➤তোর এই মোটা, কালো কুৎসিত চেহারাটাও একদিন সবার মনে ভাসবে।
➤তোর ঐ ব্রণে ভরা মুখের প্রোফাইল পিকেও হাজার হাজার লাইক, কমেন্ট পড়বে।
ফলোয়ারে ভরে যাবে তোর আইডি।
➤একসময় বিরক্ত হয়ে যাবি সুন্দর কমেন্টের রিপ্লাই দিতে দিতে।
➤ যে মেসেন্জারে তুই নির্দিষ্ট কারো মেসেজ খুঁজতি আর কোনো মেসেজ না পেয়ে ডিপ্রেশনে চলে যেতি , নিজের চেহারা নিয়ে দুঃখ করতি, সেই মেসেন্জারেই হাজার হাজার মেসেজ রিকোয়েস্ট আসবে।সেদিন তুই এসেপ্ট করার সময়টুকু পাবিনা।
➤যে মেয়ের পিছনে ঘুরে ঘুরে তুই ক্লান্ত ,একদিন সেই মেয়েই আপসোস করবে।
➤যারা তোকে খ্যাত বলে উপহাস করতো তারাই তোর সাথে দেখা করতে appointment letter নিয়ে ঘুরবে।
☞এই সবই সম্ভব হবে। শুধু একটু উঠে দাঁড়া। তোর যা আছে তাই নিয়ে শুরু কর???
★ছবি আঁকতে ভালোবাসিস?
➤ বসে পড় পেনসিল আর পেপার নিয়ে আর এঁকে ফেল তোর ভাগ্য।
★গান ভালোবাসিস?
➤তুলে নে হাতে গিটারটা,তোল সফলতার সুর।
★ অভিনয় করতে ভালোবাসিস??
➤তবে ছুটতে থাক ডিরেক্টরদের দরজায়।একদিন, দুইদিন, তিনদিন করে একদিন না একদিন সুযোগ পেয়েই যাবি।
★লিখতে ভালোবাসিস?
➤ তো তুলে নে কাগজ কলম। লিখে ফেল তোর নিজের ইতিহাস।
☞তোর তো আবার হাজার বাহানা।
পরিবার থেকে বাধা দেয়, সমাজ বাধা দেয়। এসব বাহানা রাখ এবার।যেদিন তোকে কালো বলে সবাই উপহাস করতো, খাটো বলে ক্ষ্যাপাতো,চিকন বলে গাঁজাখোর বলতো, তোর gf/bf এর বিয়ে হয়ে গেলো আর তুই ধীরে ধীরে নিজেকে শেষ করে দিচ্ছিলি, না খেয়ে থাকতি দিনের পর দিন, চেহারার কারণে পছন্দের ছেলে/মেয়েকে প্রপোজ করতে পারছিলি না, এইসব কষ্টের কথা তোর পরিবার তোর সমাজ জানতে চেয়েছে কখনো?
কাধে হাত রেখে কেউ ভরসা দিয়েছে?না দেই নি।
➤কে কি ভাবলো সেটা যদি তুই নিজেই ভাবিস তাহলে বাকিরা কি ভাববে?
☞বাদ দে পেছনের লোকের কথা। তুই ভালো/খারাপ যেটাই করিস সমালোচনা উঠবেই। কে কি বললো তা ভেবে নিজের স্বপ্নকে বিসর্জন দিস না।জানিস? তোর নীতি, তোর স্বপ্ন-ই তোর অস্তিত্ব। নিজের অস্তিত্ব নিজে মুছিস না ।
আর কত দিন এভাবেই কাটাবি। এবার তো একটা কিছু করে দেখা?
😞 হাপিয়ে যাচ্ছিস? তাহলে শোন,
⏩বিখ্যাত পালোয়ান মোহাম্মদ আলী কে যখন প্রশ্ন করা হলো আপনি কতগুলো বুক ডাউন দিতে পারেন?
তখন, মোহাম্মদ আলী কি বলেছিলেন জানিস?
🔵যখন আমি বুক ডাউন দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে যাই তখন থেকে গোনা শুরু করি!
⏩হযরত আলী রাঃ কি বলেছিলেন জানিস?
🔵তিনি বলেছিলেন, জীবনটা হওয়া উচিত কর্মময়। আরাম করার জন্য তো কবরের জীবন পড়ে রয়েছেই।
এর পর ও কি শুধু শুধু সময় নষ্ট করবি?!
⏩এক মহান মনীষী বলেছিলেন,
পৃথিবীটা যদি হয় মরুভূমি তবে মানবজীবন তার একটি বালুকণা।আর এই বালুকণার সমান জীবন নিয়ে যদি মরুভূমিতে একটা দাগ কেটে না যেতে পারিস তবে তোর জীবনটাই বৃথা।
⏩স্বপ্ন দেখ, আবারো বলছি স্বপ্ন দেখ। রোজ ভাত খেতে খেতে অতিষ্ঠ হয়ে গেলে সপ্তাহে একদিন হলেও তো ভালোমন্দ খাস। তবে এই এ্যাভারেজ লাইফ নিয়েও এবার নাহয় একটু অতিষ্ঠ হ, ক্লান্ত হ। একটু অসাধারণ কিছু করে দেখা।
Md Anamul Haque Bijoy
#মেহু
DUET Admission Help Line
আমাদের গ্রুপে যুক্ত হয়ে সাথে থাকুন
https://www.facebook.com/groups/716832742348747/?ref=share
স্বপ্ন যখন ডুয়েট: লক্ষ্য এবার লাল ইটের ক্যাম্পাস!
ডিপ্লোমা লাইফের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং টার্নিং পয়েন্টে আছো তোমরা—সপ্তম পর্ব! আর কিছুদিন পরেই ফাইনাল পরীক্ষা, এরপরই আসবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, যার জন্য অনেকেই চার বছর ধরে অপেক্ষা করে আছো। হ্যাঁ, বলছি বাংলাদেশের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের স্বপ্নের স্বর্গরাজ্য DUET (ডুয়েট)-এর কথা।
ডিপ্লোমা লাইফে চেনা-অচেনা মানুষের দেওয়া সব অবহেলা আর বাঁকা কথার জবাব দেওয়ার একটাই রাজকীয় জায়গা; গাজীপুরের ওই লাল ইটের ক্যাম্পাস।
তুমি যখন এখন পড়ার টেবিল ফাঁকি দিয়ে ফোন স্ক্রল করছ, তোমারই কোনো বন্ধু কিন্তু ডুয়েটের একটা সিট নিজের নামে করার জন্য দিন-রাত এক করে বেসিক ক্লিয়ার করছে। আসন সংখ্যা সীমিত, তাই নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে আর একটা দিনও হেলাফেলা করো না।
"রক্তে যখন ডুয়েটের লাল ইটের নেশা ঢুকে যায়, তখন ঘুম কিংবা অলসতা—কোনো কিছুই আর বাধা হতে পারে না।"
সপ্তম পর্বের পরীক্ষাটা বুক দিয়ে দাও, বেসিক স্ট্রং করো। ডিপ্লোমার এই শেষ যুদ্ধ শেষ হতেই তোমাদের স্বাগত জানাতে আমরা প্রস্তুত। দেখা হবে ডুয়েট ক্যাম্পাসে!
✒️ Md Anamul Haque Bijoy
এস্টিমেটর, বিটাক (BITAC)
#মেহু
15/06/2026
২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর বাজেট:
15/06/2026
একটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় : এককভাবেই পাচ্ছে ২৮০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
একটি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট: সাধারণত বছরে মাত্র ১৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা (প্রতিষ্ঠানের আকার ভেদে) পরিচালন বাজেট পেয়ে থাকে।
কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ব্যবধান রয়েছে, তা পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের অধিকারের দিকে তাকালেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যেখানে দেশের শীর্ষ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এককভাবে বাজেট পাচ্ছে **২৮০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা**, সেখানে মাঠপর্যায়ের একেকটি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের গড় বার্ষিক বাজেট মাত্র **১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা**। ★ কিন্তু আমি বাজেটের তুলনা করবো না। এটাই স্বাভাবিক।
এই সীমিত বাজেটের কারণে ল্যাবের অভাব ও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে ৪ বছর কঠোর প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষা শেষ করে যখন একজন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী বের হন, তখন তাঁর একমাত্র সুনির্দিষ্ট কর্মক্ষেত্র হলো সরকারি চাকুরির **১০ম গ্রেড (উপ-সহকারী প্রকৌশলী)**।
বাংলাদেশ সরকারের গেজেট ও প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এই পদটি সম্পূর্ণভাবে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য নির্ধারিত। অথচ বর্তমানে এই সরকারি গেজেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এক গভীর সংকট তৈরি করা হয়েছে:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের **'উপ-সহকারী প্রকৌশলী' (বা সমমানের পদ) নিয়োগ বিধিমালা ও প্রজ্ঞাপন (আইন/গেজেট)** অনুযায়ী, ১০ম গ্রেডের এই পদগুলোতে আবেদনের মূল এবং একমাত্র শিক্ষাগত যোগ্যতা হলো—*বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) অনুমোদিত যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৪ বছর মেয়াদি 'ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং' ডিগ্রি*।
কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, এই পদের জন্য কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেই, বিএসসি ডিগ্রিধারীদের একটি অংশ মহামান্য উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করছেন। তাদের দাবি—স্নাতক (বিএসসি) প্রকৌশলী হওয়া সত্ত্বেও তাদের এই ১০ম গ্রেডের পদে আবেদনের সুযোগ দিতে হবে। সরকারি গেজেটে পদের যোগ্যতা সুনির্দিষ্ট থাকার পরও, এই আইনি মারপ্যাঁচে ফেলে এবং রিটের গ্যাঁড়াকলে আটকে বছরের পর বছর রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের (যেমন- পিডিবি, ডেসকো, ওয়াসা, এলজিইডি) নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হচ্ছে। এর প্রত্যক্ষ শিকার হচ্ছেন সাধারণ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা, যাদের সরকারি চাকরির বয়স এই কৃত্রিম জটলার কারণে শেষ হয়ে যাচ্ছে।
একদিকে যেমন আইনি প্রক্রিয়ায় নিয়োগ আটকে রেখে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পেটে লাথি মারা হচ্ছে, অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিয়মিতভাবে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও মেধা নিয়ে উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান করা হচ্ছে। ৪ বছরের একটি নিবিড় কারিগরি পাঠ্যক্রম সম্পন্নকারীদের ‘টেকনিশিয়ান’ বা নানাবিধ কটু নামে পেশাগতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চলছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
* গেজেটের কঠোর বাস্তবায়ন:* সরকারি প্রজ্ঞাপন ও গেজেটের নির্দেশনা অনুযায়ী ১০ম গ্রেডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদটি শতভাগ পলিটেকনিক/ডিপ্লোমা গ্র্যাজুয়েটদের জন্য আইনগতভাবে সংরক্ষিত ও লক করে দিতে হবে, যেন অন্য কোনো স্তরের গ্র্যাজুয়েটদের এখানে রিট করার বা হস্তক্ষেপ করার কোনো আইনি ফাঁকফোকর না থাকে।
* কাজের পরিধি সুনির্দিষ্টকরণ:* আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এবং বৈশ্বিক প্রকৌশল মানদণ্ড অনুযায়ী, বিএসসি প্রকৌশলীদের মূল কাজ হলো ডিজাইন, প্ল্যানিং ও ম্যানেজমেন্ট (৯ম গ্রেড); অন্যদিকে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের কাজ হলো মাঠপর্যায়ের এক্সিকিউশন ও সুপারভিশন (১০ম গ্রেড)। দুটি স্তরের কাজের পরিধি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
একটি পলিটেকনিক যেখানে মাত্র ১৫-২০ কোটি টাকার বাজেটে খুঁড়িয়ে চলে, সেখানকার শিক্ষার্থীদের একমাত্র আশার আলো তাদের ১০ম গ্রেডের চাকরি। কারিগরি শিক্ষার প্রকৃত লক্ষ্য অর্জন এবং দেশের শিল্প খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই অসম আইনি প্রতিযোগিতা ও পেশাগত বৈষম্যের স্থায়ী অবসান জরুরি।
#মেহু
✒️ Md Anamul Haque Bijoy
12/06/2026
🚨 অবহেলা আর কতদিন? জেগে ওঠো, ডুয়েটিয়ান!
পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ চলে এসেছে—২রা আগস্ট, ২০২৬। ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে দেখো, হাতে সময় আছে মাত্র ৫১ দিন!
আজকের পর থেকে দিন নয়, হিসাব হবে প্রতিটা মুহূর্তের। একটু চোখ বন্ধ করে ভেবে দেখো:
⏱️ মাত্র ১,২২৪ ঘণ্টা
⏱️ মাত্র ৭৩,৪৪০ মিনিট
⏱️ মাত্র ৪৪,০৬,৪০০ সেকেন্ড বাকি!
অথচ তোমাদের অনেকের মধ্যেই এখনো সেই চিল মোড, সেই গা-ছাড়া ভাব! মনে রেখো, ডুয়েটের ওই লাল ইটের ক্যাম্পাস কিন্তু এমনি এমনি ধরা দেবে না। তুমি যখন ঘুমাচ্ছ বা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করে সময় নষ্ট করছ, তোমার পাশের সিটের প্রতিযোগী কিন্তু তখন টেবিল কামড়ে পড়ে আছে।
বাকি দিনগুলোতে নিজেকে একদম আড়ালে নিয়ে যাও। কোনো অজুহাত নয়, কোনো ফাঁকিবাজি নয়। দিন-রাত এক করে দাও।
মনে রেখো:
"আজকের এই কঠোর পরিশ্রমই কাল তোমাকে ক্যাম্পাসে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শেখাবে।"
শেষ মুহূর্তের এই লড়াইয়ে যে নিজের সবটুকু দিয়ে টিকে থাকবে, বিজয় তারই হবে। দেখা হবে ডুয়েট ক্যাম্পাসে! 💪
ধন্যবাদান্তে,
Md Anamul Haque Bijoy
এস্টিমেটর, বিটাক (BITAC)
#ডুয়েট_ভর্তি_২০২৬ #মেহু
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Banani Model Town