17/06/2026
মফিজগুলো এমপি হইছে এটাই দু:খজনক বিষয়।এরা জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন কীভাবে করবে?
Classroom For Humanity
17/06/2026
মফিজগুলো এমপি হইছে এটাই দু:খজনক বিষয়।এরা জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন কীভাবে করবে?
15/06/2026
ভিনদেশী পতাকা লাগাতে গিয়ে জীবন বাতি নিভে গেলো।
হায়রে যুবক।
14/06/2026
তারা আমাকে চোখ বেঁধে বেডরুমে নিয়ে গেল। সব কাপড় খুলতে আদেশ দিল।
পুরোপুরি নগ্ন করে তল্লাশি করল আমাকে। বলল–সোজা হয়ে দাঁড়া, ১৪ বার উঠবস কর। তারপর পেছনে ঘুর। ঘুরে ১৪ বার উঠবস কর।
আমি উঠবস করছিলাম আর জিজ্ঞেস করছিলাম এর কি আদৌ কোনো দরকার ছিল? তারা বলল–অবশ্যই দরকার আছে। চুপ থাক। যা বলছি সেটা কর।
পেছন থেকে ৪-৫ জন মেল সোলজার হো হো করে হাসছিল।
তারপর আমি বললাম–ওকে, ঠিক আছে। আমার কাপড়গুলো ফিরিয়ে দাও। তারা স্লো মোশনে একটা একটা করে কাপড় ফেরত দিল।
তারপর একটা মেল সোলজার আমার চোখের বাঁধন খুলে দিল। দিয়ে বলল–তোর ফোন ওপেন কর। এখনো তো মরিস নাই।
আমি তার মুখে থুতু দিলাম। সাথে থাকা ফিমেল সোলজার আমার উপর হামলে পড়ল। ক্রমাগত আমার মুখে ঘুষি মারতে লাগল।
এরপর তারা বেরিয়ে গেল।
কিছুক্ষণ পর আবার এল! একজন একজন করে। এসে আমার চারপাশ ঘিরে বসল। আমার শরীর হাতড়াতে লাগল। বলল–উই আর গোইং টু রে*ই*প ইউ!
একজন আমার আবায়া টান দিয়ে ছিড়ে ফেলল। আমার গায়ে হাত দিল! আরেকজন টান দিয়ে ভেতরে নামাজের কাপড়টাও ছিড়ে ফেলল।
তারপর শুরু হল চারদিক থেকে আক্রমণ! কেউ উপর থেকে হাত দিচ্ছে তো কেউ নিচ থেকে। কেউ সামনে থেকে, কেউ পেছন থেকে। শরীরের কোনো জায়গাই বাদ ছিল না।
আমি যতটা সম্ভব শরীর গুটিয়ে রাখছিলাম। তাদেরকে যতটা দূরে রাখা যায়, সেই চেষ্টা করছিলাম।
তারপর তারা চলে গেল। আর আসেনি।
আল জাযিরার প্রকাশিত বডিজ অব এভিডেন্স ডকুমেন্টারি থেকে এক ফিলিস্তিনি তরুণীর সাক্ষাৎকার।
জাতিসংঘ, হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন্স, লইয়ার, ইজরাইলি হুইসেল ব্লোয়ার, সবার বক্তব্য থেকে একটা প্যাটার্নই উঠে এসেছে–ইজরাইল অত্যন্ত সিস্টেম্যাটিক্যালি শিশু, যুবক, বৃদ্ধ, নারী, পুরুষ সবার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নকে অস্ত্র হিসেবে ইউজ করে।
~ সূত্র : আল-জাজিরা, ১২/০৬/২০২৬
~ দ্যা মুসলিম'স মাইন্ডস হতে তথ্য নেওয়া
09/06/2026
৪৪তম বিসিএস কর্মকর্তার মতো একটি দায়িত্বশীল পদে থেকে কীভাবে কেউ রংপুরকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার মতো এমন দেশ'দ্রো'হী ও ধৃষ্টতাপূর্ণ দাবি করতে পারে? এটি শুধু আমাদের দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত নয়, বরং ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের মানচিত্রকে অপমান করার শামিল!
এই ধরণের দেশবি'রো'ধী মানসিকতা কোনোভাবেই বরদাশত করা যায় না। অবিলম্বে এই কু'লা'ঙ্গা'র'কে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং বিসিএস ক্যাডার তথা সরকারি চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে
ব/হি/ষ্কার করে দৃষ্টান্তমূলক শা'স্তির ব্যবস্থা করা হোক!
আমাদের মাটি, আমাদের মানচিত্র নিয়ে কোনো আপস নেই! রংপুর বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং চিরকাল তাই থাকবে, ইনশাআল্লাহ🇧🇩
***ব্রেকিং নিউজ***
এসএসসি ২০২৬-এর রেজাল্ট ৮ দিন এগিয়ে! ২৮ জুলাইয়ের পরিবর্তে আগামী ২০ জুলাই, সোমবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত হবে।
07/06/2026
"১ টাকায় ৪টি চকলেট আর সেই সোনালী শৈশব... কোথায় হারিয়ে গেল সেই দিনগুলো?😰
06/06/2026
পলাশবাড়ীতে ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শিবমূর্তি নির্মাণ করা, ধর্মান্তরিত তাওহীদ ইসলাম ওরফে হরিদাস কি ভারতীয় এজেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে?
হরিদাস ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় অবৈধ উপায়ে ভারতে আত্মীয়ের বাসায় চলে যান।
সেখানকার পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে থেকে এতিম সার্টিফিকেট নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন ও ইলেক্ট্রনিক বিষয়ে দুই বছরের বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
২০১০ সালে দেশে ফিরে রাজধানীর উত্তরায় পুরাতন এসি মেকানিকের কাজ শুরু করেন। ২০১৮ সালে সবজি বিক্রেতার সাথে সাবলেট বাসা ভাড়া নেন।
সেখানেই বিয়ে ও ২০১৯ সালে ধর্মান্তরিত হয়ে তাওহীদ ইসলাম নাম ধারণ করেন।
সেই সময় জিজ্ঞাসাবাদে হরিদাস র্যাবকে জানান, তার শ্বশুরের পরিচয়ে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া এলাকায় কিছু জমি ক্রয় করেন।
শ্বশুড়ের মাধ্যমে এলাকার লোকের সাথে নিজেকে একজন বিত্তশালী লোক হিসেবে পরিচিত হন।
পাশাপাশি প্রচার করতে থাকেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের প্রটোকল অফিসার।
দামি গাড়ি হাঁকিয়ে এবং পোশাক পরিধান করে স্থানীয় রাজনীতিবিদ, গণ্যমান্য বিত্তশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচয় ও সখ্যতা গড়ে তোলেন।
প্রধানমন্ত্রীর নিকটাত্মীয়ের সহায়তায় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক প্রজেক্টে বিনিয়োগের প্রলোভন দেখান।
এ ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে অর্থ এবং উন্নয়ন মূলক কাজ করতে তাদেরকে আশ্বস্ত করতেন।
তার মিষ্টি আচরণে প্রলুব্ধ হয়ে অনেকেই চাকরি, বদলি, টেন্ডারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তদবির নিয়ে তার কাছে আসা শুরু করেন।
তিনি এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চাকরি প্রত্যাশী, পছন্দমত জায়গায় বদলি, সরকারি চাকরি, বিভিন্ন ক্রয়-বিক্রয় ও উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে কাজ বাগিয়ে এনে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাত শুরু করেন।
এ সময় র্যাব আরো জানায়, হরিদাসের সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া ইমরান মেহেদী হাসান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কর্মরত তার বিভিন্ন সহযোগীসহ অন্যান্য ক্লায়েন্ট সংগ্রহ করে হরিদাসের নিকট নিয়ে আসতেন।
এ সময় হরিদাস স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিভিন্ন পদে চাকরি, পদোন্নতি এবং দলীর বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাত করেন।
মজার ব্যাপার হলো- কমান্ডার মঈন বলেন, গ্রেফতারকৃত হরিদাস অত্যন্ত বচনপটু।
একবার তার সাথে কেউ পরিচিত হলে তার প্রতারণার খপ্পর হতে বের হতে পারতো না।
তিনি প্রতারণার মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ২০১৯ সালে ফুলবাড়িয়া এলাকায় প্রায় এক বিঘা জমি ক্রয় করে প্যারিস সুইমিংপুল এন্টারটেইনমেন্ট পার্ক নামে রিসোর্টের কাজ শুরু করেন।
সেখানে তার প্রলোভনে পড়ে অনেকেই টাকা লেনদেনের রসিদ ছাড়া তাকে লাখ লাখ টাকা লগ্নি করেন।
২০২০ সালে প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে রিসোর্টের কাজ শেষে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেন।
রিসোর্টে প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা, সুইমিংপুলে গোসল ১০০ টাকা এবং রিসোর্টের ভিতরে ঘোরাঘুরির জন্য ৫০ টাকা করে টিকেট বিক্রি করা শুরু করেন।
অনেকে বিবাহ, জন্মদিনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য তার রিসোর্ট ভাড়া নিতে থাকে।
শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরনীদাস বিভিন্ন বিত্তশালী ব্যক্তিদের তার রিসোর্টে আমন্ত্রণ জানাতেন।
এসময় তাদেরকে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে তার এডিট করা ছবি প্রদর্শন করে তার প্রজেক্টসহ অন্যান্য প্রজেক্টে বিনিয়োগ করার কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নেন।
প্রতারণার কৌশল সম্পর্কে র্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, তার মোবাইলে বিভিন্ন নম্বর প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের এবং তাদের নিকটাত্মীয়ের বিভিন্ন সদস্যদের নামে সেইভ করে ও কল দিয়ে দেখাতেন।
নিজেকে প্রভাবশালী বলে জাহির করতেন।
যদিও প্রকৃতপক্ষে তার কোন রাজনৈতিক নেতা বা কর্মীর সাথে পরিচয় নেই।
তার কোন দলীয় পরিচয় নেই।
প্রতারণা করে অর্থ উপার্জনই তার মূল লক্ষ ও পেশা।
সুতরাং উল্লেখিত প্রতারক শ্রী হরিদাস চন্দ্র যেহেতু র্যাবের হাতে আটক হয়ে, পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়ে গাইবান্ধা জেলা ও পলাশবাড়ি উপজেলার সংশ্লিষ্ট প্রশাসন সহ সকল মহলকে ম্যানেজ করে পলাশবাড়ির কোমরপুরে এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ দাবি করে রাধা গোবিন্দের মন্দির স্থাপন করেন।
তাই তার টাকার উৎস খুঁজতে, তাঁকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার।
হরিদাস একদিকে ভারতীয় নাগরিক, অন্যদিকে ধর্মান্তরিত তাওহীদ ইসলাম।
এখন তিনি আবার হিন্দু ধর্মের ত্রাণকর্তা।
বাংলাদেশের সাধারণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হিসেবে আমাদের খোঁজা দরকার হরিদাসের ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে মন্দির নির্মাণ ও ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা শিবমূর্তি স্থাপনের পেছনের উদ্দেশ্য কি?
এছাড়া হরিদাস আরও কিছু বৃহৎ আকৃতির মূর্তি নির্মাণের কারণ কি?
হরিদাস কি ভারতীয় এজেন্ট হয়ে বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে?
নাকি হরিদাস মুসলমান সম্প্রদায়ের অধ্যুষিত এলাকায় মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের উত্তেজিত করার চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশের সাধারণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হিসেবে আমরা হরিদাসের এমন কর্মকাণ্ডে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমরা চাই না ভারতীয় নাগরিক ও ধর্মান্তরিত হরিদাস বাংলাদেশের সাধারণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের জীবন নিয়ে টানাটানি করুক।
প্রতারক হরিদাস সম্পর্কে জানতে চাইলে পলাশবাড়ীর হরিদাস লিখে গুগলে সার্চ দেন।
তারপর বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদ পত্রে প্রকাশিত তাঁর প্রতারণার খবর গুলিতে চোখ বুলিয়ে নিন।
তবে দুঃখ জনক বিষয় হলো বাংলাদেশের সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ কি সত্যিই বোকা, নাকি এরা অতিরিক্ত ভারতপ্রেমী?
যার কারণে হরিদাসের মতো আন্তর্জাতিক মানের একজন প্রতারক আজ হিন্দু ধর্মের গুরু ঠাকুর হলেন?
প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে হিন্দু দাদার দিতে পারেন।
অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করলে নোটিশ ছাড়া ব্লক অপশন ব্যবহার করা হয়।
সনজীত কুমার দে।
বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।
02/06/2026
১০০০ টাকা রিচার্জ করলে শুরুতেই ২০০-৩০০ টাকা হাওয়া! প্রিপেইড মিটারের নামে চলছে দেশের ইতিহাসের সেরা ডিজিটাল ডাকাতি! সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে বিদ্যুৎ সিন্ডিকেট! ⚡🇧🇩
আমরা ভেবেছিলাম প্রিপেইড মিটার এলে বিদ্যুতের বিল কমবে, কিন্তু এ যে গলার কাঁটা! অ্যানালগ মিটারে যে বাসায় ১,৫০০ টাকা বিল আসতো, প্রিপেইড মিটারে তা কোনো কারণ ছাড়াই ৩,০০০ থেকে ৪,০০০ টাকা হয়ে যাচ্ছে!
কীভাবে চলছে এই ডিজিটাল ডাকাতি?
✅ ভুতুড়ে বিলের সফটওয়্যার: মিটারের সফটওয়্যার এমনভাবে কোডিং করা হয়েছে যে, বিদ্যুৎ ব্যবহারের স্ল্যাব সামান্য বাড়লেই অস্বাভাবিক হারে বিল কাটা শুরু হয়। বাসা তালাবদ্ধ থাকলেও ব্যালেন্স মাইনাস হয়ে যায়! রাঙামাটিতে এক দিনমজুরের বিল এসেছে ৬৪ হাজার টাকা, আর কুমিল্লায় ১ লাখ ৬৭ হাজার টাকা!
✅ জালিয়াতি ও অর্থ পাচার: ২,০০০ টাকার সস্তা ও নিম্নমানের চাইনিজ মিটার এনে তাতে মেইড ইন বাংলাদেশ লিখে আমাদের ঘাড়ে ৭,৫০০ টাকায় চাপানো হয়েছে! সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও তার সিন্ডিকেট (হেক্সিং কোম্পানি) ভুয়া এলসি, ভুয়া ট্রেনিং আর সেবার নামে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে!
✅ গ্রাহক হয়রানি: ২০-২৪ ডিজিটের পিন নাম্বার চাপতে গিয়ে ৩ বার ভুল হলেই মিটার লক! এরপর বিদ্যুৎ অফিসের লোক না আসা পর্যন্ত ঘণ্টার পর ঘণ্টা অন্ধকারে থাকা।
গ্রাহক আন্দোলনের মুখে সরকার মিটারের মাসিক ভাড়া বাতিল করলেও, সফটওয়্যার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকা ঠিকই চুরি করছে এই সিন্ডিকেট!
আপনার মতে, এই ডিজিটাল ডাকাতি ঠেকাতে ত্রুটিপূর্ণ প্রিপেইড মিটার পদ্ধতি সম্পূর্ণ বাতিল করে, দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের সম্পদ কি বাজেয়াপ্ত করা উচিত?
Summary:
Prepaid meters have become the biggest tool for Digital Robbery in Bangladesh! When customers recharge 1,000 BDT, 200-300 BDT vanishes instantly through hidden charges. Syndicates deliberately tampered with the software to trigger automatic slab jumps, looting around 1,500 crore BDT annually. Ghost bills are rampant—a day laborer in Rangamati got a 64k BDT bill! Meanwhile, a corrupt syndicate (led by the former State Minister for Power) imported cheap 2,000 BDT Chinese meters, labeled them Made in Bangladesh, forced them onto consumers for 7,500 BDT, and laundered over 500 crore BDT abroad through fake LCs and fake training bills. It's time to scrap these faulty meters and arrest the digital mafia!
পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন এবং ফলো করে সাথে থাকুন।
©️
#নিউজ