Monir's A2Z Job Preparation

Monir's A2Z Job Preparation

Share

চাকুরী পরীক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতির বিভিন্ন দিকনির্দেশনা এবং প্রত্যেকটি বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ ক্লাস নিয়মিত আপলোড দেওয়া হবে।

06/07/2025
22/06/2025

🌏 দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর তালিকা (পশ্চিম থেকে পূর্বে):

1. Iran

2. Afghanistan

3. Pakistan

4. India

5. Nepal

6. Bhutan

7. Bangladesh

8. Sri Lanka

9. Maldives

🗺 অবস্থান অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

Iran: পশ্চিম দিকের সীমান্ত, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার সংযোগস্থলে।

Afghanistan: ইরানের ঠিক পূর্বে, পাহাড়ি দেশ।

Pakistan: আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে, ভারতের পশ্চিম পাশের প্রতিবেশী।

India: দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় দেশ, কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত।

Nepal & Bhutan: ভারতের উত্তরে হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত ছোট দেশ।

Bangladesh: ভারতের পূর্ব দিকে, বঙ্গোপসাগরের উত্তরে।

Sri Lanka: ভারত মহাসাগরে, ভারতের দক্ষিণে দ্বীপরাষ্ট্র।

Maldives: আরও দক্ষিণে, ভারত মহাসাগরের ছোট দ্বীপপুঞ্জ।

🌊 সাগরের নাম (Map-এ থাকবে):

Bay of Bengal (বঙ্গোপসাগর)

Arabian Sea (আরব সাগর)

Indian Ocean (ভারত মহাসাগর)

দেশগুলো ঠিক এই সিরিয়ালেই পড়তে হবে।

21/06/2025

সাধারণ জ্ঞানের একদম বেসিক থেকে আলোচনা করছি আপনারা নিয়মিত ফলো করুন। যাদের সাল মনে থাকে না তাদের জন্য বিশেষ আলোচনা।

21/06/2025

ইতিহাসের দুটি প্রধান ভাগ :
১. প্রাগৈতিহাসিক- খ্রিস্টপূর্বাব্দের পূর্বে: এটি সঠিক, প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলতে সেই সময়কে বোঝায় যখন মানুষের লেখা বা লিখিত কোনো রেকর্ড ছিল না। এটি খ্রিস্টপূর্বাব্দের অনেক আগে শুরু হয়েছিল।
২. ঐতিহাসিক যেটা যীশু খ্রীষ্টের জন্মের পূর্বের এবং পরের সময়কে: এটিও সঠিক। ঐতিহাসিক যুগ শুরু হয় যখন থেকে লিখিত রেকর্ড পাওয়া যায় এবং এটি যীশু খ্রিস্টের জন্মেরও আগের সময় থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত বিস্তৃত।
আপনার প্রশ্নটি মূলত প্রাগৈতিহাসিক যুগ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছে, তাই আমি প্রাগৈতিহাসিক যুগ নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করব।
প্রাগৈতিহাসিক যুগ (Prehistoric Age)
প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলতে সেই সময়কালকে বোঝায় যখন মানুষের লিখিত ভাষা বা লিখন পদ্ধতি উদ্ভাবিত হয়নি। এই সময়ের ইতিহাস মূলত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, যেমন - পাথরের সরঞ্জাম, গুহাচিত্র, হাড়, জীবাশ্ম এবং অন্যান্য ভৌত অবশেষের উপর ভিত্তি করে পুনর্গঠন করা হয়। এই যুগকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়:
১. প্রস্তর যুগ (Stone Age)
২. ব্রোঞ্জ যুগ (Bronze Age)
৩. লৌহ যুগ (Iron Age)
তবে, প্রাগৈতিহাসিক যুগের বেশিরভাগ সময়ই প্রস্তর যুগের অন্তর্ভুক্ত। ব্রোঞ্জ যুগ এবং লৌহ যুগ কিছু অঞ্চলের জন্য প্রাগৈতিহাসিক হলেও, কিছু উন্নত সভ্যতায় এই সময়েই লিখিত ভাষার উন্মোচন ঘটেছিল, ফলে সেই অঞ্চলে সেগুলো ঐতিহাসিক যুগের অন্তর্ভুক্ত। তাই প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলতে মূলত প্রস্তর যুগকেই বোঝানো হয়।
১. প্রস্তর যুগ (Stone Age)
প্রস্তর যুগ মানব ইতিহাসের দীর্ঘতম এবং প্রাচীনতম যুগ। এই সময় মানুষ প্রধানত পাথর ব্যবহার করে সরঞ্জাম তৈরি করত। এটিকেও তিনটি উপভাগে ভাগ করা হয়:
* ক. পুরাতন প্রস্তর যুগ বা প্যালিওলিথিক যুগ (Paleolithic Age):
* সময়কাল: প্রায় ২৫ লক্ষ বছর পূর্ব থেকে শুরু হয়ে প্রায় ১০,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত।
* বৈশিষ্ট্য:
* জীবনযাপন: মানুষ ছিল যাযাবর এবং শিকারী-সংগ্রাহক। তারা ফলমূল, কন্দমূল সংগ্রহ করত এবং পশুপাখি শিকার করত।
* সরঞ্জাম: ভোঁতা পাথরের কুঠার, হাত কুঠার (hand-axe), বর্শা, স্ক্যাপার (scraper) ইত্যাদি ছিল প্রধান সরঞ্জাম। এগুলি ছিল অমসৃণ এবং অপরিশোধিত।
* আবাসস্থল: মানুষ গুহা, পাথরের আশ্রয়স্থল এবং অস্থায়ী ঝুপড়িতে বাস করত।
* শিল্পকলা: এই যুগে গুহাচিত্রের (cave paintings) উদ্ভব হয়, যা মূলত পশুপাখি এবং শিকারের দৃশ্য নিয়ে গঠিত। ফ্রান্সের লাসকো (Lascaux) এবং স্পেনের আলতামিরা (Altamira) গুহাচিত্র এর বিখ্যাত উদাহরণ।
* আগুনের ব্যবহার: আগুন আবিষ্কার এই যুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা মানুষকে উষ্ণতা, সুরক্ষা এবং খাবার রান্না করার সুযোগ দেয়।
* সামাজিক সংগঠন: ছোট ছোট দলে (ব্যান্ড) বাস করত, যেখানে প্রায় ২০-৫০ জন সদস্য থাকত।
* উল্লেখযোগ্য প্রজাতি: এই যুগে হোমো হ্যাবিলিস (Homo Habilis), হোমো ইরেক্টাস (Homo Erectus) এবং আধুনিক মানুষ হোমো স্যাপিয়েন্স (Homo Sapiens) এর আবির্ভাব ঘটে।
* খ. মধ্য প্রস্তর যুগ বা মেসোলিথিক যুগ (Mesolithic Age):
* সময়কাল: প্রায় ১০,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে প্রায় ৮,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত।
* বৈশিষ্ট্য:
* জলবায়ু পরিবর্তন: শেষ বরফ যুগের সমাপ্তি ঘটে এবং জলবায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র হয়, যার ফলে বন এবং তৃণভূমির বিস্তার ঘটে।
* সরঞ্জাম: এই যুগে 'মাইক্রোলিথ' (microlith) নামক ছোট, ধারালো পাথরের সরঞ্জাম তৈরি শুরু হয়, যা বিভিন্ন সরঞ্জামের (যেমন - তীর, বর্শা) অগ্রভাগ হিসেবে ব্যবহৃত হত।
* শিকার পদ্ধতি: শিকারের কৌশল উন্নত হয়। তীর-ধনুকের ব্যবহার শুরু হয়। মাছ ধরার জন্য ফিশহুক (fishhook) এবং জাল ব্যবহার করা শুরু হয়।
* গৃহপালিতকরণ: কুকুরের মতো কিছু প্রাণীর আংশিক গৃহপালিতকরণ শুরু হয়।
* বসবাস: স্থায়ী বসতির দিকে ঝোঁক দেখা যায়, বিশেষ করে নদীর ধারে বা জলাশয়ের কাছে।
* শিল্পকলা: প্রাকৃতিক দৃশ্যের পাশাপাশি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের চিত্রও গুহাচিত্রে দেখা যায়।
* গ. নব প্রস্তর যুগ বা নিওলিথিক যুগ (Neolithic Age):
* সময়কাল: প্রায় ৮,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে প্রায় ৪,৫০০/২,৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত (অঞ্চলভেদে ভিন্ন)।
* বৈশিষ্ট্য:
* কৃষি বিপ্লব (Neolithic Revolution): এটি এই যুগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। মানুষ খাদ্য সংগ্রহকারী থেকে খাদ্য উৎপাদনকারীতে রূপান্তরিত হয়। গম, বার্লি, ধান ইত্যাদির চাষ শুরু হয় এবং ভেড়া, ছাগল, গরু, শূকর ইত্যাদির গৃহপালিতকরণ ঘটে।
* স্থায়ী বসতি: কৃষিকাজের ফলে মানুষ স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করা শুরু করে। গ্রাম এবং তারপর ছোট শহরের উদ্ভব হয়।
* গ্রামের বিকাশ: এই সময়ে পৃথিবীর প্রথম দিকের গ্রামগুলি গড়ে ওঠে, যেমন - জেরিকোর তেল আস সুলতান (Tell as-Sultan in Jericho) এবং তুরস্কের ক্যাটালহয়ুক (Çatalhöyük)।
* সরঞ্জাম: পাথরের সরঞ্জামগুলি আরও মসৃণ ও ধারালো হয়। কুঠার, কোদাল, শিল-নোড়া ইত্যাদি কৃষি কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
* মৃৎশিল্প (Pottery): খাদ্য সংরক্ষণ এবং রান্নার জন্য মাটির পাত্র তৈরি শুরু হয়।
* বস্ত্রবয়ন: পশুর লোম বা উদ্ভিদ তন্তু থেকে কাপড় বোনা শুরু হয়।
* সামাজিক সংগঠন: সমাজের কাঠামো আরও জটিল হয়। পরিবারের পাশাপাশি গোষ্ঠী এবং বংশের ধারণা তৈরি হয়।
* ধর্মীয় বিশ্বাস: পূর্বপুরুষ পূজা এবং উর্বরতা দেবদেবীর পূজার প্রচলন দেখা যায়। মেগালিথিক স্থাপত্য (যেমন স্টোনহেঞ্জ) এই যুগের শেষ দিকে তৈরি হতে শুরু করে।
২. ব্রোঞ্জ যুগ (Bronze Age)
* সময়কাল: প্রায় ৩,৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ১,২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত (অঞ্চলভেদে ভিন্ন)।
* বৈশিষ্ট্য:
* ধাতুর ব্যবহার: এই যুগে মানুষ তামা ও টিনের সংমিশ্রণে ব্রোঞ্জ (Bronze) ধাতু তৈরি এবং ব্যবহার করা শেখে। ব্রোঞ্জ ছিল পাথরের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং টেকসই।
* সরঞ্জাম ও অস্ত্র: ব্রোঞ্জের তৈরি সরঞ্জাম, অস্ত্র এবং অলঙ্কার তৈরি হয়।
* নগর সভ্যতা: এই যুগে মেসোপটেমিয়া, মিশর, সিন্ধু উপত্যকা এবং চীনের মতো বৃহৎ নগর সভ্যতাগুলোর বিকাশ ঘটে। এই সভ্যতাগুলোতে জটিল সমাজ ব্যবস্থা, সরকার এবং প্রায়শই লিখিত ভাষার ব্যবহার ছিল, তাই এই অঞ্চলগুলোতে এটি ঐতিহাসিক যুগের অংশ।
* বাণিজ্য: ধাতব পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দূরপাল্লার বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
* সামাজিক স্তরবিন্যাস: সমাজে শাসক, যোদ্ধা, কারিগর, কৃষক ইত্যাদির সমন্বয়ে একটি সুসংগঠিত স্তরবিন্যাস দেখা যায়।
৩. লৌহ যুগ (Iron Age)
* সময়কাল: প্রায় ১,২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে শুরু হয় (অঞ্চলভেদে ভিন্ন)।
* বৈশিষ্ট্য:
* লৌহের ব্যবহার: ব্রোঞ্জের পরে লোহার আবিষ্কার এবং ব্যবহার শুরু হয়। লোহা ব্রোঞ্জের চেয়ে সহজলভ্য এবং আরও শক্তিশালী ছিল।
* কৃষি ও যুদ্ধের উন্নতি: লোহার তৈরি লাঙল কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে এবং লোহার অস্ত্র যুদ্ধের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।
* জনসংখ্যার বৃদ্ধি: উন্নত কৃষি এবং প্রযুক্তিগত উন্নতির কারণে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
* রাজনৈতিক কাঠামো: বৃহৎ রাজ্য এবং সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে।
* লিখিত ভাষা ও জ্ঞান: বিশ্বের বিভিন্ন অংশে লিখিত ভাষার ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়, ফলে বেশিরভাগ অঞ্চলের জন্য এই যুগ প্রাগৈতিহাসিক থেকে ঐতিহাসিক যুগে পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ভারতে বৈদিক যুগের সূচনা এই সময়েই।
প্রাগৈতিহাসিক যুগের গুরুত্ব:
প্রাগৈতিহাসিক যুগ আমাদের মানবজাতির বিবর্তন, টিকে থাকার সংগ্রাম, পরিবেশের সাথে অভিযোজন এবং সভ্যতার ভিত্তি স্থাপন সম্পর্কে মৌলিক ধারণা দেয়। এই যুগে মানুষ শিকারী-সংগ্রাহক জীবন থেকে কৃষিভিত্তিক স্থায়ী বসতিতে আসে, যা সভ্যতার বিকাশের পথ প্রশস্ত করে। আগুন, সরঞ্জামের উদ্ভাবন, ভাষা এবং শিল্পের বিকাশ - এই সবই প্রাগৈতিহাসিক যুগের গুরুত্বপূর্ণ অবদান যা মানব সমাজকে আজকের অবস্থায় নিয়ে আসতে সাহায্য করেছে। প্রত্নতত্ত্বের মাধ্যমে এই সময়ের তথ্যগুলি উদ্ঘাটন করা হয়, যা আমাদের অতীতকে বুঝতে এবং বর্তমানের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সহায়তা করে।

20/06/2025

কাল, পাত্র, স্থান ।
তিনে মিলে সাধারণ জ্ঞান ।
সাধারণ জ্ঞান বুঝতে হলে এই তিনের সমন্বয় করতে হবে।

19/06/2025

সাধারণ জ্ঞানে অসাধারন হতে হলে মানচিত্র মাথায় নিতেই হবে। এই মানচিত্রে মধ্যপ্রাচ্য কে আফ্রিকার কালারে দেখানো হয়েছে তবে আপনারা এটাকে এশিয়ার মধ্যে পড়ুন।

19/06/2025

সবাই বলে বেসিক পড়তে হবে, বেসিক পড়তে হবে, কিন্তু আসলে বেসিক কি? আমি সেটাই দেখাচ্ছি।

19/06/2025

পুরা পৃথিবীর ভূখণ্ডকে সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে এশিয়াকে আবার পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয় নিম্নে পাঁচটি অঞ্চলের নাম দেওয়া হল।
১. দক্ষিণ এশিয়া
২.দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
৩. পূর্ব এশিয়া
৪. মধ্য এশিয়া ও
৫. মধ্যপ্রাচ্য

পৃথিবীর মানচিত্র দেখে এই পাঁচটি অঞ্চল আলাদা করে চিহ্নিত করে মুখস্থ করবেন।

19/06/2025

ইংরেজি এবং গণিতের যেমন বেসিক থাকে তেমনি সাধারণ জ্ঞানেরও বেসিক থাকে। আমি সাধারণ জ্ঞানের বেসিক আলোচনা করতেছি শুরু থেকে।

19/06/2025

নিচে পৃথিবীর মানচিত্র অনুযায়ী পূর্ব থেকে পশ্চিমে (পূর্ব এশিয়া থেকে আমেরিকা পর্যন্ত) বিখ্যাত ও গুরুত্বপূর্ণ উপসাগরগুলোর (gulfs) নাম তালিকা আকারে দেওয়া হলো:

---

🌏 পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া:

1. টংকিং উপসাগর (Gulf of Tonkin) – ভিয়েতনাম ও চীনের মাঝে

2. থাইল্যান্ড উপসাগর (Gulf of Thailand) – থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম

3. মারতাবান উপসাগর (Gulf of Martaban) – মিয়ানমারের দক্ষিণ অংশে

4. বেঙ্গল উপসাগর (Bay of Bengal) – ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার ইত্যাদি

5. মান্নার উপসাগর (Gulf of Mannar) – ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাঝে

---

🌍 পশ্চিম এশিয়া (মধ্যপ্রাচ্য):

6. ওমান উপসাগর (Gulf of Oman) – ওমান ও ইরান

7. পারস্য উপসাগর (Persian Gulf) – ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার

8. আকাবা উপসাগর (Gulf of Aqaba) – জর্ডান, ইসরায়েল, সৌদি আরব, মিশর

9. সুয়েজ উপসাগর (Gulf of Suez) – মিশরের অংশ, সুয়েজ খালের পাশ দিয়ে

---

🌍 আফ্রিকা ও ইউরোপ উপকূল:

10. গিনির উপসাগর (Gulf of Guinea) – পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে

11. লায়ন উপসাগর (Gulf of Lion) – দক্ষিণ ফ্রান্সে, ভূমধ্যসাগরের অংশ

---

🌎 উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা:

12. মেক্সিকো উপসাগর (Gulf of Mexico) – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা

13. হন্ডুরাস উপসাগর (Gulf of Honduras) – মধ্য আমেরিকা, বেলিজ ও হন্ডুরাস

14. পানামা উপসাগর (Gulf of Panama) – দক্ষিণ-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের অংশ

15. ক্যালিফোর্নিয়া উপসাগর (Gulf of California) – মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মাঝে

16. আলাস্কা উপসাগর (Gulf of Alaska) –

🌍 ইউরোপের বিখ্যাত উপসাগরগুলো:

1. বথনি উপসাগর (Gulf of Bothnia)

অবস্থান: ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের মাঝে

এটি বাল্টিক সাগরের উত্তর অংশ।

2. ফিনল্যান্ড উপসাগর (Gulf of Finland)

অবস্থান: ফিনল্যান্ড, রাশিয়া, এস্তোনিয়ার মাঝে

এটি বাল্টিক সাগরের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত।

3. রিগা উপসাগর (Gulf of Riga)

অবস্থান: লাটভিয়া ও এস্তোনিয়ার মাঝখানে

এটিও বাল্টিক সাগরের অংশ।

4. লায়ন উপসাগর (Gulf of Lion)

অবস্থান: দক্ষিণ ফ্রান্সের ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে

এটি ভূমধ্যসাগরের অংশ।

5. জেনোয়া উপসাগর (Gulf of Genoa)

অবস্থান: উত্তর-পশ্চিম ইতালি, লিগুরিয়ান সাগরের অংশ

এখানে জেনোয়া বন্দর অবস্থিত।

6. ত্রিয়েস্ত উপসাগর (Gulf of Trieste)

অবস্থান: ইতালি, স্লোভেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার মাঝে, অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উত্তরাংশ

7. ভেনিস উপসাগর (Gulf of Venice)

অবস্থান: উত্তর ইটালির অ্যাড্রিয়াটিক সাগর উপকূল

বিখ্যাত ভেনিস শহর এখানেই অবস্থিত।

19/06/2025

🌍 পৃথিবীর মানচিত্রে পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রধান সাগরগুলোর তালিকা (মহাসাগর বাদে):

1. বোহাই সাগর (Bohai Sea) – চীনের উত্তর-পূর্বে

2. পূর্ব চীন সাগর (East China Sea) – চীন ও জাপানের মাঝখানে

3. দক্ষিণ চীন সাগর (South China Sea) – দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া

4. সুলু সাগর (Sulu Sea) – ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়ার মাঝখানে

5. জাভা সাগর (Java Sea) – ইন্দোনেশিয়ার জাভা ও বোর্নিওর মাঝে

6. আন্দামান সাগর (Andaman Sea) – মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও আন্দামান দ্বীপের পাশে

7. বঙ্গোপসাগর (Bay of Bengal) – বাংলাদেশ ও ভারতের পূর্বে

8. আরব সাগর (Arabian Sea) – ভারতের পশ্চিমে ও আরব অঞ্চলের পূর্বে

9. লাল সাগর (Red Sea) – আফ্রিকা ও আরব উপদ্বীপের মাঝখানে

10. আদেন উপসাগর (Gulf of Aden) – লাল সাগরের দক্ষিণে, ইয়েমেন ও সোমালিয়ার মাঝে

11. পারস্য উপসাগর (Persian Gulf) – ইরান ও আরব দেশের মাঝে

12. আজোভ সাগর (Sea of Azov) – রাশিয়া ও ইউক্রেনের মাঝখানে

13. কালো সাগর (Black Sea) – তুরস্ক, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন ইত্যাদির মাঝে

14. মিডিটারেনিয়ান সাগর (Mediterranean Sea) – ইউরোপ ও আফ্রিকার মাঝে

15. আলবোরা সাগর (Alboran Sea) – স্পেন ও মরক্কোর মাঝে, মধ্যপ্রাচ্যীয় সাগরের পশ্চিমাংশ

16. বাল্টিক সাগর (Baltic Sea) – উত্তর-পূর্ব ইউরোপে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, পোল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া ও জার্মানির মাঝে

17. উত্তর সাগর (North Sea) – যুক্তরাজ্য, নরওয়ে, ডেনমার্ক, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামের মাঝে

18. ক্যারিবিয়ান সাগর (Caribbean Sea) – মধ্য আমেরিকার পাশে

19. বাফিন সাগর (Baffin Bay / Sea) – কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডের মাঝে

20. বেরিং সাগর (Bering Sea) – রাশিয়া ও আলাস্কার মাঝে

21. ওখোৎস্ক সাগর (Sea of Okhotsk) – রাশিয়ার পূর্বে

22. জাপান সাগর (Sea of Japan) – জাপান ও কোরিয়ার মাঝে

23. আর্মা সাগর (Arafura Sea) – অস্ট্রেলিয়া ও পাপুয়া নিউ গিনির মাঝে

24. তিমর সাগর (Timor Sea) – ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মাঝে

---

📍 বাল্টিক ও উত্তর সাগর কোথায়?

🟦 বাল্টিক সাগর (Baltic Sea):

অবস্থান: উত্তর-পূর্ব ইউরোপে

সীমান্তবর্তী দেশ:

সুইডেন (পশ্চিমে)

ফিনল্যান্ড (উত্তরে)

এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া (পূর্বে)

পোল্যান্ড, জার্মানি (দক্ষিণে)

🟨 উত্তর সাগর (North Sea):

অবস্থান: উত্তর-পশ্চিম ইউরোপে

সীমান্তবর্তী দেশ:

যুক্তরাজ্য (পশ্চিমে)

নরওয়ে (উত্তরে)

ডেনমার্ক, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম (পূর্ব ও দক্ষিণে)

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Rangpur
5460