18/05/2026
🎓 “নূর-এ-জাহান মেমোরিয়াল স্কলারশিপ” – ২০২৬
হলি বেবি মডেল স্কুল-এ চালুকৃত “নূর-এ-জাহান মেমোরিয়াল স্কলারশিপ” প্রোগ্রামের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে স্কলারশিপ সার্টিফিকেট প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এই প্রোগ্রামের অধীনে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্যামা রাণী নির্বাচিত হয়েছে “পূর্ণ শিক্ষা সহায়তা বৃত্তি”-র জন্য।
এই বৃত্তির আওতায় তার সকল ধরনের শিক্ষাব্যয় বহন করবে “ Noor e Jahan Memorial Scholarship-নূর এ জাহান মেমোরিয়াল স্কলারশিপ ”।
আমাদের বিশ্বাস—অর্থের অভাবে কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন থেমে থাকা উচিত নয়। এই উদ্যোগ সেই স্বপ্নগুলোকেই এগিয়ে নেওয়ার একটি ছোট প্রচেষ্টা।
আজকের স্কলারশিপ সার্টিফিকেট প্রদান আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত ছিলেন হলি বেবি মড়েল স্কুল এর সম্মানিত প্রধান শিক্ষক ও নূর-এ-জাহান মেমোরিয়াল স্কলারশিপ পরিচালনা পর্ষদ এর সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব ফাহমী হাসান নাজমুল স্যার।
এবং উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ে মেন্টর & কো-অর্ডিনেটর ও স্কলারশিপ পরিচালনা পর্ষদ এর সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব M A Mannan স্যার ও পর্ষদ-এর অন্যান্য সম্মানিত সদস্যরা।
✨ “আলো হয়ে থাকুক নূরজাহান—প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে,
আর সেই আলোয় আলোকিত হোক প্রতিটি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ।”
12/05/2026
নূর-এ-জাহান মেমোরিয়াল স্কলারশিপ-২০২৬
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা।
01/05/2026
একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি — নূরজাহান
আজ লিখছি সেই মানুষটির কথা, যার স্মৃতিকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে “নূর-এ-জাহান মেমোরিয়াল স্কলারশিপ”—
আমার প্রিয় ফুফুজান, নূরজাহান।
তার জন্মতারিখ জানতে চাইলে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সাল বলতেন না; বরং ইতিহাসের সাথে মিলিয়ে বলতেন—
“ভাষা আন্দোলনের দুই বছর পর আমার জন্ম।” অর্থাৎ ১৯৫৫ সালে, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকা জেলার গাজীপুর মহকুমার প্রাচীন জনপদ কাপাসিয়ায়, মোঃ আব্দুল মোতালেব ও সূর্য বানুর ঘরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন তাদের প্রথম সন্তান—এবং পুরো পরিবারের বড় মেয়ে।
পরিবারের বড় সন্তান হওয়ায়, জীবন তার জন্য খুব সহজ ছিল না। সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম হলেও সময়ের বাস্তবতা ও সমাজের কঠিনতা তাকে শৈশব থেকেই দায়িত্বশীল করে তোলে। কৈশর কাটে একটি নতুন দেশের জন্ম দেখতে দেখতে—তিনি ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধেরও একজন নীরব সাক্ষী।
পরবর্তীতে তার বিয়ে হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সদস্যের সাথে, যিনি অবসর গ্রহণ করেন মেজর পদে। সেই সুবাদে তিনি পরিচিত হন মিসেস নায়েব আলী বা “মেজরনি” নামে—যে নামে আজও অনেকে তাকে স্মরণ করেন।
সংসার জীবনে তিনি ছিলেন এক অনন্য উদাহরণ। রান্নায় ছিল অসাধারণ দক্ষতা—দেশি-বিদেশি নানা ধরনের খাবার তৈরি করতে পারতেন অনায়াসে। পাশাপাশি সেলাই, বুননসহ বিভিন্ন হস্তশিল্পে ছিল পারদর্শিতা। ছাদ বাগান ও কৃষিকাজের প্রতিও ছিল তার গভীর ভালোবাসা। স্বনির্ভরতা যেন তার জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল।
তিনি যেমন ছিলেন ধার্মিক, তেমনি ছিলেন পরোপকারী। তার কাছ থেকেই আমি প্রথম শিখেছি চাশতের নামাজ, এশরাক, আউয়াবীন ও তাহাজ্জদের নামাজের গুরুত্ব। শুধু নিজে আমল করেই থেমে থাকেননি—অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করেছেন।
নিজ গ্রাম এলাকায় একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন এবং একটি মহিলা মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন। শিক্ষার প্রতি তার ভালোবাসা ছিল গভীর ও আন্তরিক। নিজের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন—ভাতিজা, ভাইস্তাসহ অনেককে তিনি শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী করতে আর্থিক ও মানসিকভাবে সহায়তা করেছেন।
মানুষের কষ্টে তিনি কষ্ট পেতেন। কেউ বিপদে পড়লে, নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাঁড়াতেন। শুধু পরিবার নয়—তার এলাকায় অসহায় ও কষ্টে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বহু নজির রয়েছে। কারো দুঃখ লাঘবে তিনি হাজার নয়, লাখ টাকা থেকে শুরু করে লাখ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করেছেন—নিঃস্বার্থভাবে, নীরবে।
জীবনের শেষ অধ্যায়েও থেমে থাকেননি। তিনি ছিলেন কিডনি রোগে আক্রান্ত, বয়সও হয়ে গিয়েছিল—তবুও ঢাকায় স্বাচ্ছন্দ্যে না থেকে ছুটে বেড়িয়েছেন ময়মনসিংহে, মসজিদ ও মাদ্রাসার কাজের জন্য।
রাতের বাসে ঢাকা আসা, আবার ভোরে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া—এই নিরলস ছুটে চলা সত্যিই আমাদের প্রজন্মকে শিখিয়েছে কীভাবে নিজের লক্ষ্য, নিজের দ্বীন, কিংবা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অবিরাম এগিয়ে যেতে হয়।
জীবনের শেষ দিনে নিজের অসুস্থতাকে উপেক্ষা করে অন্যের খোঁজখবর নেওয়া—এটাই ছিল তার স্বভাব।
তিনি ছিলেন এক জনদরদি নারী, এক আলোকবর্তিকা—যিনি একটি পরিবারকে, একটি প্রজন্মকে দাঁড়াতে সাহায্য করেছেন।
অসংখ্য স্মৃতি রেখে, অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসা জাগিয়ে
২০২৬ সালের ১৪ মার্চ তিনি এই পৃথিবী থেকে বিদায় নেন।
তার স্মৃতি যেন শুধু স্মৃতিতেই সীমাবদ্ধ না থাকে—
বরং তার আলো ছড়িয়ে পড়ুক নতুন প্রজন্মের মাঝে,
শিক্ষার মাধ্যমে, মানবিকতার মাধ্যমে।
লিখেছেন
--------------------
M A Mannan
Founder & Advisor
Noor e Jahan Memorial Scholarship-নূর এ জাহান মেমোরিয়াল স্কলারশিপ
30/04/2026
আমাদের আরামপ্রদ জীবন আর বিলাসিতার ভিত্তি যাঁদের ঘাম আর ক্লান্তি, আজ তাঁদেরই দিন। পাহাড় কেটে পথ বানানো থেকে শুরু করে সুউচ্চ দালান—সবখানেই মিশে আছে শ্রমিকের স্পর্শ। মে দিবসের এই লগ্নে কবি নজরুলের পঙক্তিতে আমরা গেয়ে উঠি মেহনতি মানুষের জয়গান:
"তোমারে সেবিতে হইল যাহারা মজুর, মুটে ও কুলি,
তোমারে বহিতে যারা পবিত্র অঙ্গে লাগাল ধূলি;
তারাই মানুষ, তারাই দেবতা, গাহি তাহাদেরি গান..."
শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক, প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে বজায় থাকুক সম্মান ও নিরাপত্তা। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে সকল শ্রমিকের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। ❤️
28/04/2026
আজ “Noor-e-Jahan Memorial Scholarship-2026”–এর জন্য কয়েকজন শিক্ষার্থী আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করেছে। 🎓
তাদের চোখে স্বপ্ন, সামনে এগিয়ে যাওয়ার আগ্রহ—এই পথচলাকে আরও শক্তিশালী করতেই আমাদের এই উদ্যোগ।
আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক সুযোগ পেলে প্রতিটি শিক্ষার্থীই তার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে।
এই স্কলারশিপ সেই সুযোগটুকু তৈরি করার একটি ছোট প্রচেষ্টা—যেখানে সম্মান, সম্ভাবনা আর শিক্ষার আলো একসাথে পথ দেখাবে।
💝 আপনিও পাশে থাকতে পারেন
আপনি চাইলে একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাযাত্রায় অংশীদার হতে পারেন। আপনার সহায়তা একটি ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে।
যোগাযোগ: +8801905-051525
✨ আলো হয়ে থাকুক নূরজাহান—প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।
25/04/2026
🎓 Noor-e-Jahan Memorial Scholarship – 2026
শিক্ষা একটি আলো—যা একটি জীবন বদলে দিতে পারে, একটি পরিবারকে এগিয়ে নিতে পারে, এমনকি একটি সমাজকে আলোকিত করতে পারে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর পথ শুধুমাত্র আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে থেমে যায়।
এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই, মরহুমা নূরজাহানের পবিত্র স্মৃতিকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে ধারণ করে Holy Baby Model School-এ চালু করা হয়েছে
✨ “নূর-এ-জাহান মেমোরিয়াল স্কলারশিপ”
🌟এই স্কলারশিপের আওতায় শিক্ষার্থীরা যা সুবিধা পাবে-
পূর্ণ শিক্ষা সহায়তা বৃত্তি; যা একজন শিক্ষার্থীর একাডেমিক সকল ধরনের খরচ(মাসিক বেতন, পরীক্ষার ফিসহ অন্যান্য ফি) বহন করবে।
পূর্ণ বেতন সহায়তা বৃত্তি; যা একজন শিক্ষার্থীর মাসিক বেতন বহন করবে।
আংশিক বেতন সহায়তা বৃত্তি; যা একজন শিক্ষার্থীর মাসিক বেতনের অর্ধেক বহন করবে।
📌 আবেদনের যোগ্যতা
১/ বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে।
২/ সর্বশেষ পরীক্ষায় সন্তোষজনক একাডেমিক ফলাফল থাকতে হবে।
৩/ শিক্ষার্থীর আচরণ, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা উত্তম হতে হবে।
৪/ এই স্কলারশিপ শুধুমাত্র সুবিধাবঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য।
৫/ শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগত জীবনে সৎ ও পড়াশোনায় আগ্রহী হতে হবে।
📝 আবেদন প্রক্রিয়া
বিদ্যালয়ের মেন্টর কার্যালয় হতে আবেদন ফরম সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন ফরম পূরণ করে যথা সময়ে জমা প্রদান করতে হবে।
📅 আবেদনপত্র সংগ্রহের সময়সীমা গ্রহণ: ২৬–২৯ এপ্রিল, ২০২৬
📅 জমাদানের শেষ তারিখ: ৬ মে, ২০২৬
📢 ফলাফল
বিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হবে এবং এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।
💰💰📥📥ডোনেশন সংক্রান্ত
আপনি চাইলে একজন অসচ্ছল শিক্ষার্থীর দায়িত্ব একবছরের জন্য নিতে পারেন।
যোগাযোগ: +8801905-051525
✨ “আলো হয়ে থাকুক নূরজাহান—প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে,
আর সেই আলোয় আলোকিত হোক প্রতিটি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ।”