“Knowledge-driven” আর “Learning Mindset” শব্দগুলো আজ খুব জনপ্রিয়।
কিন্তু শেখার প্রতি ভালোবাসা, জ্ঞান অর্জনের তাগিদ আর নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করার মানসিকতা আল্লাহর রাসূল ﷺ তাঁর উম্মতের মাঝে গেঁথে দিয়েছিলেন প্রায় ১৪০০ বছর আগেই। 📚
Itqaan Management Training & Research-IMTR
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Itqaan Management Training & Research-IMTR, Educational Research Center, Dhaka.
Itqaan Management Training & Research (IMTR) is a sister concern of Itqaan Institute, offering a unique blend of Islamic values and modern management principles.
আপনি কি জানেন, মসজিদে নববিতে দুটি মিম্বার ছিল?
একটি ছিল রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জন্য, আর অন্যটি ছিল একজন সাহাবীর জন্য।
জানেন, তিনি কে ছিলেন?
তিনি ছিলেন হাসসান ইবন সাবিত (রা.), ইসলামের খ্যাতিমান কবি।
তিনি তলোয়ার দিয়ে নয়, নিজের ভাষা ও কবিতার মাধ্যমে ইসলামের পক্ষে এবং কাফিরদের অপপ্রচার ও বিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াই করতেন। তাঁর কবিতা ছিল সত্যের পক্ষে এক শক্তিশালী অস্ত্র।
"আহলুস সুফফার জীবন মানেই কি শুধু ক্ষুধা — এটা অর্ধেক সত্য। বাকি অর্ধেকটা কি জানেন?"
একটি টিমে প্রায় সবাই যোগ্য — প্রত্যেকেই নিজ নিজ জায়গায় কোয়ালিফাইড। কিন্তু একজন টিম লিডার হিসেবে আপনি তখন কী করবেন?
চলুন, দেখি রাসূল ﷺ এই ক্ষেত্রে কী করেছিলেন।
একজন নেতা হিসেবে রাসূল ﷺ ছিলেন অসাধারণ মানবিক বোধসম্পন্ন। তিনি শুধু নেতৃত্বই দিতেন না — প্রতিটি সাহাবীর স্বকীয় বৈশিষ্ট্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী তাদের আলাদাভাবে মূল্যায়ন করতেন এবং সেই অনুযায়ী গুরুত্ব দিতেন।
07/05/2026
প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে এই দুটো বিষয় ভুলে যায় — ইনসাফ আর আমানতদারিতা।
"নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তার হকদারদের কাছে পৌঁছে দিতে। আর যখন মানুষের মধ্যে ফয়সালা করবে, তখন ন্যায়ভিত্তিক ফয়সালা করবে। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে কতই না সুন্দর উপদেশ দিচ্ছেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।"
[সূরা আন-নিসা, ৪:৫৮]
একটা সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের ভিত মজবুত করতে চাইলে এই দুটো জিনিস থাকতেই হবে।
টিমের সদস্যদের বিশ্বাস করতে চাইলে আগে নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হবে। আর যাদের উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাদেরও সেই দায়িত্বকে আমানত মনে করে যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
একটা ভালো টিম গড়ে ওঠে তখনই, যখন প্রত্যেকে নিজের দায়িত্বকে নিজের আমানত মনে করে। আর প্রত্যেকে জানে — এখানে কাউকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হবে না, কাউকে হক থেকে বঞ্চিত করা হবে না। সবাই ইনসাফ পাবে, কাজের ভিত্তিতে মর্যাদা পাবে।
এরকম পরিবেশেই মানুষ নিশ্চিন্তে কাজ করে, আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করে — কারণ তারা জানে, এখানে তারা নিরাপদ।
আর নেতৃত্বে যারা আছেন, তাদের মনে রাখতে হবে — কঠোরতা আর দৃঢ়তা এক জিনিস নয়। যে নেতা নিজের মানুষদের সাথে কঠোর আচরণ করেন, একসময় দেখা যায় টিমের সদস্যরা একে একে সরে পড়েন। আর সে নেতা তখন একাই দাঁড়িয়ে থাকেন — দলবিহীন, শক্তিবিহীন।
তাই সফল প্রতিষ্ঠান গড়তে চাইলে শুধু কৌশল বা দক্ষতা যথেষ্ট নয় — দরকার আমানতদারিতা আর ইনসাফের উপর দাঁড়ানো একটা সংস্কৃতি। যেখানে মানুষ শুধু কাজ করতে আসে না, বরং বিশ্বাস নিয়ে আসে।
03/05/2026
আমাদের অনেকের জীবনে একটা চেনা দৃশ্য আছে।
একটা কাজ করতে চাই। একটা সিদ্ধান্ত নিতে চাই। কিন্তু শুরু করতে পারি না। মনের মধ্যে ঘুরতে থাকে।
"এখনো কি ঠিকমতো প্রস্তুত হয়েছি?"
"যদি ব্যর্থ হই?"
"একটু পরে শুরু করি।"
দিন যায়। সপ্তাহ যায়। কাজটা আর হয় না।
তাওয়াক্কুল মানে কি বসে থাকা?
আমরা অনেকেই মনে করি — আল্লাহর উপর ভরসা রাখা মানে হাত পা গুটিয়ে অপেক্ষা করা। কিন্তু রাসূলুল্লাহ ﷺ এই ধারণাটা পরিষ্কার করে দিয়েছেন।
একবার এক সাহাবী উট না বেঁধে তাওয়াক্কুল করতে চাইলেন। রাসূল ﷺ বললেন,
"আগে উট বাঁধো, তারপর তাওয়াক্কুল করো।"
(তিরমিযী)
মানে হলো — তোমার যা করার, সেটা করো। তারপর ফলাফল আল্লাহর হাতে দাও। বসে থেকে কিছু না করে, শুধুই অপেক্ষা করা — এটা তাওয়াক্কুল না।
ভয়টা স্বাভাবিক — কিন্তু এটাই শেষ কথা নয়
ব্যর্থতার ভয় সবারই হয়। এটা মানুষের সিফাত। কিন্তু এই ভয়ে থমকে থাকলে কাজ হবেই না।
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য পথ বের করে দেন।"
(সূরা তালাক: ২)
খেয়াল করুন — আয়াতে পথ বের করে দেন বলেছেন কিন্তু শুরুটা আমাদেরই করতে হবে। চলতে শুরু করলে রাস্তা সহজ করে দিবে রব।
"পরে করব" — এই অভ্যাসের ফলাফল আসলে কী?
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
"পাঁচটি জিনিস আসার আগেই পাঁচটি জিনিসকে কাজে লাগাও — বার্ধক্যের আগে যৌবনকে, অসুস্থতার আগে সুস্থতাকে, দারিদ্র্যের আগে সচ্ছলতাকে, ব্যস্ততার আগে অবসরকে এবং মৃত্যুর আগে জীবনকে।"
(মুস্তাদরাক হাকিম)
"পরে করব" বলতে বলতে যে সময়টা চলে যাচ্ছে — সেটা আর ফেরে না। সময় সবচেয়ে দামী বলেই এর হিসাব দেয়াটা কঠিন।
আমরা যদি সীরাহ দেখি, বড় বড় কাজ কখনো "সব ঠিক হলে শুরু করব" মানসিকতায় হয়নি।
হিজরত হয়েছিল অনিশ্চয়তার মধ্যে।
বদরে মুসলিমরা ছিলেন সংখ্যায় অনেক কম।
মদীনায় রাষ্ট্র গড়া হয়েছিল একদম শূন্য থেকে।
প্রতিটি ক্ষেত্রে একটাই প্যাটার্ন, আগে পদক্ষেপ, তারপর আল্লাহর সাহায্য।
আপনি হয়তো এখন কোনো একটা কাজের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন। একটা নতুন কিছু শুরু করতে চাইছেন। একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না।
ইসলাম আপনাকে একটাই কথা বলে,
নিয়ত ঠিক করুন। উট বাঁধুন। শুরু করুন।
بِسْمِ اللهِ
28/04/2026
আচ্ছা, আপনার বসের কথা মাথায় আসলে প্রথমে কোন ছবিটা ভেসে ওঠে?
অনেকের মনেই আসে এমন একজন মানুষের প্রতিচ্ছবি—যিনি প্রচণ্ড রাগী। কাজে একটু ভুল হলেই বকাঝকা। বস অফিসে ঢুকলেই সবাই আতঙ্কিত।
কিন্তু এর ঠিক বিপরীত ছবিটা কি আমরা কখনো ভাবি?
🔹 যে পরিবেশে ভয় আর কঠোরতা থাকে, সেখানে মুখে থাকে হাসি; কিন্তু অন্তরে জমে থাকে চাপা রাগ, হতাশা আর দূরত্ব।
তাহলে একজন কর্মীর কাছ থেকে সর্বোচ্চ পাওয়ার রাস্তা কী?
নবীজি ﷺ আমাদের শিখিয়েছেন—ইহসান।
ইহসান মানে শুধু ভালো ব্যবহার নয়। ইহসান মানে—সর্বোচ্চ আন্তরিকতা আর যত্ন দিয়ে নিজের দায়িত্ব পালন করা। এমনভাবে, যেন মনে থাকে—
"আমার কাজ কেউ দেখুক বা না দেখুক, আমার রব তো দেখছেনই।"
নবীজি ﷺ বলেছেন—
"তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে এমনভাবে, যেন তুমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছো। আর যদি তুমি তাঁকে দেখতে না পাও, তবুও তিনি কিন্তু তোমাকে দেখছেন।"
এই মনোভাব যখন একটা প্রতিষ্ঠানে ঢোকে, তখন আর কর্তৃপক্ষের নজরদারির দরকার হয় না। কারণ প্রতিটা মানুষ তখন নিজের বিবেক আর আল্লাহর সামনে দায়বদ্ধ।
🔹 যে প্রতিষ্ঠানে মানুষ জানে—ভুল হলে শুধরে নেওয়ার সুযোগ আছে, সেখানে কাজের প্রতি ভালোবাসা গড়ে ওঠে; ভীতি নয়।
আর আল্লাহ তা'আলা বলেন—
هَلْ جَزَاۤءُ الْاِحْسَانِ اِلَّا الْاِحْسَانُ
"ইহসানের প্রতিদান ইহসান ছাড়া আর কী হতে পারে?"
[আর-রহমান, ৫৫:৬০]
তাহলে প্রশ্ন হলো—
আপনি কি আপনার টিমের সাথে ইহসানের সাথে আছেন?
18/04/2026
আপনার অফিস, ব্যবসা বা টিম কি শুধু "টার্গেট পূরণের যন্ত্র"?
আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সব কিছুই কোন না কোন অর্গানাইজেশনের অংশ। সেটা পরিবার, সমাজ কিংবা আপনার কর্মক্ষেত্র।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে সমাজ পরিবার ও কি অর্গানাইজেশন?
উত্তর জানার জন্য চলুন অর্গানাইজেশনের একটা তত্ত্ব পড়ে আসি।
বিখ্যাত ম্যানেজমেন্ট স্কলার Stephen Robbins বলেছেন—
"A deliberately arranged group of people to accomplish some specific purpose."
অর্থাৎ, একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সুচিন্তিতভাবে গড়ে ওঠা মানুষের দল।
তার মানে বাসা কিংবা অফিস সবই অর্গানাইজেশনের অন্তর্ভুক্ত।
কিন্তু ঠিক এখানেই একটু থামুন,
আমি বা আপনি যে সংগঠনের সাথেই যুক্ত, সেটা কোন নীতির উপর দাঁড়িয়ে?
শুধু দুনিযবি লাভ-ক্ষতির হিসাব?
নাকি এখানে আল্লাহর হুকুম আহকাম, হালাল হারামের বাছ বিচার ও আছে ?
ইসলামিক ম্যানেজমেন্ট আর সেক্যুলার ম্যানেজমেন্টের মূল পার্থক্য এখানেই। সেক্যুলার ম্যানেজমেন্ট ভাবে শুধু এই দুনিয়া নিয়ে।
ইসলামিক ম্যানেজমেন্ট ভাবে দুনিয়া এবং আখিরাত—দুটো নিয়েই।
আর এই পার্থক্যটা কোনো মানুষের থিওরি নয়, এসেছে সরাসরি আল্লাহর কালামের নির্দেশনা থেকে।
কুরআন কি শুধুই ইবাদতের জন্যই?
আল্লাহ এখানে নেতৃত্ব, দায়িত্ব, সময় ব্যবস্থাপনা, কাজের পরিবেশ, অধিকার ও দায়িত্ব সবকিছুই উল্লেখ করেছেন । এটা এমন এক রোডম্যাপ যা অনুসরন করলে আপনি আখিরাত ও দুনিয়ায় সফল।
তাহলে আমরা কি সেই শিক্ষায় আমাদের দায়িত্বকে সাজাচ্ছি?
12/04/2026
আমাদের জীবন যান্ত্রিকতার ভীড়ে হারিয়ে যাচ্ছে। ব্যস্ততায় নিজের প্রিয় কোনো সুরা নিয়ে তাদাব্বুর করা হয় না, কিংবা প্রিয় কোনো বইয়ের পাতা উল্টানোর সুযোগ হয় না। অথবা প্রিয় কোনো জায়গায় বসে একটুখানি নিজেকে নিয়ে ভাবার জন্য সময়টুকু আসলেই কি পাই?
মাঝে মাঝে তাই একটু বিরতি দরকার। একদম ধীরে ধীরে যাক না দিনটা। কোনো তাড়া নেই। কোথাও ছুটে যাওয়ার নেই।
হয়তো মনে হতে পারে — বিশাল ক্ষতি হয়ে যাবে।
আসলেই কি তাই?
🧠 ব্রেন কী বলে?
নিউরোসায়েন্স বলছে, যখন আমরা থামি, তখন ব্রেনের Default Mode Network সক্রিয় হয়। এই নেটওয়ার্ক সেই সময় কাজ করে যখন আমরা কিছু না করি।
এটা আসলে ব্রেনের "ভেতরের কাজের সময়"।
পুরনো স্মৃতি সাজানো হয়। সমস্যার নতুন সমাধান তৈরি হয়। নিজেকে নতুন করে চেনা যায়।
বিরতিহীন ব্যস্ততায় এই প্রক্রিয়াটাই বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আমরা চলতেই থাকি কিন্তু আসলে এগোই না।
ক্লান্ত ব্রেন সিদ্ধান্ত নেয় দুর্বলভাবে।
সৃজনশীলতা কমে। মনোযোগ ভেঙে পড়ে।
থামাটা তাই ক্ষতি নয় থামাটাই আসলে রিচার্জ।
☪️ ইসলাম কী বলে?
ইসলাম কিন্তু এই থামার কথা বহু আগেই বলেছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন —
তোমরা কি তাফাক্কুর করো না? (সূরা আন'আম: ৫০)
তাফাক্কুর মানে শুধু ভাবা নয়। তাফাক্কুর মানে থেমে গভীরভাবে অনুভব করা।
নবীজি ﷺ হেরা গুহায় যেতেন।
সেখানে কোনো মিটিং ছিল না। কোনো টু-ডু লিস্ট ছিল না। শুধু ছিল — নিজেকে, সৃষ্টিকে এবং রবকে অনুভব করার সময়। এবং সেই নিরিবিলি থামার মুহূর্ত থেকেই নবুওয়াতের সূচনা হয়েছিল।
সাহাবায়ে কেরামও কাজের ফাঁকে জিজ্ঞেস করতেন — "আসুন, কিছুক্ষণ ঈমান তাজা করি।" বিরতিকে তাঁরা দুর্বলতা ভাবতেন না।
তাই আজকে যদি একটু থামতে ইচ্ছে করে —
প্রিয় সুরাটা খুলে নেই । বইয়ের পাতা উল্টাই । জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকি ।
এটা সময় নষ্ট নয়। এটা নিজেকে ফিরে পাওয়া।
09/04/2026
আপনি কি একজন মালিক, নাকি কারো অধীনে কাজ করছেন?
যে অবস্থানেই থাকুন না কেন এই সম্পর্কে আল্লাহর হুকুম কী?
চলুন জেনে নেই -
আল্লাহ তাআলা কুরআনে এই সম্পর্কটার পেছনে এক গভীর সত্য জানিয়ে দিয়েছেন।
نَحْنُ قَسَمْنَا بَيْنَهُم مَّعِيشَتَهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ۚ وَرَفَعْنَا بَعْضَهُمْ فَوْقَ بَعْضٍ دَرَجَاتٍ لِّيَتَّخِذَ بَعْضُهُم بَعْضًا سُخْرِيًّا
"আমি তাদের মধ্যে তাদের জীবিকা বণ্টন করেছি পার্থিব জীবনে এবং একের মর্যাদাকে অপরের উপর উন্নীত করেছি, যাতে একে অপরকে সেবক রূপে গ্রহণ করে।"
📖 সূরা যুখরুফ: ৩২
আল্লাহ ইচ্ছে করেই মানুষের দক্ষতা, সম্পদ ও মর্যাদায় পার্থক্য রেখেছেন। কেউ পরিকল্পনা করে, কেউ বাস্তবায়ন করে। কেউ নেতৃত্ব দেয়, কেউ সহযোগিতা করে। এই পার্থক্যটা কোনো অবিচার নয় বরং এটা আল্লাহর হুকুম ।
তার মানে ম্যানেজমেন্ট শুধু একটা দুনিয়াবি দক্ষতা না।
✅ এটা রবের দেয়া আমানাহ।
যাকে নেতৃত্বের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, সে আসলে আল্লাহর দেওয়া দায়িত্ব বহন করছে।
রাসুল ﷺ বলেছেন —
"তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে।"
📖 বুখারি ও মুসলিম
তাহলে প্রশ্ন হলো,
🔸 আপনার অধীনে যারা কাজ করছেন, তাদের সাথে আপনার আচরণ কেমন?
🔸 আপনি কি তাদের শুধু কাজের যন্ত্র মনে করছেন, নাকি আল্লাহর দেওয়া আমানত?
ভালো ম্যানেজমেন্ট মানে শুধু ভালো রেজাল্ট বের করা না,
ভালো ম্যানেজমেন্ট মানে আখিরাতে জবাব দেওয়ার মতো করে দায়িত্ব পালন করা।
আপনার কী মনে হয়? কমেন্টে জানাতে পারেন। 👇
Click here to claim your Sponsored Listing.