Devguru Jagrata Chatra Samaj - Iskcon Gabtali

Devguru Jagrata Chatra Samaj - Iskcon Gabtali

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Devguru Jagrata Chatra Samaj - Iskcon Gabtali, Education, Boro Bazar, Harirampur Road, Dhaka.

Jagrata Chatra Samaj, ISKCON GABTALI
A preaching wing of ISKCON dedicated to training students in Krishna consciousness from a young age—nurturing devotion, discipline, and strong character.

24/07/2026

শ্রীশ্রী গুরু- গৌরাঙ্গৌ জয়ত
হরেকৃষ্ণ,
আগামীকাল
২৫ জুলাই, ২০২৬খ্রিস্টাব্দ।
২৫ বামন,৫৪০গৌরাব্দ।
৯শ্রাবণ,১৪৩৩বঙ্গাব্দ।
শনিবার।
তিথি- গৌর একাদশী (ভূধর)
কলিযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্রত সর্বপাপবিনাশকারী মহাপবিত্র শ্রীশ্রী শয়ন একাদশী ব্রত মহোৎসব।
পারণ বাংলাদেশ সময়ানুযায়ী প্রাত ৫:২৫-৯:৫১ পর্যন্ত।
পারন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সময়ানুযায়ী প্রাত ৫:০৩-৯:২৯ পর্যন্ত।

20/07/2026

🙏সকলেই আমন্ত্রণ ও নিমন্ত্রণ

Photos from Devguru Jagrata Chatra Samaj - Iskcon Gabtali's post 17/07/2026

🌸জয় জগন্নাথ
🌼জগন্নাথদেবের শুভ রথযাত্রা-২০২৬

14/07/2026

গুন্ডিচা কি ❓
গুন্ডিচা মার্জন কেন বলা হয় ❓
মার্জন করলে কি ফল লাভ হয় ❓
২০২৬ রথযাত্রার গুন্ডিচা মার্জন কবে❓

​পৌরাণিক কাহিনী এবং উৎকল খণ্ড (স্কন্দ পুরাণ) অনুযায়ী, মহারাজ ইন্দ্রদ্যুম্ন যখন শ্রীজগন্নাথ দেবের মূল মন্দির নির্মাণ করেছিলেন, তখন তাঁর পরম সাধ্বী ও গুণবতী মহিষী (রাণী) ছিলেন গুণ্ডিচা মহারানী। তিনি ছিলেন পরম বিষ্ণুভক্ত। তাঁর নামানুসারেই এই ‘গুণ্ডিচা মন্দির’ বা গুণ্ডিচা বাড়ী নির্মিত হয়, যাকে শ্রীজগন্নাথ দেবের মাসির বাড়ীও বলা হয়ে থাকে। জগন্নাথ দেব রাণী গুণ্ডিচার ভক্তি ও বাৎসল্য রসে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে বর দিয়েছিলেন যে, তিনি প্রতি বছর রথযাত্রার সময় ৯ দিনের জন্য তাঁর এই মন্দিরে এসে অবস্থান করবেন। তাই গুণ্ডিচা দেবী হলেন মহারাজ ইন্দ্রদ্যুম্নের পত্নী এবং শ্রীজগন্নাথ দেবের এক পরম মহিমান্বিত ভক্ত।

​শ্রীগুন্ডিচা মার্জন মাহাত্ম্য:
​শ্রীগুণ্ডিচা মার্জন হলো সনাতন ধর্মে, বিশেষ করে গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে, রথযাত্রার আগের দিন শ্রীশ্রীজগন্নাথ দেবের গুণ্ডিচা মন্দির পরিষ্কার ও पवित्र করার একটি অত্যন্ত মহিমাণ্বিত উৎসব। মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেব নিজে তাঁর ভক্তদের নিয়ে প্রতি বছর এই মার্জন লীলা করতেন, যা শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থে বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে।
​নিচে গুণ্ডিচা মার্জন কেন করা হয় এবং এর পারমার্থিক লাভ কী, তা সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:

​কেন গুণ্ডিচা মার্জন করা হয়?

​১. ভগবানের বিশ্রামের স্থান প্রস্তুত করা:
রথযাত্রার দিন শ্রীজগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রা দেবী মূল মন্দির (নীলাচল) থেকে রওনা হয়ে গুণ্ডিচা মন্দিরে (সুন্দরীচল) যান এবং সেখানে ৯ দিন অবস্থান করেন। গুণ্ডিচা মন্দিরকে বৃন্দাবনের প্রতীক মনে করা হয়। ভগবান যেখানে এসে অবস্থান করবেন, সেই স্থানকে পরম ভক্তিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং সুবাসিত করার জন্যই এই মার্জন করা হয়।

​২. বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ পরিচ্ছন্নতা:
মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেব এই মার্জনের মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে, ভগবানের সেবার জন্য যেকোনো তুচ্ছ কাজও (যেমন ঝাঁট দেওয়া, জল ঢালা, ধুলোবালি পরিষ্কার করা) পরম আনন্দের ও ভক্তির অঙ্গ। তিনি মন্দিরের ভেতরে-বাইরে, এমনকি ছাদ ও দেয়াল পর্যন্ত জল এবং কর্পূর-চন্দন মিশ্রিত সুবাসিত জল দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করেছিলেন।
​গুণ্ডিচা মার্জন করলে কী লাভ?
​শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষা অনুযায়ী, গুণ্ডিচা মার্জন কেবল একটি বাহ্যিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়, এটি মূলত হৃদয় মার্জনের বা মন শুদ্ধকরণের একটি আধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া।

​হৃদয় ও মন শুদ্ধ হয়:
আমাদের হৃদয় হলো ভগবানের বসার আসন। কিন্তু কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য—এই ষড়রিপু এবং নানা জড় বাসনারূপ ধুলোবালি দিয়ে আমাদের হৃদয় নোংরা হয়ে আছে। গুণ্ডিচা মন্দির মার্জনের মাধ্যমে মূলত নিজের হৃদয়ের সমস্ত কলুষতা ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করা হয়, যাতে সেখানে ভগবান এসে স্থায়ীভাবে বিরাজ করতে পারেন।

​অনর্থ নিবৃত্তি ঘটে:
ভক্তিপথে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যে সমস্ত অন্তরায় বা 'অনর্থ' (যেমন—প্রতিষ্ঠাশা, কূটিনাটি বা কপটতা, জীব হিংসা ইত্যাদি) থাকে, নিষ্ঠার সাথে মার্জন সেবা করলে সেই সমস্ত অনর্থ দূর হয়।

​কৃষ্ণপ্রেম ও শুদ্ধ ভক্তি লাভ:
শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত অনুযায়ী, মহাপ্রভু যেভাবে নিজের পরিধানের বস্ত্র দিয়ে মন্দিরের ধুলো পরিষ্কার করেছিলেন এবং যার ঝুলিতে বা ঝুড়িতে যত বেশি ধুলোবালি জমেছিল, তাকে তত বেশি প্রশংসা করেছিলেন—তা থেকে বোঝা যায়, ভগবানের সেবায় যে যত বেশি অহংকার ত্যাগ করে নিজেকে নিয়োজিত করবে, সে তত দ্রুত শুদ্ধ ভক্তি ও কৃষ্ণপ্রেম লাভ করতে পারবে।

​সেবাপরাধ থেকে মুক্তি:
অহংকার ও জড় আসক্তি দূর করে পরম বিনম্রভাবে এই সেবা করলে ভগবানের চরণে করা পূর্বের নানা অপরাধ বা সেবাপরাধ খণ্ডন হয়।
​সংক্ষেপে:
যেমনটি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু শিখিয়েছেন—"চিত্ত-দর্পণ-মার্জনম্"। গুণ্ডিচা মার্জনের মূল লাভ হলো নিজের মনরূপ দর্পণকে পরিষ্কার করে সেখানে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীজগন্নাথ দেবের সুন্দর রূপকে প্রতিফলিত করা এবং তাঁর শুদ্ধ কৃপা লাভ করা।

আগামী ১৫ জুলাই রোজ বুধবার শ্রী শ্রী গুন্ডিচা মার্জন ।
আপনারা আপনাদের নিকটস্থ মন্দিরে এই অপ্রাকৃত সেবায় অংশগ্রহণ করুন মানব জীবন ধন্য করুন হরে কৃষ্ণ 🙏🙏🙏

Photos from Devguru Jagrata Chatra Samaj - Iskcon Gabtali's post 13/07/2026

🏵 *শ্রীল গদাধর পন্ডিত গোস্বামীর তিরোভাব তিথি* 💥
*এবং শ্রীল সচ্চিদানন্দ ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের তিরোভাব তিথি ২০২৬* 🏵️
*=============================================*
💥 *আগামীকাল ১৪ ই জুলাই , মঙ্গলবার , ২০২৬ , ২৯ আষাঢ় , ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ*। 🙏

💥 *শ্রীল সচ্চিদানন্দ শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর এবং শ্রীল গদাধর পন্ডিতের তিরোভাব তিথি মহোৎসব।সেই উপলক্ষে সকল সাধু গুরু বৈষ্ণব গনের শ্রী চরণে জানাই কৃষ্ণময় শুভেচ্ছা ও অগনিত ভক্তিপূর্ণ দন্ডবৎ প্রনাম* l 🙏

💥 *দুপুর পর্যন্ত উপবাস* 🙏

🏵️ *শ্রীল গদাধর পন্ডিত গোস্বামীর জীবনী:-*
******************************************
💥 শ্রীগদাধর পন্ডিত শিশুকাল থেকেই মহাপ্রভুর সঙ্গী। শ্রীগদাধরের পিতার নাম শ্রীমাধব মিশ্র, মাতার নাম শ্রীরত্নাবতী দেবী। তিনি মায়াপুরে শ্রীজগন্নাথ মিশ্রের গৃহ সন্নিকটে থাকতেন। রত্নাবতী দেবী শচীদেবীকে বড় ভগিনীর ন্যায় দেখতেন, তাঁর সঙ্গে সর্ব্বদা মেলামেশাদি করতেন। শিশু-লীলার সময় শ্রীগৌরহরি গদাধরকে সঙ্গে নিয়ে কখনও স্বীয় অঙ্গনে কখনও গদাধরের গৃহে বিবিধ ক্রীড়া করতেন। গ্রামের পাঠশালায় উভয়ে একসঙ্গে অধ্যয়ন করতেন। শ্রীগদাধর বয়সে মহাপ্রভুর কয়েক বছরের ছোট। মহাপ্রভু ক্ষণকালও গদাধর ছাড়া থাকতে পারতেন না। গদাধরও মহাপ্রভু ছাড়া একক্ষণ থাকতে পারতেন না। 🙏

—(চৈঃ ভাঃ আদিঃ ১১।১০০ )

💥 শ্রীগদাধর পন্ডিত শৈশবকাল থেকে ধীর, শান্ত, নির্জ্জনতা প্রিয় ও বৈরাগ্যবান ছিলেন। শৈশবে গৌরসুন্দর খুব চঞ্চলভাব প্রকট করে যাকে তাকে ন্যায়ের ফাঁকি জিজ্ঞাসা করতেন। গদাধরের তা বিশেষ পছন্দ হত না। তজ্জন্য তিনি তাঁর থেকে কখন কখন দুরে থাকতে চাইতেন। কিন্তু গৌরসুন্দর তাঁকে ছাড়তেন না; বলতেন—গদাধর! কিছুদিন বাদে আমি এমন বৈষ্ণব হব যে আমার দ্বারে ব্রহ্মা শিবাদিও আসবে। 🙏

💥 গদাধর পণ্ডিত মুকুন্দ দত্তকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। কোন স্থান থেকে সাধু-সন্ন্যাসী নবদ্বীপে এলে মুকুন্দ সে সংবাদ শ্রীগদাধরকে জানাতেন এবং দুজনে দর্শনে যেতেন। একবার চট্টগ্রাম থেকে শ্রীপুন্ড রীক বিদ্যানিধি নবদ্বীপে এলেন। মুকুন্দ গদাধর পণ্ডিতকে বৈষ্ণব দেখতে যাবার কথা জানালেন। শ্রীগদাধর বৈষ্ণব দর্শনের জন্য কৌতূহলযুক্ত হয়ে মুকুন্দের সঙ্গে পুন্ডরীক বিদ্যানিধিকে দর্শন করতে এলেন। শ্রীগদাধর তাঁর মহাবিষয়ী প্রায় বেশ-ব্যবহারাদি দেখে যে শ্রদ্ধা নিয়ে এসেছিলেন, তা হারিয়ে ফেলেন; বললেন-বৈষ্ণবের এত বিষয়ীর মত ব্যবহার কেন ❓ মুকুন্দ গদাধরের মন জানতে পেরে একটি কৃষ্ণলীলা শ্লোক সুস্বরে কীর্ত্তন করলেন। মুকুন্দ দত্ত পুন্ডরীক বিদ্যানিধির পূর্ব্ব পরিচিত ছিলেন। মুকুন্দের কন্ঠধ্বণি অতি মধুর ছিল। পুন্ডরীক বিদ্যানিধি মুকুন্দের কৃষ্ণলীলা গীত যেই শ্রবণ করলেন, অম্‌নি ‘কৃষ্ণ কৃষ্ণ’ বলে রোদন করতে করতে ধরাতলে মূৰ্চ্ছিত হয়ে পড়লেন।

💥 -(চৈঃ ভাঃ মধ্যঃ ৭/৭৮-৭৯ )
শ্রীগদাধর পন্ডিত এবার মনে মনে নির্ব্বেদযl
হলেন। বললেন না বুঝে এ হেন মহাভাগবত পুরুষকে বিষয়ী জ্ঞান করেছি—অপরাধ হয়েছে। অতএব তাঁর কাছে মন্ত্র গ্রহণ ছাড়া অপরাধ থেকে নিস্তার পাব না। শ্রীগদাধর পন্ডিত অনন্তর শ্রীপুন্ডরীক বিদ্যানিধির কাছে মন্ত্র চাইলেন। শ্রীমুকুন্দ শ্রীপুন্ডরীক বিদ্যানিধির নিকট গদাধর পন্ডিতের সবিশেষ পরিচয় বললেন। তা শুনে বিদ্যানিধি বড়ই হরষিত হলেন।শুনিয়া হাসেন লাগছে l🙏

💥 শ্রীগৌরগণোদ্দেশ দীপিকায়—যিনি ব্রজে শ্রীবৃষভানু কুমারী শ্রীরাধা, তিনি অধুনা শ্রীগদাধর পন্ডিত নামে খ্যাত। শ্রীস্বরূপ দামোদরকৃত কড়চায়
“তাবধি-সুর বরঃ শ্রীপন্ডিতাখ্যো যতীন্দ্রঃ
সখলু ভবতি রাধা শ্রীলগৌরাবতারে।”

চৈঃ ভাঃ মধ্য: ২(২১০)
💥 শ্রীশচীমাতা বললেন- গদাধর। তুমি সর্বদা নিমাইয়ের সঙ্গে থেকো। তুমি তার সঙ্গে থাকলে আমি নিশ্চিন্ত হই। একদিন শুক্লাম্বর ব্রহ্মচারীর ঘরে প্রভু কৃষ্ণ কথা বলবেন শুনে গদাধরও সেখানে গেলেন ও গৃহের মধ্যে বসলেন। বাহিরে বারান্দায় বসে প্রভু কৃষ্ণ কথা আরম্ভ করলেন। কথা বলতে বলতে স্বয়ং প্রেমরসে বিহ্বল হয়ে পড়লেন। চতুদিকে ভক্তগণ প্রেমরসে ডুবে গেলেন। কিছুক্ষণ এরূপে প্রেম রসাস্বাদন হল। গদাধরের প্রেম আর ভাঙে না। মাথা নীচু করে উচ্চৈঃস্বরে ক্রন্দন করতে লাগলেন। তাঁর করুণ এন্দন ধ্বনি শুনে প্রভু বললেন –গৃহের মধ্যে কে ক্রন্দন করছে? ব্রহ্মচারী বললেন—তোমার গদাধর। প্রভু বললেন গদাধর? তুমি সুকৃতিমান। শিশুকাল থেকে কৃষ্ণে তোমার সুদৃঢ় মতি। আমার জন্ম বৃথা গেল, নিজ কর্মদোষে প্রাণনাথ কৃষ্ণকে পেলাম না। প্রভু একথা বলে গদাধরকে প্রেমে আলিঙ্গন করলেন। 🙏

💥 প্রভু যখন নবদ্বীপ পুরে লীলা বিলাস করতে লাগলেন, তখন প্রধান সহায় গদাধর। ব্রজের রাই কানাই এবার গৌর-গদাধর রূপে গঙ্গাতটে বিহার করছেন। একদিন প্রভু নগর ভ্রমণ করতে করতে গঙ্গাতটে এলেন এবং উপবন মধ্যে বসলেন। তখন ব্রজ লীলার কথা স্মরণ হল। মুকুন্দ দত্ত মধুর স্বরে পূর্ব্বরাগ গাইতে লাগলেন। গদাধর বন থেকে পুষ্প চয়ন করে হার গেথে প্রভুর কন্ঠে দিলেন। পূর্ব্বে বৃন্দাবনে শ্রীরাধা যেমন শ্রীকৃষ্ণকে সাজাতেন, গদাধর ঠিক সেইভাবে প্রভুকে সাজাতে লাগলেন। কেহ মধুর গীত গাইতে লাগলেন, কেহ মধুর-ছন্দে নৃত্য করতে লাগলেন। অতঃপর শ্রীগৌরসুন্দর গদাধরকে নিয়ে এক বৃক্ষ-মূলে বেদীর উপর বসলেন। শ্রীঅদ্বৈত আচাৰ্য্য আরতি করতে লাগলেন। প্রভুর দক্ষিণে শ্রীনিত্যানন্দ বসলেন। শ্রীবাস পন্ডিত ফুলের হার দিয়ে সাজাতে লাগলেন। নরহরি চামর বাজন করতে লাগলেন। শুক্লাম্বর চন্দন লাগাচ্ছেন, মুরারি গুপ্ত জয় জয় ধ্বনি করছেন। মাধব, বাসুদের, পুরুষোত্তম, বিজয় ও মুকুন্দ প্রভৃতি বিবিধ রাগে গান করতে লাগলেন। 🙏

💥 এইরূপে প্ৰভু নদীয়া-লীলা সাঙ্গ করে যখন সন্ন্যাস লীলা করলেন এবং জননীর আদেশে নীলাচলে বাস করতে লাগলেন। তখন গদাধর ও নীলাচলে গিয়ে বাস করলেন। শ্রীগদাধর পণ্ডিত শ্রীগোপীনাথের সেবা করতেন। প্রভু প্রিয় গদাধরের মন্দিরে প্রায় সময় কৃষ্ণ কথা রসে ডুবে থাকতেন। প্রভু যখন বৃন্দাবনে যাত্রা করেন, তখন বিরহ সইতে না পেরে গদাধর প্রভুর সঙ্গে যাবার জন্য উদ্যত হন। প্রভু অনেক বুঝিয়ে তাঁকে নীলাচলে রেখে যান।
শ্রীগদাধর পন্ডিত শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ করতেন। সপার্ষদ শ্রীগৌরসুন্দর বসে শুনতেন।
“গদাধর পন্ডিত প্রভুর আগে বসি'।
পড়ে ভাগবত সুধা ঢালে রাশি রাশি।।” 🙏
--(ভঃরঃ ৩।১০৭)
আটচল্লিশ বছর প্রভু বিচিত্র লীলা করবার পর, শ্রীগদাধর পন্ডিতের সেবিত শ্রীগোপীনাথের শ্রীঅঙ্গে শ্রীমহাপ্রভু বিলীন হন।
“ন্যাসী শিরোমণি চেষ্টা বুঝে সাধ্য কার ❓


🙏 শ্রীল গদাধর পন্ডিত গোস্বামীর তিরোভাব তিথি 🙏


🏵 *শ্রীল সচ্চিদানন্দ ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের তিরোভাব তিথি ২০২৬* 🏵
******************************************
💥 *আগামীকাল ১৪ ই জুলাই , মঙ্গলবার , ২০২৬ ,শ্রীল সচ্চিদানন্দ ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের তিরোভাব তিথি*


💥গৌড়ীয় বৈষ্ণব সমাজ মুকুটমণি, বর্তমানকালের শুদ্ধভক্তি স্রোতের মূল মহাপুরুষ, দিব্যসূরি, শ্রীগৌর-নিজজন শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের তিরোভাব তিথিপূজা। গৌড়ীয়-বৈষ্ণব-জগতে শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের নাম-গুণাদি সকলেরই আরাধ্য; তাই তাঁহার মহত্ত্ব, ভজনাবলী এবং বৈষ্ণবানুষ্ঠানসমূহ সম্বন্ধে যাঁহারা কিছু কিছু অবগত আছেন তাঁহাদের পুনরালোচনা ও অনুসরণের জন্য আমরা এই মহাত্মার বিষয় যেটুকু জানিতে পারিয়াছি, অতি সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো। 🙏

🏵 *শ্রীল সচ্চিদানন্দ*
*ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের প্রণাম মন্ত্র* :-
******************************************
"নমো ভক্তিবিনোদায় সচ্চিদানন্দ-নামিনে। গৌর-শক্তিস্বরূপায় রূপানুগ-বরায় তে।।" 🙏

এর অর্থ হল: "আমি সচ্চিদানন্দ নামে পরিচিত শ্রীল ভক্তি বিনোদ ঠাকুরকে প্রণাম জানাই, যিনি গৌর(মহাপ্রভু) শক্তির স্বরূপ এবং শ্রী রূপ গোস্বামীর অনুগামীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।" 🙏

🏵 *শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর মহাশয়ের সংক্ষিপ্ত জীবনী নিচে বর্ণিত হলো*।ঃ-
***********************************************
💥 ওঁ বিষ্ণুপাদ শ্রীশ্রীল সচ্চিদানন্দ ভক্তিবিনোদ ঠাকুর ১৮৩৮ খৃস্টাব্দের ২রা‌ সেপ্টেম্বর (১২৪৫ বঙ্গাব্দের ১৮ই ভাদ্র) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বীর নগরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বীরচন্দ্র দত্ত এবং মাতা জগন মোহিনী দেবী দাসী। তাঁর নাম ছিল কেদারনাথ দত্ত। তার জন্মকুন্ডলী দেখে জ্যোতিষীগণ বলেছিলেন, এই শিশু ভবিষ্যতে বিদ্যা বুদ্ধিতে সাধনভজনে ও আচারপ্রচারে একজন মহাপুরুষ হবেন।গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের জন্য এটি ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ কারণ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এবং গোস্বামীদের শিক্ষা প্রায় হারিয়ে গিয়েছিল। সেই সময়ে ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের চৈতন্য চরিতামৃতের একটি কপিও খুঁজে পেতে আট বছর সময় লেগেছিল। তিনি একা হাতে কেবল ভগবান চৈতন্য এবং গোস্বামীদের শিক্ষাই পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেননি, বরং শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মস্থানও পুনঃআবিষ্কার করেছিলেন।🙏

💥 তাঁর অসাধারণ প্রচার কর্মকাণ্ড এবং সমৃদ্ধ লেখার মাধ্যমে তিনি নিজেকে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর চিরন্তন সহযোগী বলে প্রকাশ করেছিলেন। মহাভাগবত বৈষ্ণব হিসেবে জীবনযাপন করে তিনি জীবনের শেষ কয়েক বছর পর্যন্ত গৃহস্থ আশ্রমে ছিলেন। তারপর তিনি সবকিছু ত্যাগ করেন, বাবাজিকে গ্রহণ করেন এবং সমাধিতে প্রবেশ করেন, গৌর-গদাধর এবং রাধা-মাধবের প্রেমময় সেবায় সম্পূর্ণরূপে মগ্ন হন।🙏

💥 "জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (হাইকোর্টের বিচারক) হিসেবে তাঁর একটি দায়িত্বশীল সরকারি পদ ছিল, তিনি কৃষ্ণভাবনামৃত পরিবার পরিচালনা করতেন এবং কৃষ্ণভাবনামৃতের উপর প্রায় একশোটি বই লিখেছিলেন। একই সাথে, তিনি নানাভাবে পরমেশ্বর ভগবানের সেবা করতেন। এটাই তাঁর জীবনের সৌন্দর্য। সরকারি চাকরির পুরো দিন শেষে তিনি চার ঘন্টা ঘুমাতেন, মধ্যরাতে ঘুম থেকে উঠতেন এবং সকাল পর্যন্ত লিখতেন। এটাই ছিল তাঁর দৈনন্দিন কর্মসূচী।" (শ্রীল প্রভুপাদ)🙏

💥 ঠাকুর ভক্তিবিনোদ শ্রী জাহ্নব মাতার বংশধর
উচ্চ সরকারি পদে অধিষ্ঠিত থাকা, বিশাল পাণ্ডিত্য এবং আধ্যাত্মিক কৃতিত্ব ভক্তিবিনোদ ঠাকুরকে কখনও বিরক্ত করেনি। তিনি অহংকারী, সর্বদা নম্র, সকলের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ ছিলেন। তাঁর বাড়িতে দানশীলতা সর্বদা সুখী এবং সন্তুষ্ট থাকতেন। সকলের প্রতি শুভাকাঙ্ক্ষী ছিলেন, তিনি কখনও তাঁর প্রচারের বিরোধীদের সাথেও ক্ষোভ রাখতেন না। প্রকৃতপক্ষে, তিনি কখনও এমন কোনও কথা বলেননি যা অন্যের অনুভূতিতে আঘাত করে। ভক্তিবিনোদ ঠাকুর। 🙏

💥 পাঁচ বৎসর বয়সে মাতামহের আলয় থেকে পাঠশালায় বিদ্যাভ্যাস আরম্ভ করেন।
তার অসাধারন মেধাশক্তি ছিল।
নয় বৎসর বয়সে জ্যোতিষশাস্ত্র অধ্যয়ন করেন এবং অল্পকালের মধ্যেই মহাভারত ও অন্যান্য শুদ্ধভক্তি গ্রন্থাদি বিশদভাবে অধ্যয়ন করেন।🙏

💥 তিনি ওড়িশায় পুরী জেলার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটরূপে নিযুক্ত হন। ১৮৭৪ খ্রীঃ৬ই ফেব্রুয়ারি মাঘী কৃষ্ণাপঞ্চমী তিথিতে শ্রীল বিমলাপ্রসাদ দত্ত (শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী প্রভুপাদ) তার ৬ষ্ঠ সন্তান রূপে পুরীধামে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
পরবর্তীকালে শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর পুরী থেকে বদলি হয়ে নদীয়ার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত হন।
এই সময় ঠাকুর মহাশয় কিছুদিনের জন্য তীর্থভ্রমণে বের হয়ে শ্রীবৃন্দাবন ধামে এলেন এবং ব্রজে ভগবানের বিভিন্ন লীলাস্থান দর্শন করলেন, সেই সময় সিদ্ধ মহাত্মা ব্রজমুকুটমণি শ্রীল জগন্নাথ দাস বাবাজী মহারাজের দর্শন পেলেন।বাবাজী মহারাজ তাকে শুদ্ধভক্তিবিষয়ে নানান উপদেশ দান করলেন।

💥 গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের জন্য এটি ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ কারণ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এবং গোস্বামীদের শিক্ষা প্রায় হারিয়ে গিয়েছিল। সেই সময়ে ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের চৈতন্য চরিতামৃতের একটি কপিও খুঁজে পেতে আট বছর সময় লেগেছিল। তিনি একা হাতে কেবল ভগবান চৈতন্য এবং গোস্বামীদের শিক্ষাই পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেননি, বরং শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মস্থানও পুনঃআবিষ্কার করেছিলেন।🙏

💥 শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরকে এই হরে কৃষ্ণ আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং পিতামহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ তিনি ১৮৯৬ সালে তাঁর "শ্রীচৈতন্যের জীবন ও নীতি" বইটি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গ্রন্থাগারে পাঠিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রচার শুরু করেছিলেন। তিনি বিষ্ণুর এক রশ্মির জন্য প্রার্থনা করেছিলেন, যিনি তাঁকে চৈতন্যদেবের বাণী প্রচারে সহায়তা করতে পারেন। তাঁর প্রার্থনার ফলেই আমরা ভাগ্যবান হয়েছি যে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য, তাঁর দিব্য করুণা এসি ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের শ্রদ্ধেয় আধ্যাত্মিক গুরু ভাকিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরকে পেয়েছি। শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর আরও ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, "শীঘ্রই এমন একজন ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব হবে যিনি সারা বিশ্বে হরি নাম প্রচার করবেন।" এটা স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে তাঁর দিব্য করুণা এসি ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদই সেই ব্যক্তিত্ব।🙏

💥 মহাপ্রভু প্রদত্ত শিক্ষা হইতে প্রাপ্ত শুদ্ধভক্তি ধর্ম যাজনে তিনি ছিলেন অক্লান্ত কর্মী ও পুণ্যক্ষেত্রে ভগবানের পূজা পুনঃ প্রবর্তনে বিশেষ অগ্রণী; এতদ্ব্যতীত ব্যক্তিগত ধর্মীয় জীবন যাপনের কাজে সবিশেষ উদ্যোগী। মহাপ্রভুর শিক্ষা এই যে ‘আপনি আচরি' ধর্ম পরেরে শিখাও'। সমগ্র শাস্ত্রের শিক্ষা সম্বলিত মহাপ্রভুর জীবনীই ছিল অন্যতম বিষয় বস্তু যাহা ঠাকুর ভক্তিবিনোদ সরল ভাষায় শিক্ষিত ও পারমার্থিক দৃষ্টি-ভঙ্গীযুক্ত জনসমক্ষে তুলিয়া ধরিয়া ছিলেন তাঁহার অসংখ্য গ্রন্থ প্রণয়নের মাধ্যমে। সেই গ্রন্থগুলিকে শ্রীবৃন্দাবনদাস ঠাকুর ও শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামীর অমরগ্রন্থাদির সহিত তুল্য বিচারের যোগ্য। শুদ্ধ সনাতনধর্মের মূলতত্ত্বগুলির বিষয়ে অজ্ঞতা দূরীকরণ মানসে বাংলায় ব্যাখ্যাসহ মহাপ্রভুর শিক্ষা সম্বন্ধীয় মূল্যবান প্রামাণ্য গ্রন্থগুলিকে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশের জন্য তাঁহার আত্মনিয়োগ। তাঁহার প্রকাশিত কতিপয় গ্রন্থের উল্লেখ করা যাইতে পারে, যথা,----

💥 ১৮৮৬ সালে, শ্রীবিশ্বনাথ চক্রবর্ত্তী মহাশয়ের টীকা ও নিজস্ব রসিকরঞ্জন টীকাসহ প্রকাশ করেন গীতা; ১৮৯১ সালে শ্রীবলদেব বিদ্যাভূষণের টীকা ও নিজস্ব ‘বিদ্বরঞ্জন' টীকাসহ শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা; ১৮৯৪ সালে বাংলায় ‘বেদার্কাদিধীতি’ টীকাসমেত ঈশোপনিষদ্। ১৮৯৫ সালে বাংলায় ‘অমৃত প্রবাহ ভাষ্য'-সহ শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত। ১৮৯৭ সালে বাংলা টীকাসহ শ্রীব্রহ্মসংহিতা, ১৮৯৮ সালে বাংলায় টীকাসহ শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃত। ঐ বৎসরেই বাংলা ভাষায় ‘পীযূষবর্ষিণী-বৃত্তি’ নামে টীকাসহ শ্রীরূপ গোস্বামীর ‘উপদেশামৃতম্’ এবং সংস্কৃত ও বাংলা ভাষায় টীকাসহ শ্রীসনাতন গোস্বামীর শ্রীবৃহৎ ভাগবতামৃতম্, ১৯০১ সালে ‘শ্রীভাগবতাকর্মরিচীমালা। ১৯০৪ সালে শ্রীগোপালভট্ট গোস্বামীর বৈষ্ণব স্মৃতিগ্রন্থ ‘সৎক্রিয়াসার দীপিকা' সম্পাদনা করেন। এতদ্ব্যতীত বাংলা গদ্য ও পদ্যগুলির মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য—১৮৯১ সালে ‘কল্যাণকল্পতরু', ১৮৮৬ সালে শ্রীচৈতন্যশিক্ষামৃত, ১৮৯০ সালে ‘শ্রীনবদ্বীপধাম-মাহাত্ম্য', ১৮৯২ সালে শ্রীমন্মহাপ্রভুর শিক্ষা; ১৮৯৩ সালে শ্রীশরণাগতি, ‘শোক-সাতন’, ‘জৈবধর্ম', ১৯০০ সালে শ্রীহরিনামচিন্তামণি; ১৯০২ সালে ‘ভজনরহস্য’, ১৮৭৯ সালে ‘সজ্জনতোষণী' নামে বাংলা ভাষায় ধর্মীয় মাসিক পত্রিকা প্রকাশন আরম্ভ হয়, এই পত্রিকা তিনি ১৭ বৎসর যাবৎ সম্পাদনা করিয়া ভার অর্পণ করেন শ্রীভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের উপর, এগুলি ছাড়াও ইংরাজী, সংস্কৃত, পার্শী, উর্দু ও হিন্দী ভাষায় অনেক গ্রন্থ প্রকাশ করেন।

🙏 জয় শ্রীল সচ্চিদানন্দ ভক্তিবিনোদ ঠাকুর 🙏

🙏 শ্রীল গদাধর পন্ডিত গোস্বামীর তিরোভাব তিথি
🙏 জয় জগন্নাথ বলদেব সুভদ্রা মহারানী কি জয়

💥 হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। 🙏
💥 হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।। 🙏

বাঞ্ছাকল্পতরুভ্যশ্চ কৃপাসিন্ধুভ্য এব চ।
পতিতানাং পাবনেভ্যা বৈষ্ণবেভ্যে নমো নমঃ ।।🙏

🙏 এই মহামন্ত্র জপ করুন 🙏

Photos from Devguru Jagrata Chatra Samaj - Iskcon Gabtali's post 11/07/2026

✅দেবগুরু জাগ্রত ছাত্র সমাজ একটি সুপরিচিত সাপ্তাহিক আধ্যাত্মিক শিক্ষাকেন্দ্র 🌸🙏
📍 অবস্থান: হরিরামপুর, বড়বাজার , ঢাকা।।

যেখানে প্রতি সপ্তাহে ১০০+ শিক্ষার্থী একত্রিত হয়ে শিখছে জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য, নৈতিকতা ও ভক্তিমূলক জীবনযাপন।

📖 এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাদান করা হয় মূলত শ্রীমদ্ভাগবদ্‌গীতা ভিত্তিক জ্ঞান, যা মানুষের অন্তর্দৃষ্টি জাগ্রত করে এবং সঠিক জীবনপথে পরিচালিত করে।
🌿 পাশাপাশি বৈষ্ণব আচরণ (Vaishnava Etiquette), সদাচার, শৃঙ্খলা, ভক্তি এবং মানবিক মূল্যবোধ নিয়েও নিয়মিত পাঠদান করা হয়।

✨ দেবগুরু জাগ্রত ছাত্র সমাজের প্রধান লক্ষ্য হলো—
🔸 তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা
🔸 চরিত্র গঠন ও আত্মশুদ্ধির পথে পরিচালিত করা
🔸 ভক্তিমূলক জীবনধারার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা
🔸 সমাজে সৎ, বিনয়ী ও দায়িত্বশীল মানুষ গড়ে তোলা

🎶 প্রতি সপ্তাহে অনুষ্ঠিত ক্লাসে থাকে—
📚 গীতা অধ্যয়ন
🙏 নামসংকীর্তন ও কীর্তন
🎤 আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব
🎭 শিক্ষামূলক কার্যক্রম ও অনুশীলন

🍛 ক্লাস শেষে সকল ভক্ত ও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রসাদ বিতরণ করা হয়, যা সবার মধ্যে আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করে।

🌼 এই সংগঠনটি শুধু একটি শিক্ষাকেন্দ্র নয়, বরং এটি একটি আধ্যাত্মিক পরিবার, যেখানে সকলেই ভালোবাসা, সম্মান ও ভক্তির বন্ধনে আবদ্ধ।

🙏 দেবগুরু জাগ্রত ছাত্র সমাজ আগামী প্রজন্মকে আলোর পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
হরে কৃষ্ণ | হরিবোল 🌺✨

11/07/2026

দেবগুরু জাগ্রত ছাত্র সমাজ।। ✅
ইসকন গাবতলী, ঢাকা।। ❤️




Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Boro Bazar, Harirampur Road
Dhaka
1216