Accounting Online Class

Accounting Online Class

Share

online class for accounting students

15/06/2026

কাবার এই দরজার দিকে তাকালে মনে হয়—

দুনিয়ার সব চাওয়া-পাওয়া, সব কষ্ট আর সব স্বপ্নের শেষ ঠিকানা একটাই; আল্লাহর দরবার।

যেখানে চোখের জলও দোয়া হয়ে যায়, আর ভাঙা হৃদয়ও খুঁজে পায় প্রশান্তি।

হে আল্লাহ, আমাদের হৃদয়কে সবসময় আপনার ঘরের দিকে ফিরিয়ে রাখুন।

Photos from Accounting Online Class's post 15/06/2026

কাবার এই দরজার দিকে তাকালে মনে হয়—

দুনিয়ার সব চাওয়া-পাওয়া, সব কষ্ট আর সব স্বপ্নের শেষ ঠিকানা একটাই; আল্লাহর দরবার।

যেখানে চোখের জলও দোয়া হয়ে যায়, আর ভাঙা হৃদয়ও খুঁজে পায় প্রশান্তি।

হে আল্লাহ, আমাদের হৃদয়কে সবসময় আপনার ঘরের দিকে ফিরিয়ে রাখুন।

Photos from Accounting Online Class's post 14/06/2026
12/06/2026

ইয়া আল্লাহ
তোমাকে না দেখে যেমন বিশ্বাস করেছি, কিয়ামতের দিন তুমিও আমার আমলনামা না দেখে ক্ষমা করে দিও.
আমিন..

10/06/2026

স্মৃতির পাতায় পবিত্র কাবার মনমুগ্ধকর এশার আযান

07/06/2026

পৃথিবীর সর্বপ্রথম মসজিদ মসজিদ কোবা

Photos from Accounting Online Class's post 06/06/2026

এটি হলো রওজা মুবারক (Sacred Chamber)–এর সামনের অংশ।
এই সোনালি জালির ওপাশেই সেই পবিত্র কক্ষ
যেখানে ইন্তেকাল করেছিলেন এবং সমাহিত আছেন প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ।

এখানেই আছেন ইসলামের প্রথম দুই খলিফা, তাঁর দুই প্রিয় সঙ্গী
হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) এবং হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)।

অনেকেই সালাম দেওয়ার সময় উপরের ছোট ছোট খোলা অংশগুলোর দিকে তাকান।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো
বাম পাশের বড় খোলা অংশটি রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর মুবারক চেহারার দিক বরাবর,
মাঝেরটি আবু বকর (রাঃ)–এর দিকে,
আর ডান পাশেরটি উমর (রাঃ)–এর দিক বরাবর অবস্থান করে বলে বর্ণনা করা হয়।

কিন্তু এই স্থানটি শুরু থেকেই এমন ছিল না।

এটি ছিল উম্মুল মুমিনীন আয়িশা (রাঃ)-এর ছোট্ট ঘর
যেখানে রাসূলুল্লাহ ﷺ জীবনের শেষ সময়ে অবস্থান করেছিলেন।

তখন মসজিদে নববীর পাশের ঘরগুলো ছিল খুবই সাধারণ।
মাটির কাঁচা ইটের দেয়াল, খেজুর পাতার ছাউনি, ছোট একটি কক্ষ আর সামান্য খোলা জায়গা

এভাবেই ছিল নবী ﷺ–এর ঘরগুলো।

আয়িশা (রাঃ)-এর কক্ষের এক পাশে ছিল সাওদা (রাঃ)–এর ঘর,
অন্য পাশে হাফসা (রাঃ)–এর ঘর যিনি ছিলেন উমর (রাঃ)-এর কন্যা।

বর্ণনায় পাওয়া যায়, ঘরগুলোর মাঝখানের রাস্তা এতটাই সরু ছিল
একজন মানুষ কষ্টে হেঁটে যেতে পারতেন।
এমনকি আয়িশা (রাঃ) ও হাফসা (রাঃ) নিজ নিজ ঘরে বসেই পরস্পরের সঙ্গে কথা বলতেন।

আরও একটি সুন্দর তথ্য হলো
বর্তমানে যেখানে দাঁড়িয়ে মানুষ রাসূল ﷺ–এর প্রতি সালাম পেশ করেন,
সেই অংশের একটি জায়গা একসময় হাফসা (রাঃ)-এর ঘরের অংশ ছিল।

১১ হিজরির মুহাররমে রাসূলুল্লাহ ﷺ অসুস্থ হয়ে পড়েন।
দিন দিন জ্বর বাড়তে থাকে।
তিনি তাঁর স্ত্রীদের কাছে অনুমতি চান
শেষ সময়টুকু যেন আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরে থাকতে পারেন। সবাই এতে সম্মতি দেন।

১২ রবিউল আউয়াল, সোমবার,
মাথায় কাপড় বাঁধা অবস্থায় তিনি একবার বেরিয়ে আসেন।
তখন আবু বকর (রাঃ) সালাত পরিচালনা করছিলেন।
তিনি পেছনে সরে যেতে চাইলে রাসূল ﷺ ইশারায় তাঁকে সালাত সম্পন্ন করতে বলেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর শেষ উপদেশগুলোর মধ্যে ছিল
সালাতের গুরুত্ব,
এবং অধীনস্থদের প্রতি ন্যায় ও সদয় আচরণ।

তিনি উম্মাহর জন্য রেখে যান এক গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা

“আমি তোমাদের মাঝে দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি। যতদিন তোমরা এগুলো দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরবে, কখনো পথভ্রষ্ট হবে না আল্লাহর কিতাব (কুরআন) এবং আমার সুন্নাহ।”

অবশেষে ১১ হিজরি, ১২ রবিউল আউয়াল,
সোমবার বিকেলে এই ছোট্ট ঘরেই ইন্তেকাল করেন প্রিয় নবী ﷺ।

সাহাবারা আলোচনা করছিলেন
কোথায় দাফন করা হবে তাঁকে?

কেউ বললেন মিম্বরের পাশে,
কেউ বললেন জান্নাতুল বাকি।

তখন আবু বকর (রাঃ) বললেন
তিনি রাসূল ﷺ–কে বলতে শুনেছেন:

“আল্লাহর নবীদের যেখানে ইন্তেকাল হয়, সেখানেই তাদের দাফন করা হয়।”

তাই আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরের ভেতরেই, বিছানার নিচের অংশে কবর খোঁড়া হয় এবং সেখানেই দাফন করা হয় রাসূলুল্লাহ ﷺ।

পরে আবু বকর (রাঃ) তাঁর কন্যা আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে ইচ্ছা প্রকাশ করেন
তাঁকেও যেন রাসূল ﷺ–এর পাশে দাফন করা হয়।
১৩ হিজরিতে ইন্তেকালের পর তাঁকে সেখানেই সমাহিত করা হয়।
অদ্ভুত মিল তিনি রাসূল ﷺ–এর মতোই ৬৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেছিলেন।

এরপর আসে উমর (রাঃ)-এর ঘটনা।

শাহাদাতের আগে তিনি তাঁর ছেলে আব্দুল্লাহকে পাঠান আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে
একটি অনুরোধ নিয়ে:

“আমাকে কি আমার দুই সঙ্গীর পাশে দাফনের অনুমতি দেওয়া হবে?”

আয়িশা (রাঃ) বলেছিলেন
তিনি জায়গাটি নিজের জন্য রাখতে চেয়েছিলেন,
কিন্তু উমর (রাঃ)-কে নিজের ওপর অগ্রাধিকার দিলেন।

২৪ হিজরিতে শাহাদাতের পর
উমর (রাঃ)-কেও এখানেই সমাহিত করা হয়।
এরপর আয়িশা (রাঃ) ঘরের বাকি অংশ ও কবরগুলোর মাঝখানে পর্দা টেনে দেন
কারণ উমর (রাঃ) তাঁর মাহরাম ছিলেন না।

পরে ৯১ হিজরিতে উমর ইবন আব্দুল আজিজ (রহ.)
এই পবিত্র কক্ষের চারপাশে পাঁচ কোণবিশিষ্ট দেয়াল নির্মাণ করেন
যাতে কেউ সরাসরি ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে।

ইতিহাসে কয়েকবার নিচ দিয়ে সুড়ঙ্গ করে কবর মুবারকে পৌঁছানোর অপচেষ্টা ধরা পড়লে,
সুলতান নূরুদ্দীন জাঙ্গী (রহ.) কক্ষটির চারপাশে গভীর খাত তৈরি করান এবং তাতে গলিত সীসা ঢেলে আরও সুরক্ষিত করেন।

আরও একটি বর্ণনায় পাওয়া যায়
এই পবিত্র কক্ষে চতুর্থ একটি স্থানের জায়গা রয়েছে,
যেখানে ভবিষ্যতে ঈসা (আঃ)–কে দাফন করা হবে।

আজ লাখো মানুষ সেই সোনালি জালির সামনে দাঁড়িয়ে সালাম দেয়।
কেউ কাঁদে…
কেউ চুপ হয়ে যায়…
কেউ শুধু তাকিয়ে থাকে।

এটাই সেই ছোট্ট ঘর
যেখানে নাযিল হয়েছে ওহি,
যেখানে কেটেছে নবুওয়তের শেষ দিনগুলো,
যেখানে উম্মতের জন্য হয়েছে শেষ উপদেশ,
আর যেখানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ।

04/06/2026

🕋 হজ্জের ফজিলত ও কবুল হজ্জের প্রতিদান

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হজ্জ করল এবং এই হজ্জের সময় কোনো অশ্লীল কথাবার্তা বলল না এবং কোনো গুনাহের কাজ করল না, সে হজ্জ থেকে এমনভাবে ফিরে আসবে যেন তার মা তাকে এইমাত্র জন্ম দিলেন। অর্থাৎ, সে সকল পাপ থেকে এমনভাবে পবিত্র হয়ে যাবে যেমন একটি নিষ্পাপ নবজাতক শিশু হয়। অপর একটি বর্ণনায় এসেছে, আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ কে জিজ্ঞেস করা হলো, সর্বশ্রেষ্ঠ আমল কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনা। জিজ্ঞেস করা হলো, এরপর কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। পুনরায় জিজ্ঞেস করা হলো, এরপর কোনটি? তিনি বললেন, মাবরুর বা কবুল হওয়া হজ্জ। মাবরুর হজ্জ বলতে এমন হজ্জকে বোঝায়, যাতে কোনো পাপাচরণ করা হয়নি এবং যার বদৌলতে মহান আল্লাহ তাআলা বান্দার পূর্বের সকল গুনাহ মাফ করে দেন। এই হজ্জের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়। হজ্জের প্রতিটি পদক্ষেপ, আরাফাতের ময়দানে অবস্থান, মুজদালিফায় রাতযাপন এবং মিনাতে শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের প্রতিটি আমল একজন মুমিনের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে এবং আল্লাহর দরবারে তার মর্যাদা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

সহীহ বুখারী ১৫২১, ১৫১৯ এবং সহীহ মুসলিম ১৩৫০।

✧ কবুল হজ্জ বা হজ্জে মাবরুর পালনকারী ব্যক্তি সকল পাপ থেকে মুক্ত হয়ে নবজাতকের ন্যায় নিষ্পাপ হয়ে যায়। ✧ হজ্জ ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল যা জান্নাতের পথ সুগম করে এবং আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভের এক অনন্য সুযোগ তৈরি করে দেয়। ✧ খাঁটি নিয়ত এবং পাপমুক্ত থেকে হজ্জ সম্পাদন করাই একজন মুমিনের জীবনের চূড়ান্ত সফলতা ও সৌভাগ্যের প্রতীক।

04/06/2026

Alhamdulillah

Want your school to be the top-listed School/college in Chandpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Chandpur
3600