Hafez ismail hossen.Hih

Hafez ismail hossen.Hih

Share

এই পেইজটিতে নতুন নতুন ইসলামিক ভিডিও আ?

30/03/2026

মৃ*ত্যুর সময় কালিমা নসীব হওয়ার সহজ উপায়:
আল্লহু আকবার! আশ্চর্য একটা আমল শিখলাম!

হাকীমুল উম্মাত শাহ আশরাফ আলী থানভী রহিমাহুল্লাহকে জনৈক মুরীদ বলেন, “শায়খ খুব ভয় হয় মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হবে কি-না

তখন শায়খ আশরাফ আলী থানভী রহিমাহুল্লহ তাকে বলেন, “তোমাকে একটা খুব সহজ পদ্ধতি শিখিয়ে দিচ্ছি। এটা করলে ইনশাআল্লাহ মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হবে।

পদ্ধতিটা হল, কোনো এক সময় দুই রাকাত সালাতুল হাজত শেষে উত্তম রূপে কালিমা শাহাদাত পড়ে, মুনাজাতে আল্লাহ্ পাককে বলবে— হে আমার আল্লাহ! এ কালিমা আমি আপনার নিকট আমানত রাখলাম! মৃত্যুর সময় আপনি এ আমানত আমাকে ফিরিয়ে দিবেন।”

তারপর বলেন, ”জেনে রেখো, আল্লাহ পাক থেকে উত্তম আমানত রক্ষাকারী আর কেউ নাই, তিনি তোমাকে তোমার রাখা আমানত ঠিক সময়মতো ফিরিয়ে দিবেন।”

আমরাও সহজ আমলটি করে রবের নিকট “কালিমা” আমানত রাখতে পারি।

আল্লাহ্ তাওফিক দান করুন, আমিন।

29/03/2026

আপনি যদি ৫০০ বছরও বেচে থাকেন কিন্তু এই ৫ টি বিষয় না জানেন, তাহলে নাজাত পাবেন না! সেই পাঁচ টি বিষয় হলো:
১. আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা কে চেনা।
২.নবী মুহাম্মদ ﷺ চেনা।
৩. নিজেকে চেনা।
৪. আল্লাহর আদেশ-নিষেধ জানা এবং
৫. আল্লাহর শত্রু ও নফসের শত্রুকে চেনা।

29/03/2026

রিজিক বাড়ানোর ৫টা কুরআনি আমল

মাসের শেষের দিকে এসে হিসাব করছেন— কত খরচ হলো, কত বাকি আছে, পরের মাসে কীভাবে চলবে।

বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, বাসা ভাড়া, বাচ্চার স্কুল ফি, বাজার, ওষুধ, হঠাৎ কোনো জরুরি খরচ—

সব মিলিয়ে মনে হয়, চারদিক থেকে চাপ।

আর তখন হৃদয় থেকে একটা কথাই বের হয়—

রিজিক যদি একটু বাড়তো!

চাকরি থেকে বেতন ঠিকই আসে। ব্যবসাও চলছে। কিন্তু তবু যেন যথেষ্ট হয় না। টাকা আসে, আবার কোথায় যেন শেষ হয়ে যায়।

তখন অনেকেই শুধু দুশ্চিন্তা করেন। হিসাব করেন। মানুষের কাছে আফসোস করেন।

কিন্তু একজন মুমিনের হাতে আরেকটা পথও আছে—

আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়া

কারণ আল্লাহ তাআলা কুরআনে শুধু ইবাদতের কথা বলেননি, তিনি রিজিকের পথও দেখিয়েছেন।

আজকের পোস্টে জানবেন— রিজিক বাড়ানোর ৫টা কুরআনি আমল, যা নিয়মিত করলে ইনশাআল্লাহ জীবনে বরকত আসবে, সংকীর্ণতা কমবে, আর রিজিকের দরজা খুলে যাবে।

আমল ১: বেশি বেশি ইস্তিগফার করুন

আল্লাহ তাআলা সূরা নূহে বলেন, নূহ (আ.) তাঁর জাতিকে বলেছিলেন—

فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا ۝ يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا ۝ وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَارًا

উচ্চারণ:
ফাকুলতুস তাগফিরু রাব্বাকুম ইন্নাহু কানা গাফফারা। ইউরসিলিস সামাআ আলাইকুম মিদরারা। ওয়া ইউমদিদকুম বি আমওয়ালিও ওয়া বানিনা ওয়া ইয়াজআল লাকুম জান্নাতিও ওয়া ইয়াজআল লাকুম আনহারা।

অর্থ:
আমি বললাম, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও। নিশ্চয়ই তিনি অতি ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর আসমান থেকে প্রচুর বৃষ্টি পাঠাবেন। তোমাদের সম্পদ ও সন্তান দিয়ে সাহায্য করবেন। তোমাদের জন্য বাগান বানাবেন এবং নদী প্রবাহিত করবেন।

এই আয়াতগুলো খুব গভীর।

আল্লাহ এখানে ইস্তিগফারের সাথে কী কী জুড়ে দিলেন খেয়াল করুন— রহমত, বরকত, সম্পদ, সন্তান, রিজিকের উৎস।

অর্থাৎ ইস্তিগফার শুধু গুনাহ মাফের আমল না, এটা রিজিক বাড়ারও আমল।

নবীজি ﷺ-ও বলেছেন, যে ব্যক্তি ইস্তিগফারকে আঁকড়ে ধরে, আল্লাহ তার সংকট থেকে মুক্তির পথ বের করে দেন এবং তাকে এমন জায়গা থেকে রিজিক দেন, যা সে কল্পনাও করেনি।

তাই প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা অন্তত ১০০ বার বলুন—

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।

চাইলে পূর্ণ ইস্তিগফারও পড়তে পারেন।

ইস্তিগফারকে শুধু জিকির বানাবেন না— এটাকে হৃদয়ের কান্না বানান।

আমল ২: সূরা ওয়াকিয়াহ নিয়মিত পড়ুন

রিজিকের ব্যাপারে মুসলিম সমাজে সবচেয়ে বেশি পরিচিত সূরাগুলোর একটি হলো সূরা ওয়াকিয়াহ।

অনেক আলেম ও বুযুর্গ এই সূরা নিয়মিত পড়ার গুরুত্ব উল্লেখ করেছেন। মানুষ অভাব, সংকীর্ণতা ও দারিদ্র্য থেকে বাঁচার আশায় এই সূরা পড়ে থাকেন।

এই সূরায় কিয়ামতের বাস্তবতা, মানুষের শ্রেণিবিভাগ, জান্নাতের নিয়ামত, আর আল্লাহর অসীম কুদরতের কথা এসেছে।

অর্থাৎ, এই সূরা শুধু রিজিকের জন্য না, এটা মানুষের দৃষ্টি দুনিয়া থেকে আখিরাতের দিকেও ফেরায়।

আর এটাই বড় কথা— যে মানুষের আখিরাত ঠিক হয়, আল্লাহ তার দুনিয়াতেও বরকত দেন।

তাই চেষ্টা করুন প্রতিদিন রাতে ইশার পর বা ঘুমানোর আগে সূরা ওয়াকিয়াহ পড়তে। না পারলে নিয়মিত অন্তত কয়েকদিন পড়ুন। সম্ভব হলে অর্থ দেখে পড়ুন।

আমল তখনই প্রাণ পায়, যখন শুধু জিহ্বা না, হৃদয়ও তাতে শরিক হয়।

আমল ৩: সদকা করুন

আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَمَا أَنفَقْتُم مِّن شَيْءٍ فَهُوَ يُخْلِفُهُ ۖ وَهُوَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ

উচ্চারণ:
ওয়া মা আনফাকতুম মিন শাইয়িন ফাহুয়া ইউখলিফুহু, ওয়া হুয়া খাইরুর রাজিকীন।

অর্থ:
তোমরা যা কিছু খরচ করো, আল্লাহ তার বদলা দেন। আর তিনিই সর্বোত্তম রিজিকদাতা।

এই আয়াত মুমিনের কৃপণতাকে ভেঙে দেয়।

আমরা অনেক সময় ভাবি— “এখনই তো টানাটানি, এখন আবার কীভাবে দান করবো?”

কিন্তু আল্লাহ উল্টো শিক্ষা দিচ্ছেন—

তুমি দাও, আমি দেবো।

নবীজি ﷺ বলেছেন— সদকা সম্পদ কমায় না।

দেখতে হয়তো কমে যায়। কিন্তু বাস্তবে? বরকত বাড়ে। অপচয় কমে। অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকে সাহায্য আসে। মনের প্রশান্তি বাড়ে। আর আল্লাহর রহমত নেমে আসে।

তাই প্রতিদিন অল্প হলেও কিছু সদকা করুন। ১০ টাকা, ২০ টাকা, ৫০ টাকা— যত পারেন।

গরিবকে দিন, অসহায়কে দিন, মসজিদে দিন, যেখানে প্রয়োজন সেখানে দিন।

মনে রাখবেন— সদকা বড় অঙ্কের হওয়া জরুরি না, নিয়মিত হওয়া জরুরি।

আমল ৪: আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করুন

নবীজি ﷺ বলেছেন— যে ব্যক্তি চায় তার রিজিক বাড়ুক এবং আয়ুতে বরকত হোক, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।

সুবহানাল্লাহ।

আমরা রিজিক বাড়ানোর জন্য কত কিছু করি— অতিরিক্ত কাজ, নতুন পরিকল্পনা, নতুন ব্যবসা, নতুন যোগাযোগ।

কিন্তু অনেক সময় ভুলে যাই— একটা ফোন কলও রিজিকের দরজা খুলে দিতে পারে, যদি সেটা আত্মীয়তার সম্পর্ক জুড়ে দেয়।

সিলাতুর রাহিম মানে শুধু দেখা-সাক্ষাৎ না। এর মানে হলো— খোঁজ নেওয়া, ভালোবাসা রাখা, সম্পর্ক না ছেঁড়া, অসুস্থ হলে দেখতে যাওয়া, কষ্টে থাকলে পাশে দাঁড়ানো।

সবচেয়ে বড় কথা— যে আপনার সাথে সম্পর্ক রাখে না, তার সাথেও সম্পর্ক রাখার চেষ্টা করা।

এটা সহজ না। কিন্তু এখানেই তো আমলের সৌন্দর্য।

আজই একজন আত্মীয়কে ফোন দিন। কারো খবর নিন। কারো রাগ ভাঙান। কারো পাশে দাঁড়ান।

হয়তো আপনি শুধু সম্পর্ক জোড়া লাগাতে গেছেন, আর আল্লাহ সেখান থেকেই আপনার জন্য বরকত লিখে রেখেছেন।

আমল ৫: তাকওয়া অবলম্বন করুন

আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَمَن يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَل لَّهُ مَخْرَجًا ۝ وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ

উচ্চারণ:
ওয়া মাইয়াত্তাকিল্লাহা ইয়াজআল লাহু মাখরাজা। ওয়া ইয়ারজুকহু মিন হাইসু লা ইয়াহতাসিব।

অর্থ:
যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য সংকট থেকে বের হওয়ার পথ করে দেন এবং তাকে এমন জায়গা থেকে রিজিক দেন, যেখান থেকে সে ধারণাও করতে পারে না।

এই আয়াত রিজিকের দুনিয়ায় এক অসাধারণ ঘোষণা।

তাকওয়া মানে শুধু ভয় না। তাকওয়া মানে— আল্লাহকে সামনে রেখে জীবনযাপন করা।

হারাম থেকে বেঁচে থাকা, হালাল উপার্জন করা, সুদ ছেড়ে দেওয়া, ঘুষ না নেওয়া, প্রতারণা না করা, আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে নিজেকে বাঁচানো— এসবই তাকওয়ার অংশ।

অনেক মানুষ রিজিক বাড়াতে গিয়ে এমন রাস্তা নেয়, যেটা বাইরে থেকে লাভের মনে হয়, কিন্তু ভেতরে ভেতরে বরকত শেষ করে দেয়।

তাকওয়া সেই জায়গায় এসে মানুষকে থামায়। আর আল্লাহর ওয়াদা হলো— যে তাকওয়া অবলম্বন করবে, আমি তার জন্য এমন পথ খুলে দেব, যা সে ভাবতেও পারেনি।

এটাই তো আসল বরকত।

এই ৫টা আমল একসাথে করুন

শুধু একটা করে না, চেষ্টা করুন পাঁচটাকেই জীবনের অংশ বানাতে।

ফজরের পর ইস্তিগফার করুন। দিনের মধ্যে অল্প কিছু সদকা করুন। সময় বের করে একজন আত্মীয়ের খবর নিন। রাতে সূরা ওয়াকিয়াহ পড়ুন। আর সবসময় তাকওয়ার উপর থাকার চেষ্টা করুন।

দেখুন, এগুলো কঠিন কোনো আমল না। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে করলে জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।

৪০ দিনের চ্যালেঞ্জ নিন

আজ থেকেই ৪০ দিনের একটা নিয়ত করতে পারেন।

৪০ দিন নিয়মিত— ইস্তিগফার, সূরা ওয়াকিয়াহ, সদকা, আত্মীয়তার সম্পর্ক, তাকওয়া—

এই ৫টা আমল আঁকড়ে ধরুন।

ডায়েরিতে লিখে রাখুন। নিজেকে পর্যবেক্ষণ করুন। দেখুন আপনার মন বদলাচ্ছে কি না, চিন্তা বদলাচ্ছে কি না, রিজিকে বরকত আসছে কি না।

অনেক সময় রিজিক শুধু টাকার অঙ্কে বাড়ে না, বরং ব্যয়ের মধ্যে বরকত আসে, অপচয় কমে, সন্তুষ্টি বাড়ে, অপ্রত্যাশিত সহজতা আসে।

এটাও তো রিজিক।

হৃদয়ে রাখার মতো কথা

রিজিক শুধু চাকরি থেকে আসে না। শুধু ব্যবসা থেকেও আসে না। রিজিক আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে।

চাকরি, ব্যবসা, মানুষ, মাধ্যম— এসব কেবল দরজা।

কিন্তু দরজার মালিক আল্লাহ।

তাই দরজার পেছনে ছোটার আগে, দরজার মালিকের সাথে সম্পর্ক ঠিক করুন।

ইস্তিগফার করুন। সদকা করুন। তাকওয়া অবলম্বন করুন। আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক করুন। কুরআনের সাথে সম্পর্ক গড়ুন।

দেখবেন— হয়তো টাকা হঠাৎ আকাশ থেকে পড়বে না, কিন্তু আল্লাহ এমনভাবে পথ খুলে দেবেন, যা আপনি আজ কল্পনাও করতে পারছেন না।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হালাল রিজিক দান করুন, রিজিকে বরকত দিন, সংকীর্ণতা দূর করুন, এবং তাঁর দেওয়া নেয়ামতের শোকর আদায় করার তাওফিক দিন। আমিন।

আপনি এই ৫টার মধ্যে কোন আমলটা আজ থেকেই শুরু করবেন?
কমেন্টে জানান।

রেফারেন্স:
— সূরা নূহ: ১০–১২
— সূরা সাবা: ৩৯
— সূরা তালাক: ২–৩
— সহীহ আল-বুখারি: ১৪৪২, ২০৬৭, ৫৯৯১
— সহীহ মুসলিম: ১০১০, ২৫৫৭, ২৫৮৮
— সুনানে আবু দাউদ: ১৫১৮
— সুনানে বাইহাকি, শুআবুল ঈমান: ২২৬৯

28/02/2026

Ramzan ul Mubarak

Tilawat

Md Ismail

31/10/2025

আমাদের যা কিছু প্রয়োজন-সবই আল্লাহর কাছেই আছে। তাই তাঁর সাথেই কথা বলো।

10/10/2025

সেই ব্যক্তি কি পেল যে আল্লাহকে হারাল।

সেই ব্যক্তি কি হারাল যে আল্লাহকে পেল।

08/10/2025

আপনাকে সিজারের সময় মেরুদণ্ডে যে ইনজেকশন দেওয়া হয় সেই ইনজেকশনটা কে পুশ করেছিল মহিলা ডাক্তার নাকি পুরুষ ডাক্তার?

এই ইনজেকশনটায় পরবর্তীতে কি কি ক্ষতি হয় জানেন??

বর্তমানে সিজারের শতভাগ কাজ কি মহিলা ডাক্তাররাই করেন? নাকি কিছু কাজে পুরুষ ডাক্তারের সাহায্য নিতে হয়?

পৃথিবীতে কোনো প্রাণীর সিজার লাগে না, মানুষের কেন লাগে?

মানুষের সিজার লাগার কারণহলো, শুশুর ফোন দিয়ে বলবে আমার মেয়ের কিছু হলে জামাই তোমাকে ছাড়বো না, শাশুড়ি বলে আমার মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করুন টাকা যা লাগে আমি দিবো।

আর শালা শালি তো আছেই। তার পর ডাক্তারের কথা বললে তো আইডি আজই নষ্ট হবে।

হাসপাতালে গর্ভবতীকে নেবার পরে, ডাক্তার দেখা মাত্র চেক-আপ করে... এই ৩ টি ডায়লগের যেকোনো একটি দিয়ে থাকেন।

১. বাচ্চা পানিশূন্যতায় আছে।

২. বাচ্চা পেটের ভিতরে পায়খানা করে দিয়েছে।

৩. বাচ্চার পজিশন উল্টা।

এই কথাগুলোর যেকোনো একটা শোনার পর গর্ভবতীর এবং তার পরিবারের লোকে অবস্থা কি হতে পারে অনুমান করা কষ্টসাধ্য নয়।

বাংলাদেশের সমস্ত প্রাইভেট হাসপাতালের গত ৫ বছরের ডেলিভারি রিপোর্ট দেখলে, দেখা যাবে প্রায় ৯০% সন্তান সিজারে ডেলিভারি করানো হয়েছে।

,,100 মহিলা ডাক্তার এর মধ্যে একজন মহিলা ডাক্তার সিজার ডেলিভারি হয়েছে এমন খুঁজে পাওয়া খুব কষ্টকর ,, আর সাধারণ মানুষ হসপিটালে যাওয়া মাত্রই সিজার সিজার সিজার,, সিজারে এতো টাকা বিল আসে কেন, যাচাই করার কোন উপায় কি আছে আমাদের দেশে। সিজারের সময় যে এক কার্টুন ঔষধ ও,টি,তে নেওয়া হয়, তা কি সব লাগে? বাকি ঔষধ কোথায়?

সিজার ডেলিভারির জন্য, আমাদের দেশের মায়েরা অর্ধপঙ্গু হয়ে যাচ্ছে।

এটাকে বন্ধ করুন।মা’কে বাঁচান, বাচ্চা কে বাঁচান।

তবে আমি মনে করি, কিছু কিছু ডাক্তার নিজের স্বার্থের জন্য হয়ত সিজার করতে বলেন। কিন্তু সব ডাক্তার নয়।

এখন সিজারের সংখ্যা কেন বেড়ে গেছে তার কারণটা আমার কাছে মনে হয় ব্যাপারটার উৎপত্তি আমাদের জন্ম থেকে। আপনি আপনার দাদা দাদী / নানা নানীর দিকে তাকান । উনারা দেখবেন ,

বুড়ো বয়সেও কত শক্তিশালী। আমাদের দাদা নানারা দেখবেন ,

৭০ বছর বয়সেও অনেক দূর হেটে হেটে নামাজ পরতে যাচ্ছে , চা খেতে যাচ্ছে। আমার দাদা ৮০+ বয়স হওয়ার পরেও চশমা ছাড়া পেপার পরত ।

এবার আমাদের বাবা মায়ের দিকে তাকান।

কিছু পরিবর্তন পাচ্ছেন ?

উনাদের কোমর ব্যাথা ,

হাটু ব্যাথা ,

হাড় ক্ষয় হয়ে যাওয়া ধরনের অসুখ দেখতে পাচ্ছেন ?

বর্তমান বাংলাদেশ

27/09/2025

নামাজ ছেড়ে দেওয়ার দৃষ্টান্ত

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘কোনো ব্যক্তি এবং কুফর ও শিরকের মধ্যে ব্যবধান শুধু নামাজ না পড়া। যে নামাজ ছেড়ে দিল সে কুফরি করলো। (কাফেরের মতো কাজ করলো)।’ (মুসলিম ৮২)

অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘আমাদের ও কাফেরদের মধ্যে ব্যবধান শুধু নামাজের। যে নামাজ ত্যাগ করল সে কাফের হয়ে গেল।’ (তিরমিজি ২৬২১)

13/07/2025

অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী সাহেবের পক্ষ থেকে মাদ্রাসা শিক্ষকদের প্রতি কিছু পরামর্শ
কেউ না পড়ে এড়িয়ে যাবেন না ইনশাআল্লাহ।

১/ ছাত্রদেরকে মারপিট করে নিজেকে বিপদে ফেলবেন না,যার জন্য ঝুঁকি নেবেন সেই আপনার শত্রু হয়ে দাঁড়াবে।
২/অভিভাবককে আপন মনে করবেন না।ওরা পর।সুযোগ পেলে আপনার খবর করে ছাড়বে।
৩/ছাত্র নিয়মিত মাদ্রাসায় না এলে ছাত্রের থেকে বেশি অভিভাবকদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।
৪/বড় কোন অপরাধ করলে মোহতামীম এবং অভিভাবকদের অভিহিত করবেন।ঝুঁকি নেবেন না।
৫/ছাত্র বা অভিভাবকের সাথে ব্যক্তিগত বিষয় শেয়ার করবেন না।সুযোগ পেলে কামড় দেবে।
৬/ছাত্র অমনোযোগী হলে বা তাঁর মেধা কম হলে অবশ্যই অভিভাবককে জানাবেন।
৭/পরীক্ষার রেজাল্ট অবশ্যই অভিভাবককে জানাবেন।
৮/ অভিভাবকদেরকেই শাসন করতে বাধ্য করবেন।যার ছেলে সেই শাসন করবে‌ এটাই ফাইনাল।
৯/ মাদ্রাসা ও পরিচালকের সমালোচনায় থেকে নিজেকে বিরত রাখুন অন্যথায় নিজেই লজ্জিত হতে হয়।
১০/ ছাত্রদের থেকে খেদমত নেওয়া বন্ধ করুন।

যদি ধৈর্য্য এবং কৌশল কম থাকে তবে অবশ্যই অন্য কোন কাজে সময় দিন।শিক্ষকতা কঠিন কাজ।

আল্লাহ তায়া’লা সবাইকে বুঝার এবং আমল করার তাওফিক দান করুন ।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Chittagong
3821