৎসকগণ। কারণ এতে রক্তনালী হঠাৎই সঙ্কুচিত হয়ে
হঠাৎই স্ট্রোক হতে পারে।

—যখন বাহিরের তাপমাত্রা ৩৮°সে অতিক্রম করে তখন ঘরে চলে আসুন বা ছায়ায় অবস্থান করুন। ঠান্ডা পানি পান করবেন না। স্বভাবিক তাপের পানি পান করুন বা ঈষৎ গরম পানি।
তাও ধীরে ধীরে।

—ঘরে এসেই হাত-পা-মুখ ধুবেন না।হাত-মুখ ধোয়ার আগে একটু অপেক্ষা করুন। দেহকে ঘরের তাপের সাথে খাপ খেতে দিন । অন্ততঃ আধা ঘন্টা অপেক্ষা করুন হাত-মুখ ধোযার আগে বা গোসলের আগে।

—অল্প অল্প করে বারে বারে স্বাভাবিক পানি পান করুন।জ্যুস বা এজাতীয় পানিয় পরিহার করুন। স্বাভাবিক শরবত,ডাব বা লবণ পানির শরবত পান করতে পারেন যদি তা আপনার জন্য অন্য কারণে নিষিদ্ধ না হয়ে থাকে।তবে তাও স্বল্প পরিমানে। প্রচন্ড গরমে বা যদি আপনি খুবই ক্লান্ত থাকেন তবে ভুলেও বরফ মিশ্রিত পানি বা ফ্রিজের পানি পান করবেন না,যদিও ওইসময় ঠান্ডা পানি খুব ভালো লাগে।এটা শরীরে প্রশান্তি ভাব এনে দেয়।কিন্তু এতে হঠাৎই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

নিজে সতর্ক থাকুন, অন্যকে সতর্ক করুন।

23/05/2026

কুরবানির হাটে ক্লান্তি ও হিট স্ট্রোক এড়াতে সাথে রাখুন ওরস্যালাইন! 🐂☀️
​পবিত্র ঈদুল আজহার পশুর হাটগুলো এখন জমজমাট। কিন্তু এই তীব্র গরম আর ভিড়ের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ থাকা ক্রেতা এবং বিক্রেতা—উভয়ের জন্যই বেশ ক্লান্তিকর। অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে পানি এবং প্রয়োজনীয় লবণ বের হয়ে গিয়ে দেখা দিতে পারে মারাত্মক পানিশূন্যতা বা হিট স্ট্রোক।
​তাই হাটে যাওয়ার আগে বা হাটে থাকা অবস্থায় নিজেকে সুস্থ রাখতে সঠিক নিয়মে স্যালাইন খাওয়া অত্যন্ত জরুরি।
​💧 স্যালাইন বানানোর সঠিক নিয়ম:
​হাত ধুয়ে নিন: স্যালাইন গোলানোর আগে অবশ্যই হাত সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।
​পানির সঠিক মাপ: ১ পুরো প্যাকেট ওরস্যালাইন ঠিক আধা লিটার (৫০০ মিলি) পরিষ্কার খাবার পানিতে মেশাতে হবে। (সাধারণ সাইজের ২টি কাঁচের গ্লাস বা ১টি ছোট পানির বোতলের সমান)।
​কম-বেশি করবেন না: পানি কম হলে স্যালাইন বেশি ঘন হয়ে যাবে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আবার পানি বেশি হলে স্যালাইনের কার্যকারিতা কমে যাবে।
​গরম পানি নয়: কখনোই স্যালাইন তৈরিতে ফুটন্ত গরম পানি ব্যবহার করবেন না। পানি ফুটিয়ে ঠান্ডা করে নেওয়া সবচেয়ে ভালো।
​সময়সীমা: একবার স্যালাইন গোলানোর পর তা সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত ভালো থাকে। এরপর আর সেই স্যালাইন খাওয়া উচিত নয়।
​💡 কিছু বাড়তি সতর্কতা:
​হাটে যাওয়ার সময় সাথে অবশ্যই বিশুদ্ধ খাবার পানির বোতল রাখুন।
​তীব্র গরমে চা, কফি বা অতিরিক্ত মিষ্টি কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন, এগুলো শরীরকে আরও বেশি পানিশূন্য করে দেয়।
​হালকা রঙের সুতি পোশাক পরুন এবং সাথে ছাতা বা ক্যাপ রাখুন।
​হাটের ভিড়ে নিজের এবং চারপাশের সবার স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখুন। সুস্থ থেকে আনন্দের সাথে সম্পন্ন হোক আপনার কুরবানির প্রস্তুতি।
​✨ জনস্বার্থে: IKO PHARMA HUB ✨

20/05/2026

20/05/2026

🐄 হাটের ভিড়ে আনন্দ যেন অমঙ্গলের কারণ না হয়! 😷
​গতকাল বিকেলে আমাদের পরিচিত এক বড় ভাই পশুর হাট থেকে ফিরে বলছিলেন— "ভাই রে, হাটে যে অবস্থা! তিল ধারণের জায়গা নেই। মানুষে মানুষে ধাক্কাধাক্কি, তার ওপর ধুলাবালি আর গরম। গরু পছন্দ করার উত্তেজনায় কখন যে পকেট থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজারটা পড়ে গেছে খেয়ালই নেই। মাস্কটাও গরমে ভিজে একাকার হয়ে থুতনিতে নেমে এসেছিল। এখন বাসায় এসে কেমন যেন শরীর ম্যাচম্যাচ করছে আর হাঁচি-কাশি শুরু হয়েছে। খুব ভয়ে আছি, পরিবারের বাকিদের আবার কোনো সমস্যায় না ফেলি!"
​গল্পটা শুধু উনার একার নয়। প্রতিবছরই কুরবানির হাটের ধুলাবালি, তীব্র গরম, অনিয়ন্ত্রিত জনসমাগম এবং অসচেতনতার কারণে অনেকেই নানা রকম ছোঁয়াচে রোগ, অ্যালার্জি, গ্যাস্ট্রিক বা ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হন। ঈদের আনন্দ যেন অসুস্থতার কারণে ফিকে না হয়ে যায়, তাই আমাদের একটু বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
​সামনে কুরবানির ঈদ। নিজে এবং পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে পশুর হাটে যাওয়ার সময় IKO PHARMA HUB-এর পক্ষ থেকে কিছু জরুরি স্বাস্থ্য সতর্কতা:
​ডাবল মাস্ক ব্যবহার করুন: হাটের তীব্র ধুলাবালি এবং জীবাণু থেকে বাঁচতে অবশ্যই ভালো মানের মাস্ক পরুন। প্রয়োজনে সাথে অতিরিক্ত মাস্ক রাখুন।
​পকেটে রাখুন স্যানিটাইজার: টাকা লেনদেন বা পশুকে স্পর্শ করার পর পর অবশ্যই হাত স্যানিটাইজ করে নিন। মুখ, চোখ বা নাকে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
​হাইড্রেটেড থাকুন: তীব্র গরমে হিট স্ট্রোক এড়াতে সাথে বিশুদ্ধ খাবার পানির বোতল এবং স্যালাইন রাখুন। হাটের খোলা খাবার বা শরবত খাওয়া একদম পরিহার করুন।
​ভিড় এড়িয়ে চলুন: অতিরিক্ত গাদাগাদি বা ধাক্কাধাক্কির মধ্যে না গিয়ে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে পশু দেখার চেষ্টা করুন।
​বাসায় ফিরে প্রথম কাজ: হাট থেকে ফিরেই জুতো ঘরের বাইরে রাখুন। জামাকাপড় সরাসরি ডিটারজেন্টে ভিজিয়ে দিন এবং সাবান দিয়ে ভালোভাবে গোসল করে নিন।
​মনে রাখবেন, আপনার সচেতনতাই পারে আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে একটি সুস্থ ও আনন্দময় ঈদ উপহার দিতে।
​সবাই সুস্থ থাকুন, নিরাপদে কুরবানির কেনাকাটা করুন। 💚

19/05/2026

খুব শিঘ্রই বড় কোর্স আসছে। ইনশা আল্লাহ। আপনারা চোখ রাখুন আমাদের পেইজে।

18/05/2026

লিভারটারে তো আর 'গাঞ্জাখোর' বানাইতে পারেন না! 🥶🩺
​আমাদের প্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা (যিনি আমাদের মাঝ থেকে অকালে চলে গেছেন, কিন্তু ওনার ফানি মেম আর ডায়ালগগুলো এখনও আমাদের হাসায়)— ওনার সেই বিখ্যাত ডায়ালগের স্টাইলেই আজ একটু সিরিয়াস কথা বলি।
​ফেসবুকে স্ক্রোল করতে করতে রাত পার করে দিচ্ছেন, আর সারাদিন বার্গার-পিজ্জা, কোল্ড ড্রিংকস টেনে লিভারটার বারোটা বাজাচ্ছেন। তারপর যখন ডাক্তার বলে "ফ্যাটি লিভার", তখন মনে হয় লিভারটাই বুঝি ওনার ডায়ালগের মতো কোনো উল্টাপাল্টা ট্র্যাকে চলে গেছে!
​লিভারকে সুস্থ রাখতে এবং এই ফ্যাটি লিভারের চর্বি গলাতে ওনার স্টাইলেই জেনে নিন ৫টি জরুরি দাওয়াই:
​🍏 ১. "খাবার দাবারে একটু লাগাম টানেন ভাই!"
​যা বাদ দিবেন: ওই যে রাত-বিরাতে ফুডপান্ডায় অর্ডার করা ফাস্টফুড, অতিরিক্ত তেল-চর্বি আর চিনিযুক্ত খাবার— এগুলো লিভারের প্রধান শত্রু।
​যা খাবেন: লিভার ভালো রাখতে বেশি করে সবুজ শাকসবজি, ফলমূল এবং ওটস খাওয়া শুরু করেন।
​🏃‍♂️ ২. অলসতা ছেড়ে একটু নড়াচড়া করুন
​সারাদিন বিছানায় শুয়ে শুয়ে রিলস আর টিকটক দেখলে লিভারের চর্বি গলবে না। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট একটু জোরকদমে হাঁটার অভ্যাস করেন, শরীর থেকে ঘাম ঝরান।
​⚖️ ৩. ওজনটা একটু কন্ট্রোলে আনেন
​পেটটা যদি দিন দিন ওনার ডায়ালগের চরিত্রের মতোই আনকন্ট্রোলড হয়ে যায়, তবে লিভারের চর্বি কমানো মুশকিল। উচ্চতা অনুযায়ী ওজনটা একটা ঠিকঠাক লেভেলে নিয়ে আসুন।
​💧 ৪. পানি খান, উল্টাপাল্টা ড্রিংকস না!
​কোলা বা এনার্জি ড্রিংকস খেয়ে লিভারের ওপর অত্যাচার বন্ধ করে দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস নরমাল পানি খান। লিভারের ভেতরের সব ময়লা (টক্সিন) পরিষ্কার হওয়া দরকার।
​😴 ৫. রাত জাগা বন্ধ করেন
​রাত জেগে স্ক্রিন গুঁতানো বন্ধ করে জলদি ঘুমানোর চেষ্টা করেন। দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা প্রোপার ঘুম লিভারকে নিজে নিজে হিল করতে সাহায্য করে।
​💡 শেষ কথা:
কারিনার কনটেন্ট দেখে আমরা যেমন হেসেছি, ওনার অকাল চলে যাওয়াও আমাদের পুড়িয়েছে। কিন্তু ওনার মেম বা ডায়ালগগুলো মনে রেখে অন্তত নিজেদের লাইফস্টাইলটা একটু ঠিকঠাক করি। লিভারটাকে সুস্থ রাখি!

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Kawla
Dhaka
1229