03/06/2026
ডিপার্টমেন্টের Masters-এর ছাত্ররা বন্ধের মধ্যেও হারভাঙা পরিশ্রম করে thesis submission-এর deadline বাঁচানোর যুদ্ধ করছে 😓📚
আর এদিকে কেউ একজন ডিপার্টমেন্টের সামনে বিয়ের গাড়ি রেখে life partner-এর সাথে photo session-এর rehearsal দিচ্ছে 😅
Prof. Dr. Md. Golzar Hossain স্যার এর পোস্ট থেকে।
30/05/2026
China তাদের মোট GDP-এর কত % গবেষণায় ব্যয় করে জানেন? প্রায় ২.৬%।
এমনকি ভারতের মতো দেশও তাদের GDP-এর প্রায় ০.৭% গবেষণায় ব্যয় করে।
অথচ বাংলাদেশে গবেষণায় ব্যয় GDP-এর মাত্র ০.৩%। কোনো রকমে না মরে বেঁচে আছে।
এদিকে আমরা ফাইট লাগাইছি- সরকারি সেরা নাকি বেসরকারি!
তবে আপনার মতে কোন দিকগুলো প্রতিবন্ধকতা রয়েছে গবেষণায়?
25/05/2026
এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০-এ বাংলাদেশের সবচেয়ে তরুণ গবেষক মারজানা আক্তার
জীবনবিজ্ঞান গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা
বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চার জন্য এসেছে আরেকটি গর্বের খবর। এবারের Asian Scientist 100 তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের তিনজন কৃতী গবেষক—Dr. Tahmeed Ahmed, Dr. Mohammad Abbas Uddin Shiyak এবং তরুণ গবেষক Marjana Akter।
এই অর্জনের মধ্য দিয়ে বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছেন মারজানা আক্তার। মাত্র ২৬ বছর বয়সে তিনি বাংলাদেশিদের মধ্যে Asian Scientist 100 তালিকায় স্থান পাওয়া সবচেয়ে তরুণ গবেষক হিসেবে নতুন ইতিহাস গড়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ২০২৫ সালের United Nations Young Women for Biosecurity Fellowship-এ নির্বাচিত প্রথম বাংলাদেশি নারী গবেষক।
মারজানা আক্তারের শিক্ষাজীবনের পথচলা অনুপ্রেরণার। তিনি ২০১৭ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করার পর ভর্তি হন Shahjalal University of Science and Technology-এর বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগে। ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে স্নাতক সম্পন্ন করে পরবর্তীতে Bangladesh Agricultural University-এর মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
গবেষণায় তাঁর আগ্রহ বিশেষভাবে জীবাণু নিরাপত্তা, মাইক্রোবায়োলজি এবং জনস্বাস্থ্যভিত্তিক বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে, বাংলাদেশের তরুণ গবেষকেরাও বৈশ্বিক বিজ্ঞানচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম।
এর আগে বাংলাদেশের গর্ব Dr. Firdausi Qadri ২০২১ সালে এবং Dr. Senjuti Saha ২০২৩ সালে এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন। এবার সেই ধারাবাহিকতায় নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে যুক্ত হলেন মারজানা আক্তার।
© SUST Spotlight
28/04/2026
বাকৃবি কৃষি প্রকৌশলের পানি ও সেচ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সাফল্য 🌊
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এআইভিত্তিক একটি উন্নত মডেল তৈরি করেছেন, যা আগাম নদীর পানির উচ্চতা নির্ভুলভাবে পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। গবেষণাটি পরিচালনা করেন সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের ড. মো. তৌহিদুল ইসলাম ও ড. এ. কে. এম. আদহামের নেতৃত্বে।
১৯৯৯–২০২৪ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে তৈরি এই মডেলটি প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় কম ডেটা ব্যবহার করেও কার্যকর ফল দিয়েছে। র্যানডম ফরেস্ট মডেল প্রায় ৯৯% এবং ডিপ লার্নিং (LSTM) মডেল প্রায় ৮১% পর্যন্ত নির্ভুল পূর্বাভাস দিতে সক্ষম হয়েছে, বিশেষ করে তথ্যস্বল্প এলাকাতেও।
এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বন্যার আগাম সতর্কবার্তা পাওয়া গেলে কৃষকরা ফসল রক্ষা, গবাদিপশু সরানো এবং সেচ ব্যবস্থাপনায় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। গবেষকরা এটিকে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করে একটি কার্যকর জাতীয় পূর্বাভাস ব্যবস্থায় রূপ দিতে চান, যা ভবিষ্যতে অ্যাপ বা মোবাইল বার্তার মাধ্যমে সহজেই কৃষকদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।
© Agricultural Engineering diaries
26/04/2026
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
26/04/2026
বাকৃবিতে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের বরণ করার জন্য বায়োইনফরমেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর ৫ম ব্যাচের পক্ষ থেকে আলপনা ও দেওয়াল সজ্জা।
14/04/2026
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপিত হচ্ছে নববর্ষ ১৪৩৩