10/06/2020
Maha Prasadh Ki Joy
হিন্দুধর্ম (সনাতনধর্ম) ভারতীয় উপমহা?
10/06/2020
Maha Prasadh Ki Joy
10/06/2020
🦋💜ভগবান কেন আমাদের দুঃখ দেন ??🧡🦋
🦋🧡🌺🍀🦋🧡🌺🍀🦋🧡🌺🍀🦋🧡🌺
🦋💛হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে🦋💜
🦋💚হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে🦋💛
এমন প্রশ্ন অনেকের মনে তীব্র ঝড় তোলে যে আমরা ভক্তিশীল তবুও এত কষ্ট কেন দেন ভগবান❓️
আসুন জানা যাক ♦️♦️♦️♦️
🛑বোধ যা বিচারকে নাড়া দেয় !
🛑বিচার যা বিবেককে নাড়া দেয় !
🛑বিবেক যা বুদ্ধিকে নাড়া দেয় !
🛑বুদ্ধি যা আত্মাকে নাড়া দেয় !
💢তাইনা??
তবে সময়ের সাথে এগুলির তীক্ষ্ণতা ক্রমে মলিন হয়ে গেছে এবং এগুলির রং হারিয়ে কেমন যেনো রং চেনার আকাল সৃষ্টি হয়েছে.
বস্তুত এই ভুবন কপটতা ছলনা দ্বারা আবৃত হলেও ভগবানের লীলা উপেক্ষা করার সাদ্ধ আমাদের মধ্যে কারুরই নেই.কিছু বিরল পরিস্থিতি বারবার মনকে ভারাক্রান্ত করে অনিশ্চিয়তার দিকে প্রেরিত করে ঠিকই কিন্তূ এর দ্বারা আমরা পরবর্তী যাত্রা করার জন্য তৈরী কিনা সেই পরীক্ষাও নেন তিঁনি.
কিন্তূ যদি তিঁনি আপনাকে দুঃখই দেন এবং সেই পরিস্থিতি সামলিয়ে যখন পরবর্তীতে আবার দুঃখ পান তবে আস্থা কি থাকবে ভগবানের ওপর??
✨️না নাকি হ্যা ????
তবে শ্রদ্ধাশীল ব্যক্তিরা জীবনের যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে পরমাত্মার ওপরই ভরসা রাখেন.
তবে অন্য সবাই ভক্তিতে বিশ্বাস রেখেছেন বলে আপনাকেও রাখতে হবে এমন কোনো কথা নেই.
কিন্তূ যদি এই দুঃখের পরীক্ষাই আপনার জন্য নির্ণায়ক হয় তবে এই মতে বিশ্বাস রাখতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় নিশ্চই.
👉✳️কিভাবে ⁉️
🔰আপনার প্রতিকূলতাই সেই মই যার দ্বারা আপনি জীবনের সর্বোচ্চ শিখরে উঠতে পারেন.🎯
🔰আপনার প্রতিকূলতাই সেই চাপা দেওয়া ছাই যেখানে অনেক ব্যাথা লাঞ্ছনা লুকিয়ে আছে এবং একে আশ্রয় করে দীর্ঘদিনের সেরা ইতিহাস অক্ষয় হয়ে আছে ইতিহাসের পাতায়.🎯
দীর্ঘদিনের অপ্রাপ্তি কায়িক মনকে সেই মহাদশায় নিয়ে যায় যেখান থেকে আপনার হেরে যাওয়া অসম্ভব.
♦️আমাদের পরীক্ষার মাধ্যমে ভগবান আমাদের সুখ দুঃখ দিয়ে থাকেন.আমাদের জন্য সঠিক কি হবে সেটা আমাদের থেকে অনেক ভালো তিঁনি জানেন. কিন্তূ আমরা যদি ক্ষুদ্র মায়ার কবলে আবদ্ধ থাকি তবে এর থেকে বৃহদ কিছু পাওয়ার উপযোগী কিনা আমরা তা অবশ্যই ভাবতে হবে আমাদেরই.
♦️মনে রাখা দরকার আমাদের বারংবার আসল খাঁটি সোনা থেকে ব্যবহারকৃত সোনা বানানোর জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়াকরনের নিবন্ধন প্রয়োজন পরে.
🎈এখন আমরা নিশ্চই বুঝতে পারবো দুঃখের বলয়ে ভগবান কেন আমাদের আবৃত রাখেন.
🎭তাই যেকোনো পরিস্থিতিতে আমাদের বোধ শক্তিতে অব্যয় এনে বিচারের মাধ্যমে বিবেক এবং বিবেকের মাধ্যমে বুদ্ধি এবং বুদ্ধির দ্বারা পরমাত্মার উপস্থিতিতে আমরা সকল পরিস্থিতিতে সুরক্ষিত এই বিশ্বাস মনে শাশ্বত রাখতে হবে.
💥বস্তুত আমাদের বোঝা উচিৎ ভগবান আমাদের সুখ বা দুঃখ প্রদান করেন না. সুখ কিংবা দুঃখ আদতেই আসে আমাদের কর্মের আঁধারের ওপর নির্ভর করে. আপনার কর্মই আপনাকে সুখ দেবে এবং আপনার ভূল আপনাকে দুঃখ দেয়. ভগবান কেবল আমাদের সকলের মাঝে সাক্ষী স্বরূপ বিরাজমান !
🍁ভগবান বলেছিলেন গীতাতে সংশয়বানদের বিনাশ নিশ্চিত ‼️তাই সংশয় না করে ভগবানের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে আমাদের 🙏
10/06/2020
"ভগবান কৃপা না করলে এই জগত সংসারে মোহ-মায়া কেমন ভাবে ত্যাগ করবেন বলুন তো?"🌻
★:- ভগবানের কৃপা ভিন্ন মায়াত্যাগ হয় না
প্রত্যেক জীবই পূর্বজন্ম-সংস্কারজাত স্বভাবানুসারে স্বীয় স্বীয় কর্মে আবদ্ধ আছে, তাহাকে অবশভাবেই সেই কর্ম করিতে হয়। সাংখ্যশাস্ত্রের পরিভাষায় বলা হয় প্রকৃতিই সেই কর্ম করান। বেদান্ত ও ভক্তি-শাস্ত্রে বলা হয় অন্তর্যামী বা ঈশ্বরই মায়ার দ্বারা সেই কর্ম করান।
শ্রীভগবান্ বলিতেছেন- তুমি ইচ্ছা না করিলেও প্রকৃতি তোমাকে স্বাভাবিক কর্মে প্রবর্তিত করিবে, তোমাকে অবশভাবেই সে কর্ম করিতে হইবে। অন্যত্রও আছে,-‘প্রকৃতিং যান্তি ভূতানি নিগ্রহঃ কিং করিষ্যতি’ (৩/৩৩ শ্লোক)। প্রকৃতির প্রেরণায় কর্ম, কর্মফলে সদসৎ যোনিতে জন্ম, জন্মিয়া আবার কর্ম, কর্মফলে আবার জন্ম।
সুতরাং দেখা যায়, জীবকে অবিরত জন্ম-কর্মের ভবচক্রেই ঘুরিতে হয়। এই প্রকৃতি-পারতন্ত্র্য বা কর্মবিপাক হইতে মুক্তিলাভের উপায় কি? জ্ঞানলাভার্থ, মোক্ষার্থ জীবের কি কোন স্বাতন্ত্র্য নাই। অধ্যাত্মশাস্ত্র বলেন, আছে। পরমাত্মা শুদ্ধবুদ্ধমুক্তস্বভাব এবং তিনিই বা তাঁহারই সনাতন অংশ জীবাত্মরূপে দেহে আছেন; তিনি কখনও প্রকৃতির পরতন্ত্র হইতে পারেন না। দেহেন্দ্রিয়াদির বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ায় তাঁহাকে বদ্ধ ও পরাধীনের ন্যায় বোধ হয়; তিনি মায়াধীন হন। কিন্তু তাহা হইলেও স্বতঃই তাঁহার মুক্ত হইবার প্রেরণা আসে। গুরূপদেশ, সাধুসঙ্গ প্রভৃতি অনুকূল অবস্থায় সেই প্রেরণা মন এবং বুদ্ধির উপর কার্য করে, তাহাতেই মনুষ্যের মনে আত্মোন্নতি বা মোক্ষানুকূল কর্ম করিবার প্রবৃত্তি জন্মে। কথাটা অন্যভাবেও বুঝান যায়। আমাদের মধ্যে দুইটি ‘আমি’ আছে। একটি- কাঁচা আমি, বদ্ধ আমি, অহঙ্কারী আমি, প্রকৃতির দাস আমি (Lower-self, ego-sense); আর একটি-পাকা ‘আমি’, শুদ্ধ, বুদ্ধ স্বতন্ত্র ‘আমি’ (Higher self, soul)। এই পাকা ‘আমি’ দ্বারা কাঁচা ‘আমি’ উদ্ধার করিতে হইবে, (গীতা-৬/৫-৬ শ্লোকে) ‘উদ্ধরেদাত্মনাত্মানম্’ ইত্যাদি কথার মর্ম ইহাই। এই গেল জ্ঞানমার্গের কথা। কিন্তু ভক্তিমার্গে বলা হয় যে, শ্রীভগবান্ই অন্তর্যামিরূপে হৃদয়ে অধিষ্ঠিত থাকিয়া জীবকে যন্ত্রারূঢ় পুত্তলিকার ন্যায় মায়া দ্বারা চালাইতেছেন, সুতারাং সর্বতোভাবে তাঁহার শরণ লইলেই তাঁহার প্রসাদে মুক্তিলাভ হয় (গীতা-৮/২২, ১০/১০, ১৮/৬১-৬২ শ্লোকে)। ইহাই কৃপাবাদ। মনে রাখা প্রয়োজন, কৃপাবাদ অর্খ নিশ্চেষ্টতা নয়, আত্মচেষ্টা ব্যতীত ভগবৎকৃপা হয় না, “ন ঋতে শ্রান্তস্য সখ্যায় দেবাঃ” (ঋক্ ৪/৩৩/২১ শ্লোকে)-নিজে শ্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেবতারাও সাহায্য করেন না।
পাশ্চাত্য দার্শনিকগণ ইচ্ছা-স্বাতন্ত্র্য (Freedom of the Will) সম্বন্ধে অনেক গবেষণা করিয়াছেন, কিন্তু কোন স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হইতে পারিয়াছেন বলিয়া বোধ হয় না। আর্য ঋষিগণ সাংখ্য-বেদান্তাদি শাস্ত্রে মনস্তত্ত্ব ও আত্মতত্ত্বের যে সূক্ষ্মানুসূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করিয়াছেন তাহা পর্যালোচনা করিলে দেখা যায় যে, ‘ইচ্ছা-স্বাতন্ত্র্য’ শব্দটিই একরূপ অর্থহীন। কারণ, ইচ্ছা মনের ধর্ম; মন বুদ্ধির দ্বারা চালিত হয়, মনবুদ্ধি প্রকৃতিরই পরিণাম এবং প্রকৃতির গুণানুসারেই বিভিন্ন হয়, সুতরাং ইচ্ছাও সর্বদাই প্রকৃতির অধীন- উহার স্বাতন্ত্র্য নাই। উহার স্বাতন্ত্র্য তখনই হয়, যখন জীব ‘ত্রিগুণাতীত বা নিত্যসত্ত্বস্থ’ হয়, অর্থাৎ জীবের স্বাতন্ত্র্য-ইচ্ছা থাকে না, যখন জীবের ইচ্ছা এবং ঈশ্বরেচ্ছা এক হইয়া যায়-প্রকৃতপক্ষে উহা ‘আত্ম-স্বাতন্ত্র্য’, ‘ইচ্ছা-স্বাতন্ত্র্য’ নহে। এই হেতুই গীতায় ‘মিশ্র-সাত্ত্বিক’ বুদ্ধিকেও বন্ধনের কারণই বলা হইয়াছে।
“জয় রাধেশ্যাম"
❋
,(😑),
'\'''''.\'='-.
\/..\\,' ❤
//"")
(\ /
\ |,
,,
"
================================
- - - - - - - - - - - 🙏🏻"জয় শ্রীকৃষ্ণ"🙏🏻- - - - - - - - - -
- - - - - - - - -📗"জয় শ্রী গীতা"📗- - - - - - - - - -
- - - - - - -🙏🏻"জয় শ্রী গুরুদেব"🙏🏻- - - - - - - - -
- - - - ✊🏻"জয় সত্য সনাতন"✊🏻- - - - - - - - -
============================
জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুনিত্যানন্দ শ্রীঅদ্বৈত
গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ।।
============================
"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে
"হরে"রাম"হরে"রাম"রাম"রাম"হরে"হরে"
============================
"হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করুন সুখী হোন"!!
============================
🙌 ভগবান সবার উপর শান্তি বর্ষিত করুক!!
🌿🌷"সবাই কৃষ্ণভক্তি প্রাপ্য হোক"🌷🌿
☆{{《"জয় শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ"》}}☆
=============================
🌿🌿🌷🌷🌷🌿🌿🌿🌺🌺🌺🌿🌿 — feeling happy.
10/06/2020
প্রতি সেকেন্ডেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যাচ্ছে কোনো না কোনো মানুষ... আমরা প্রত্যকেই মৃত্যুর লাইনে দাড়িয়ে নিজের সিরিয়ালের জন্য অপেক্ষা করছি।
আমাদের সামনের লাইন কতোটা লম্বা ??? সামনের সারিতে কতজন অপেক্ষামাণ, সেটাও আমাদের জানা নেই, তবুও অহংকারে আমাদের পা মাটিতে পরতে চায় না।
তাই অহংকার পরিত্রাণ করুন...
কৃষ্ণ নামে জীবন গড়ুন...
স্বয়ং বিচার করুন
10/03/2020
Video link
সবার প্রিয় দল শ্যামা পূঁজা সম্প্রদায়। মন ভূলানু এক র্কীত্তন যা মনকে সস্তি দেয়// আপনাদের কাছে আমার বিণীত নিবেদন রইল আমার চ্যালেনটি // সাবসক্রাই || লাইক || শ্যায়ার || কমেন্ট || করোন // --------------------------------------------------...
09/30/2020
হরে কৃষ্ণ
09/30/2020
সকলেই একবার দেখুন না দেখলে বুঝতে পারবেন না .....
সবার প্রিয় দল শ্যামা পূঁজা সম্প্রদায়। মন ভূলানু এক র্কীত্তন যা মনকে সস্তি দেয়// আপনাদের কাছে আমার বিণীত নিবেদন রইল আমার চ্যালেনটি // সাবসক্রাই || লাইক || শ্যায়ার || কমেন্ট || করোন // --------------------------------------------------...
09/25/2020
Nitai Gura Hari
09/25/2020
08/04/2020
Hara Hara Mahadev