Quiz competition Game

Quiz competition Game

Share

"Forever grateful for the little things." education

11/06/2025

পরিবারের অবহেলা ঠিক আকাশের কালো মেঘের মতো—ভেতরটা অন্ধকার করে দেয়, কিন্তু কেউ টের পায় না। ゚ ゚

04/09/2021
10/07/2021


*এই গল্পটি আপনার চিন্তাধারা বদলে দেবে*

একদিন এক কৃষকের একটি বলদ কূপের মধ্যে পড়ে গেল। বলদটি কয়েক ঘন্টা ধরে জোরে জোরে চিৎকার করতে থাকল এই অবস্থায় কৃষকের কি করা উচিত সে বিষয়ে সে ভাবতে লাগলো| বলদটা তো বুড়ো হয়ে গেছে এটা আর কোন কাজে লাগবে না ভেবে সে বলদটাকে সেখানে পুতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল| সাহায্যের জন্য সমস্ত প্রতিবেশীকে ডেকে সবাই মিলে যেখানে মাটি ফেলা ত শুরু করল| বলদটি যেই বুঝতে পারলো যে তার সাথে কি করা হচ্ছে তখন সে জোরে জোরে চিৎকার করতে শুরু করল এবং কিছুক্ষণ পর শান্ত হয়ে গেল| সবাই যখন চুপচাপ সেই গর্তে মাটি ভর্তি করেছিল | তখন বলদটা এটা আশ্চর্যজনক কাজ করছে| বলদ টা তার পিঠে পড়া সমস্ত মাটিকে নড়েচড়ে নিচে ফেলে দিতে লাগলো এবং সেই মাটির উপর পা দিয়ে একটু একটু করে উপরে উঠতে চেষ্টা করছিল| এইভাবে এক একটা ধাপ উঠে সে একটা ঝাঁপ দিয়ে বাইরে পালিয়ে গেল|

মনে রাখবেন যে আপনার জীবনেও প্রচুর ময়লা ফেলে দেওয়া হবে, প্রচুর ময়লা আপনার উপরে পড়বে, যাতে আপনাকে এগিয়ে যেতে বাধা দেওয়া হবে, কেউ আপনাকে অহেতুক সমালোচনা করবে, কেউ আপনাকে অহেতুক খারাপ বলবে। এগিয়ে যাওয়ার জন্য, কাউকে এমন একটি পথ অবলম্বন করতে দেখবেন যা আপনার আদর্শের বিরুদ্ধে হবে… .

এই অবস্থায় নিরুৎসাহিত হবেন না এবং আপনার উপর ফেলা সমস্ত আবর্জনাকে ধাপ তৈরি করে একটা একটা কদমে এগিয়ে যান| নিজের নীতি আদর্শ ত্যাগ করবেন না|

এই জগতে.. …

সবচেয়ে বড় সম্পদ বুদ্ধি

সবথেকে ভালো অস্ত্র ধৈর্য

সবচেয়ে ভালো সুরক্ষা আত্মবিশ্বাস

সবচেয়ে ভালো ওষুধ হাসি

ধারণা পরিবর্তন করুন জীবনে অবশ্যই পরিবর্তন আসবে

09/07/2021

মশা মারা সহজ, কিন্তু মাছি মারা এত কঠিন কেন?

এর রহস্য হচ্ছে মাছির চোখে। কিন্তু কিভাবে ?

আমাদের চোখ প্রতি সেকেন্ডে ৬০ টি স্থির ছবি আমাদের ব্রেইনে পাঠায় তারপরে ব্রেইন সেগুলোকে একত্র করে আমাদের চলমান দুনিয়া দেখায়। কিন্তু একটি মাছির চোখ প্রতি সেকেন্ডে ২৫০ টি ফ্ল্যাশ / ছবি তার ব্রেইনে পাঠায়। মাছির ব্রেইন যখন সেগুলোকে চলমান করে তোলে তখন সে আসলে আমাদের তুলনায় সব কিছু খুব ধীর গতিতে দেখে, যাকে আমরা স্লো মোশন বলি।

যখন আমরা একটি মাছিকে মারতে যাই আমরা এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে মাছিটিকে আক্রমণ করি। এখন আমরা প্রতি সেকেন্ডে ৬০ টি ফ্রেম দেখার কারনে আমাদের কাজটি আমাদের কাছে অনেক দ্রুত মনে হলেও মাছির কাছে আমাদের এই কাজটি, মানে তার দিকে তেড়ে যাওয়া খুবই ধীর মনে হয়। তাই আমরা মাছিদের আঘাত করার অনেক আগেই তারা উড়ে চলে যেতে পারে।

মাছির মত মশার এই বিশেষ ক্ষমতা নেই সেজন্য তারা এত সহজেই উড়ে যেতে পারেনা, এজন্যই মশা মারা সহজ কিন্তু মাছি মারা এত কঠিন।

08/07/2021

ঔষধের পাতায় (ট্যাবলেট) মাঝে মাঝে ফাঁকা থাকে কেন? ট্যাবলেট, ক্যাপসুল দেওয়ার জায়গা থাকে, কিন্তু ঔষধ দেওয়া হয় না কেন?

ঔষধের এরকম পাতাগুলো দেওয়া হয় ডাক্তারদের স্যাম্পল হিসেবে।এগুলো বিক্রয়ের জন্য নয়। এবং এগুলোর মান ভালো, মান উন্নত। কারণ এগুলো ডাক্তারদের পরীক্ষা করার জন্য দেওয়া হয়।

ঔষধের মূল প্যাকেট এমনি হবে।কিন্তু মাঝখানে ঔষধের খাজঁ থাকলেও ঔষধ থাকে না। আমরা অনেকই না জেনে ফার্মেসিতে এরকম দেখি এবং কিনেও থাকি। কোম্পানি বাজারজাত করণের উদ্দেশ্য একই রকম বানায়। যেহেতু স্যাম্পল ঔষধ তাই অর্ধেক পরিমাণ ঔষধ দেয়। যখন বাজারজাত করবে তখন ৬ পিস ঔষধ ই দিবে। এখন বলতে পারেন ফাকা রাখার দরকার কি? ৩ পিসের পাতা বানালে হয়না? উত্তর হলো - না। আলাদা প্যাকেট বানালে কোম্পানির খরচ বেশি হবে। এভাবে বানালেই কোম্পানির খরচ কম হয়।

প্রশ্ন অন্যখানে। কোম্পানি ডাক্তারদের ঔষধ দিবে কেনো? ডাক্তার নিজে খেয়ে তো আর ঔষধ পরীক্ষা করেনা। তাহলে?

উত্তরটা হলো, ডাক্তার এগুলো ফ্রি স্যাম্পল পায় আর এগুলো রোগীদের বিনামূল্যে দেওয়ার কথা। বিজনেস অন্যখানে। ধরেন ডাক্তার অসচ্ছল রোগীকে এই ঔষধ ফ্রিতে দিলো। ঔষধের ডোজ রোগ ভেদে ৩/৫/৭ দিন খেতে হয়। এখানে সর্বোচ্চ ১-১.৫ দিনের ঔষধ আছে। বাকি ঔষধ ডিসপেনসারি থেকে রোগীকে কিনে খেতে হবে। এই প্যাকেটটাই তাদের ঔষধের বড় মার্কেটিং করে।

অসাধু ডাক্তারেরা ফ্রি সেম্পলটাই রোগীদের ফ্রি না দিয়ে কমদামে বেচে দেয় আর ফার্মাসী ওয়ালারা এই ফ্রি সেম্পলগুলো কমদামে কিনে আসল ঔষধের সমান দামে বেচে। এতে করে প্রফিট কয়েকগুন বেশি হয়।

এ ধরণের ঔষধ ফার্মাসীর দোকানে দেখলেই ভোক্তা অধিকারে জানিয়ে জরিমানা করা উচিত। দীর্ঘদিন ধরেই এমন বাজে একটা সিস্টেম চালু আছে। এতে করে গরীব রোগীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয় আবার অসাধু চক্রও বেশি লাভ করে।

08/07/2021

ঈদের আমেজ জমে উঠতো
মনে পড়ে না কি কিছু ???

08/07/2021

১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যা হয়েছিলো। বন্যার্তদের সাহায্য করার জন্য পঁচিশে অগাস্ট ঢাকা স্টেডিয়ামে একটা চ্যারিটি ফুটবল ম্যাচ হয়েছিলো। সেটাতে অংশ নিয়েছিলো নায়িকা দল বনাম নায়ক দল। এই খেলা থেকে অর্জিত সকল টাকা জমা দেওয়া হয়েছিলো প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে।
সেই খেলার একটা দৃশ্য এটা। বলে লাথি মারতে গিয়ে মিস করেছেন কবরী। সেই লাথি গিয়ে লেগেছে নায়ক খসরুর পায়ে। আমি নিশ্চিত এর পরেও ফাউল দেওয়া হয়নি। সেদিন খেলার রেফারি ছিলেন সুভাষ দত্ত এবং হাসমত। তবে, উনাদেরকে আগেই চা নাস্তা খাইয়ে নায়িকা দল কিনে নিয়েছিলো হয়তো। ফলে, তাদের বিরুদ্ধে বাঁশি বাজান নাই দুই রেফারি পুরো খেলাতেই। হাত দিয়ে গোল দিলেও গোল ঘোষণা করেছেন তারা।
নির্মল আনন্দ কৌতুকে্র ম্যাচ ছিলো একটা। দর্শকদের আনন্দ দেবার জন্য নানা ধরনের মজা করেছেন নায়ক, নায়িকা এবং কৌতুক অভিনেতারা। কেউ বল হাতে নিয়ে ছুটেছেন, কেউ সিরিয়াস ভঙ্গিতে খেলার ভান করেছে, কেউ অন্যকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেবার চেষ্টা করেছেন। চ্যারিটি ম্যাচে যা যা প্রয়োজন, তার সবই তারা করেছেন।
Post collected.

07/07/2021

জেডি থম্পসন এবং র‌্যান্ডাল জি চ্যাম্পিয়ন, এই দুজন বৈদ্যুতিক লাইনম্যান বৈদ্যুতিক খুটির উপরে নিয়ম-মাফিক কাজ করছিলেন। দুর্ঘটনাক্রমে র‌্যান্ডাল জি চ্যাম্পিয়ন মেইন তারের সংস্পর্শে অজ্ঞান হয়ে পড়েন, তবে তার সেফটি বেল্ট তার পতনকে রোধ করে। নিচে থাকা জেডি থম্পসন তাড়াতাড়ি করে চ্যাম্পিয়নের মুখে মুখ রেখে বাতাস দেন যতক্ষণ না তিনি আবার শ্বাস নিতে শুরু করলেন, অতপর দুজনেই নিরাপদে মাটিতে নেমে আসেন।
দুর্ঘটনার পরে চ্যাম্পিয়ন আরও তিন দশক বেঁচে ছিল। আর দ্রুত চিন্তাভাবনার মধ্য দিয়ে এই মুহূর্তটি চিরকালের জন্য অমর হয়ে গেল।

07/07/2021

দেখি তো কে কে বলতে পারেন কাকে দেখা যাচ্ছে???

Want your school to be the top-listed School/college in London?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

London