Nazmul's Science Point

Nazmul's Science Point

Share

বিজ্ঞান, গণিত বিষয়কে সহজ-সাবলীলভাবে
শিক্ষার্থীদের মাঝে বাস্তবিক উদাহরণ দিয়ে উপস্থাপন করে গুণগতশিক্ষা প্রদান

03/05/2026

আজকের এসএসসি গণিত পরীক্ষা অনেকের প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি—এটা সত্যি কষ্টের, হতাশার। কিন্তু একটা পরীক্ষায় খারাপ করা মানেই তোমার পুরো স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে—এটা কখনোই সত্য না। জীবন কিংবা বোর্ড পরীক্ষার ফলাফল একটা সাবজেক্ট দিয়ে নির্ধারিত হয় না। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—নিজেকে সামলে নেওয়া এবং সামনে যে পরীক্ষাগুলো আছে, সেগুলোর দিকে পুরো মনোযোগ দেওয়া।

তুমি যদি এখন ভেঙে পড়ো, তাহলে পরের পরীক্ষাগুলোও খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। কিন্তু তুমি যদি আজ থেকেই নিজেকে শক্ত করে বলো—“যা হয়ে গেছে, সেটা শেষ। এখন আমি বাকি পরীক্ষাগুলোতে নিজের সেরাটা দিবো”—তাহলেই তুমি পরিস্থিতি বদলে দিতে পারবে। মনে রাখবে, একটা ভালো রেজাল্ট অনেক সময় শেষের দিকের পারফরম্যান্স দিয়েও উঠে আসে।

আল্লাহর উপর ভরসা রাখো, বেশি বেশি দোয়া করো—আল্লাহ যেন তোমার মান-সম্মান রাখেন, তোমার কষ্ট ও পরিশ্রমকে কবুল করেন। বাবা-মায়ের স্বপ্ন, নিজের ভবিষ্যৎ—সবকিছুর জন্য এখনো সুযোগ আছে। হতাশ হয়ে বসে থাকলে কিছুই পরিবর্তন হবে না, কিন্তু চেষ্টা চালিয়ে গেলে আল্লাহ অবশ্যই উত্তম কিছু দিবেন ইনশাআল্লাহ।

আজকে মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু এখানেই থেমে যেও না। উঠে দাঁড়াও, বই খুলে বসো, আগামী পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি শুরু করো। মনে রাখবে—যারা শেষ পর্যন্ত লড়াই করে, তারাই শেষ হাসিটা হাসে। তোমার জন্য দোয়া রইলো—আল্লাহ তোমার পথ সহজ করে দিন 🤲

Photos from Nazmul's Science Point 's post 27/04/2026

গণিত প্রশ্ন || দাখিল ২০২৬


21/04/2026
Photos from Nazmul's Science Point 's post 20/04/2026

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের এই বিদায়ের মুহূর্তটা আসলে শুধু একটা আনুষ্ঠানিকতা না—এটা একটা অনুভূতির নাম। এতদিন যে ক্লাসরুমে তোমাদের হাসি, দুষ্টুমি, মন খারাপ, স্বপ্ন—সবকিছু মিলেমিশে ছিলো, আজ সেখান থেকেই তোমরা ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছো। একজন শিক্ষক হিসেবে আমি জানি, তোমরা হয়তো বাইরে থেকে হাসছো, কিন্তু ভেতরে ভেতরে অনেক কিছুই জমে আছে—কিছু না বলা কথা, কিছু স্মৃতি, কিছু আফসোস।

‎জীবনের এই পথচলায় হয়তো অনেক সময় তোমরা ভুল করেছো—ক্লাসে মনোযোগ না দেওয়া, কথা না শোনা, কখনো অবাধ্য হওয়া… কিন্তু বিশ্বাস করো, এসব কিছু নিয়েই তোমরা আমাদের প্রিয়। আজকের এই দিনে যদি তোমাদের মনে হয়, “স্যার/ম্যাডাম, কোথাও ভুল হয়ে গেছে”—তাহলে নিঃসংকোচে বলে দিও, “ক্ষমা করে দিবেন।” জেনে রেখো, একজন শিক্ষক কখনো তার ছাত্র-ছাত্রীদের উপর মন থেকে রাগ ধরে রাখে না। তোমাদের এই ছোট্ট একটা ক্ষমা চাওয়া আমাদের মনকে অনেকটা হালকা করে দেয়।

‎তোমরা যখন স্কুলের গেটটা শেষবারের মতো পার হবে, মনে রেখো—এখানেই তোমাদের শিকড়। এখানেই তোমরা বড় হয়েছো, স্বপ্ন দেখতে শিখেছো। সামনে বড় একটা পরীক্ষা, বড় একটা জীবন অপেক্ষা করছে। কিন্তু এই বিদায়ের দিনে একটা কথাই বলবো—নিজেদের কখনো ছোট ভাববে না, নিজের উপর বিশ্বাস রাখবে। তোমাদের মধ্যেই আছে সেই শক্তি, যা তোমাদের অনেক দূর নিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
‎আর হ্যাঁ, যদি কোনোদিন মনে পড়ে—“স্কুলে একটা স্যার/ম্যাডাম ছিলো, যে আমাদের জন্য সত্যি দোয়া করতো”—তাহলে বুঝে নিও, আমরা এখনো ঠিক আগের মতোই তোমাদের জন্য দোয়া করি।

‎ভালো থেকো, স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাও… আর এই বিদায়ের মুহূর্তটা হৃদয়ে রেখে দিও সারাজীবন।

19/04/2026

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সৃজনশীল ও এমসিকিউ প্রশ্ন একসঙ্গে দেওয়া হবে না। আলাদা সময়ে দেওয়া হবে, যাতে পরীক্ষার্থীরা ধাপে ধাপে উত্তর দিতে পারে।

সকাল শিফটের ক্ষেত্রে: সকাল ৯:৩০-এ উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট দেওয়া হবে। ঠিক ১০:০০-এ এমসিকিউ প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে এবং নির্ধারিত সময় শেষে ১০:৩০-এ সৃজনশীল প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে। তবে যদি এমসিকিউ অংশ ২৫ নম্বরের হয়, তাহলে সৃজনশীল অংশ শুরু হবে ১০:২৫-এ।

দুপুর শিফটের ক্ষেত্রে: দুপুর ১:৩০-এ উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট দেওয়া হবে। ২:০০-এ এমসিকিউ প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে এবং ২:৩০-এ সৃজনশীল অংশ শুরু হবে। ২৫ নম্বরের এমসিকিউ হলে সৃজনশীল অংশ শুরু হবে ২:২৫-এ।

অর্থাৎ, আগে এমসিকিউ, এরপর সৃজনশীল—এই ধারাবাহিকতায় পুরো পরীক্ষা সম্পন্ন হবে।

17/04/2026

প্রিয় এসএসসি'২৬ শিক্ষার্থীরা,

‎তোমাদের পরীক্ষা দরজায় কড়া নাড়ছে, তাই এই শেষ মুহূর্তে এসে নতুন করে অনেক কিছু শেখার চেয়ে অর্জিত জ্ঞানকে গুছিয়ে নেওয়া বেশি জরুরি। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির জন্য একজন শিক্ষকের হিসেবে বিশেষ পরামর্শগুলো নিচে দেওয়া হলো:

‎​১. নতুন কিছু শুরু না করাঃ
‎​এই সময়ে নতুন কোনো অধ্যায় বা কঠিন টপিক শুরু করা বোকামি। এতে আত্মবিশ্বাস কমে যায়।
‎​রিভিশন: যা আগে পড়েছ, সেগুলোই বারবার রিভিশন দাও।
‎​দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ: যেসব ছোটখাটো বিষয়ে এখনো খটকা আছে, শুধু সেগুলো একবার দেখে নাও।

‎​২. বোর্ড প্রশ্ন ও টেস্ট পেপার সমাধানঃ
‎​শেষ ১৫-২০ দিনের সেরা কৌশল হলো বিগত বছরের বোর্ড প্রশ্ন সমাধান করা।
‎​টপিক সিলেকশন: বোর্ড প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখবে কিছু নির্দিষ্ট টপিক থেকে প্রতি বছর প্রশ্ন আসে। সেই টপিকগুলো ঝালাই করে নাও।
‎​মডেল টেস্ট: ঘরে বসে ঠিক পরীক্ষার সময়ের মতো ঘড়ি ধরে অন্তত ৩-৪টি পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট দাও। এতে সময়ের সঠিক ব্যবহার শিখতে পারবে।

‎​৩. খাতা উপস্থাপনের কৌশল (Paper Presentation):
‎​ভালো প্রস্তুতি থাকলেও খাতা সাজাতে না জানলে নম্বর কমে যায়।
‎​মার্জিন ও হাতের লেখা: পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন খাতা পরীক্ষকের মন জয় করে। কাটাকাটি কম করার চেষ্টা করবে।
‎​পয়েন্ট করে লেখা: বিশেষ করে সমাজবিজ্ঞান, ধর্ম বা বিজ্ঞানের বর্ণনামূলক প্রশ্নগুলো ঢালাওভাবে না লিখে পয়েন্ট আকারে লিখবে।
‎​চিত্র ও গ্রাফ: বিজ্ঞানের বিষয়গুলোতে পেনসিল দিয়ে পরিষ্কার চিত্র আঁকার অভ্যাস করো। এটি বাড়তি নম্বর নিশ্চিত করে।

‎​৪. সময়ের সঠিক বণ্টন:
‎​পরীক্ষার হলে অনেকেই শেষ প্রশ্নটি তাড়াহুড়ো করে লিখে বা অসম্পূর্ণ রেখে আসে।
‎​MCQ-তে গুরুত্ব: বহু নির্বাচনী প্রশ্নের জন্য আলাদা করে সময় দাও। এখানে ৩০-এ ৩০ পাওয়া মানে জিপিএ-৫ এর পথে অনেক দূর এগিয়ে যাওয়া।
‎​বড় প্রশ্নের সময়: প্রতিটি সৃজনশীল প্রশ্নের জন্য ২০-২২ মিনিটের বেশি সময় নেবে না।
‎​৫. শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা
‎​শেষ মুহূর্তে অসুস্থ হয়ে পড়া মানে পুরো ২ বছরের পরিশ্রম মাটি হওয়া।
‎​খাদ্যাভ্যাস: বাইরের ভাজাপোড়া বা ভারী খাবার এড়িয়ে চলো। প্রচুর পানি পান করো।
‎​ঘুম: রাত জেগে পড়া একদম বন্ধ করে দাও। পরীক্ষার হলের সময়ের সাথে তাল মেলাতে এখন থেকেই ভোরে ওঠা এবং রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস করো।
‎​৬. প্রবেশপত্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম:
‎​পরীক্ষার ২-৩ দিন আগেই কলম (৪-৫টি ভালো মানের), পেনসিল, স্কেল, ইরেজার, সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর এবং জ্যামিতি বক্স গুছিয়ে রাখো।
‎​প্রবেশপত্র (Admit Card): অ্যাডমিট কার্ড এবং রেজিস্ট্রেশন কার্ডের কয়েকটা ফটোকপি করে আলাদা জায়গায় রেখে দাও।

‎​শেষ কথা: পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার আগে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো। প্রশ্ন কঠিন মনে হলেও ঘাবড়াবে না; যা জানো তা দিয়েই সেরাটা লিখে আসার চেষ্টা করবে। তোমাদের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল!

04/03/2026

এসএসসি ২০২৬ প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় আর গড় নম্বর নয়—শিক্ষার্থীদের প্রকৃত দক্ষতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী।

27/02/2026

With Nazmul Hoshen – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

27/02/2026

দান-সদকার নিশ্চিত উপকারিতা সমূহ:

১. বিপদাপদ দূর হয়।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
"যে ব্যক্তি সদকা দেয়, আল্লাহ তার বিপদ দূর করেন।"
(আবু দাউদ, হাদীস নং ১১৯১)

২. সম্পদে বরকত হয়।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
"সদকা তোমার সম্পদে বরকত দেয়।"
(সহিহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৮৮)

৩. জটিল অসুখ ভালো হয়।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
"সদকা শরীরের অসুখ দূর করে এবং গোনাহ মুছে দেয়।"
(সহিহ জামে, হাদীস নং ৩৩৫৮)

৪. আল্লাহর ক্রোধ নিভিয়ে দেয়।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
"তোমরা সদকা দাও, তা আল্লাহর ক্রোধ দূর করে দেয়।"
(সহিহ জামে, হাদীস নং ৩৭৬৬)

৫. খারাপ মৃত্যু ঠেকিয়ে দেয়।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
"সদকা খারাপ মৃত্যু থেকে রক্ষা করে এবং জীবনের শেষ সময় ভালো হয়।"
(সিলসিলাহ সহিহা, হাদীস নং ১৯০৭)

৬. কিয়ামতে ছায়া হিসেবে হাজির হয়।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
"দান-কর্ম কিয়ামতের দিন আল্লাহর ছায়া হিসেবে হাজির হবে।"
(সহিহ ইবনু খুযাইমা ১৭৬৬)

৭. ফেরেশতারা দুয়া করেন সম্পদ বৃদ্ধির জন্য।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
"যে ব্যক্তি সদকা দেয়, তার জন্য ফেরেশতারা দুয়া করেন।"
(সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৩৭৪)

৮. গুনাহ মাফ হয়।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
"সদকা তোমার গুনাহ মুছে দেয়, যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয়।"
(তিরমিজি, হাদীস নং ২৬১৬)

৯. জান্নাত নসিব হয়।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
"যে ব্যক্তি সদকা দেয়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।"
(সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮৯৭)

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Mousumi-01, Noya Bazar, Halishahar, Chattogram
Chittagong

Opening Hours

Monday 07:00 - 22:00
Tuesday 07:00 - 22:00
Wednesday 07:00 - 22:00
Thursday 07:00 - 22:00
Saturday 07:00 - 22:00
Sunday 07:00 - 22:00