পারবি আমার সাথে😁। একদম সাইজ করে দিমু
জাগতিক-Jagotik
Life is Beautiful �
12/05/2026
Play 💓
তুমি ২০২৪ হলে, আমি ১৯৭১
তুমি আবু সাঈদ হলে,আমি নূর হোসেন।
তুমি রাজাকার হলে,আমি মুক্তিযোদ্ধা।
তুমি ইনকিলাব হলে,আমি জয়বাংলা।
হাসনাত আব্দুল্লাহকে দেখলাম খালেদা জিয়ার নাম নিয়া সগর্বে মিথ্যাচার করতেছেন।
যে খালেদা জিয়া বলছিলেন—বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এই সংবিধান ছুঁইড়া ফেলা হবে।
না। এইটা মিথ্যা কথা।
খালেদা জিয়া যেই সংবিধান ছুঁইড়া ফেলার কথা বলছিলেন আর আপনারা যেই সংবিধান ছুঁইড়া ফেলতে চান, দুইটা এক না।
খালেদা জিয়া ২০১১ সালের ১৩ জুলাই এই বক্তব্য দিছিলেন সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর বিরোধিতা কইরা।
তিনি বলছিলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী ছুঁইড়া ফেলা হবে। কিন্তু রাজনৈতিক বক্তৃতাকে ধারালো করার জন্য কথাটা তিরি সরল রাখছিলেন।
আপনারা যেই ছুঁইড়া ফেলার কথা বলতেছেন—সেইটা বাহাত্তরের সংবিধান ছুঁইড়া ফেলা। এবং নতুন কইরা আরেকটা সংবিধান লেখা।
এই দুইয়ের পার্থক্য খুবই স্পষ্ট ও মৌলিক।
জামাত-এনসিপির জুলাইকে কেন্দ্র কইরা 'সেকেন্ড রিপাবলিকে'র ধারণাটাই এইটা। বাহাত্তরের সংবিধান ছুঁইড়া ফেলা হবে।
যেহেতু বাহাত্তরের গণপরিষদ এবং কামাল হোসেনরা বাংলাদেশের সঠিক সংবিধান লেখতে পারে নাই। এইটা তাদের ডিসকোর্সের সারকথা।
সেই কারণেই আন্দালিব রহমান পার্থ তাদেরকে প্রশ্ন করছেন—সংবিধান ছুঁইড়া ফেলতে হবে ক্যানো, এইটা কি একাত্তরের পরাজয়ের দলিল?
জামাত-এনসিপির বাহাত্তরের সংবিধান ছুঁইড়া ফেলার মধ্যে এইটাকে একাত্তরের পরাজয়ের দলিল বানানোর প্রচেষ্টা আছে।
খালেদা জিয়া কখনোই এইধরনের কিছু ভাবেন নাই বা বলেন নাই। তিনি বাহাত্তরের সংবিধান ছুঁইড়া ফেলার কথা বলেন নাই।
তিনি সরলভাবে পঞ্চদশ সংশোধনীর কথা বলছেন। এবং বর্তমান বিএনপিও খালেদা জিয়ার লাইনেই আছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরাইয়া আনা সহ পঞ্চদশ সংশোধনীর আগের অবস্থায় ফিরা যাওয়াই বিএনপির এইমুহূর্তের রাজনীতি।
হাসনাতদের মিথ্যা গলাবাজি দৃষ্টিকটু।
05/04/2026
এই বিষয়টা ইন্টারেস্টিং। ইউনুসের আমলে যে কয়টা অধ্যাদেশ হইছে, সম্ভবত শুধু এই একটা বিষয়েই বর্তমান সরকার একমত হইছে, অন্যগুলোতো বাতিলের জন্য সর্বশক্তি প্রয়োগ করতেছে জনগনের বিরুদ্ধে গিয়ে।
এটাতে শুধু একমতই হয়নি, বরং সংশোধন করে শাস্তির বিধানও যুক্ত করেছে বিএনপি। এখন এনসিপি কি হাততালি দিবে।
খারাপ নাহ, ভালোই...নব্য ফ্যাসিস্ট হয়ে যাচ্ছে।
Ncp এর হাসনাত আব্দুল্লাহকে দেখলাম খালেদা জিয়ার নাম নিয়া সগর্বে মিথ্যাচার করতেছেন।
যে খালেদা জিয়া বলছিলেন—বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এই সংবিধান ছুঁইড়া ফেলা হবে।
না। এইটা মিথ্যা কথা।
খালেদা জিয়া যেই সংবিধান ছুঁইড়া ফেলার কথা বলছিলেন আর আপনারা যেই সংবিধান ছুঁইড়া ফেলতে চান, দুইটা এক না।
খালেদা জিয়া ২০১১ সালের ১৩ জুলাই এই বক্তব্য দিছিলেন সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর বিরোধিতা কইরা।
তিনি বলছিলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী ছুঁইড়া ফেলা হবে। কিন্তু রাজনৈতিক বক্তৃতাকে ধারালো করার জন্য কথাটা তিরি সরল রাখছিলেন।
আপনারা যেই ছুঁইড়া ফেলার কথা বলতেছেন—সেইটা বাহাত্তরের সংবিধান ছুঁইড়া ফেলা। এবং নতুন কইরা আরেকটা সংবিধান লেখা।
এই দুইয়ের পার্থক্য খুবই স্পষ্ট ও মৌলিক।
জামাত-এনসিপির জুলাইকে কেন্দ্র কইরা 'সেকেন্ড রিপাবলিকে'র ধারণাটাই এইটা। বাহাত্তরের সংবিধান ছুঁইড়া ফেলা হবে।
যেহেতু বাহাত্তরের গণপরিষদ এবং কামাল হোসেনরা বাংলাদেশের সঠিক সংবিধান লেখতে পারে নাই। এইটা তাদের ডিসকোর্সের সারকথা।
সেই কারণেই আন্দালিব রহমান পার্থ তাদেরকে প্রশ্ন করছেন—সংবিধান ছুঁইড়া ফেলতে হবে ক্যানো, এইটা কি একাত্তরের পরাজয়ের দলিল?
জামাত-এনসিপির বাহাত্তরের সংবিধান ছুঁইড়া ফেলার মধ্যে এইটাকে একাত্তরের পরাজয়ের দলিল বানানোর প্রচেষ্টা আছে।
খালেদা জিয়া কখনোই এইধরনের কিছু ভাবেন নাই বা বলেন নাই। তিনি বাহাত্তরের সংবিধান ছুঁইড়া ফেলার কথা বলেন নাই।
তিনি সরলভাবে পঞ্চদশ সংশোধনীর কথা বলছেন। এবং বর্তমান বিএনপিও খালেদা জিয়ার লাইনেই আছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরাইয়া আনা সহ পঞ্চদশ সংশোধনীর আগের অবস্থায় ফিরা যাওয়াই বিএনপির এইমুহূর্তের রাজনীতি।
হাসনাতদের মিথ্যা গলাবাজি দৃষ্টিকটু।
যারা তেল মজুদ করছেন সরকারের উচিত ঐসব মজুদদারকে তেলে চুবানো
04/03/2026
দুইডারে এক লগে মারতে পারতো
কার বেশি ক্ষতি হবে এই যুদ্ধে। আরব দেশ গুলো কি চুপ করে থাকবে
19/02/2026
আগামী ১ মাস এমনই পোস্ট দিবে সবাই
17/02/2026
ট্রাক ড্রাইভার
Click here to claim your Sponsored Listing.