16/06/2026
Majumder Digital Survey
ডিজিটাল পদ্ধতিতে জমি পরিমাপ করা হয়।
16/06/2026
18/05/2026
রাসূল ﷺ বলেছেন:-
১. "যখন কোনো বান্দা গুনাহ করে, তখন তার অন্তরে একটা কালো দাগ পড়ে যায়।
২. যদি সে তওবা করে, গুনাহ ছেড়ে দেয় এবং ক্ষমা চায়, তাহলে তার অন্তর পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩. আর যদি সে গুনাহ বাড়াতেই থাকে, তাহলে সেই কালো দাগও বাড়তে থাকে।
৪. এটাই হলো সেই 'রান' যার কথা আল্লাহ বলেছেন: _'কখনোই না, বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের অন্তরে মরিচা ধরিয়ে দিয়েছে'।
[সূরা মুতাফফিফীন: ১৪]।
তিরমিজি: ৩৪, হাসান।
১. "অনবরত পাপ" মানে কি?
একটা গুনাহ করে তওবা না করে আবার করা, আবার করা। যেমন মিথ্যা বলা, গীবত করা, রাগে মারা। ছবিতে যেমন ভাঙা দেয়াল দেখানো হয়েছে, গুনাহও অন্তরকে এভাবে ভেঙে দেয়।
২. "দরিদ্র বানিয়ে ছাড়বে" কিভাবে?
গুনাহ করলে বরকত উঠে যায়।
- রিজিকের বরকত: টাকা থাকে কিন্তু শান্তি থাকে না।
- সময়ের বরকত: সারাদিন কাজ করেও মনে হয় কিছুই হলো না।
- ইবাদতের স্বাদ চলে যায়। নামাজে দাঁড়ালেও মন থাকে না।
রাসূল ﷺ বলেছেন: _"বান্দা গুনাহের কারণে যে রিজিক থেকে বঞ্চিত হয়।"
[মুসনাদ আহমদ: ২২৪৩৮]।
৩. "অসহায় বানিয়ে ছাড়বে" কিভাবে?
গুনাহ অন্তরকে শক্ত করে ফেলে। তখন:
- কান্না আসে না। "কান্না করতে মন চায় কিন্তু কান্না আসে না" - এটা গুনাহের কারণে হয়।
- আল্লাহর সাহায্য অনুভব হয় না। নিজেকে একা লাগে।
- শয়তানের ধোকায় পড়ে যায় সহজে।
৪. সমাধান কি?
হাদিসেই আছে: তওবা + গুনাহ ছেড়ে দেওয়া + ইস্তিগফার।
তাহলে অন্তর আবার পরিষ্কার হয়ে যায়, যেমন নতুন কাপড় ধুলে পরিষ্কার হয়।
06/05/2026
জমি কেনার আগে ১৫ টি চেকলিস্ট-
১. বিক্রেতা আসল মালিক কি না জাতীয় পরিচয়পত্র মিলিয়ে নিন। দলিলের নামের সাথে পরিচয় মিলছে কি না দেখুন।
২. রেজিস্ট্রি দলিল যাচাই করুন ও মূল দলিল দেখুন। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের সত্যতা যাচাই করুন ও তল্লাশি করুন।
৩. বর্তমান মালিকের নামে নামজারি আছে কি না দেখুন। এস এ রেকর্ডীয় মালিক হতে প্রয়োজন বোধে সি এস রেকর্ডীয় মালিক হতে বর্তমান মালিক পর্যন্ত চেইন মিলান।
৪. CS / SA / RS / BS খতিয়ান মিলিয়ে দেখুন ও যাচাই করে নিন।
৫. খাজনা পরিশোধ হয়েছে কি না
সর্বশেষ ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) রসিদ দেখুন।
৬. দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর মিলান
দলিল, খতিয়ান ও ম্যাপে একই তথ্য আছে কি না দেখুন।
৭. মৌজা ম্যাপ দেখে জমির সঠিক অবস্থান ও সীমানা বুঝুন।
৮. সরজমিনে জমি দেখুন শুধু কাগজ নয়, বাস্তবে জমি আছে কি না যাচাই করুন।
৯. দখল কার কাছে ও বাস্তবে কে জমি ভোগদখল করছে তা নিশ্চিত করুন।
১০. জমি নিয়ে মামলা আছে কি না
আদালতে মামলা চলমান কি না খোঁজ খবর নিন। প্রয়োজন হলে ভাল আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
১১. জমি বন্ধক আছে কি না ব্যাংক বা অন্য কারও কাছে বন্ধক রাখা কি না যাচাই করুন।
১২. সরকারি খাস জমি কি না এসিল্যান্ড অফিসে বা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাচাই করুন।
১৩. সব ওয়ারিশের সম্মতি আছে কি না
উত্তরাধিকার সূত্রে হলে সব ওয়ারিশ রাজি কি না অবশ্যই জেনে নিবেন। এজমালি জমি হলে অবশ্যই জমির অবস্থান চিহ্নিত ও দখল বুঝে নিবেন।
১৪. পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সত্য কি না
প্রতিনিধি বিক্রি করলে POA সত্যতা যাচাই করুন। এটা যাচাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
১৫. প্রতিবেশী, চেয়ারম্যান, স্থানীয় মানুষদের কাছ থেকে জমির সব তথ্য নিন জমির ইতিহাস জানুন।
“জমি কেনার আগে ৭ দিন তদন্ত করুন, না হলে ৭ বছর মামলা চলতে পারে।” তাড়াহুড়া করে জমি কিনবেন না। “দলিল দেখে নয়, যাচাই করে জমি কিনুন।"
01/05/2026
🔰জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারণাঃ
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।
#বন্টননামা_দলিল_ছাড়া_ওয়ারিশি_সম্পত্তি_নামজারি❤️
👉ওয়ারিশি সম্পত্তি দুইভাবে নামজারি করা যায়-
১। ওয়ারিশ সনদ দিয়ে সকল ওয়ারিশের নামে যৌথভাবে প্রত্যেক দাগে দাগে হিস্যা মোতাবেক নামজারি করতে বন্টননামা দলিল লাগবে না।
২। কোন ওয়ারিশ যদি জমাভাগের মাধ্যমে নিজ নামে নামজারি করে পৃথক খতিয়ান সৃজন করতে চান তাহলে সকল ওয়ারিশরা মিলে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বন্টননামা দলিল করতে হবে অথবা কোন ওয়ারিশ রাজি না থাকলে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে/আদালতে পার্টিশন স্যুট করে ডিক্রি নিতে হবে।
👉তবে ভবিষ্যতে আইনগত জটিলতা এড়াতে সকল ওয়ারিশরা মিলে বন্টননামা দলিল করে নেয়া উচিত।
#বন্টননামা_দলিল
#নামজারি_mutation
29/03/2026
#বন্টননামা_দলিল_ছাড়া_ওয়ারিশি_সম্পত্তি_নামজারি
জমি ক্রয়ে করনীয়
যার নিকট থেকে জমি ক্রয় করবেন তার নিকট থেকে ঐ জমি সংক্রান্ত কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিন। যেমন- সিএস খতিয়ান, আরএস খতিয়ান, এসএ খতিয়ান এবং সিএস খতিয়ান সহ আজ পর্যন্ত যতবার বেচাকেনা হয়েছে সেগুলোর বায়া দলিল মিউটেশনকৃত খতিয়ান এবং হাল সালের খাজনার দাখিলাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র।
Good Morning
11/02/2026
দায়সারাভাবে সালাত আদায় করাঃ-
যারা দায়সারাভাবে সালাত আদায় করেন অথবা সালাতের প্রয়োজনীয় বিধি-বিধানগুলো যথাযথভাবে পালন করেন না, তাদের সালাত আদায় হবে না। এ ব্যাপারে আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, ‘একদিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদে প্রবেশ করেন। তখন জনৈক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে দায়সারাভাবে সালাত আদায় করেন। সালাত শেষ করে তিনি হজরত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম দিলো। হজরত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালামের জবাব দিয়ে বলেন, ‘তুমি যাও এবং পুনরায় সালাত আদায় করো। কেননা, তুমি যথাযথভাবে সালাত আদায় করোনি।’ এভাবে হজরত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথায় ওই লোকটি পরপর তিনবার সালাত আদায় করলেন। হজরত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকটিকে তিনবারই ফিরিয়ে দিলেন। তখন লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসুল! এর চেয়ে সুন্দরভাবে আমি সালাত আদায় করতে জানি না।
অতএব আমাকে সালাত শিখিয়ে দিন! লোকটির মুখে এ কথা শুনার পর হজরত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘যখন তুমি সালাতে দাঁড়াবে তখন তাকবির দেবে। তারপর পবিত্র কোরআন থেকে যা পাঠ করা তোমার কাছে সহজ মনে হয়, তা পাঠ করবে। তারপর ধীরস্থিরভাবে রুকু করবে। অতঃপর সোজা হয়ে দাঁড়াবে। তারপর ধীরস্থিরভাবে সিজদা করবে। অতঃপর মাথা উঠিয়ে সোজা হয়ে বসবে।’
(অতঃপর তিনি তাকে ধীরে-সুস্থে সালাত আদায় করা শিক্ষা দিলেন)’।
[সহীহ বুখারিঃ ৭৫৭, ৭৯৩, ৬২৫১, ৬২৫২, ৬৬৬৭, সহীহ মুসলিম ৪/১১, হাদিসঃ ৩৯৭, আহমাদঃ ৯৬৪১, মিশকাতঃ ৭৯০, ‘সালাতের বিবরণ’ অনুচ্ছেদ-১০]।
হাদীছটি ‘সালাতে ভুলকারীর হাদীছ’ হিসাবে প্রসিদ্ধ।
'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
"নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়।"
[সহীহ বুখারী-তাওহীদ পাবলিকেশনঃ ৩৪৬১, সহীহ বুখারী-আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২০৩, সহীহ বুখারী-ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২১২]।
"কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা।"
[সহীহ্ মুসলিমঃ ২৬৭৪]।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka