24/05/2026
বলুন? আর সেই চত্বরের নাম কী দিতে চান?
এখানে তিতুমীর ক্যাম্পাসের সকল অলিগলির গল্প পাওয়া যায়। জানতে আগ্রহী হলে সাথে থাকুন।
24/05/2026
বলুন? আর সেই চত্বরের নাম কী দিতে চান?
Boom🔥
Marketing Department
14/05/2026
Ek guccho chodom hate, vhijte chai, tomar sathe🥱
24/09/2025
জুলাইয়ের পূর্বে শিক্ষার্থীদের ঠিক এভাবে ভয় দেখানো হতো। স্বৈরাচার পতনের পরও এদের সংস্কৃতি পরিবর্তন হলো না।
24/09/2025
এরা হচ্ছেন আমাদের সম্মানিত শিক্ষক। যারা শিক্ষকতা মহান পেশা বুলি ছাড়েন। এরা সাত কলেজ মিলে বিশ্ববিদ্যালয় মানতে চাননা, আবার তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় মানবে?! সরকার না করার আগেই এরা এত দিন বলে এসেছে দরকার নাই তিতুমীরকে বিশ্ববিদ্যালয় করার আন্দোলন করার। দেশ, জাতি, শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে এদের বিন্দু মাত্র চিন্তা নাই। এরা দেশের সামগ্রিক স্বার্থ নিয়ে কখনোই কথা বলবে না। মাস শেষে বেতন নিবে, আর এলাকায় বুক ফুলিয়ে সবাইকে বলবে আমরা মহান শিক্ষকতা পেশা আছি। এরা ক্লাসে খুব সুন্দর রিডিং পড়ে পড়ে জাতি গঠনে ভুমিকা রাখেন আর দিন শেষে নানা ফান্ড ভাগাভাগিতে বিশেষ দক্ষ।
যখন সাত কলেজকে ঢাবি অধিভুক্ত করলো তখনো শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নিয়ে এরা টু শব্দ করেননি। বরং লবিং করে পোষ্টিং নিয়েছেন। আর এখন মাঠে নেমেছে একটা প্যাচ লাগিয়ে দেশকে অশান্ত করতে। গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে এদের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা উচিত। এদের মাঝে ঘাপটি মেরে আছে পতিত স্বৈরাচারের দোসর, যারা ৫ আগষ্টের আগে ছাত্রদের নামে মামলা দিতে দ্বিধা করেনি।
তাদের শিক্ষক ভাবার আগে ভাববেন সরকারি বড় অফিসার বা বড় বাবু।
23/09/2025
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ।
ভার্চুয়াল ক্লাস রাখার কারণ কি?
22/09/2025
সেলিমুল্লাহ স্যারকেও থামানো উচিত। খেয়ে- না খেয়ে সাত কলেজের সকল বিসিএস ক্যাডার স্যারদের দায়িত্ব আপন ঘাঁড়ে তুলে নিয়েছে। দিন নাই, রাত নাই, ফেসবুকে একাকার করে ফেলতেছে৷
20/09/2025
Congratulations Bangladesh Cricket Team for this Exclusive Win. 🇧🇩❤️
সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা গণহারে ফেইল করেছে, গণহারে খারাপ ফল হয়েছে, একাডেমিক সিলেবাসে সমস্যা, খাতা পুনঃমূল্যয়নে সমস্যা, ফলাফল প্রকাশে সমস্যা, পরীক্ষা দেরীতে হওয়ার সমস্যা, ক্লাস নিতো না ঠিকমতো, মন যা চাইতো সেভাবেই শিক্ষার্থীদের চালাতো। অধিভুক্ত হওয়ার পর হাজারটা সমস্যায় সাত কলেজের কোনো শিক্ষক কখনও কোনো আওয়াজ তোলেনি। কোথাও লিখালিখি করেনি৷ এখন নিজেদের স্বার্থে আঘাত লাগায় আন্দোলন করছে, শিক্ষার্থীদের একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করছে। নতুন করে চেতনা জাগাচ্ছে কেউ কেউ। সেটা হচ্ছে ঐতিহ্যের চেতনা৷ শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে হলে ঐতিহ্য ধরে রাখার সুযোগ নেই। যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে হবে। সনাতন আর প্রাগৈতিহাসিক ধ্যানজ্ঞানের গল্প শুনিয়ে লাভ নেই।
সাত কলেজের শিক্ষকরা দেশের সবচেয়ে অহংকারী এবং জালিম শিক্ষক। এখন নিজেদের আঁতে লাগছে বলে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য সরকারকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে। এই শিক্ষকরা ই সাত কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পর যে হাজারটা সমস্যা শিক্ষার্থীরা ফেইস করেছে, কোনো সমস্যায় গা লাগিয়ে সমাধান করার চেষ্টা করেনি কখনও। বরং শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করেছে বেশি। গণহারে ফেইল, গণহারে বাজে ফল এগুলোর জন্য দায়ী সাত কলেজের শিক্ষকরা।উনাদের মিনিমাম সদিচ্ছা থাকলেও সাত কলেজের এতো বেহাল দশা হতো না।কোনো শিক্ষক কি আছে, বুকে হাত রেখে বলার মতো, আমি শিক্ষার্থীদের এই সংকট সমাধানে এই কাজটা করেছি?? বলার মতো এমন নেই। তাদের একটাই দম্ভ, তারা প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকরিজীবী, রাজধানীতে থাকে, রাজধানীর দামি কলেজে পোস্টিং। তাদের ঠেকায় কে? এখন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা জানপ্রাণ দিয়ে চাওয়া উচিত, ওই শিক্ষকরা আরো কঠিন সংকটে পড়লেও শিক্ষার্থীরা যাতে নমনীয় না হয়।