‘‘রামাদানের পরে সর্বোত্তম সাওম হলো আল্লাহর মাস মুহাররম মাসের সাওম।’’
-রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
সূত্র: মুসলিম, আস-সহীহ ২/৮২১।
Tahzib Academy
সবার জন্য কুরআন কারীম শিক্ষা
16/06/2026
আপনি বা আপনার সন্তান কি এখনো শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত করতে পারেন না?
কর্মব্যস্ত জীবন, প্রবাসের ব্যস্ততা কিংবা সময়ের অভাবে কুরআন শেখা হয়ে উঠেনি? তাহলে এখনই শুরু করুন পবিত্র কুরআনের সাথে আপনার সুন্দর যাত্রা।
✅ নূরানী কায়দা
✅ সহীহ শুদ্ধ কুরআন তিলাওয়াত
✅ তাজবীদ শিক্ষা
✅ নামাজের সূরা ও দোয়া
✅ মাসনূন দোয়া ও ইসলামি আদব
✅ শিশু ও বড়দের জন্য পৃথক ক্লাস
🎓 অভিজ্ঞ শিক্ষক ও শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে
🕒 আপনার সুবিধাজনক সময়ে অনলাইন ক্লাস
🌍 দেশ-বিদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ
আজকের একটি সিদ্ধান্ত আপনার বা আপনার সন্তানের আখিরাতের জন্য হতে পারে এক মূল্যবান সঞ্চয়।
📌 সীমিত আসনে ভর্তি চলছে!
তাই দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন।
📞 WhatsApp: 01724-773358
#কুরআন_শিক্ষা
#ভর্তি_চলছে
#তাহযীবএকাডেমী
15/06/2026
দোয়ার শক্তি অপরিসীম। দোয়া শুধু চাওয়া নয়, বরং আল্লাহর সাথে বান্দার গভীর সম্পর্কের প্রকাশ। মানুষ যখন অসহায় হয়, দোয়া তাকে আশা দেয়; যখন ভয় পায়, দোয়া তাকে শান্তি দেয়; আর যখন সুখে থাকে, দোয়া তাকে কৃতজ্ঞ হতে শেখায়।
কুরআনে আল্লাহ বলেন:
“তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।”
-সূরা গাফির ৪০:৬০
দোয়ার কিছু বিশেষ শক্তি ও প্রভাব:
হৃদয়কে শান্ত করে।
বিপদে সাহস জোগায়।
পাপ থেকে ফিরে আসতে সাহায্য করে।
আল্লাহর রহমত ও বরকত এনে দেয়।
ভাগ্যের কঠিন পরিস্থিতিও বদলে দিতে পারে, আল্লাহর ইচ্ছায়,
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“দোয়া হলো ইবাদতের মূল।”
ছোট একটি সুন্দর দোয়া:
حسبي الله لا إله إلا هو عليه توكلت وهو رب العرش العظيم
“হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হু, আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়া হুয়া রব্বুল আরশিল আযীম।”
অর্থ: “আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আমি তাঁর ওপরই ভরসা করি, আর তিনি মহান আরশের অধিপতি।”
#দাওয়াহ
পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং বরকতময় ইবাদত। মহান আল্লাহ তায়ালা এবং রাসূলুল্লাহ (সা.) কুরআন তিলাওয়াতের অসংখ্য ফযিলত ও মর্যাদার কথা বর্ণনা করেছেন।
কুরআন তিলাওয়াতের প্রধান প্রধান ফযিলতগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
১. প্রতিটি হরফে ১০টি নেকি
কুরআন তিলাওয়াতের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ও সওয়াবের দিক হলো এর প্রতিটি অক্ষরের জন্য বিপুল প্রতিদান। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের একটি হরফ (অক্ষর) পাঠ করবে, সে একটি নেকি পাবে। আর একটি নেকি দশ গুণের সমান। আমি বলি না যে, 'আলিফ-লাম-মীম' একটি হরফ; বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ এবং মীম একটি হরফ।" (তিরমিজি)
২. কিয়ামতের দিন কুরআন সুপারিশকারী হবে
হাশরের ময়দানে যখন মানুষের কোনো সাহায্যকারী থাকবে না, তখন কুরআন তার পাঠকারীর জন্য আল্লাহর দরবারে সুপারিশ করবে। হাদিসে এসেছে:
"তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করো। কারণ, কিয়ামতের দিন কুরআন তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশকারী হিসেবে উপস্থিত হবে।" (সহীহ মুসলিম)
৩. আল্লাহর দরবারে বিশেষ মর্যাদা (আহলুল্লাহ)
যারা নিয়মিত কুরআন চর্চা ও তিলাওয়াত করে, তারা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয় ও বিশেষ মর্যাদার অধিকারী হন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"মানুষের মধ্যে কিছু লোক আল্লাহর বিশেষ পরিজন (আহলুল্লাহ)।" সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, 'হে আল্লাহর রাসূল! তারা কারা?' তিনি বললেন, "তারা কুরআনের ধারক-বাহক (কুরআনওয়ালা)। তারা আল্লাহর বিশেষ লোক এবং তাঁর খাস বান্দা।" (ইবনে মাজাহ)
৪. অন্তরের প্রশান্তি ও রহমত লাভ
কুরআন তিলাওয়াত করলে মনে এক অদ্ভুত প্রশান্তি নেমে আসে এবং আল্লাহর রহমত চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে। আল্লাহ তায়ালা বলেন:
"জেনে রেখো, আল্লাহর জিকির (স্মরণ) দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।" (সূরা আর-রাদ: ২৮)
হাদিস অনুযায়ী, যেখানে কুরআন তিলাওয়াত করা হয়, সেখানে আল্লাহর সাকিনাহ (প্রশান্তি) নাজিল হয় এবং ফেরেশতারা সেই স্থানটি ঘিরে রাখেন।
৫. জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা লাভ
কিয়ামতের দিন কুরআন তিলাওয়াতকারীকে তার তিলাওয়াতের সুন্দর সুর ও নিয়ম অনুযায়ী জান্নাতের উচ্চ মাকামে আরোহন করতে বলা হবে। হাদিসে বলা হয়েছে:
"কুরআনের পাঠককে (জান্নাতে) বলা হবে, তুমি পড়তে থাকো আর ওপরে উঠতে থাকো। আর ঠিক সেভাবে ধীরস্থিরভাবে (তারতীলসহ) তিলাওয়াত করো, যেভাবে দুনিয়াতে করতে। তোমার তিলাওয়াত যেখানে শেষ হবে, জান্নাতে তোমার বাসস্থানও সেখানেই হবে।" (আবু দাউদ)
৬. পিতামাতার সম্মান বৃদ্ধি
যে সন্তান দুনিয়াতে কুরআন শেখে এবং সেই অনুযায়ী আমল করে, কিয়ামতের দিন তার পিতামাতাকে এক অনন্য নূরানি মুকুট পরানো হবে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সেই মুকুটের আলো সূর্যের আলোর চেয়েও দীপ্তিময় হবে।
সংক্ষেপে: কুরআন হলো মুমিনের জীবনের আলো। আমরা যদি প্রতিদিন অন্তত অল্প কিছু সময়ও অর্থ বুঝে বা শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত করার অভ্যাস করি, তবে তা আমাদের দুনিয়া ও আখিরাত—উভয় জীবনকেই বরকতময় করে তুলবে।
#দাওয়াহ
ঈমান বা বিশ্বাসের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মুসলিমের জন্য ফরজ (বাধ্যতামূলক)। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
৫ ওয়াক্ত নামাজের প্রধান গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিচে আলোচনা করা হলো:
১. আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জন
নামাজ হলো বান্দার সাথে আল্লাহর সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম। সিজদার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে কাছে পৌঁছাতে পারে। ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য প্রকাশ পায় এবং তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়।
২. গুনাহ মাফ ও আত্মশুদ্ধি
নিয়মিত নামাজ মানুষের প্রতিদিনের ছোটখাটো গুনাহগুলো ধুয়ে-মুছে সাফ করে দেয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) নামাজের তুলনা করেছেন বাড়ির পাশে বয়ে যাওয়া একটি নদীর সাথে, যেখানে দিনে ৫ বার গোসল করলে শরীরে কোনো ময়লা থাকে না। নামাজ মানুষের মনকে পবিত্র করে।
৩. অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখা
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন:
"নিশ্চয়ই নামাজ মানুষকে অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।" (সূরা আনকাবুত, আয়াত: ৪৫)
নিয়মিত ও সঠিক নিয়মে নামাজ আদায় করলে মানুষের ভেতরে এক ধরণের নৈতিক সচেতনতা তৈরি হয়, যা তাকে অন্যায় কাজ করতে বাধা দেয়।
৪. পরকালের মুক্তির উপায়
কেয়ামতের দিন মানুষের আমলনামার মধ্যে সর্বপ্রথমে নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যার নামাজের হিসাব ঠিক থাকবে, তার বাকি সব আমল ঠিক থাকবে। আর যার নামাজের হিসাব খারাপ হবে, সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
৫. সময়ানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলা শিক্ষা
৫ ওয়াক্ত নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করতে হয়। ভোর থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলার ফলে একজন মানুষের জীবনে চমৎকার শৃঙ্খলা ও সময়ের মূল্য বজায় রাখার অভ্যাস তৈরি হয়।
৬. মানসিক শান্তি ও শারীরিক উপকারিতা
মানসিক প্রশান্তি: আধুনিক জীবনের মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা দূর করতে নামাজের চেয়ে উত্তম কোনো প্রতিষেধক নেই। নামাজে দাঁড়ালে মন শান্ত হয়।
শারীরিক সুস্থতা: নামাজের রুকু, সিজদা ও ওঠাবসা মানুষের শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, পেশি ও জয়েন্ট সচল রাখে এবং এক ধরণের চমৎকার শারীরিক ব্যায়াম হিসেবে কাজ করে।
সংক্ষেপে: নামাজ শুধু একটি ইবাদত নয়, এটি একজন মুসলিমের জীবনের ভিত্তি। এটি মানুষের ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির একমাত্র সহজ পথ।
#তাহযীবএকাডেমী
#দাওয়াহ
12/06/2026
আজ জুমআর দিন।
11/06/2026
ইসলামে সালাম (السلام عليكم - আসসালামু আলাইকুম) কেবল একটি সাধারণ অভিবাদন বা সামাজিক রীতি নয়, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত এবং সুন্নাত। 'সালাম' শব্দের অর্থ শান্তি, কল্যাণ ও নিরাপত্তা।
মানবজীবনে সালামের গুরুত্ব ও ফজিলত অপরিসীম। নিচে এর প্রধান কয়েকটি দিক উল্লেখ করা হলো:
১. আল্লাহর পক্ষ থেকে বরকতময় দোয়া।
সালামের মাধ্যমে আমরা একে অপরের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তার দোয়া করি। যখন কেউ বলে "আসসালামু আলাইকুম", তার অর্থ হলো— "আপনার ওপর আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হোক।" এটি কোনো সাধারণ শুভেচ্ছা নয়, বরং পবিত্র কুরআনে একে আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি "বরকতময় ও পবিত্র দোয়া" হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
২. পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি।
সালামের মাধ্যমে মানুষের মনের অহংকার, হিংসা ও বিদ্বেষ দূর হয়। সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্য ছড়ানোর সবচেয়ে সহজ উপায় এটি।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আর তোমরা ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না একে অপরকে ভালোবাসবে। আমি কি তোমাদের এমন একটি বিষয়ের কথা বলব না, যা করলে তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা সৃষ্টি হবে? তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের ব্যাপক প্রচলন করো।" (সহীহ মুসলিম)
৩. সওয়াব ও নেকি অর্জন।
সালাম আদান-প্রদানের মাধ্যমে খুব সহজেই বিপুল সওয়াব লাভ করা যায়। সালামের শব্দের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে নেকির তারতম্য হয়:
আসসালামু আলাইকুম বললে — ১০টি নেকি।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ বললে — ২০টি নেকি।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু বললে — ৩০টি নেকি।
৪. অহংকার থেকে মুক্তি।
আগে সালাম দেওয়া ব্যক্তি অহংকার থেকে মুক্ত থাকে। যে ব্যক্তি নিজে থেকে অন্যকে আগে সালাম দেয়, ইসলামে তার মর্যাদা অনেক বেশি। রাসূলুল্লাহ (সা.) ছোট-বড়, ধনী-দরিদ্র সবাইকে আগে সালাম দিতেন।
৫. জান্নাতে যাওয়ার সহজ পথ।
সালামের প্রসার ঘটানো জান্নাতে যাওয়ার অন্যতম একটি মাধ্যম। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "হে লোকসকল! তোমরা সালামের প্রচার করো, (ক্ষুধার্তকে) অন্ন দান করো এবং মানুষ যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন রাতে সালাত (তাহাজ্জুদ) আদায় করো; তাহলে তোমরা শান্তিতে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।" (তিরমিজি)
👉 সালামের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম ও আদব:
সালাম দেওয়া সুন্নাত, কিন্তু উত্তর দেওয়া ওয়াজিব (আবশ্যক)।
উত্তর দেওয়ার সময় অন্তত সালামের সমপরিমাণ বা তার চেয়ে বাড়িয়ে সুন্দরভাবে উত্তর দেওয়া উচিত (যেমন: ওয়ালাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ)।
চেনা-অচেনা সব মুসলিমকেই সালাম দেওয়া নিয়ম।
আরোহী ব্যক্তি হেঁটে চলা ব্যক্তিকে, পথচলতি ব্যক্তি বসা ব্যক্তিকে এবং ছোটরা বড়দের সালাম দেবে।
সংক্ষেপে, সালাম হলো সমাজে শান্তি, নিরাপত্তা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার এক চমৎকার ঐশী উপহার। তাই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বেশি বেশি সালামের চর্চা করা উচিত।
#তাহযীবএকাডেমী
#দাওয়াহ
পৃথিবীতে পিতা-মাতার চেয়ে আপন এবং নিঃস্বার্থ আর কেউ নেই। আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীতে আসা, বেঁচে থাকা এবং একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান তাদের। মা যেমন নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, তীব্র কষ্ট সহ্য করে আমাদের গর্ভে ধারণ করেছেন এবং পরম মমতায় বড় করেছেন; বাবা ঠিক তেমনি একজন নিঃশব্দ অভিভাবক হয়ে, রোদে পুড়ে ও ঘাম ঝরিয়ে আমাদের সব স্বপ্ন পূরণ করেছেন। পিতা-মাতা হলেন সন্তানের জীবনের সেই মজবুত ভিত্তি, যার ওপর ভর করে সন্তান সফলতার শিখরে পৌঁছায়।
সব ধর্ম ও সমাজে পিতা-মাতাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআনে পিতা-মাতার সাথে উত্তম আচরণের নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, তাদের সন্তুষ্টির মাঝেই আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি নিহিত। মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত আর বাবার সন্তুষ্টির মাধ্যমেই জান্নাতের দরজা খোলে। দুনিয়ার সব সম্পর্কে কোনো না কোনো স্বার্থের হিসাব থাকতে পারে, কিন্তু পিতা-মাতার ভালোবাসায় কোনো শর্ত বা স্বার্থ থাকে না। সন্তান যত বড়ই হোক না কেন, তাদের কাছে সে সারাজীবন অবুঝ শিশুই থেকে যায়।
বর্তমান ব্যস্ত সময়ে আমরা অনেকেই মা-বাবার অবদানের কথা ভুলে যাই। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন, আজ আমরা যে অবস্থানে পৌঁছেছি, তার পেছনে রয়েছে মায়ের বিনিদ্র রজনীর প্রার্থনা আর বাবার আজীবন কঠোর পরিশ্রম। তাই বার্ধক্যে যখন তারা দুর্বল হয়ে পড়েন, তখন তাদের পাশে থাকা, সম্মানের সাথে আগলে রাখা এবং হাসিমুখে তাদের সেবা করা সন্তানের প্রধান দায়িত্ব। পিতা-মাতার মুখে এক চিলতে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় কোনো পুণ্য বা মোটিভেশন পৃথিবীতে হতে পারে না। তাদের অবহেলা করে জীবনে কখনো প্রকৃত সুখ ও সফলতা পাওয়া সম্ভব নয়।
#তাহযীবএকাডেমী
#দাওয়াহ
10/06/2026
👉 Admissions are open.
মানবজীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ হলো সত্যবাদিতা। সত্য কথা বলার অভ্যাস কেবল একজন ব্যক্তির চরিত্রকেই উন্নত করে না, বরং সমাজে তার গ্রহণযোগ্যতা ও সম্মান বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। যে মানুষ সর্বদা সত্য কথা বলে, সমাজের সবাই তাকে বিশ্বাস করে এবং বিপদে-আপদে তার ওপর ভরসা রাখে।
মিথ্যা সাময়িকভাবে কোনো সুবিধা দিতে পারলেও, তা দীর্ঘমেয়াদে মানুষের পতন ডেকে আনে। একটি মিথ্যাকে ঢাকতে গিয়ে বারবার মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়, যা মানুষের মানসিক শান্তি নষ্ট করে। অন্যদিকে, সত্যবাদিতা মানুষের মনে এক অদ্ভুত প্রশান্তি ও সাহস জোগায়।
ইসলামসহ পৃথিবীর সব ধর্মেই সত্য কথা বলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। একটি সুন্দর, বৈষম্যহীন এবং বিশ্বাসযোগ্য সমাজ গঠনে সত্যবাদিতার কোনো বিকল্প নেই। তাই জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের সত্য বলার মানসিকতা গড়ে তোলা উচিত।
#দাওয়াহ
#তাহযীবএকাডেমী
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Mirpur-2, Dhaka-1216
Dhaka