ব্যাংকে অফিস চলাকালীন সময়ে সতর্কতা জরুরি!
Teacher Job Solutions
চাকুরির বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্ন-উত্তর
04/06/2026
মেয়েকে শ্বশুরবাড়ী পাঠানোর সময় পিতার দেয়া ১০টি উপদেশ:-
১) #ঘরের_আগুন_বাইরে_নিও_না – অর্থাৎ ঘরে শ্বশুর-শাশুড়ির কোন অপরাধ বা দোষ দেখলেও বাইরের লোকের কাছে তা প্রকাশ করিও না।
২) #বাইরের_আগুন_ঘরে_আনিও_না – অর্থাৎ বাইরের যেকোন হিংসা-নিন্দা, কটু আলাপ, যেটা তোমার শ্বশুর-শাশুড়িকে অনেকে বলে থাকতে পারে। সে নিন্দাজানক কথাগুলো বাড়িতে কাউকে প্রকাশ করিও না।
৩) #যে_ফেরত_দেয়_তাকে_দিও – অর্থাৎ কোন ব্যক্তি যদি কোন কিছু ধার নিয়ে যথাসময়ে আবার ফেরত দেয়, পরবর্তীকালে সে আবার চাইলে তাকে সেভাবে ধার দিও।
৪) #যে_দেয়_না_তাকে_দিও_না – অর্থাৎ কেউ কেউ ধার নিয়ে আর ফেরত দেয় না। এমন লোককে কোনদিন ধার দিও না।
৫) #ফেরত_না_দিলেও_দিও – অর্থাৎ তোমার শ্বশুর পক্ষের এমন আত্মীয়-স্বজন থাকতে পারে যারা গরীব। তারা তোমার কাছে এসে কিছু জিনিস চাইতে পারে। যথাসময়ে তারা ফেরত দিতে না পারলেও তাদেরকে দিও।
৬) #সুখে_উপবেশন_করিও – অর্থাৎ এমন জায়গায় তুমি বসবে, তোমার বড়জন আসলে যেন বার বার উঠে আসন বদলাতে না হয়।
৭) #সুখে_আহার_করিও – অর্থাৎ শ্বশুর-শাশুড়ি, বড়জনদের আহার না দিয়ে তুমি খেয়ো না। আগে তাদের খাওয়াবে তারপরেই তুমি খাবে।
৮) #সুখে_শয়ন_করিও – অর্থাৎ গুরুজনদের বিছানায় তুলে দিয়ে ঘর-দুয়ার সব ঠিক আছে কিনা, জিনিসপত্র স্বস্থানে রাখা হয়েছে কিনা– দেখে তারপরেই তুমি ঘুমাতে যাবে।
৯) #আগুনকে_সেবা_করিও – অর্থাৎ শ্বশুর-শাশুড়িকে আগুনের সাথে তুলনা করা হয়েছে। তাদেরকে যদি কেউ অবিচার, অশ্রদ্ধা করে, তাদের মনে একটা দুঃখ, একটা অভিশাপ বিষের ন্যায় কাজ করবে।
১০) #গৃহজনদের_সম্মান_করিও – অর্থাৎ শ্বশুর-শাশুড়ি গুরুজন পর্যায়ের ব্যক্তি। তাদেরকে সেভাবে সম্মান করিও। গৃহে তারা গুরুজনের ন্যায়।
01/06/2026
জরুরি!
দয়া করে এই বার্তাটি এখনই আপনার পরিবার ও বন্ধুদের কাছে পাঠান।
কিছু লোক নিচের নম্বরগুলো থেকে কল পাচ্ছেনঃ
Tel: +94777455913
Tel: +37127913091
Tel: +37178565072
Tel: +56322553736
Tel: +37052529259
Tel: +255901130460
অথবা +371 / +375 / +381 দিয়ে শুরু হওয়া যেকোনো নম্বর থেকে।
এরা একবার ফোন করে কেটে দেয়। আপনি যদি ফিরে কল করেন, তবে ৩ সেকেন্ডের মধ্যে আপনার কনট্যাক্ট লিস্ট কপি হয়ে যেতে পারে, এবং আপনার ফোনে যদি ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য থাকে—তাও কপি হয়ে যেতে পারে।
+375 — বেলারুশ
+371 — লাতভিয়া
+381 — সার্বিয়া
+563 — ভালপ্যারাইসো
+370 — ভিলনিয়াস
+255 — তানজানিয়া
এই নম্বরগুলোর কল রিসিভ করবেন না বা ফেরত কল করবেন না। এছাড়া— কোনো কলার আপনাকে যদি #90 বা #09 প্রেস করতে বলে, কখনোই চাপবেন না। এটি একটি নতুন প্রতারণার কৌশল, যার মাধ্যমে তারা আপনার সিম কার্ডে প্রবেশ পায়, আপনার নম্বর ব্যবহার করে কল করতে পারে এবং আপনাকে অপরাধে জড়িয়ে দিতে পারে।
দয়া করে এই বার্তাটি যতজনকে পারেন ফরোয়ার্ড করুন, যাতে সবাই সতর্ক থাকতে পারে!
# # সাইবার ক্রাইম বিভাগ, বাংলাদেশ পুলিশ। # #
01/06/2026
ভোরে ফাঁসি হয়ে যায় রেহানে জাবারির, তারিখটা ছিল ২২ অক্টোবর, ২০১৪। বয়স হয়েছিল ২৬ বছর। ধর্ষণ এড়াতে আততায়ীর বুকে ছুরি বসানোর অপরাধে তাকে প্রাণদণ্ড দেয় ইরানের সুপ্রিম কোর্ট। রেহানের ফাঁসির আদেশের বিরোধিতা করে গোটা বিশ্বের অজস্র মানবাধিকার সংগঠন। প্রাণভিক্ষার আরজি জানান দুনিয়ার তাবৎ জননেতা। এমনকি, মেয়ের বদলে তাকেই ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলানো হোক বলে মিনতি করেন রেহানের মা শোলেহ। কিন্তু কোনো কিছুতেই কান দেয় না সরকার।
ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই নিভিয়ে দেওয়া হয় ছাব্বিশের তরতাজা প্রাণ রেহানেকে। মৃত্যুর আগে মাকে শেষ চিঠি লিখে গিয়েছেন রেহানে। হৃদয় নিংড়ানো সেই চিঠিতে মা'কে শোকগ্রস্ত হতে বার বার বারণ করেছেন তিনি। মৃত্যুকে তিনি অভিহিত করেছেন নিয়তির বিধান হিসেবে, তবে সে জন্য তিলমাত্র অনুতাপ করেননি।
বরং ফাঁসির পর তার দেহাংশ দান করার অনুরোধ জানিয়েছেন জন্মদাত্রীকে। রেহানের সেই মর্মস্পর্শী চিঠি গণমাধ্যমের হাতে তুলে দিয়েছেন মানবাধিকার সংগঠন ও শান্তিকামী গোষ্ঠীর সদস্যরা।
# # # # # # # # # # # # # # #
মাকে লেখা রেহানে জাবারির শেষ চিঠি
প্রিয় শোলেহ,
আজ জানতে পারলাম এবার আমার কিসাস (ইরানের আইনব্যবস্থায় কর্মফলবিষয়ক বিধি) এর সম্মুখীন হওয়ার সময় হয়েছে। জীবনের শেষ পাতায় যে পৌঁছে গিয়েছি, তা তুমি নিজের মুখে আমায় জানাওনি ভেবে খারাপ লাগছে। তোমার কি মনে হয়নি যে এটা আমার আগেই জানা উচিত ছিল? তুমি দুঃখে ভেঙে পড়েছ জেনে ভীষণ লজ্জা পাচ্ছি। ফাঁসির আদেশ শোনার পর তোমার আর বাবার হাতে চুমু খেতে দাওনি কেন আমায়?
দুনিয়া আমায় ১৯ বছর বাঁচতে দিয়েছে। সেই অভিশপ্ত রাতে আমারই তো মরে যাওয়া উচিত ছিল, তাই না? আমার মৃতদেহ ছুঁড়ে ফেলার কথা ছিল শহরের কোনো অজ্ঞাত কোণে। কয়েক দিন পর মর্গে যা শনাক্ত করার কথা ছিল তোমার। সঙ্গে এটাও জানতে পারতে যে হত্যার আগে আমাকে ধর্ষণও করা হয়েছিল। হত্যাকারীরা অবশ্যই ধরা পড়ত না, কারণ আমাদের না আছে অর্থ, না ক্ষমতা। তারপর বাকি জীবনটা সীমাহীন শোক ও অসহ্য লজ্জায় কাটিয়ে কয়েক বছর পর তোমারও মৃত্যু হতো। এটাই যে হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু সে রাতের আকস্মিক আঘাত সব কিছু ওলটপালট করে দিল। শহরের কোনো গলি নয়, আমার শরীরটা প্রথমে ছুঁড়ে ফেলা হলো এভিন জেলের নিঃসঙ্গ কুঠুরিতে, আর সেখান থেকে কবরের মতো এই শাহর-এ রায় কারাগারের সেলে। কিন্তু এ নিয়ে অনুযোগ করো না মা, এটাই নিয়তির বিধান। আর তুমি তো জানো যে মৃত্যুতেই সব শেষ হয়ে যায় না।
মা, তুমিই তো শিখিয়েছ অভিজ্ঞতা লাভ ও শিক্ষা পাওয়ার জন্যই আমাদের জন্ম। তুমি বলেছিলে, প্রত্যেক জন্মে আমাদের কাঁধে এক বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া থাকে। মাঝে মাঝে লড়াই করতে হয়, সে শিক্ষা তো তোমার থেকেই পেয়েছি। সেই গল্পটা মনে পড়ছে, চাবুকের ঝাপ্টা সহ্য করতে করতে একবার প্রতিবাদ জানানোর ফলে আরও নির্মমতার শিকার হয়েছিল এক ব্যক্তি। শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়। কিন্তু প্রতিবাদ তো সে করেছিল! আমি শিখেছি, সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে হলে অধ্যবসায় প্রয়োজন। তার জন্য যদি মৃত্যুও আসে, তাকেই মেনে নিতে। স্কুলে যাওয়ার সময় তুমি শিখিয়েছিলে, নালিশ ও ঝগড়াঝাটির মাঝেও যেন নিজের নারীসত্ত্বাকে বিসর্জন না দিই। তোমার মনে আছে মা, কত যত্ন করেই না মেয়েদের খুঁটিনাটি সহবত শিখিয়েছিলে আমাদের? কিন্তু তুমি ভুল জানতে মা। এই ঘটনার সময় আমার সে সব তালিম একেবারেই কাজে লাগেনি। আদালতে আমায় এক ঠাণ্ডা মাথার খুনি হিসেবে পেশ করা হয়। কিন্তু আমি চোখের পানি ফেলিনি। ভিক্ষাও করিনি। আমি কাঁদিনি কারণ আইনের প্রতি আমার অটুট আস্থা। কিন্তু বিচারে বলা হলো, খুনের অভিযোগের মুখেও নাকি আমি নিরুত্তাপ। আচ্ছা মা, আমি তো কোনোদিন একটা মশাও মারিনি। আরশোলাদের চটিপেটা না করে শুঁড় ধরে জানলার বাইরে ফেলে দিয়েছি। সেই আমিই নাকি মাথা খাটিয়ে মানুষ খুন করেছি! উল্টো ছোটবেলার ওই কথাগুলো শুনে বিচারপতি বললেন, আমি নাকি মনে মনে পুরুষালি। তিনি একবার চেয়েও দেখলেন না, ঘটনার সময় আমার হাতের লম্বা নখের ওপর কী সুন্দর নেল পালিশের জেল্লা ছিল। হাতের তালু কত নরম তুলতুলে ছিল। সেই বিচারকের হাত থেকে সুবিচার পাওয়ার আশা অতি বড় আশাবাদীও করতে পারে কি? তাই তো নারীত্বের পুরস্কার হিসেবে মাথা মুড়িয়ে ১১ দিনের নির্জনবাসের হুকুম দেওয়া হলো। দেখেছ মা, তোমার ছোট্ট রেহানে এই কয়েক দিনেই কতটা বড় হয়ে গিয়েছে।
এবার আমার অন্তিম ইচ্ছেটা বলি শোনো। কেঁদো না মা, এখন শোকের সময় নয়। ওরা আমায় ফাঁসি দেওয়ার পর আমার চোখ, কিডনি, হৃদযন্ত্র, হাড় আর যা যা কিছু দরকার যেন আর কারও জীবন রক্ষা করতে কাজে লাগানো হয়। তবে যিনিই এসব পাবেন, কখনোই যেন আমার নাম না জানেন। আমি চাই না এর জন্য আমার সমাধিতে কেউ ফুলের তোড়া রেখে আসুক। এমনকি তুমিও নয়। আমি চাই না আমার কবরের সামনে বসে কালো পোশাক পরে কান্নায় ভেঙে পড়ো তুমি। বরং আমার দুঃখের দিনগুলো সব হাওয়ায় ভাসিয়ে দিও। এই পৃথিবী আমাদের ভালোবাসেনি, মা। চায়নি আমি সুখী হই। এবার মৃত্যুর আলিঙ্গনে তার পরিসমাপ্তি ঘটতে চলেছে। তবে সৃষ্টিকর্তার এজলাসে সুবিচার আমি পাবই। সেখানে দাঁড়িয়ে আমি অভিযোগের আঙুল তুলব সেই সমস্ত পুলিশ অফিসারের দিকে, বিচারকদের দিকে, আইনজীবীদের দিকে, আর তাদের দিকে যারা আমার অধিকার বুটের নিচে পিষে দিয়েছে, বিচারের নামে মিথ্যা ও অজ্ঞানতার কুয়াশায় সত্যকে আড়াল করেছে। একবারও বোঝার চেষ্টা করেনি, চোখের সামনে যা দেখা যায় সেটাই সর্বদা সত্যি নয়।
আমার নরম মনের শোলেহ, মনে রেখো সেই দুনিয়ায় তুমি আর আমি থাকব অভিযোগকারীর আসনে। আর ওরা দাঁড়াবে আসামির কাঠগড়ায়। দেখিই না, সৃষ্টিকর্তা কী চান! তবে একটাই আরজি, মৃত্যুর হাত ধরে দীর্ঘ যাত্রা শুরুর প্রাক মুহূর্ত পর্যন্ত তোমায় জড়িয়ে থাকতে চাই, মাগো! তোমায় যে খুব খু-উ-ব ভালবাসি।
রেহানে জেবারির নিজের হাতে লেখা চিঠির বাংলা অনুবাদ।
Muhammed Nurul Absar
সংগৃহীত পোস্ট
31/05/2026
লোকটিকে অনেকেই চিনবেন না। আমি ওনার সম্পর্কে প্রথম জেনেছিলাম একটি ইউটিউব পডকাস্ট থেকে।
এই ব্যক্তির নাম ধনঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়। পেশায় ছিলেন একটি আবাসিক ভবনের সিকিউরিটি গার্ড। ২০০৪ সালের ১৫ অগাস্ট কলকাতার আলিপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ধনঞ্জয়কে ধর্ষণের অভিযোগে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ১৯৯০ সালের ৫ মার্চ কলকাতার ভবানীপুরে ১৬ বছর বয়সী স্কুলছাত্রী হেতাল পারেখ তার নিজের ফ্ল্যাটে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হন। পরিবারের সন্দেহের ভিত্তিতে নিরাপত্তারক্ষী ধনঞ্জয়কে গ্রেপ্তার করা হয় এবং আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।
দীর্ঘ ১৪ বছর ধনঞ্জয়ের মামলা লড়েছেন তার দরিদ্র পিতা। নিজেদের ভিটেমাটি সবকিছু বিক্রি করে ছেলেকে নির্দোষ প্রমাণের সবচেষ্টা ব্যর্থ হবার পর ভারতের রাষ্ট্রপতির নিকটও ছেলের প্রাণভিক্ষার আবেদন করে প্রত্যাখাত হন ধনঞ্জয়ের পিতা। ধর্ষণের অভিযোগে ধনঞ্জয়কে যখন আটক করা হয়, বেচারা তার মাত্র তার ৮ মাস আগে বিয়ে করেছিলেন।
হেতালের ধনী পরিবার, কলকাতার এলিট স্কুলের ছাত্রী। সব মিলিয়ে হেতালের মার্ডারের ঘটনা সে সময় বিরাট আলোড়ন তুলেছিল। সুতরাং এই মামলার বিচার এবং কার্যকরে সরকারের উপর চাপ ছিল। পুলিশও নিজেদের উপর থেকে চাপ কমাতে ধনঞ্জয়কে দোষী বানিয়ে রিপোর্ট দিয়ে দেয়। অতঃপর জনগণ শান্ত হয়।
ধনঞ্জয়ের ফাঁসি কার্যকরের পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন শিক্ষক ধনঞ্জয়ের মামলা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। গবেষণা শেষে পরমেশ গোস্বামী, দেবাশীষ সেনগুপ্ত এবং প্রবাল চৌধুরী একটি বই লিখেন- 'আদালত, মিডিয়া, সমাজ এবং ধনঞ্জয়ের ফাসি'!
ওনারা দেখান ধনঞ্জয়ের মামলার বিচার প্রক্রিয়া কতটা জনতুষ্টিবাদ (populist) প্রভাবিত ছিল। কীভাবে সারকামস্ট্যান্সেসিয়াল এভিডেন্সের উপর ভিত্তি করে ধনঞ্জয়কে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল। তদন্তে এবং বিচারের কোথায় কোথায় গ্যাপ ছিল, কোন জিনিসগুলা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছিল। যতদিনে ধনঞ্জয়ের বিচার যে একটা জনতুষ্টিবাদি বিচার ছিল বলে প্রফেসরেরা প্রমাণ করেছিলেন, ততদিনে বেচারার ফাঁসি হয়ে গেছে!
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরে ২০১৭ সালে 'ধনঞ্জয়' নামে একটা মুভি হয়। কৌশিক সেন, মিমি চক্রবর্তী, অনির্বাণ এই মুভিতে অভিনয় করে। ধনঞ্জয়ের মামলার ত্রুটিপূর্ণ দিকগুলা এই মুভিতে চিত্রায়ণ করা হয়।
মূলত হেতাল পারেখকে ধনঞ্জয় নয়, খুন করেছিল স্বয়ং হেতালের মা। আর হেতাল পারেখকে ধর্ষণও করা হয়নি। কিশোরী হেতাল পারেখের সাথে তার বয়ফ্রেন্ডের শারীরিক সম্পর্ক হয়েছিল সম্ভবত। বিষয়টা হেতালের মা কোনোভাবে বুঝতে পারে এবং ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়ের সাথে রাগারাগি করে, মারধর করে। মারধরের একপর্যায়ে এক্সিডেন্টালি হেতাল মারা যায়। তখন কৌশলে হেতালের মা নিজের মেয়ের খুন এবং ধর্ষণের দায় চাপিয়ে দেয় ফ্ল্যাটের সিকিউরিটি গার্ড ধনঞ্জয়ের উপর।
আনফরচুনেটলি ধনঞ্জয় সেদিন তার ছোট ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে গ্রামের বাড়ি চলে আসে। সেই সুযোগে এরা প্রচার করে- ধনঞ্জয় খুন করে পালিয়েছে। ততদিনে মিডিয়া আর নতুন কিছু গ্রহণের অবস্থায় নাই। ধনঞ্জয়ই খুন করেছে এটা ধরে নিয়ে একের পর এক রিপোর্ট করতে থাকে। পুলিশও আর জনগণের ধারণার বিপরীতে তদন্ত রিপোর্ট দেয়নি। বরং সবাই যেহেতু বিশ্বাস করে নিয়েছে ধনঞ্জয়ই খুন করেছে, তাদের জন্য ধনঞ্জয়ের বিরুদ্ধে রিপোর্ট দেয়াই আরামদায়ক ছিল।
যাই হোক, ধনঞ্জয়ের ঘটনা সামনে নিয়ে আসা হলো, কারণ দেশে আবারও ধর্ষণের ঘটনা বেশি বেশি সামনে আসছে এবং আসবে। ধর্ষণের বিচার ১৫ দিনে করতে হবে বা ১ মাসে করতে হবে এই ধরনের জনমত তৈরি হচ্ছে।
তবে প্রসেস ফলো না করে জনতুষ্টির পথে হাটলে অনেক সময় নির্দোষ মানুষও যে ভিক্টিম হয়ে যায়, কর্তৃপক্ষের উচিৎ হবে এ বিষয়টি মাথায় রেখেই বাস্তবসম্মত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।
30/05/2026
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন।
Teacher Job Solutions Facebook
29/05/2026
নিঃসন্দেহে জেট ইঞ্জিনকে এই শতাব্দীর আধুনিক ইন্ডাস্ট্রির সেরা শিল্পকর্ম বলা যায়। আর সেই শিল্পকর্মের মাথার মুকুট হল সিঙ্গেল ক্রিস্টাল টারবাইন ব্লেড টেকনোলজি, যেটা জেট ইঞ্জিনের হাজার হাজার ডিগ্রি উষ্ণতাকে সহ্য করেও গলে না। ফলস্বরূপ একটা যুদ্ধবিমান ঘণ্টার পর ঘণ্টা আকাশে উড়তে পারে।
এই উচ্চ সহনশীল অথচ পাতলা ধাতুর ব্লেড ছাচে ঢালাই করার প্রযুক্তি অত্যন্ত উচ্চমানের এবং যুগের পর যুগ গবেষণার ফল। আধুনিক দুনিয়ায় মাত্র পাঁচটি দেশের কাছে এই ব্লেড তৈরির প্রযুক্তি রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন এবং সর্বশেষ সংযোজন হল চীন।
ইঞ্জিনের এই হট-সেকশনের উপাদান ব্লেডগুলো যত বেশি তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে, শক্তি রূপান্তরের দক্ষতা তত বেশি হয়, যার ফলে অধিক থ্রাস্ট, কম জ্বালানি খরচ এবং উন্নত সামগ্রিক কর্মক্ষমতা পাওয়া যায়।
সম্প্রতি চীনের এইসিসি বেইজিং ইনস্টিটিউট অফ অ্যারোনটিক্যাল ম্যাটেরিয়ালস-এর প্রধান প্রকৌশলী লি জিয়ারং তার দলের সাথে সম্পূর্ণ নিজ প্রচেষ্টায় (আইপি) অধিকারসহ একটি সিঙ্গেল ক্রিস্টাল ব্লেড সুপারঅ্যালয় তৈরি করেছেন, যা আন্তর্জাতিক উন্নত পর্যায়ে পৌঁছেছে।এই ব্লেডটি ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত দ্বিতীয় প্রজন্মের সিঙ্গেল ক্রিস্টাল ব্লেড গুলির চেয়ে উন্নত বা সমতুল্য কর্মক্ষমতা প্রদান করে।” তাছাড়া এর উৎপাদন খরচও কম।
১৯৮০-এর দশক থেকে, এই প্রতিষ্ঠানটি মেধাস্বত্ব অধিকারসহ সিঙ্গেল ক্রিস্টাল ব্লেড উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে এবং এর পাশাপাশি চীনের প্রথম টারবাইন ব্লেড ও প্রথম সিঙ্গেল ক্রিস্টাল ফাঁপা টারবাইন ব্লেডসহ আরও অনেক কিছু তৈরি করেছে। সিএমজি-র মতে, এই অর্জনগুলো চীনের একাধিক প্রযুক্তিগত শূন্যতা পূরণ করেছে। আর চীনকে পঞ্চম দেশ হিসেবে আধুনিক জেট ইঞ্জিন প্রযুক্তি দিয়েছে।
সংকর ধাতু গলানো ও প্রস্তুত করা থেকে শুরু করে চূড়ান্ত পণ্য সরবরাহ পর্যন্ত এই ব্লেড তৈরিতে ১০টিরও বেশি প্রধান মূল প্রক্রিয়া জড়িত। এই মূল প্রক্রিয়াগুলোর প্রত্যেকটি আবার কয়েক ডজন উপ-ধাপে বিভক্ত।
সিএমজি উল্লেখ করেছে যে, চীন স্বাধীনভাবে সম্পূর্ণ প্রযুক্তি আয়ত্ত করতে সক্ষম মাত্র পাঁচটি দেশের মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছে।
সূত্র:গ্লোবাল টাইমস।
#বাংলাদেশী
26/05/2026
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার শেরপুর রোডের বাসিন্দা মারিয়া হাসান মাইশা অর্জন করেছেন এক অসাধারণ সাফল্য। তিনি Asian University For Women -এ অধ্যয়নের জন্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকার (৬০ হাজার মার্কিন ডলার) মর্যাদাপূর্ণ স্কলারশিপ পেয়েছেন। চার বছর মেয়াদি এই স্কলারশিপের আওতায় তিনি প্রতি বছর পাবেন ১৫ হাজার ডলার, যা তার উচ্চশিক্ষার সম্পূর্ণ পথকে আর্থিকভাবে সুরক্ষিত করবে।
২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর গত ১ জুলাই তিনি Chevron Bangladesh-এর সহায়তায় পরিচালিত STEM-ভিত্তিক সামার স্কুল প্রোগ্রামে অংশ নেন। এই প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করার পরই তার জন্য খুলে যায় আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার এই বড় সুযোগের দরজা।
মাইশার বাবা, ব্যাংকের কর্মকর্তা মনজুর হাসান মনির, ২০১৭ সালে মারা যান। এরপর থেকে তার মা রেবেকা সুলতানা ছোট একটি পোশাক ব্যবসা পরিচালনা করে পরিবারের দায়িত্ব বহন করে আসছেন। প্রতিকূলতার মধ্যেও মাইশা নবীগঞ্জ উপজেলার নবীগঞ্জ জে. কে. হাই স্কুল থেকে ২০২৩ সালে এসএসসি এবং পরে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ২০২৫ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন।
মানবিক বিভাগ থেকে উঠে এসে বিজ্ঞানভিত্তিক সামার স্কুলে অংশ নেওয়া তার জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সেই চ্যালেঞ্জ জয় করেই তিনি প্রমাণ করেছেন, সুযোগ ও পরিশ্রম থাকলে সীমাবদ্ধতা ভেঙে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
প্রায় ৭৫ লাখ টাকার এই স্কলারশিপ শুধু মাইশার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি তার পরিবারের দীর্ঘ সংগ্রামের স্বীকৃতি এবং বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মা ও বড় ভাইয়ের নিরন্তর সমর্থন, শিক্ষকদের উৎসাহ এবং নিজের অদম্য চেষ্টা তাকে পৌঁছে দিয়েছে এই গৌরবময় সাফল্যে।
25/05/2026
প্রাচীনকালে হাজিদের যাতায়াত ছিল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ। আধুনিক গাড়ি, বিমান বা আরামদায়ক যানবাহনের বদলে তাঁদের প্রধান বাহন ছিল উট, ঘোড়া ও পালকি। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে স্থলপথ ও জলপথে বিভিন্ন প্রতিকূলতা ও বিপদ পাড়ি দিয়ে হাজিদের মক্কা - মদিনায় পৌঁছাতে হতো।
প্রাচীনকালের হজযাত্রার উল্লেখযোগ্য দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলোঃ প্রধান যাতায়াত পথ ছিল স্থলপথ: দূর-দূরান্তের হাজিদের দল বা কাফেলা তৈরি করে মরুভূমি, পাহাড় ও জঙ্গল পাড়ি দিতে হতো। ভারতীয় উপমহাদেশ, আফগানিস্তান ও ইরানের হাজিদের মধ্যপ্রাচ্যের রুক্ষ পথ ধরে হেঁটে বা উটের পিঠে মক্কায় পৌঁছাতে হতো। জলপথ: বঙ্গোপসাগর বা আরব সাগর হয়ে পাল তোলা বড় জাহাজে সমুদ্রযাত্রা করতেন অনেকে। এরপর জলপথ থেকে নেমে লোহিত সাগর বা অন্য পথ ধরে স্থলপথে মক্কায় প্রবেশ করতে হতো।
যাতায়াতের প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও প্রতিকূলতাঃ মরুভূমির তীব্র গরম, বালুঝড় ও পানির অভাব ছিল নিত্যসঙ্গী। প্রাচীন বাণিজ্য পথ ও দুর্গম এলাকায় প্রায়ই দস্যু বা ডাকাত দলের কবলে পড়ে হাজিদের সর্বস্ব হারাতে হতো।
ভ্রমণকালঃ প্রাচীন যোগাযোগ ব্যবস্থায় পুরো ভারত বা দূরপ্রাচ্য থেকে হজে গিয়ে আবার ফিরে আসতে প্রায় এক বছর বা তার বেশি সময় লেগে যেত। ঐতিহাসিক যাত্রাপথ (কাফেলা প্রথা) হাজিদের নিরাপত্তার জন্য তৎকালীন মুসলিম খলিফা ও শাসকরা নির্দিষ্ট কিছু পথ এবং কাফেলা (Caravan) ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন।
দামেস্ক রুট (শামে রাজপথ): সিরিয়া ও দামেস্ক থেকে হাজীদের দল একত্রিত হয়ে মক্কায় আসত।
বাগদাদ রুট (দারব জুবাইদা): তৎকালীন সময়ে এটি ইরাক থেকে মক্কা পর্যন্ত একটি অত্যন্ত সুসংগঠিত পথ ছিল, যেখানে হাজিদের সুবিধার্থে বিশ্রামাগার ও পানির কূপ তৈরি করা হয়েছিল। সময়ের বিবর্তনে যাতায়াত ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ঘটেছে। বর্তমানে বিমান, দ্রুতগতির ট্রেন ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসের কল্যাণে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাজিরা সহজে তাঁদের পবিত্র হজ পালন করতে পারছেন।
ভারতের নাগাল্যান্ডের মানুষের প্রিয় খাবার
"কুত্তা বিরিয়ানি"
।।।।।।।।।।।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1230
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 18:00 |
| Tuesday | 10:00 - 18:00 |
| Wednesday | 10:00 - 18:00 |
| Thursday | 10:00 - 18:00 |
| Friday | 00:00 - 00:00 |
| Saturday | 00:00 - 00:00 |
| Sunday | 10:00 - 18:00 |