♦♦♦♦কবিতার নাম♦♦♦♦
♦♦♦♦“ইসলামী ব্যাংক”♦♦♦
♦♦মো: আজগর আলী কাঞ্চন ♦♦
মুসলমানের স্বপ্ন বুকে, শরিয়াহর পথে চলা,
“ইসলামী ব্যাংক” নামটি যেন বিশ্বাসেরই দোলা।
সুদবিহীন অর্থনীতির এক নতুন আহ্বান,
দ্বীনের আলো ছড়িয়ে দিতে গড়েছিল যে প্রাণ।
যাদের হাতে শুরু হলো এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা,
তাদের শ্রমে গড়ে উঠল মানুষের আস্থার মাত্রা।
দেশের বুকে ইসলামী অর্থব্যবস্থার দীপ,
সেবার নামে জ্বালিয়েছিল আশার অমল দীপ।
কিন্তু পরে কত অভিযোগ, কত কষ্টের কথা,
ইয়ানত আর ধর্মের নামে উঠল নানা ব্যথা।
ইসলামের নাম ভাঙিয়ে কেউ করল চাঁদাবাজি,
বিশ্বাস যেন ক্ষত-বিক্ষত, কাঁদল নীরব আজি।
এস আলম আর রাঘব বোয়াল, অর্থ লুটের খেলা,
হাজার কোটি টাকার ক্ষত, দেশের বুকে মেলা।
গ্রাহকেরা দিশেহারা, আমানতে ভয়,
কারা নিলো স্বপ্নগুলো—প্রশ্ন জাগে সয়।
আরডিএস প্রকল্প নামে পাঁচ আগস্টের পরে,
টাকা লুটের অভিযোগ উঠল মানুষেরই স্বরে।
নির্বাচনের প্রচার তহবিল—ছাব্বিশেরই ডাক,
ব্যাংকের অর্থ রাজনীতিতে—উঠল নানা ফাঁক।
পাঁচ আগস্টের পর আবার দখলের নতুন ঢেউ,
জামাত কিংবা অন্য দল—অভিযোগ থামেনি কেউ।
ক্ষমতারই অপব্যবহারে কর্মী ছাঁটাই হয়,
নিজ দলের লোক নিয়োগে ন্যায়ের পরাজয়।
নতুন সরকার এল পরে, বদলালো পরিবেশ,
ব্যাংকের দখল, নেতৃত্বেও শুরু হলো শেষ-অশেষ।
গ্রাহকের বিক্ষোভের আড়ালেও শোনা যায় সে সুর,
দলীয় লোকের মিছিল নাকি—রাজনীতির নূর।
তবু আজও মানুষ চায় ইসলামী ব্যাংক হোক,
সততা আর ন্যায়ের পথে নতুন দিনের লোক।
দুর্নীতি আর লুটের রাজা যাক ইতিহাসে হারিয়ে,
বিশ্বাস ফিরে আসুক আবার সত্যের আলো জ্বালিয়ে।
ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ হোক স্বচ্ছতার গান,
গ্রাহকেরই আস্থায় গড়ুক নতুন বাংলাদেশ মহান।
ধর্ম নয় রাজনীতির ঢাল, হোক সেবার পরিচয়,
ন্যায় আর আমানতের পথে ফিরুক মানুষের বিজয়।
#ইসলামী Facebook fans
Kanchoen sir
MATHEMATICS & STATISTICS
BBA (Hon's), BBS, BBA Professional.
Mobile: 01511-452539
: 01611-452539
Address:::::::::::::::::::::::::::::::::::::
1No College Street (3rd Floor),
Science Laboratory,
(Opposite Priangon Shopping Center)
Dhaka-1205.
14/06/2026
★CLASS TEST--03[Management DEPT ]★
★7 College 2nd Year(Session 2023-2024)★
★Subject::Business Statistics ★
★Chapter:Measures of Dispersion ★
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের (১৪/০৬/২০২৬) বিবিএ অনার্স "দ্বিতীয় বর্ষের" Management Dept এর Business Statistics এর ক্লাস টেস্ট-০৩ (সময় ১.৩০মিনিট ,সকাল ১১.০০ টা হতে ১২ টা ২০ মিনিট , ৩০ নম্বর ) এর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ..
14/06/2026
★CLASS TEST--03[ACCOUNTING DEPT ]★
★7 College 2nd Year(Session 2023-2024)★
★Subject::Business Statistics ★
★Chapter:::::: Correlation ★
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের (১৪/০৬/২০২৬) বিবিএ অনার্স "দ্বিতীয় বর্ষের" Accounting Dept এর Business Statistics এর ক্লাস টেস্ট-০৩ (সময় ১.৩০মিনিট ,সকাল ৯.৩০ টা হতে ১০ টা ৫০ মিনিট , ৩০ নম্বর ) এর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ..
14/06/2026
★CLASS TEST--01[FINANCE DEPT ]★
★7 College 2nd Year(Session 2023-2024)★
★Subject::Business Statistics ★
★Chapter:::::: Correlation ★
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের (১৪/০৬/২০২৬) বিবিএ অনার্স "দ্বিতীয় বর্ষের" Finance Dept এর Business Statistics এর ক্লাস টেস্ট-০১ (সময় ১.৩০মিনিট ,সকাল ৮.০০ টা হতে ৯ টা ২০ মিনিট , ৩০ নম্বর ) এর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ..
♦♦♦আজকের আলোচনা ::::::::::::::
বাজেটে মদ, সিগারেট, গাঞ্জা,তামাকজাত পণ্যের দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে জামায়াত ইসলামের বিক্ষোভ মিছিল।
#ইসলামী দল হিসেবে এটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত ?
#নাকি বিরোধীতার খাতিরে বিরোধিতা করা ?
উত্তর :::::::::::::::::::::::::::::
মদ, সিগারেট, গাঁজা ও তামাকজাত পণ্যের দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে কোনো ইসলামী দলের বিক্ষোভ—এটি নিয়ে সমাজে ভিন্নমত থাকা স্বাভাবিক। বিষয়টি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয়—সব দিক থেকেই আলোচনা করা যায়। নিচে পক্ষ ও বিপক্ষ—দুই দিকের যুক্তি সুন্দরভাবে তুলে ধরা হলো।
♦♦♦পক্ষের যুক্তি (যারা বিক্ষোভকে সমর্থন করে):::::::::::
♦১. অতিরিক্ত কর সাধারণ মানুষের উপর চাপ সৃষ্টি করে::::::::::::-
অনেকেই যুক্তি দেন, সিগারেট বা তামাক ব্যবহারকারীদের বড় অংশ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত। দাম হঠাৎ বেশি বাড়ালে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যায়। ফলে এটি গরিব মানুষের উপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
♦২. কালোবাজারি ও চোরাচালান বাড়তে পারে::::::::::::::::::-
যখন কোনো পণ্যের দাম খুব বেশি বাড়ে, তখন অবৈধ বাজার সক্রিয় হওয়ার ঝুঁকি থাকে। কমদামি নকল বা অবৈধ তামাকজাত পণ্য বাজারে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা আরও ক্ষতিকর।
♦৩. কৃষক ও শ্রমিকদের জীবিকার প্রশ্ন:::::::::::::::::::-
বাংলাদেশে অনেক কৃষক তামাক চাষের সঙ্গে জড়িত এবং বহু শ্রমিক এই শিল্পে কাজ করেন। হঠাৎ কঠোর নীতি বা অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধি তাদের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে—এমন যুক্তিও কেউ কেউ দেন।
♦৪. সরকারের রাজস্ব নীতির সমালোচনা;::::::::::::::::::::-
কিছু রাজনৈতিক দলের মতে, সরকার জনগণের কল্যাণের চেয়ে রাজস্ব আদায়কেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই তারা এটিকে “জনবিরোধী অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত” হিসেবে দেখাতে পারে।
♦♦♦বিপক্ষের যুক্তি (যারা বিক্ষোভের সমালোচনা করে):::::::;::::::::
♦১. ইসলামে নেশাজাতীয় বস্তু হারাম::::::::::::::::::::-
ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে মদ, গাঁজা ও ক্ষতিকর নেশাজাতীয় বস্তু নিষিদ্ধ বা নিরুৎসাহিত। তাই একজন ইসলামী দল যদি এসব পণ্যের দাম বাড়ানোর বিরোধিতা করে, তখন অনেকে প্রশ্ন তুলতে পারেন—“তাহলে তারা কি পরোক্ষভাবে এসব পণ্যের ব্যবহার সহজ করতে চাইছে?”
♦২. দাম বাড়লে ব্যবহার কমতে পারে:::::::::::::::::::::-
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ অনেক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মনে করেন, তামাক ও মদের দাম বাড়ালে বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে ব্যবহার কমে। ফলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত হয়।
♦৩. স্বাস্থ্যব্যয়ের চাপ কমানোর যুক্তি:::::::::::::::::::-
ধূমপান ও নেশাজাতীয় পণ্যের কারণে ক্যান্সার, হৃদরোগ, ফুসফুসের রোগসহ নানা জটিলতা বাড়ে। এসব রোগের চিকিৎসা রাষ্ট্র ও পরিবারের জন্য বড় অর্থনৈতিক বোঝা। তাই দাম বাড়ানোকে অনেকে জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় মনে করেন।
♦৪. “বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা” অভিযোগ:::::::::::::-
সমালোচকদের একটি অংশ মনে করেন, কখনও কখনও বিরোধী দলগুলো সরকার যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন, রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তার বিরোধিতা করে। ফলে এটি নীতিগত অবস্থানের চেয়ে রাজনৈতিক কৌশলও হতে পারে—এমন অভিযোগ ওঠে।
♦♦♦ভারসাম্যপূর্ণ মূল্যায়ন♦♦♦
একটি ইসলামী দলের কাছে সাধারণ মানুষ সাধারণত আশা করে—
তারা নেশামুক্ত সমাজ গঠনের পক্ষে থাকবে,
একই সঙ্গে গরিব মানুষের অর্থনৈতিক কষ্টের বিষয়টিও বিবেচনা করবে।
তাই কোনো দল যদি মূল্যবৃদ্ধির বিরোধিতা করে, তাহলে তাদের স্পষ্টভাবে বলা প্রয়োজন—
তারা কি নেশাজাতীয় পণ্যের ব্যবহার কমাতে বিকল্প কোনো নীতি প্রস্তাব করছে?
নাকি শুধু সরকারের সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক বিরোধিতা করছে?
অন্যদিকে, সরকার যদি সত্যিই জনস্বাস্থ্যের জন্য দাম বাড়ায়, তাহলে সেই সঙ্গে সচেতনতা বৃদ্ধি, পুনর্বাসন, কৃষকদের বিকল্প ফসলের সুযোগ ও আসক্তি নিরাময়ের ব্যবস্থাও বাড়ানো জরুরি।
সবশেষে বলা যায়, বিষয়টি একেবারে সাদা-কালো নয়। এখানে ধর্মীয় মূল্যবোধ, জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক অবস্থান—সবকিছু মিলেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
♦♦♦♦পুরুষ মানুষ ♦♦♦♦
একজন পুরুষের সম্মান,
আজ কেবল তার পকেটের মাপকাঠিতে।
যে ঘাম দিনশেষে টাকায় রূপ নেয় না,
তার কোন ঘ্রাণ সমাজ পায় না ।
পকেট ভর্তি টাকা থাকলে সে যোগ্য,
আর শূন্য হলেই সে বোঝা।
সন্তানের বায়না আর স্ত্রীর হাসি মুখ,
সবকিছুর আড়ালে লুকিয়ে থাকে,
পুরুষের নিঃশব্দ হাহাকার।
টাকা থাকলে তোমার কথা সবাই শুনে,
আর টাকা না থাকলে,
অতি মূল্যবান পরামর্শ হয়ে যায় মূল্যহীন।
সবচেয়ে আপন মানুষটিও যখন,
টাকার অভাবে মুখ ফিরিয়ে নেয়,
তখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মনে হয়,
আমি কি মানুষ,
নাকি কেবলই টাকা উপার্জনের যন্ত্র?
দিন শেষে একা চুপচাপ
বসে থাকা পুরুষটি ক্লান্ত নয়,
লজ্জিত কারণ সে জানে,
এ যুগে চরিত্রের চেয়ে
ব্যাংক ব্যালেন্সই বড় পরিচয়।
পুরুষ তবুও লড়ে যায়,
কারণ তার ভেঙ্গে পড়ার বিলাসিতা নেই,
আর তার চোখের জলের
কোন বাজার মূল্য নেই।
আজকের আলোচনা ::::::::::::::::::::::::::
১.ইসলামী ব্যাংক আসলে কার?
২. চেয়ারম্যান নিয়ে গ্রাহকদের আন্দোলন সংগ্রাম কতটুকু যুক্তিযুক্ত ?
৩. এই আন্দোলনের পেছনে অন্য কোন ষড়যন্ত্র আছে বলে মনে করেন ?
♦♦♦১. ইসলামী ব্যাংক আসলে কার?
উত্তর ::::::::::::::::::::::::::::::::::
Islami Bank Bangladesh PLC একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। অর্থাৎ এটি কোনো এক ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। ব্যাংকের মালিকানা মূলত—
★শেয়ারহোল্ডারদের
★আমানতকারীদের আস্থার উপর
এবং
★ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর অধীনে পরিচালিত একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের
♦পক্ষে যুক্তি (যারা বলে “ব্যাংক জনগণের”)
★গ্রাহকদের টাকাতেই ব্যাংক চলে।
★জনগণের আস্থা হারালে ব্যাংকের অস্তিত্ব সংকটে পড়ে।
★ইসলামী ব্যাংকের সাথে ধর্মীয় আবেগ ও দীর্ঘদিনের বিশ্বাস জড়িত।
তাই গ্রাহকদের মতামত ও উদ্বেগকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
♦বিপক্ষে যুক্তি (যারা বলে “মালিকানা আইন অনুযায়ী নির্ধারিত”)
★ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও চেয়ারম্যান নিয়োগ কোম্পানি আইন ও নিয়ন্ত্রক নীতিমালা অনুযায়ী হয়।
★সাধারণ গ্রাহক ব্যাংকের সেবা গ্রহণ করেন, কিন্তু সরাসরি পরিচালনা করেন না।
★রাষ্ট্র ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার আইনগত অধিকার আছে ব্যবস্থাপনা পরিবর্তনের।
সুতরাং বাস্তবতা হলো—ব্যাংকটি আইনগতভাবে একটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, তবে এর শক্তি ও সুনাম মূলত জনগণের আস্থা থেকেই আসে।
♦♦♦২. চেয়ারম্যান নিয়ে গ্রাহকদের আন্দোলন-সংগ্রাম কতটুকু যুক্তিযুক্ত?
উত্তর ::::::::::::::::::::::::::::::::
এই বিষয়ে পক্ষে ও বিপক্ষে উভয় ধরনের যুক্তি রয়েছে।
♦পক্ষে যুক্তি
যারা আন্দোলনকে যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তারা বলেন—
★ব্যাংকিং খাতে “বিশ্বাস” সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
★গ্রাহক যদি মনে করেন নতুন নেতৃত্ব ★ব্যাংকের আদর্শ বা স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাহলে উদ্বেগ প্রকাশ করা তাদের অধিকার।
★আমানতকারীদের টাকা নিরাপদ থাকবে কিনা, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলাও স্বাভাবিক।
★শান্তিপূর্ণ আন্দোলন গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ।
♦বিপক্ষে যুক্তি
অন্যদিকে অনেকে মনে করেন—
★চেয়ারম্যান নিয়োগ একটি প্রশাসনিক ও কর্পোরেট বিষয়।
★গ্রাহকদের কাজ হলো সেবা গ্রহণ করা; ★পছন্দ না হলে অন্য ব্যাংকে যাওয়ার স্বাধীনতা তাদের আছে।
★নেতৃত্ব পরিবর্তন মানেই ব্যাংক ধ্বংস হয়ে যাবে—এমন ধারণা সবসময় সঠিক নয়।
★আন্দোলন ব্যাংকের ভাবমূর্তি ও আর্থিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
★আতঙ্ক ছড়ালে সাধারণ আমানতকারীরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন।
তাই আন্দোলন যদি হয় শান্তিপূর্ণ ও যৌক্তিক উদ্বেগ প্রকাশের জন্য, তাহলে তা একভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। কিন্তু যদি তা বিশৃঙ্খলা বা আতঙ্ক তৈরি করে, তাহলে সেটি ব্যাংক ও দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
♦♦♦৩. এই আন্দোলনের পেছনে অন্য কোনো ষড়যন্ত্র থাকতে পারে কি?
উত্তর :::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
এ ধরনের বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঘটনায় নানা পক্ষের স্বার্থ জড়িত থাকতে পারে—এ কথা অনেকে মনে করেন। তবে প্রমাণ ছাড়া নিশ্চিতভাবে “ষড়যন্ত্র” বলা ঠিক নয়।
♦যারা ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা দেখেন, তাদের যুক্তি
★বড় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক স্বার্থ কাজ করতে পারে।
★সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় গুজব বা আবেগকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়।
★কিছু গোষ্ঠী নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে আন্দোলনকে ব্যবহার করতে পারে।
♦যারা ষড়যন্ত্রের ধারণা মানেন না, তাদের যুক্তি
★অনেক গ্রাহকের উদ্বেগ বাস্তব ও আবেগনির্ভর হতে পারে।
★ইসলামী ব্যাংকের সাথে মানুষের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস জড়িত, তাই নেতৃত্ব পরিবর্তনে স্বাভাবিকভাবেই প্রতিক্রিয়া আসে।
★সব আন্দোলনকে “ষড়যন্ত্র” বলা হলে সাধারণ মানুষের মতপ্রকাশের অধিকার খাটো হয়।
♦♦ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—
★গুজব নয়, তথ্যভিত্তিক আলোচনা করা
★ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা
গ্রাহকদের আস্থা রক্ষা করা
★আইন ও নিয়মের মধ্যে থেকে মতামত প্রকাশ করা
কারণ ব্যাংকিং খাতে আতঙ্ক বা বিভ্রান্তি তৈরি হলে শেষ পর্যন্ত ক্ষতি সাধারণ আমানতকারীদেরই হয়।
♦♦♦আজকের আলোচনা :::::::::
চার ছেলে মেয়ের মধ্যে একজন যুগ্ম সচিব ,একজন বুয়েটের অধ্যাপক,আর একজন কেনাডিয়ান প্রবাসী এবং একমাত্র মেয়ে স্কুলের শিক্ষক ।এই পরিবারের গর্বিত মা গত সাতদিন আগে মারা যাওয়ার পরেও
১. ছেলে মেয়েদের খোঁজ না নেয়ার কারণ কি ?
২. উচ্চশিক্ষিত হওয়ার পরেও মায়ের প্রতি এমন অবহেলার কারন কি ?
৩.বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী এই ছেলে-মেয়েদের চাকরিচুত করে আইনের আওতায় আনা উচিত কিনা ?
৪.বর্তমান সমাজে বাবা-মায়ের প্রতি এত অবহেলা কেন এবং এই অবহেলার পেছনে ছেলের বউদের হাত আছে বলে মনে করেন কিনা ?
♦♦♦১. ছেলে-মেয়েদের খোঁজ না নেওয়ার কারণ কী হতে পারে?
উত্তর :::::::::::::::::::::::::::::::::::
একজন মা সন্তানের জন্য সারাজীবন ত্যাগ স্বীকার করেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, সন্তানরা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পারিবারিক দায়িত্ব ও মানবিক সম্পর্ক থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়। এর পেছনে কিছু কারণ থাকতে পারে—
★অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততা ও আত্মকেন্দ্রিক জীবনযাপন
★বিদেশে বা দূরে থাকার কারণে মানসিক দূরত্ব তৈরি হওয়া
★পারিবারিক বন্ধনের দুর্বলতা
★আধুনিক জীবনে “নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত” সংস্কৃতি
★পারিবারিক মতবিরোধ বা ভুল বোঝাবুঝি
তবে কোনো কারণই একজন বৃদ্ধ মা-বাবার প্রতি অবহেলাকে নৈতিকভাবে সমর্থন করে না। একজন মা মৃত্যুর আগে পর্যন্ত সন্তানের ভালোবাসা ও খোঁজ প্রত্যাশা করেন।
♦♦♦২. উচ্চশিক্ষিত হওয়ার পরেও মায়ের প্রতি এমন অবহেলার কারণ কী?
উত্তর:::::::::::::::::::::::::::::
শিক্ষা মানুষকে কেবল ডিগ্রি দেয় না, মানবিকতাও শেখায়। কিন্তু বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, উচ্চশিক্ষা থাকলেও মানবিক মূল্যবোধের ঘাটতি থাকে। এর কারণ হতে পারে—
★নৈতিক ও পারিবারিক শিক্ষার অভাব
★অর্থ ও সামাজিক মর্যাদাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া
★ছোটবেলা থেকে পারিবারিক দায়িত্ববোধ গড়ে না ওঠা
★“বৃদ্ধ বাবা-মা বোঝা” এমন ভুল মানসিকতা
★সামাজিক প্রতিযোগিতায় মানবিক সম্পর্ক অবহেলিত হওয়া
প্রকৃত শিক্ষিত ব্যক্তি কখনো মা-বাবাকে অবহেলা করেন না। কারণ একজন মায়ের ত্যাগের প্রতিদান কোনো ডিগ্রি বা পদমর্যাদার চেয়ে অনেক বড়।
♦♦♦৩. বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী এমন সন্তানদের চাকরিচ্যুত বা আইনের আওতায় আনা উচিত কি না?
উত্তর :::::::::::::::::::::::::::::
বাংলাদেশে Parents Maintenance Act 2013 বা “পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩” অনুযায়ী সন্তানদের বাবা-মায়ের ভরণপোষণ ও দেখাশোনার দায়িত্ব রয়েছে। যদি কোনো সন্তান ইচ্ছাকৃতভাবে অসহায় বাবা-মাকে অবহেলা করে, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে।
তবে শুধুমাত্র সামাজিক বা নৈতিক অবহেলার কারণে সরাসরি চাকরিচ্যুত করা আইনগতভাবে সবসময় সম্ভব নাও হতে পারে। কারণ চাকরি সম্পর্কিত শাস্তির জন্য নির্দিষ্ট প্রশাসনিক বা আইনি প্রক্রিয়া থাকে।
তবে সমাজ ও রাষ্ট্রের উচিত—
★বৃদ্ধ মা-বাবার অধিকার রক্ষায় আইন কার্যকর করা
★সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নৈতিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
★পারিবারিক মূল্যবোধকে শিক্ষাব্যবস্থায় গুরুত্ব দেওয়া
♦♦♦৪. বর্তমান সমাজে বাবা-মায়ের প্রতি অবহেলা কেন বাড়ছে? ছেলের বউদের ভূমিকা আছে কি?
উত্তর :::::::::::::::::::::::::::::
বর্তমানে পারিবারিক বন্ধন আগের তুলনায় দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। এর পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে—
★যৌথ পরিবার ভেঙে একক পরিবার বৃদ্ধি
★অর্থনৈতিক চাপ ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক জীবন
★সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়
★প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে পারিবারিক যোগাযোগ কমে যাওয়া
★বৃদ্ধদের “অপ্রয়োজনীয়” ভাবার ভুল প্রবণতা
ছেলের বউদের ভূমিকার প্রশ্নে বলা যায়, সব দোষ কোনো এক পক্ষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। অনেক পুত্রবধূ শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা আন্তরিকভাবে করেন। আবার কিছু ক্ষেত্রে পারিবারিক দ্বন্দ্ব, মানসিক দূরত্ব বা ভুল বোঝাবুঝির কারণে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে।
আসলে দায়িত্ব সবার—ছেলে, মেয়ে, পুত্রবধূ, জামাতা—সবাই মিলে পরিবারকে ধরে রাখতে হয়। একজন মা-বাবার প্রতি সম্মান ও যত্ন শুধু আইনি নয়, এটি মানবিক ও ধর্মীয় দায়িত্বও।
fans
Facebook
♦♦আজকের আলোচনা :::::::::
গত কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে, সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় হয়েছে।কেউ কাউকে সম্মান করছে না বা ৫ আগস্টের পরে কিছু বেয়াদবের সৃষ্টি হয়েছে ? এই মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণ কি এবং এই অবক্ষয় থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায় কি ?
♦♦♦সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়:::
সামাজিক মূল্যবোধ হলো মানুষের নৈতিকতা, শিষ্টাচার, পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা, সততা ও দায়িত্ববোধের সমষ্টি। একটি সমাজের উন্নয়ন শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে না; বরং মানুষের মূল্যবোধ ও চরিত্রের ওপরও নির্ভরশীল। বর্তমানে আমাদের দেশে অনেক ক্ষেত্রেই বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি সম্মান কমে যাওয়া, অসহিষ্ণুতা বৃদ্ধি, সামাজিক শৃঙ্খলার অবনতি এবং অশালীন আচরণের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এ অবস্থাকে সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় বলা যায়।
♦♦♦মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণ::::
১♦. পারিবারিক শিক্ষার দুর্বলতা::::::
পরিবার শিশুর প্রথম শিক্ষালয়। অনেক ক্ষেত্রে বাবা-মা কর্মব্যস্ত থাকায় সন্তানদের নৈতিক শিক্ষা ও আচরণগত প্রশিক্ষণে যথেষ্ট সময় দিতে পারেন না। ফলে সন্তানদের মধ্যে শৃঙ্খলা, ভদ্রতা ও শ্রদ্ধাবোধের ঘাটতি দেখা দেয়।
২♦. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈতিক শিক্ষার অভাব:::::
বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের দিকে বেশি মনোযোগী হলেও নৈতিকতা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের চর্চা তুলনামূলক কম হচ্ছে।
৩♦. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব:::::::
ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অনেক সময় অসৌজন্যমূলক ভাষা, বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য ও অশালীন আচরণ প্রচারিত হয়। এগুলোর প্রভাব তরুণদের আচরণেও পড়তে পারে।
৪♦. রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজন::::
সমাজে সহনশীলতা ও মতভেদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ কমে গেলে মানুষ ভিন্ন মতকে সম্মান করতে শেখে না। ফলে পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
৫♦. অর্থকেন্দ্রিক মানসিকতা:::::::::
অনেক ক্ষেত্রে অর্থ ও ক্ষমতাকে মানুষের চরিত্র, সততা ও মানবিকতার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এতে নৈতিক মূল্যবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৬♦. সাংস্কৃতিক অবক্ষয়:::::::::
দেশীয় সংস্কৃতি, সাহিত্য, ইতিহাস ও নৈতিক শিক্ষার চর্চা কমে গেলে সামাজিক মূল্যবোধও দুর্বল হয়ে পড়ে।
৭♦. আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব::::::::
অপরাধ বা অসামাজিক আচরণের যথাযথ বিচার না হলে মানুষ ভুল কাজ করতে উৎসাহিত হতে পারে এবং সামাজিক শৃঙ্খলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
♦♦♦মূল্যবোধের অবক্ষয় থেকে পরিত্রাণের উপায়:::::::::::::::::
১♦. পরিবারে নৈতিক শিক্ষার চর্চা::::::::
বাবা-মাকে সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই ভদ্রতা, সততা, শৃঙ্খলা, সহমর্মিতা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের সম্মান করার শিক্ষা দিতে হবে।
২♦. শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিকতা শিক্ষা জোরদার করা:::::::::::::
স্কুল-কলেজে নৈতিক শিক্ষা, নাগরিক দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে হবে।
৩♦. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সচেতন ব্যবহার:::::::::
তরুণদের প্রযুক্তি ব্যবহারে সচেতন হতে হবে এবং ইতিবাচক ও শিক্ষামূলক বিষয়বস্তুর প্রতি আগ্রহী করতে হবে।
৪♦. ধর্মীয় ও মানবিক শিক্ষার প্রসার:::::::::
ধর্মীয় শিক্ষা মানুষকে সততা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। পাশাপাশি সকল ধর্ম ও মতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মনোভাব গড়ে তুলতে হবে।
৫♦. সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি::::::::::::
সাহিত্যচর্চা, খেলাধুলা, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ড তরুণদের ইতিবাচক মূল্যবোধ গঠনে সহায়তা করে।
৬♦. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা:::::::::::
অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যাতে সমাজে ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা তৈরি হয়।
৭♦. নেতৃত্বের ইতিবাচক ভূমিকা::::::::
রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, সমাজসেবক এবং গণমাধ্যমকর্মীদের নিজেদের আচরণের মাধ্যমে ভালো উদাহরণ স্থাপন করতে হবে।
♦♦♦উপসংহার
সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় কোনো একদিনে সৃষ্টি হয় না, আবার একদিনে দূরও হয় না। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ, রাষ্ট্র ও গণমাধ্যম—সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সভ্য, মানবিক ও সম্মানবোধসম্পন্ন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, সততা ও দায়িত্ববোধের চর্চাই মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। একটি জাতির প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন তার নাগরিকরা শিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক গুণাবলিতেও সমৃদ্ধ হবে।
Facebook
★★প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আবেদন ★★
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
বরাবর
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
বিষয়: শিশু ধর্ষণ প্রতিরোধ ও কঠোর প্রতিকারের দাবিতে আবেদন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
বিনীত নিবেদন এই যে, বর্তমানে দেশে শিশু ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে শিশুদের স্বাভাবিক জীবন, শিক্ষা ও মানসিক বিকাশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একটি সভ্য সমাজে এ ধরনের অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
অতএব, নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি—
১। শিশু ধর্ষণের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা।
২। অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা।
৩। বিদ্যালয় ও সমাজে শিশু সুরক্ষা ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করা।
৪। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিযোগ জানানোর নিরাপদ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
৫। শিশু ও অভিভাবকদের জন্য জরুরি সহায়তা হটলাইন আরও কার্যকর করা।
৬। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে শিশু নির্যাতনবিরোধী প্রচারণা বৃদ্ধি করা।
৭। ভুক্তভোগী শিশুদের চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও মানসিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণ দমন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ধারা ও আইনসমূহ—
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শিশু ধর্ষণের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত শিশু আইন অনুযায়ী শিশুর নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের আলোকে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
অতএব, দেশের শিশুদের নিরাপত্তা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
নিবেদক
আপনার অনুগত নাগরিক
নাম: মোঃ আজগর আলী কাঞ্চন
ঠিকানা: কলেজ স্ট্রিট রোড, সাইন্স ল্যাবরেটরী, ঢাকা ১২০৫
তারিখ: ২০/০৫/২০২৬
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1205