Tips (Marks বাড়ানোর Smart Way)
1️⃣ Active Study করো
শুধু পড়ো না
নিজেকে question করো
explain করার চেষ্টা করো
2️⃣ Past Question Practice
exam-এ কী আসে বুঝবে
same pattern বারবার আসে
3️⃣ Mistake Analysis
ভুলগুলো লিখে রাখো
একই ভুল repeat না করো
4️⃣ Short Notes 📌
key point লিখে রাখো
exam-এর আগে দ্রুত revise
5️⃣ Smart Revision
পড়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে revise করো
না করলে ভুলে যাবে
Job Journey
This page contains important notes on bangla, english, math, mental ability, general knowledge, science, computer, Ict & so on.
(BCS, Bank, University admission test, Primary & Job preparation)
17/06/2026
৪৩তম বিসিএসে ৬৬ শতাংশ ক্যাডার হয়েছেন বিজ্ঞান বিভাগ থেকে।
©
17/06/2026
ব্যাংকের জন্য সপ্তম শ্রেণির গণিত বই থেকে এই অধ্যায়গুলো করতেই হবে।⬇️
17/06/2026
🥰মাস্টার বই থেকে দাগানো অধ্যায়গুলো
বেশি বেশি করবেন আর ইংরেজি সাহিত্যের প্রিভিয়াস কোশ্চেন গুলো পড়বেন শুধু।।
16/06/2026
🇧🇩 সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের নাম ও সেক্টর মনে রাখার সহজ কৌশল 🇧🇩
✍️ নাম মনে রাখার কৌশল: “সাত হাজার মোম আন”
🔹 হা = হামিদুর রহমান
🔹 জা = মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
🔹 র = রুহুল আমিন
🔹 মো = মোস্তফা কামাল
🔹 ম = মতিউর রহমান
🔹 আ = মুন্সী আব্দুর রউফ
🔹 ন = নূর মোহাম্মদ শেখ
✍️ সেক্টর মনে রাখার কৌশল: ৪ / ৭ / ১০ → ২ / ০ / ১ / ৮
✅ হামিদুর রহমান → ৪ নম্বর সেক্টর
✅ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর → ৭ নম্বর সেক্টর
✅ রুহুল আমিন → ১০ নম্বর (নৌ) সেক্টর
✅ মোস্তফা কামাল → ২ নম্বর সেক্টর
✅ মতিউর রহমান → বিমান বাহিনী (০)
✅ মুন্সী আব্দুর রউফ → ১ নম্বর সেক্টর
✅ নূর মোহাম্মদ শেখ → ৮ নম্বর সেক্টর
📚 মনে রাখুন:
“সাত হাজার মোম আন → ৪/৭/১০ → ২০১৮”
একটি কৌশলেই নাম ও সেক্টর দুটোই মনে রাখা সম্ভব।
✍️ প্রস্তুতকারক:
মোঃ নূরুজ্জামান
সহকারী শিক্ষক
উত্তর বাগদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল।
📚 ১ ঘণ্টায় পুরো Chapter শেষ করার গোপন Study Method! 😳
🔹 ধাপ ১: “Survival Mode” এ ঢুকো (৫ মিনিট)
যেমন তেলাপোকা বিপদ এড়াতে সবকিছু থেকে লুকিয়ে যায়, তেমনি সব ধরনের distraction দূর করো।
✔ ফোন Airplane Mode এ দাও
✔ সামনে শুধু ১টা বই/ট্যাব রাখো
✔ পাশে পানির বোতল রাখো
✔ নিজেকে বলো:
“পরের ১ ঘণ্টা শুধু পড়াশোনা ছাড়া আর কিছু নেই।”
🔹 ধাপ ২: পুরো চ্যাপ্টার দ্রুত স্ক্যান করো (১০ মিনিট)
তেলাপোকা যেমন নতুন জায়গা দ্রুত ঘুরে দেখে, তেমনি আগে পুরো chapter টা দ্রুত দেখে নাও।
✔ Heading & Subheading পড়ো
✔ Diagram/ছবি দেখো
✔ Highlight করা লাইন পড়ো
✔ Summary ও প্রশ্নগুলো দেখো
🔹 ধাপ ৩: গুরুত্বপূর্ণ অংশে আক্রমণ করো (২৫ মিনিট)
তেলাপোকা ছোট ছোট দ্রুত মুভমেন্ট করে — তুমিও ছোট ভাগে পড়ো।
এই প্যাটার্ন ফলো করো:
✔ ২–৩ পৃষ্ঠা পড়ো
✔ থামো
✔ বই না দেখে নিজের ভাষায় বুঝাও
✔ শুধু ২–৩টা keyword লিখে রাখো
ফোকাস করো:
✔ Definition
✔ Formula
✔ Concept
✔ গুরুত্বপূর্ণ তারিখ/নাম/উদাহরণ
🔹 ধাপ ৪: Active Recall Sprint (১০ মিনিট)
এবার বই পুরো বন্ধ করে নিজেকে প্রশ্ন করো:
✔ Chapter টা কী নিয়ে ছিল?
✔ Main concept কী?
✔ গুরুত্বপূর্ণ formula কী?
✔ আমি কি এটা কাউকে শেখানোর মতো বুঝাতে পারবো?
🔹 ধাপ ৫: Revision Technique (১০ মিনিট)
তেলাপোকা একই movement বারবার repeat করে বেঁচে থাকে — তাই শেষ সময়ে দ্রুত revision করো।
✔ শুধু keyword revise করো
✔ Summary আবার পড়ো
✔ ৩–৫টা MCQ/question solve করো
✔ কঠিন বিষয়গুলো জোরে জোরে বলো
📵 কে কে চাও Mobile Addiction ছেড়ে Focused Student হতে?
ইচ্ছা থাকলে কমেন্টে লিখো “I Will” 🔥
🎯 এমন স্টাডি হ্যাকস পেতে পেজটাকে ফলো দিয়ে রাখতে পারো।
15/06/2026
পড়তে বসলে বারবার ফোনে হাত চলে যায়? অনেকেই মনে করেন তাদের মনোযোগ কম, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমস্যাটা মনোযোগের নয়, অভ্যাসের। আমরা এতটাই ফোন চেক করতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি যে নোটিফিকেশন না এলেও অজান্তেই ফোন হাতে তুলে নিই। অথচ প্রতিবার ফোন চেক করার পর আবার পড়ায় পুরোপুরি মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে বেশ কিছু সময় লাগে। তাই পড়ার সময় ফোনটাকে শুধু সাইলেন্ট করলেই হবে না, যতটা সম্ভব চোখের আড়ালে রাখার চেষ্টা করো। ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করো— যেমন, পরবর্তী ৩০ মিনিট শুধু পড়ব, কোনোভাবেই ফোন ধরব না। শুরুতে কঠিন লাগবে, কিন্তু প্রতিবার ফোনের প্রলোভনকে না বলে বইয়ের দিকে ফিরে আসার মধ্যেই মনোযোগের শক্তি তৈরি হয়। মনে রেখো, ভালো রেজাল্ট বা বড় কোনো অর্জন একদিনে আসে না; প্রতিদিনের ছোট ছোট শৃঙ্খলাই একসময় বড় সাফল্যের ভিত্তি গড়ে তোলে। আজ একটানা কয়েক ঘণ্টা পড়ার লক্ষ্য না রেখে, শুধু পরবর্তী ৩০ মিনিট সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করো। একদিন দেখবে, যে ফোন একসময় তোমার মনোযোগ কেড়ে নিত, সেটাই আর তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।
15/06/2026
💥এই অধ্যায় গুলো করবেন
বেশি বেশি
15/06/2026
৯ম -১০ম শ্রেণির গণিত ও উচ্চতর গণিত বই থেকে বিসিএস ও ব্যাংকের প্রস্তুতির জন্য যেসব অধ্যায় পড়তে হবে।
15/06/2026
১৯৯২ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গে তোলা একটি আর্কাইভাল ছবি ভ্লাদিমির পুতিনকে তৎকালীন মেয়র আনাতোলি সোবচাকের লাগেজ বহন করতে দেখায়। তখন পুতিন শহরের “Committee for External Relations” এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এই সময় তিনি আপাতদৃষ্টিতে একটি ছোট প্রশাসনিক পদে থাকলেও বাস্তবে শহরের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও বৈদেশিক নীতিগত সিদ্ধান্তে তার প্রভাব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল।
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর রাশিয়ায় বিদেশি বিনিয়োগ, বেসরকারিকরণ এবং নতুন অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে ওঠে। এই প্রক্রিয়ায় সেন্ট পিটার্সবার্গে পুতিন বিদেশি বিনিয়োগ অনুমোদন, যৌথ ব্যবসায়িক চুক্তি এবং সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতেন। ফলে বহু আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ও ব্যবসায়িক চুক্তি তার অফিসের মাধ্যমে পরিচালিত হতো।
মেয়র সোবচাক প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনায় পুতিনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করতেন এবং তাকে একজন বিশ্বস্ত ও দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে ব্যবহার করতেন। যদিও তখন তিনি উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, তবে প্রশাসনিক কাঠামোর ভেতরে তার প্রভাব ক্রমেই দৃঢ় হয়।
১৯৯৬ সালে সোবচাক নির্বাচনে পরাজিত হলে পুতিন মস্কোতে চলে যান। এরপর তিনি দ্রুত রাশিয়ার কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন, FSB নেতৃত্বসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি রাশিয়ার সর্বোচ্চ ক্ষমতার কেন্দ্রে পৌঁছে যান।
Click here to claim your Sponsored Listing.