মনারা,
সারাজীবন বাপ-চাচাদের দেখছেন কোরবানির দিনে রাগারাগি করতে। সামান্য দেরি হইলেই চিল্লাচিল্লি, মাংস ভাগাভাগি নিয়া ঝামেলা হইলেই ঘরের মহিলাদের সবার সামনে অপমান করা।
মা-চাচিরা সকাল থেইকা দৌড়াইতেছেন আর পুরুষরা রাগ দেখাইতেছে। এই দৃশ্য দেখতে দেখতে বড় হইছেন বইলাই আপনাকেও সেইরকম হইতে হবে এমন কোনো কথা নাই। সব উত্তরাধিকার বহন করতে হয় না। কিছু জিনিস এখানেই শেষ হওয়াও দরকার।
আপনি নাহয় আলাদা একজন মানুষ হইলেন। একজন শান্ত বাবা, ভালো ভাই, ভালো চাচা, ভালো স্বামী।
ঈদের দিন ঘরের মহিলাদের সাথে রাগারাগি কইরেন না অন্তত বাইরের মানুষের সামনে। ভুল হইতেই পারে। রান্নায় দেরি হইতে পারে। মাংস কমবেশি হইতে পারে। আপনি নিজেও তো প্রতিদিন হাজারটা ভুল করেন। তাই বইলা কেউ আপনাকে সবার সামনে অপমান করে না।
আর বাচ্চাগুলারে একটু বাঁচতে দেন। ঈদের দিন দৌড়াদৌড়ি করবে, হৈচৈ করবে, জামা নষ্ট করবে, মাংস নিয়া খেলতে যাইবো। এই বয়সে আনন্দ না করলে আর কবে করবে? ঈদ তো তাদের কাছেও উৎসব।
এই অঞ্চলের নারীরা ঈদের দিন সত্যি সত্যিই একেকজন অলরাউন্ডার হইয়া ওঠেন। সকাল থেইকা রাত পর্যন্ত একটানা কাজ। মাংস ধোয়া, ভাগ করা, রান্না, ঘর সামলানো, মেহমান দেখা, কসাইয়ের খাওয়া, বাচ্চাদের দেখাশোনা, বাসন, চা, পানি, হাসিমুখে সবার আবদার পূরণ। ঈদের দিনটা তাদের জন্য অনেক সময় উৎসবের চাইতেও বেশি পরিশ্রমের দিন হইয়া যায়। তবুও তারা মুখে কিছু আনে না।
বাইক নিয়া ঘুরতে তো পারবেনই। বন্ধুদের সাথে আড্ডাও পরে হবে। এই কয়েকটা দিন একটু বাসায় থাকেন। পরিবাররে সময় দেন। হাত বাটান। মাংস কাটেন, প্লেট ধরেন, বাজার ধরেন, বাচ্চারে সামলান। ঈদের আনন্দ শুধু খাওয়া না, একসাথে থাকা।
কোরবানি আপনার। শুধু কসাইয়ের না। পরিবারেরও। তাই এই ঈদে অন্তত ঘরের মানুষগুলারে একটু শান্তি দেন। একটু সম্মান দেন। একটু সহজ হইয়া থাকেন।
- The Pangash
Muslim Doctor
Anyone interested in learning the teachings of Islam & Medical Science are welcome here
26/05/2026
ঈদের রাস্তায় জ্যামে আটকে থাকা গরুকে জানালা দিয়ে নিজের বোতলের পানি খাওয়াচ্ছে একজন বাস ড্রাইভার।
যারা সম্প্রমি ঈদের ছুঁটিতে বাড়ি যাচ্ছেন তারা জানবেন এই তিব্র গরমে জ্যামে বসে থাকার সময়টা কতটা অস্বস্তির। এই রাস্তায় কেউ কাউকে সাহায্য করে না‚ সবাই নিজেকে হাশরের ময়দানে কল্পনা করে। অথচ যেখানে মানুষ মানুষকে সহযোগিতা করতে চায় না‚ সেখানে একজন অবুঝ পশুর দুঃখ কে আর বুঝতে চায়।
এই ড্রাইভার ভাইয়ের পরিচয় যদিও জানা নেই‚ তবে নিঃসন্দেহে তিনি একজন ভালো মনের মানুষ। এই কম শিক্ষিত‚ খেটে খাওয়া “ভালো মন আছে” মানুষদেরই জন্যই যুগ যুগ ধরে আমাদের এই বিশাল সভ্যতা টিকে রয়েছে।
#সংগৃহিত
26/05/2026
16/05/2026
কিছু বলার নাই
নার্ভ শক্ত না হলে মেডিকেলে পড়ারই দরকার নাই । বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাত্র ১ বর্ষে ভর্তি হওয়া স্টুডেন্ট এরও কয়েকটা ব্যাপার জানা উচিৎ ।
একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কারা ????
ধরুন আপনি ব্যাস্ত একজন প্র্যাকটিশানার । প্রতি ১০/১৫ মিনিট পর পর আপনার সামনে একটা নতুন মানুষ , নতুন এটেন্ডেন্ট , নতুন হিস্ট্রি , নতুন সাইকোলজি ।
চেয়ারে বসা আপনার মাথায় হাজারটা রোগের নাম ঘুরপাক খাচ্ছে । কিন্তু বাইরে আপনার কিছু শত্রু আছে -
১. সাংবাদিক
২. ঔষধ প্রতিনিধি
( বিশেষ করে যাদের ঔষধ লিখবেন না )
৩. আপনার কলিগ
( যখন তার রোগী এবং সুনাম আপনার চেয়ে কম )
৪. দালালরা
( যখনই তাদের রোগীর টেস্ট কম হবে যদি আপনি অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা না দেন )
৫ ঔষধের দোকানদার ,
এরা কারনে অকারনেই প্রসক্রিপশানের সমালোচনা করবে । ঔষধ বদলে দেবে ।
৬ . ভুয়া ডাক্তার
- এরা নিজেকে আপনার সমগোত্রীয় ভাবে ।
৮. রোগী নিজেও
ভিজিট দিয়ে অপেক্ষা করে রোগী আপনার সামনে এসেছে ।
৯. রোগীর লোক ,
পুরো সময় এরা আপনাকে অবজার্ভ করবে ।
১০. ক্লিনিক বা ডায়াগনোস্টিকের নন মেডিকেল কর্মচারীরাও ।
এদের কাজ আপনাকে জাস্টিফাই করা - কখনো পজেটিভ কখনো নেগেটিভ ।
১১. আম জনতা , ফেসবুকীয় বিপ্লবীগন ।
একবার যদি ছোট একটা ভুল পায় ... লাইভ ... তারপরই আপনাকে কোরবানী করে ভাইরাল , সেলিব্রেটি ।
১২. এলাকার আগাছা , পরগাছা , ডাল পালা , শাখা প্রশাখা , পাতি নেতা , উপরী নেতা , সহমত ভাই গ্রুপ , সহমত বইন গ্রুপ সবাই ।
১৩. বিনে পয়সায় পরামর্শ নেয়া পরিচিত অপরিচিত আত্মীয় , অনাত্মীয় সব ।
১৪. প্রশাসন
এতগুলো শত্রু মাথায় নিয়ে , বিনা নিরাপত্তায় চেম্বারে প্রতি ১০/২০ মিনিট পর পর নতুন সিনারিও , সমস্যা , সাইকোলজি , প্যাথলজি ডিল করে ডায়াগনোসিস, ট্রিটমেনেট , কাউনসেলিং ,ফলো আপ করে যাওটা মুখের কথা না ।
ভবিষ্যৎটা অনেক কম্পিটিটিভ এবং কঠিন । পাশ করা যেমন কঠিন তার চেয়েও কঠিন ফিল্ড তৈরি করা । আর সবচেয়ে কঠিন সেই ফিল্ড ধরে রাখা ।
পুরো জার্নিতে হতাশা হয়তো আপনার নিত্য দিনের সঙ্গী ... আছে ব্যাক্তিগত জীবন , আছে পারিবারিক দায়িত্ব ।
এই চ্যালেন্জ নিতে না পারলে মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার দরকার নাই ।
- Dr Mustafizur Rahman
নারীরা ক্যারিয়ারের মই বেয়ে যত উপরে ওঠে, তাদের রিয়েল লাইফ ডেটিং পুল বা অপশন তত ছোট হতে থাকে।
ফেমিনিস্টরা বা মডার্ন নারীরা নিজেদের একটা মিথ্যা সান্ত্বনা দেয়। তারা বলে, "পুরুষরা আসলে আমার সাকসেস দেখে ভয় পায়, ইন্টিমিডেটেড হয়।"
ভুল! ডাহা মিথ্যা কথা। এটা জাস্ট ওদের ইগো স্যাটিসফ্যাকশনের জন্য বানানো একটান্যারেটিভ। সত্যটা অনেক বেশি সিম্পল এবং ব্রুটাল।
নারীর স্ট্যাটাস, স্যালারি আর টাইটেল যত বাড়ে, তার স্ট্যান্ডার্ডও রকেটের গতিতে বাড়ে। হাইপারগ্যামি বা নারীমনস্তত্ত্ব অনুযায়ী, নারী সবসময় এমন কাউকে চায় যার দিকে সে Look Up করতে পারে। মানে যার স্ট্যাটাস, প্রেজেন্স, ইনকাম এবং লিডারশিপ কোয়ালিটি তার চেয়ে বেশি।
ফলে সে যখন জবে প্রমোশন পায়, তখন অটোমেটিক্যালি তার উপরের লেভেলের পুরুষের সংখ্যা কমতে থাকে। সে যদি তার চেয়ে বেশি ইনকাম করা পুরুষ খোঁজে, সে অলরেডি টপ ২০% পুরুষের পেছনে ছুটছে। বাকি ৮০% পুরুষ তার রাডারেই নাই, তারা অদৃশ্য। এর সাথে যোগ করুন হাইট, কনফিডেন্স, লুকস। ব্যাস! তার অপশন প্র্যাকটিক্যালি জিরো হয়ে যায়।
ধরে নিলাম সে অনেক খুঁজে একটা রেয়ার 'হাই ভ্যালু' পুরুষ পেল। কিন্তু রিলেশনশিপটা টেকে না। কেন জানেন?
কারণ ওই হাই ভ্যালু পুরুষের হাতে অপশন অঢেল। সে কেন একজন "কর্পোরেট বস" নারীকে চুজ করবে? নারীরা এটা ফেস করতে চায় না যে, হাই ভ্যালু পুরুষরা সচেতনভাবেই ক্যারিয়ার ওম্যানদের এড়িয়ে চলে। কারণটা ইনসিকিউরিটি না, কারণটা হলো এনার্জি।
কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডে টিকে থাকতে হলে একজন নারীকে সারাদিন ম্যাসকুলিন মোডে থাকতে হয় - ডিরেক্ট, এসারটিভ, কম্পিটিটিভ, অলওয়েজ গেম অন। এই মোডটাই তার আইডেন্টিটি হয়ে যায়। সে বাসায় ফিরেও সেই মোড অফ করতে পারে না।
অথচ পুরুষ দিনশেষে কী চায়? সফট, রিসেপ্টিভ, ফেমিনিন এনার্জি। যে নারী তার লিডারশিপের সাথে পাল্লা দেবে না, বরং সেটাকে ন্যাচারালি রিসিভ করবে। স্ট্রং ম্যাসকুলিন পুরুষের দরকার সফট, নার্চারিং নারী। Polarity থাকতে হবে ভাই। প্লাসে-প্লাসে কারেন্ট ফ্লো হয় না। পুরুষরা ইয়াং মেয়েদের চুজ করে কারণ তাদের মধ্যে ওই ন্যাচারাল স্পার্কটা থাকে, যেটা কর্পোরেট গ্রাইন্ডে নষ্ট হয়নি।
তাহলে এরপর কী ঘটে?
ক্যারিয়ার ওম্যান তখন হেড দিয়ে ডিসিশন নেয়, হার্ট দিয়ে না। সে সেটেল করে। বিয়ে করে কোনো এক 'সেফ', 'ইজি গোয়িং', 'নাইস গাই' বা সোজা কথায় 'সিম্প' টাইপ পুরুষকে, যাকে সে সহজেই ম্যানেজ করতে পারবে।
শুরুতে সব শান্ত মনে হয়, ঝগড়া নেই। কিন্তু কয়দিন পরেই শুরু হয় বোরডম। সেখান থেকে আসে ডিসরেস্পেক্ট। আর শেষে স্বামীকে সে লিটারালি কুকুরের মত ট্রিট করে, চোখের মণি উল্টিয়ে কথা বলে। কারণ লজিক সিম্পল - নারীরা যার প্রতি সম্মান বা রেস্পেক্ট অনুভব করে না, তাকে ভালোবাসতেও পারে না।
বাসায় ফিরেও তার বসগিরি চলে। ভুল ধরা, অর্ডার দেওয়া, সব কন্ট্রোল করা। পোলারিটি মারা যায়। নারী হয়ে ওঠে সম্পর্কের পুরুষ, আর পুরুষ হয়ে যায় নারী। রেজাল্ট? ডিভোর্স বা চিটিং। এটা একটা লুপ।
পুরুষদের বলছি - সাবধান!
আপনি যদি কোনো হার্ডকোর ক্যারিয়ারিস্ট নারীর সাথে সিরিয়াস হতে চান, থামুন। ভাবুন। আপনি কোনো ওয়ার্ম পার্টনার পাবেন না, পাবেন একজন পার্ট-টাইম রুমমেট যে ২৪ ঘণ্টা বস মোডে থাকে। আপনি তার সাকসেস সেলিব্রেট করবেন, চিয়ার আপ করবেন - ফাইন। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনি সবসময় হবেন নাম্বার টু।
তার ক্যারিয়ার ফার্স্ট। তার এনার্জি, ফোকাস সব অফিস খেয়ে ফেলে। আপনি পাবেন দিনশেষে চুষে নেওয়া এনার্জির উচ্ছিষ্টাংশ। রিয়েল টক হলো, তার মেইন ম্যান আপনি নন, তার অফিসের বস - যার অথরিটি সে মানে।
আর এই অবস্থায় পুরুষরা সবচেয়ে বড় ভুলটা করে - এটেনশন ভিক্ষা করা। একটু সময়ের জন্য সিম্পিং করা। ভাই, এটা করলে যেটুকু রেস্পেক্ট ছিল, সেটাও সেকেন্ডে ভ্যানিশ হবে। নারীরা এপ্রুভাল সিকারদের পছন্দ করে না।
অধিকাংশ পুরুষ এই সিচুয়েশনে মেনে নেয়। ভাবে ভালোবাসা মানেই সেক্রিফাইস। ভুল! এর ফলে ফ্রাস্ট্রেশন বাড়ে, আপনি ইনভিজিবল ফিল করেন। আর যখনই ডিমান্ড করবেন, উল্টো ট্যাগ খাবেন—"তুমি ইনসিকিউর", "তুমি আমার সাকসেস দেখে জেলাস"।
**আর ক্যারিয়ার ওম্যানদের জন্য শেষ কথা:
টাকা কামাও, এম্পায়ার বানাও, গো অ্যাহেড। কিন্তু মনে রেখো, সময় আর যৌবন কারো জন্য ওয়েট করে না। আপনি দুই নৌকায় পা দিয়ে চলতে পারবেন না। ক্যারিয়ার ফার্স্ট হলে লাভ লাইফ সেকেন্ড হবেই। বছর ঘুরবে, অপশন কমবে, স্পার্ক নিভে যাবে। আর দিনশেষে ওই এম্পায়ারে একা বসে কাঁদতে হবে।
চয়েস আপনার, কিন্তু প্রাইস তো পে করতেই হবে।
ক্রেডিট: Bold-Masculinity পুরুষতত্ত্ব
24/03/2026
BD medical colleges based on public impression
Inspired from memebrane
আল্লাহর থেকে কাউকে বেশি ভালোবাসতে যাবেন না। যদি তেমনটা করতে থাকেন, there is a great chance that Allah will seize him/her from you.
Eid Mubarak 🌙
تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَ مِنْكُمْ
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
May Allah accept our fasting, prayers, and good deeds, and grant us endless blessings. Amin ❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.