ভারতের আশ্রয়ে থাকা খুনী ফয়সাল,
বিপ্লবী ওসমান হাদী ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক লড়াই
(পর্ব-১)
আমাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংস্কৃতির একটা উপাদান- আমাদের বিনোদন মিডিয়া। এর অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে- নাটক, সিনেমা, অনুষ্ঠান সমূহ। স্যটেলাইট সংস্কৃতির সাথে পাল্লা দিতে বিনোদনের প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে তারা বেছে নিয়েছে মানুষের জীবনের আবেগপ্রবণ দিকগুলো। প্রেম ভালোবাসা এবং সংঘাত ই তাদের মূল উপজীব্য বিষয় আজ পঞ্চাশ বছর ধরে...
জীবনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং উন্নতিকে এরা শুধুমাত্র উপরোক্ত বলয়ের মধ্যে বন্দী করে ফেলেছে। অর্থ্যাত মানুষের বিশাল চিন্তাজগতকে তারা ব্যক্তিগত ফ্রেমে বন্দি করে ফেলেছে। এটা শুধুই অর্থনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে তারা করেছে, এটা ভাবলে ভূল করব আমরা। আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় যে জাতি অন্য জাতির সাংস্কৃতিক গোলামীতে ব্যস্ত, সে জাতি মাথা তুলে দাড়াতে পারেনি। এটাই মহাকালের ইতিহাস। গ্রীক পুরানে "ট্রোজান হর্স" ছিল মূলত সংস্কৃতির খোলসে/বর্মে পরিচালিত এক সামরিক আগ্রাসন। একই কায়দায় হিন্দুস্থানের বর্তমান ক্ষমতাধর সরকার, যারা দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্প্রদায়িক সংঘাতের মূল কারিগর, অর্থ্যাত ভারথ সরকার। তারা তাদের প্রতিবেশীদের প্রথমে সাংস্কৃতিকভাবে গোলামে পরিণত করেছে। এটা কতটা কাজ করছে, সেটার তারা কিছুদিন পর পর লিটমাস টেস্ট করে। পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ যুদ্ধে খেলে কিংবা বাংলাদেশে অবস্থান নেয়া তাদের খুনীদের মাধ্যমে হত্যাকান্ড ঘটিয়ে। বাংলাদেশে প্রায়ই তারা ব্যাপক সফলতা পেলেও পাকিস্তানে সফলতার পরিমাণ ও কম নয়। উল্লেখযোগ্য সফলতা হচ্ছে- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে গণহত্যার প্লট তৈরী করে এ অঞ্চলের মানুষের উপর এক অসম যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল ভারত। এতে পুতুল হিসেবে কাজ করেছে- ভারথ এর সরকারী গোয়েন্দা-বেশ্যাদের (স্পাই) দিয়ে হেরেম পূর্ণ করা পাকিস্তানী জেনারেলসমূহ। এপাড়ে কাস্ট করেছিল আওয়ামী ষাণ্ডাদের। শেখমুজিবকে জেলে নেয়া হয়েছিল, কারণ সে বাইরে থাকলে কলকাতায় গিয়ে তাজুদ্দিন-তোফায়েল গংদের বদমাশী মেনে নিতনা। এভাবে তারা একটা ক্ষুধার্থ জনগোষ্ঠীর উপর একটা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল। যার খেসারত আজ ও এ অঞ্চলের মানুষেরা দিচ্ছে।
মূল আলোচনা ছিল মিডিয়া নিয়ে, বিনোদন জগত নিয়ে। চলে এলাম মুক্তিযুদ্ধে। কারণ খুবই সাভাবিক। আপনি খেয়াল করে দেখবেন- এ দেশে মানুষের বিনোদনের সাথে কীভাবে মুক্তিযুদ্ধ জড়িয়ে আছে। কারণ ব্রিটিজ উপনিবেশ প্রতিরোধ আন্দোলন করে এ অঞ্চলের মুসলমান কৃষকগণ তার ভিটেমাটি ই শুধু ধরে রেখেছিল। বাকী সব ছিল হিন্দু জমিদারদের দখলে। নিম্ন জাতের হিন্দুদের সাথে যা আচরণ করত ব্রাক্ষণ জমিদারগণ, ঠিক একই আচরণ করত মুসলমানদের সাথে। এটা ইতিহাস। আজ বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার অভাবে এ অঞ্চলে আদর্শহীনতা মহামারির আকার ধারণ করেছে। বিধায় আমাদের বিনোদনের উপাদান সমূহ আমাদের উন্নত জীবনের মূলসূত্র সমূহ অনুবাদ করছে না কিংবা সহজ পাঠ করছে না কিংবা আরো গভীরে গিয়ে বলতে হয়- পরিকল্পিতভাবেই তারা সেটা করছেনা। বিধায়- আমাদের বিনোদন জগত গড়ে ওঠেছে প্রবৃত্তির মনোরঞ্জক হিসেবে। কিন্ত আমরা জানি জীবন মানেই জৈবিক কর্মকান্ড নয়। জীবনের সাভাবিক একটা অপরিহার্য অংশ সেটা। কিন্ত এটাকেই বেছে নিয়েছে আমাদের মিডিয়ার মাস্টার মাইন্ড। তারা এভাবেই একটা জাতির যৌবনকে বন্ধায় পরিণত করেছে। ফলে, (বাংলাদেশ হাজার বছরে একটা জাতি যৌবনকাল পায়), এই সময়কে সঠিকতর ব্যবহার করতে অক্ষমতার নজীর স্থাপন করেছে। আর ভারথ আমাদের তরুণ যুবকদের মাদক ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমে যখন বুদ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তখন স্নাইপার নিয়ে আমাদের কিশোর-তরুণ-যুবকদের রাজপথে গণ-হ-ত্যা'র সফল মঞ্চায়ন করেছে। এটা তারা করেছে পঞ্চাশ বছর ধরে আমাদের যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি পুশ-ইন করেছে, এর একটি স্ক্রিপ্টের মাধ্যমে। শে-খ-হা-সি-না এই সিনেমার একজন প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা একজন নায়িকা মাত্র! তার পলায়ন ই আমাদের বিজয় নিশ্চিত করছেনা! এটাই পাহাড় সমান সত্য! যা কে আপনি সমুদ্রের ডুবোপাহাড়ের সাথে তুলনা করতে পারেন। এই সত্য আমাদের কিশোর- তরুণ-যুবক তথা গণমানুষ যত দ্রুত উপলব্ধি করবে, তত দ্রুত আমাদের মুক্তির আসল লড়াইয়ের প্রস্তুতি শুরু হবে বলে আমার বিশাস!
Muhammad Abdul Musawwir Ludhi
মোহাম্মাদ আব্দুল মোছওয়ীর লোদী
31/01/2026
কৃষ্ণ করলে লীলাখেলা, আর আবদুল করলে ঢঙ,
গণতন্ত্রে সবই রাইট হয়, ইসলাম করলে রঙ
সাঈদী, আকাশের দিকে তাকিয়ে তুমি কি দোয়া করেছিলে? তোমার সে দোয়া কি আল্লাহর দরবারে কবুল গেছে? না এখনো হয় নাই? আমাদের কে কি তুমি অভিশাপ দিয়েছিলে? না, আমাদের বিজয়ের জন্য আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করেছিলে?
22/01/2026
দুনিয়ার বর্তমান ফ্রেশিডেন্ট নিজ জাতির সচ্ছল ভরণ পোষণে বেশ কিছু কর্মসূচী হাতে নিয়েছেন। তার এই পদক্ষেপ মার্কিনভূমি ও জাতির একমাত্র গর্বের বস্তু তথা তাদের "পশ্চিমা লিবারাল জীবনাদর্শ"কে বন্দিদশা থেকে ফাসির মঞ্চে নিয়ে এসেছেন। মহামান্য তার জালানী ক্ষুধা মেটাতে সমুদ্রে তৈলবাহী জাহাজ ছিনতাইকে রুটিন ওয়ার্কে পরিণত করেছেন। তৈলসমৃদ্ধ ভেন্যুজুয়েলারি আর পারমানবিক ইরানে জোরপূর্বক পুতুল সরকার বসাতে উঠেপড়ে লেগেছেন। বরফে আচ্ছাদিত গ্রীণল্যান্ডে খনিজ সম্পদ দখলের ঘোষণা দিয়েছেন। এদিকে তার এই একতরফা লুটপাটে ইরোপের ঔপনিবেশিক শকুনেরাও হাত-পা গুটিয়ে বসে নাই! তারা তাদের জনগণকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের হিস্যা নিয়ে সরব হয়েছে! তারা গ্রীণল্যান্ডে প্রতিকী সৈন্য পাঠিয়েছে। কারণ তারা জানে জাতিসংঘ আজ একটা আমেরিকান সংঘ!
26/12/2025
প্রথম আলো'র ভন্ডামী ও ভ্যান্ডালিজম
রামপন্থী, বামপন্থী এবং দিল্লীপন্থী সবাইকে এক ছাতার নীচে এনেছিল প্রথম আলো নামক হলুদ সাংবাদিকতা.... প্রথম আলোকে বয়কট করুন!
সত্য প্রকাশে সাহসী হোন!
মিডিয়াতে কেন আ%×গু××ন || যেই সত্য কেউ বলবে না || Pinaki Bhattacharya || The Untold মিডিয়াতে কেন আ%×গু××ন || যেই সত্য কেউ বলবে না || Pinaki Bhattacharya || The UntoldPlaylist:বাংলাদেশ প্রসঙ্গ - https://youtube.com/playlist?list=PL8ua8rCMPox...
06/09/2025
নতুন বোতলে পুরনো মদের চালান
১৯৯০ সালেও একনায়ক এরশাদের সরকারের পতন হয়েছিলো (সেখানেও বিদেশীদের সরাসরি ইন্ধন ছিলো)। কিন্তু বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অবস্থার তো উন্নতি হয়নি। জনগণ এখনও গরীব; কারণ স্বল্প কিছু মানুষের হাতে বেশিরভাগ সম্পদ কুক্ষিগত হয়ে গিয়েছে; ঠিক যেমনটা হয়েছে পশ্চিমা দেশগুলিতে। চরম বেকারত্বের কারণে সরকারি চাকুরিতে ঢোকার কোটা নিয়ে আন্দোলন হয়েছে। শ্রমিকরা বারংবার রাস্তায় নেমেছে তাদের বেতন বৃদ্ধির জন্যে; কারণ ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতির কারণে তাদের আয় দিয়ে তাদের সংসার চলছে না। সামাজিক অবক্ষয় মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘ এলজিবিটি-র মতো মারাত্মক ব্যাধিকে 'রংধনু' নামে ইনজেকশের মাধ্যমে জোর করে ঢুকিয়ে দিয়েছে এই সমাজে। আইএমএফ-এর মতো মাফিয়া সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নিয়ে শর্ত হিসেবে জ্বালানির উপর থেকে ভর্তুকি তুলে দিয়ে, ব্যাপকভাবে ট্যাক্স বৃদ্ধি করে, ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্য কমিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিসহ করে ফেলা হয়েছে। বাজারে সিন্ডিকেটের কারণে সকল পণ্যের কারণ ছাড়া মূল্য-বৃদ্ধি যেন প্রতিদিনের ইস্যু। দুর্নীতির সাগরে সাঁতড়ে অনেকেই হয়েছেন হাজার কোটিপতি। এই মারাত্মক সমস্যাগুলি সরিয়ে ফেলা নিয়ে কেউ কথা বলে না। অনেকেই বলবে যে, “এগুলি সরানো অনেক কঠিন কাজ", অথবা "এগুলি ধীরে ধীরে সরাতে হবে", অথবা "এগুলি সরাবার কথা বলা অবাস্তব", অথবা অন্য কিছু।
সরকার আসবে; যাবে। কিন্তু রাষ্ট্র এখনও দুর্বলই রয়ে গেল। সকলেরই চিন্তা সরকারকে নিয়ে; রাষ্ট্র নিয়ে নয়। সমস্যায় পড়লে সকলেই সরকার পরিবর্তন চায়; এগুলি যে রাষ্ট্রের সমস্যা, সেটা নিয়ে কেউ চিন্তা করে না। একারণেই নতুন বোতলে পুরনো মদের চালান আসতেই থাকে। সমস্যা চিরকালই রয়ে যায়; আর বিদেশীরা এই সমস্যাগুলি জিইয়ে রেখে রাষ্ট্রের নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে। এটা একটা 'ভিশাস সার্কেল'; যার মাঝে বাংলাদেশ ঘুরপাক খাচ্ছে জন্মের পর থেকে। রোগ হলো ক্যান্সার; আর সকলে ক্যান্সারের জন্যে হওয়া জ্বরের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। প্যারাসিটামল দিয়ে কি আর জ্বরের চিকিৎসা হয়?
15/08/2024
মুসলিম উম্মাহর অধঃপতনে জাতীয়তাবাদের ভূমিকা : পর্ব-১
বাংলাদেশের দুই জাতীয়তাবাদী দল BAL এবং BNP, তাদের একজন করে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদ এবং আরেকজন করে সীমান্তভিত্তিক জাতীয়তাবাদ। সজ্ঞানে ও অজ্ঞানে তারা এটাকে নিজেদের ঈয়ান আকীদার অংশ করে নিয়েছেন। তাদের উদ্দেশ্যে এই লিখা শেয়ার করলাম...
মুসলিম উম্মাহর অধঃপতনে জাতীয়তাবাদের ভূমিকা পর্ব-১ “অবশ্যই তোমাদের এই উম্মত হল একটাই উম্মত” [সুরা আম্বিয়া-৯২] “এক জাতি এক ভূমি” এই চেতনা ও আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে একদা ....
03/08/2024
দেশে এখন রেমিটেন্স আসেনা
আসে হুন্ডি, সংস্কৃত হুন্ড শব্দ থেকে হুন্ডি'র নামকরণ। আরবীতে একে বলা হয়- হাওয়ালা। আর সিলেটে "হাওলা"
"হুন্ডি" যা বর্তমান বাংলাদেশ সরকারকে বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমে সম্পদ পাচারে বেশ সহায়ক হয়েছে। শেখমুজিব কন্যা হাসিনা'র ভাষায়,
"হাতে হাতে দিবেন, হাতে হাতে খরচ"
চলুন জানা যাক- "হুন্ডি" কি?
হুন্ডি কিভাবে কাজ করে ? আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে অর্থ লেনদেনের এক ব্যবস্থা হল হুন্ডি। সমগ্র দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে বিশেষ করে ভা...
মেধা আন্দোলন এবং বাংলাদেশের জনগণ
যে কোন লড়াইয়ে কোন একটা পক্ষ নেয়া আমাদের মজ্জাগত সভাব। সেটা ক্রিকেট খেলা থেকে ফুটবল, বিডিআর বিদ্রোহ থেকে মেধা আন্দোলন।
সংস্কৃতির দিক দিয়ে, এই বদীপের মানুষ আবেগপ্রবণ, সহমর্মী এবং আরামপ্রিয়..
বর্তমান মেধা-আন্দোলন থেকে গণ-আন্দোলনে রূপান্তরিত এই রাষ্ট্রের প্রতি বিদ্রোহের শুরুতে কারো লক্ষ্য ছিলনা, সরকার পতন কিংবা গণুভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিপ্লব।
রাষ্ট্রের সত্তা ও সরকারের সত্তা যদি আলাদা হয়ে থাকে, তাহলে এই বিদ্রোহ ও অভ্যুত্থান প্রচেষ্টাকে নিরপেক্ষ কিংবা পক্ষপাথমুক্ত ভাবার কোন অবকাশ নাই।
আন্তর্জাতিক উদাহরণ ও আদর্শের সূত্র
সিরিয়া ও ইরাকে তথাকথিত "ইসলামিক খেলাফত" এবং ইরান, পাকিস্তানের তথাকথিত "ইসলামিক প্রজাতন্ত্র" কীভাবে মার্কিনীদের দারা নিয়ন্ত্রিত ও (আইএস) নিষিদ্ধ হয়েছিল, এবং মার্কিনীদের পাতা এই ফাদে(ট্রোজান হর্স) অনেকেই বোকা বনেছিল। কারণ, সেখানে দুটো বিষয়ে ভারসাম্য নিশ্চিত করা ছিলনা। এক- আবেগ, দুই- বিবেক। ইসলাম কোন যান্ত্রিক কিংবা বস্তুবাদী আদর্শ নয়, বিধায় এখানে আবেগ-অনুভূতিকে জীবনের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন কোন উপাদান জ্ঞান করা হয়না, অথচ, বাস্তববাদীরা (যারা বাস্তবতাকে চিন্তাভাবনার ভিত্তি মনে করেন) বলে, "জীবনটা আবেগ নয়, বাস্তবতা বড় কঠিন!"
ইসলামের রাজনৈতিক পরিভাষায় ভারসাম্য বলতে এখানে, আধ্যাত্মিক (স্প্রিচ্যুয়াল/নাফসিয়া) এবং বুদ্ধিবৃত্তিক(ইন্টেলেকচুয়াল/ আকলিয়া), এই দুটোর ব্যালেন্স, কোন ব্যক্তি ও সংগঠনের মধ্যে না থাকলে, তাদের কর্মসূচী, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং ক্রিয়াশীলতার মধ্যে অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়। প্রকৃত কথা হচ্ছে, আসমানি এই জীবনাদর্শে- ব্যক্তি ও সংগঠনের মধ্যে তখনি এই ভারসাম্য দৃষ্টিগোচর হয়, যখন এদের চিন্তা (ফিকির) ও পদ্ধতি (তরিকা) ভারসাম্যপূর্ণ হয়ে থাকে। সবচেয়ে আশ্চর্য হচ্ছে, এটা তখনি কার্যকর হয়, যখন তার চিন্তা-পদ্ধতির ভিত্তি হয়- কলিমা। অর্থ্যাত, এই কলিমার ভিত্তিতে যখন কোন ব্যক্তি/সংগঠন তার জীবনব্যবস্থা পৃথিবীর আলো-বাতাশে কার্যকর করার লক্ষ্যে কর্মসূচী পরিচালনা করে, তখন সেটা স্থান, কাল ও পাত্র ভেদে রঙ ও ঢং বদল করলেও, মূলে কোন পরিবর্তন আনেনা। তখন, বাস্তবতার আলোকে একটা কর্মসূচী ব্যর্থ হলেও, আদর্শের আলোচনায় সেটা কখনোই ভূল হিসেবে প্রতীয়মান হয়না। ইতিহাসে ভূড়ি ভূড়ি উদাহরণ আছে।
উপরোক্ত মূলনীতি আলোচনার উদ্দেশ্য হচ্ছে, একটা সংগঠন, আন্দোলন এবং রাজনীতির প্রকৃতি অনুধাবনের মধ্যেই রয়েছে এর ফলাফল অনুধাবনের বিষয়গুলো..
বাংলাদেশে শুরু হওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পটভূমি শেখহাসিনা কিংবা এই সরকার নয়, রাষ্ট্রের গঠনতান্ত্রিক প্রকৃতি এবং উপাদান সমূহ, যা শুরু থেকেই বৈষম্য লালন করে আজ এ পর্যন্ত!
বিধায়, শেখহাসিনা তার আদালত ও বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে একটা রায় দিলেই, ভূক্তভোগীর প্রকৃত সমস্যা সমাধান হবে, তেমনটা নয়। সেটা তারাও জানে, ভূক্তভোগীরাও জানে।
আর তারুণ্য ও যৌবনের জানাটা, তাদের মানার উপর তেমন প্রভাব ফেলেনা। কিন্ত, তারা কোথাও না কোথাও থেকে পরিবর্তনের এই কাজটা শুরু করতে চেয়েছিলেন! এই মাইন্ডসেট ই তাদের বিশমানের বিপ্লবীর কাতারে নিয়ে গেছে। কারণ, তারা দূরদর্শী না হলেও অপরিণামদর্শী ছিলেন না!
এটা সাম্প্রতিক ঘটনার ঘনঘটার তথ্য-উপাত্ত থেকে আমি নিশ্চিত হয়েছি ও তা আমার কাছে প্রমাণিত।
(চলবে)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Sylhet
৩১৭২