18/06/2026
আমাদের কিডস ব্যাচের বাচ্চাদের আমরা কি পড়ায়?
আমাদের হিফয যাত্রা (Al-Falah Institute)(অনলাইন মহিলা শাখা) এর ছ
ছোট্ট ফুল কলি বাচ্চাদের জন্য আমাদের নিজস্ব সিলেবাসে নিজস্ব রচিত কিতাবাদী।
কোর্সে যা যা থাকছে,
১. আরবি ক্বায়েদা।
২. মাসায়ালা-মাসায়েল।
৩.আদাব- শিষ্টাচার।
৪.দুয়া।
৫.ইসলামের বেসিক নলেজ। কমেন্টে কিছু পিক দেওয়া হবে।
আপনিও আপনার বাচ্চার জন্য পিডিএফ সংগ্রহ করতে পারেন & ইসলামি শিক্ষায় সুশিক্ষিত করতে পারেন ইনশাআল্লাহ। ❤️
16/06/2026
আপনার বাচ্চাকে কি ঘরে বসেই পরিপূর্ণ রুপে ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চান? হিফয যাত্রা (Al-Falah Institute)(অনলাইন মহিলা শাখা) রয়েছে আপনার পাশে।একদম প্রাথমিক ভাবে বেসিক লেভেলে ভিডিও লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে পাঠদান করা হয়।নতুন ব্যাচে কিডস ইসলামীক লার্নিং ব্যাচে
ভর্তি চলছে 📣📣📣
কোর্সে যা যা রয়েছে:
★আরবি কায়েদা।
★দুয়া।
★মাসায়ালা-মাসায়েল।
★ইসলামিক নলেজ।
★হাদীস।
ক্লাসের মাধ্যম:জ্যুম এপ্স।
প্রতি রবি,মঙ্গল এবং বৃহস্পতিবার রাত ৮:০০ টা থেকে ক্লাস।
আসন সংখ্যা:৫ জন।(শিক্ষার্থী বাড়ানো নয় বরং প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করাই আমাদের উদ্দেশ্য)।
ভর্তি ফি :৩০০
মাসিক :৭০০
কোর্স মেন্টর : উস্তাজাহ খাতুনে জান্নাত সাদিয়া।
ক্লাস শুরু ১ জুলাই থেকে।
বয়স:৪-৯ বছর বয়সী যেকোনো বাচ্চা অংশগ্রহণ করতে পারবে।
আসন সংখ্যা সীমিত তাই প্রকৃতপক্ষে আগ্রহী হলে আজই আসন নিশ্চিত করুন।
নোট :*কোর্সের মেয়াদ আমরা ৬-৮ মাস দিলেও অনেক ক্ষেত্রে কম/বেশি সময় লেগে যায় তাই এবার নির্দিষ্ট করা হয়নি।
*ক্লাসের সময় নির্দিষ্ট না কারণ বাচ্চারা অনেক দুস্টামি করে তাদের এটেনশন নিয়ে আসতে সময় অনেক সময় কম/বেশি লেগে যায়।
*এই কোর্সের কোনো ডেমো ক্লাস নেই।আমাদের ইন্সটাগ্রাম আইডিতে অনেক রিভিউ হাইলাইট করা আছে দেখে নিবেন। শুকরিয়া❤️❤️
n
16/06/2026
আপনার বাচ্চাকে কি ঘরে বসেই পরিপূর্ণ রুপে ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চান? হিফয যাত্রা (Al-Falah Institute)(অনলাইন মহিলা শাখা) রয়েছে আপনার পাশে।একদম প্রাথমিক ভাবে বেসিক লেভেলে ভিডিও লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে পাঠদান করা হয়।নতুন ব্যাচে কিডস ইসলামীক লার্নিং ব্যাচে
ভর্তি চলছে 📣📣📣
কোর্সে যা যা রয়েছে:
★আরবি কায়েদা।
★দুয়া।
★মাসায়ালা-মাসায়েল।
★ইসলামিক নলেজ।
★হাদীস।
ক্লাসের মাধ্যম:জ্যুম এপ্স।
প্রতি রবি,মঙ্গল এবং বৃহস্পতিবার রাত ৮:০০ টা থেকে ক্লাস।
আসন সংখ্যা:৫ জন।(শিক্ষার্থী বাড়ানো নয় বরং প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করাই আমাদের উদ্দেশ্য)।
ভর্তি ফি :৩০০
মাসিক :৭০০
কোর্স মেন্টর : উস্তাজাহ খাতুনে জান্নাত সাদিয়া।
ক্লাস শুরু ১ জুলাই থেকে।
বয়স:৪-৯ বছর বয়সী যেকোনো বাচ্চা অংশগ্রহণ করতে পারবে।
আসন সংখ্যা সীমিত তাই প্রকৃতপক্ষে আগ্রহী হলে আজই আসন নিশ্চিত করুন।
নোট :*কোর্সের মেয়াদ আমরা ৬-৮ মাস দিলেও অনেক ক্ষেত্রে কম/বেশি সময় লেগে যায় তাই এবার নির্দিষ্ট করা হয়নি।
*ক্লাসের সময় নির্দিষ্ট না কারণ বাচ্চারা অনেক দুস্টামি করে তাদের এটেনশন নিয়ে আসতে সময় অনেক সময় কম/বেশি লেগে যায়।
*এই কোর্সের কোনো ডেমো ক্লাস নেই।আমাদের ইন্সটাগ্রাম আইডিতে অনেক রিভিউ হাইলাইট করা আছে দেখে নিবেন। শুকরিয়া❤️❤️
12/06/2026
চলুন! একটু ঘুরে আসি আজ থেকে ১৫০০ বছর আগে। হ্যাঁ, চন্দ্রবর্ষ অনুযায়ী আজ থেকে ঠিক পনেরশো বছর আগে। কেন?
কারণ, আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে হস্তী বাহিনীর ধ্বংসের বছর, ৫৭০ বা ৭১ খ্রিস্টাব্দের ২২শে এপ্রিল, রবিউল আউয়াল মাসের ৯ বা ১২ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন আমাদের প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
এটি হচ্ছে সেই মাওলাদুন্নাবি অর্থাৎ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্মস্থান। এটি মারওয়া পাহাড় বরাবর হারাম শরীফের পূর্ব দিকের চত্বরের পূর্বে রাস্তার পাশে অবস্থিত। বর্তমানে এখানে দ্বিতল বিশিষ্ট এই ভবনটি রয়েছে। এ স্থানটি রাসুল সা.-এর জন্মস্থান বলে প্রসিদ্ধ।
আব্বাসীয় খলিফা হারুনুর রশিদের মাতা খায়যুরান এখানে একটি মাসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। পরবর্তীতে ১৩৭০ হিজরী মোতাবেক ১৯৫০-৫১ খ্রিস্টাব্দে শাইখ আব্বাস কাততান রাহিমাহুল্লাহ সেটিকে ভেঙ্গে একটি পাঠাগার তৈরি করেন। বর্তমানে নবীর জন্মস্থান একটি পাঠাগার। পাঠাগারটি প্রদর্শনীর জন্য নয়। শুধুই স্মৃতি হিসেবে আছে। আরবিতে সাইনবোর্ডে লেখা আছে (مكتبة مكة المكرمة) মাকতাবাতু মাক্কাহ আল মুকাররমা।
পৃথিবী আলোকিত করে এখানেই শুভাগমন করেছেন বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।(تاريخ مكة المكرمة কিতাব থেকে।)
পাঠক! এখানে এসে একটু নীরবে দাঁড়ান। চোখটি বন্ধ করুন। কল্পনার ভেলায় ভেসে দেড় হাজার বছর আগে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করুন। আপনি অনুভব করতে পারবেন বিশ্বনবীর যাপিত জীবনের শৈশব ও কৈশোর কাল। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
কিভাবে যাবেন?
১ নং কিং আব্দুল আজিজ গেট বা ক্লক টাওয়ারের সামনে থেকে উত্তর দিকে হাঁটুন। সাফা পাহাড়ের পাশ দিয়ে, বাদশাহর বাড়ির কোল ঘেঁষে 'বাবুস সালাম' পর্যন্ত আসুন। আরেকটু সামনে এগুলেই বামে আবু জাহেলের বাড়িতে নির্মিত ৯ নং ওয়াশরুম এবং ডানে পূর্ব দিকে জাবালে আবী কুবাইস। সামনে তাকালেই পাহাড়ের কোলঘেঁষে রয়েছে আমাদের প্রিয় নবীজির জন্মস্থান বর্তমানের এই বাড়িটি।
✍️ আবু মুহাম্মাদ
12/06/2026
আলহামদুলিল্লাহ! হজের পর আল্লাহর পক্ষ থেকে আরেকটি মহামূল্যবান উপহার।
তাঁর অশেষ রহমতে আমি কুরআনের দ্বিতীয় ইজাযাহ (সনদ) সম্পন্ন করার তাওফীক পেয়েছি। আর এবার সেই সৌভাগ্য অর্জিত হয়েছে মক্কায়, মসজিদুল হারামে, যেখানে আমি আমার শিক্ষককে শেষ পৃষ্ঠা তিলাওয়াত করে শুনিয়েছি।
অনেকেই জানতে চান, “ইজাযাহ কী?”
ইজাযাহ হলো একটি সনদ বা সনদ-শৃঙ্খল (সানাদ), যা আপনাকে আপনার শিক্ষক, তাঁর শিক্ষক, তাঁদের শিক্ষক—এভাবে ধারাবাহিকভাবে সংযুক্ত করে রাসূলুল্লাহ ﷺ পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। তিনি কুরআন গ্রহণ করেছিলেন জিবরীল আলাইহিস সালামের কাছ থেকে, আর জিবরীল আলাইহিস সালাম তা গ্রহণ করেছিলেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলার পক্ষ থেকে।
এই সানাদের কথা যখনই ভাবি, তখনই নিজেকে অত্যন্ত ক্ষুদ্র ও বিনীত মনে হয়। কল্পনা করুন, আপনার নাম এমন এক ধারাবাহিকতার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে, যেখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম মানুষ আল্লাহর কালামকে সর্বোচ্চ যত্ন, নির্ভুলতা ও আমানতের সঙ্গে বহন করে আমাদের পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন।
এই পথ মোটেও সহজ নয়।
কুরআন মুখস্থ করা এক বিষয়, তা আজীবন সংরক্ষণ করা আরেক বিষয়। এরপর রয়েছে একজন শিক্ষকের সামনে পুরো কুরআন সেইভাবেই তিলাওয়াত করা, যেভাবে তা শেখানো ও সংরক্ষণ করা হয়েছে।
একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই। এই যাত্রা বাধাবিহীন ছিল না। তিনবার আমি ইজাযাহ সম্পন্ন করতে পারিনি। আমার তিলাওয়াত ও মাখরাজ প্রয়োজনীয় মানে পৌঁছায়নি বলে আমাকে থামিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যদিও আরবি আমার মাতৃভাষা।
সেই অভিজ্ঞতা আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে—আরবি ভাষাভাষী হওয়াই যথেষ্ট নয়। কুরআন দাবি করে নির্ভুলতা, উৎকর্ষ, ধৈর্য এবং বিনয়। আর এটি আমাকে শিখিয়েছে কখনো হাল না ছাড়তে।
তবে এই লেখা আমার অর্জনের কথা বলার জন্য নয়।
বরং আপনাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য যে, কুরআন সবার জন্য।
অনেক মানুষ হাফিজ বা ইজাযাহপ্রাপ্তদের দেখে মনে করেন, “আমি কখনো এটা পারব না।”
কেন পারবেন না?
প্রত্যেক ব্যক্তি যিনি এই পথ সম্পন্ন করেছেন, তিনি সূরা আল-ফাতিহা দিয়েই শুরু করেছিলেন। প্রত্যেক হাফিজ শুরু করেছিলেন একটি মাত্র পৃষ্ঠা দিয়ে। কুরআনের প্রত্যেক শিক্ষার্থী শুরু করেছিলেন একটি ছোট পদক্ষেপ দিয়ে।
আপনি যদি অনেকদিন ধরে ভাবছেন নিজের তিলাওয়াত শুদ্ধ করবেন, তাজবীদ শিখবেন, কোনো সূরা মুখস্থ করবেন, কিংবা দীর্ঘ বিরতির পর আবার কুরআনের কাছে ফিরে আসবেন—তবে এটিকেই আপনার জন্য একটি বার্তা মনে করুন।
ভুলত্রুটি আপনাকে নিরুৎসাহিত করতে দেবেন না।
আপনি কখনোই জানেন না, আল্লাহর কিতাবের দিকে আন্তরিকভাবে নেওয়া একটি ছোট পদক্ষেপ আপনাকে কত দূর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে কুরআনের মানুষদের অন্তর্ভুক্ত করুন—যারা আল্লাহর বিশেষ বান্দা। তিনি যেন আমাদেরকে তাঁর কালাম একনিষ্ঠতা ও ইখলাসের সঙ্গে বহন করার তাওফীক দান করেন, যতক্ষণ না আমরা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। আমীন।
✍️উস্তাযা ড. হাইফা ইউনুস।
04/06/2026
হজ শেষ।
ইহরাম খুলে রেখে হাজীরা ফিরছেন নিজ নিজ দেশে।
কিন্তু সেই ইহরামের গল্প কি সেখানেই শেষ?
হজ শেষে ফেলে রাখা ইহরাম…
সেটিই আবার হয়ে উঠছে ব্যাগ, বালিশ এমনকি স্মৃতিচিহ্নও। 🤍♻️
হজ শেষে হাজার হাজার ইহরাম পড়ে থাকে
কেউ রেখে যান, কেউ ফেলে যান।
কিন্তু এবার সেই ব্যবহৃত ইহরামগুলোকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর এক সুন্দর উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব।
“Sustainable Ihram” নামের এই উদ্যোগে, হজযাত্রীদের ব্যবহৃত ইহরাম সংগ্রহ করে পরিষ্কার, জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে।
এরপর সেই কাপড় থেকেই তৈরি হচ্ছে
👜 ব্যাগ
🤍 বালিশ
🧺 কভার
🎁 স্মারক উপহার
শুধু গত এক বছরেই ৫ হাজারেরও বেশি পণ্য তৈরি হয়েছে পুনর্ব্যবহৃত ইহরাম দিয়ে।
সবচেয়ে সুন্দর বিষয় হলো
এটি শুধু পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ নয়, মানুষের জীবনেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এই প্রকল্পে স্বল্প আয়ের পরিবারের ২৫ জন নারী সেলাই কাজের সুযোগ পেয়েছেন, আর তৈরি হয়েছে ৩০টি মৌসুমি কর্মসংস্থান।
আরও বড় বিষয় এখন পর্যন্ত ২১১ টনেরও বেশি ইহরামের কাপড় মাটিচাপা পড়া (landfill) থেকে রক্ষা করা গেছে, যা পরিবেশ দূষণ ও কার্বন নিঃসরণ কমাতেও ভূমিকা রাখছে।
হজ দায়িত্ববোধেরও শিক্ষা দেয়।
তাই ইহরাম কিনতেও হই সচেতন।
অযথা প্রয়োজনের বেশি ইহরাম না কিনি, ব্যবহারযোগ্য থাকলে অপচয় না করি
আর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও ভূমিকা রাখি। 🌍🤍
কারণ ইসলাম
আমানত রক্ষা করতেও শেখায়।
01/06/2026
এক সুদানি হাজি সাহেব বলেন, হজ্জের সময় একদিন প্রচণ্ড গরম পড়েছিল। আমি শয়তানকে পাথর মারতে গিয়ে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম।
অদূরেই একটা ঘর দেখতে পেলাম যেটা থেকে ঠান্ডা বাতাস বের হচ্ছিলো; সমস্যা হলো ঘরটিকে পুলিশ পাহারা দিচ্ছিল।
আমি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘরটিতে ঢুকে পড়ি। দেখি, আরও কিছু হাজী ক্লান্ত হয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন। আমিও তাদের সঙ্গে শুয়ে পড়লাম; আর মুহুর্তের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়লাম।
ঘণ্টা দুই পর ঠাণ্ডায় আমার ঘুম ভেঙে গেলে বাইরে বের হলাম।
কিন্তু আমাকে দেখে পাহারায় থাকা একজন পুলিশ আশ্চর্য হয়ে দৌড় দিলো। আমি আরও বেশি আশ্চর্য হয়ে হয়ে ভাবছিলাম পুলিশটা আমাকে দেখে দৌড় দিলো কেন!
তারপর অনুসন্ধিৎসু মনে বিশ্রাম নেওয়ার ঘরটির দিকে তাকিয়ে দেখি, সেখানে লেখা—
“মৃতদেহ সংরক্ষণের হিমাগার (মর্গ)”।
এটা দেখে আমিও ভয় পেয়ে দ্রুত সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে এলাম।
(সংগৃহিত, রেফারেন্স জানা নেই, তবে শিক্ষণীয়। অনেক ক্ষেত্রেই মানুষের মনের অবস্থানের কারণেই কিছু বিষয় মানুষের কাছে ভীতিকর বা অগ্রহণযোগ্য মনে হয়, কিন্তু মেনে নিতে পারলে, বা ভয় না পেলে সেখানে আসলে ভয়ের কিছু নেই)
Ahmed Rafique (hf.)
26/05/2026
এক বেদুঈন আরাফাহর ময়দানে দু’আ করছিলো এভাবে:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ السَّائِلُونَ فِي عَرَفَةَ مُنْذُ خَلَقْتَهَا.
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকাল সা'ইলূনা ফি আরাফাতা মুনযু খালাক্বতাহা।
হে আল্লাহ! যেদিন তুমি আরাফাহকে সৃষ্টি করেছো সেদিন থেকে তোমার কাছে যে যা কিছু কল্যাণকর দু’আ করেছে সবকিছু আমি আমার জন্য চাই।