24/05/2026
➡️ একটি জরুরি সতর্কবার্তা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।
আজ গিয়েছিলাম রামিসাদের বাসায়
আজ মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনায় অকালে ঝরে যাওয়া নিষ্পাপ শিশু রামিসার বাসায় গিয়েছিলাম। শোকসন্তপ্ত বাবা-মা আর বোনের বুকফাটা আর্তনাদ এবং নিষ্পাপ চেহারাগুলো দেখে নিজের চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না। আপনজনকে এমন নৃশংস ও আকস্মিকভাবে হারানোর তীব্র যন্ত্রণা যে কতটা ভয়াবহ, তা তারা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। আল্লাহ না করুন, এমন বুক খালি হওয়া ঘটনা যেন আমাদের আর কারো পরিবারে না ঘটে।
আমরা জীবিকার তাগিদে বা দৈনন্দিন কাজে যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, সন্তানের সুরক্ষার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই। তাই বিনীত অনুরোধ:
সজাগ দৃষ্টি রাখুন: সন্তান বাইরে কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থাকার সময় তার অবস্থান ও চলাফেরার প্রতি সবসময় কড়া নজর রাখুন।
যাতায়াতের খোঁজ নিন: সন্তান কীভাবে প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে এবং ফিরছে, তার নিয়মিত খোঁজখবর রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ: শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত প্রতি সপ্তাহে বা ১৫ দিন পর পর সন্তানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে কথা বলুন এবং বাচ্চার ব্যাপারে খোঁজখবর রাখুন।
আসুন আমরা সবাই মিলে মন থেকে দোয়া করি—মহান আল্লাহ তায়ালা যেন নিষ্পাপ রামিসাকে জান্নাতের পাখি হিসেবে কবুল করেন। তাকে তার বাবা-মায়ের জান্নাতে যাওয়ার উসিলা বানিয়ে দিন এবং এই কঠিন সময়ে তার পরিবারকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করুন।
আমীন। 🤲