12/06/2026
কবিরহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত "Startup, Science Project and Innovation Idea Showcasing Program"-এ বানদত্ত উচ্চ বিদ্যালয় ২য় স্থান অর্জন করার গৌরব লাভ করেছে।
এই অভাবনীয় সাফল্যের জন্য এই বিদ্যালয়ের কার্যক্রমের সাথে সংযুক্ত শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।
30/05/2026
শেষ বাঁশি বেজে গেল।
৬–১ গোলে দুর্দান্ত জয় পেল UNITY STRIKERS. আজকের অসাধারণ জয়ের জন্য UNITY STRIKERS কে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন!”
............. 🏆............for U.S.
♦এত সুন্দর একটা খেলা উপহার দেওয়ার জন্য
আলোময় তারুণ্য কে অসংখ্য ধন্যবাদ।
24/05/2026
বিদ্রোহের কবি, মানবতার কণ্ঠস্বর, প্রেম ও সাম্যের অমর বার্তাবাহক — কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের চেতনায় চিরজাগ্রত।
তাঁর সাহিত্য ও সংগীত নতুন প্রজন্মকে সাহস, মানবতা ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দিয়ে যাবে যুগের পর যুগ।
শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে।”
17/05/2026
বানদত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন এডহক কমিটি অনুমোদন।
15/05/2026
🇧🇩 বীরাঙ্গনা টেপরী রাণীকে গভীর শ্রদ্ধা 🇧🇩
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শুধু যুদ্ধের নয়, এটি ত্যাগ, নির্যাতন, বেদনা ও আত্মদানের ইতিহাস। সেই ইতিহাসের এক সাহসী নাম— টেপরী রাণী।
১৯৭১ সাল। টেপরী রাণীর বয়স তখন মাত্র ১৭ বছর। চারদিকে যুদ্ধ, আতঙ্ক আর মৃত্যুভয়। গ্রামের সাধারণ মানুষের মতো তাঁর পরিবারও প্রতিদিন ভয়ে দিন কাটাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় এক রাজাকার তাদের পরিবারকে বাঁচানোর শর্ত হিসেবে টেপরী রাণীকে পাকিস্তানি সেনা ক্যাম্পে দেওয়ার কথা বলে।
একজন অসহায় বাবা—একদিকে পুরো পরিবারের জীবন, অন্যদিকে নিজের কিশোরী মেয়ে। অবশেষে পরিবারকে রক্ষা করার আশায় মেয়েকে ক্যাম্পে পৌঁছে দিতে বাধ্য হন তিনি। পুরো পথজুড়ে বাবা-মেয়ের মধ্যে কোনো কথা হয়নি। কারণ দুজনেই জানতেন, সামনে কী ভয়ংকর পরিণতি অপেক্ষা করছে।
ক্যাম্পে নেওয়ার পর টেপরী রাণীকে দিনের পর দিন অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। দীর্ঘ ছয় মাস তিনি পাকিস্তানি সেনাদের হাতে পাশবিক অত্যাচার সহ্য করেন। প্রতিটি রাত ছিল তাঁর জন্য এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন। কিন্তু অসীম যন্ত্রণা সহ্য করেও তিনি বেঁচে ফিরে আসেন।
মুক্তিযুদ্ধ শেষে তিনি অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বাড়ি ফেরেন। কিন্তু তখনও তাঁর দুর্ভোগ শেষ হয়নি। সমাজ তাঁকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত ছিল না। চারপাশ থেকে চাপ দেওয়া হয় সন্তান নষ্ট করে ফেলার জন্য। সেই কঠিন সময়ে তাঁর পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ান তাঁর বাবা। তিনি মেয়েকে বলেন—
“না মা, সন্তানকে রাখ। এ-ই হবে তোর বেঁচে থাকার অবলম্বন।”
সেই সন্তানই পরে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে ওঠে। ছেলে সুধীর বর্মনকে নিয়েই কেটেছে তাঁর জীবনের বাকি সময়। যদিও সমাজের কটূক্তি তাঁদের পিছু ছাড়েনি। সুধীরকে বারবার অপমান করে “পাঞ্জাবির বাচ্চা” বলা হয়েছে। তবুও মাথা নত করেননি তাঁরা।
দীর্ঘ অবহেলার পর ২০১৭ সালে রাষ্ট্রীয়ভাবে বীরাঙ্গনা হিসেবে স্বীকৃতি পান টেপরী রাণী। জীবনের শেষ সময়ে তাঁর একটাই ইচ্ছা ছিল—মৃত্যুর পর যেন তাঁকে লাল-সবুজের পতাকায় মুড়িয়ে বিদায় জানানো হয়। জাতি তাঁর সেই ইচ্ছার সম্মান রেখেছে।
এই মহান নারী আমাদের মনে করিয়ে দেন—স্বাধীনতা শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে অস্ত্র হাতে অর্জিত হয়নি; অসংখ্য নারী তাঁদের জীবন, সম্মান ও স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে এই দেশকে স্বাধীন করেছেন।
🕯️ আসুন, আমরা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি এই সাহসী মাকে।
নতুন প্রজন্মকে জানাই মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস।
বীরাঙ্গনা টেপরী রাণী অমর হোক।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক। 🇧🇩
12/05/2026
দূর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬ এ তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বানদত্ত উচ্চ বিদ্যালয় টিম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ⚡।
বিতার্কিকদের উঞ্চ অভিনন্দন এবং তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের উত্তোরত্তর সফলতা কামনা করছি।