একবার পড়ার কি ধৈর্য আছে?
জীবনে অনেক তো মুনাজাত করেছেন! এবার উত্তমরূপে এইভাবে একবার করুন।
আমাদের দু'আর সবচেয়ে বেশি হক্কদার আমরা নিজেরাই। রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সুন্নাহ, কারো জন্য দু'আ করলে প্রথমে নিজের জন্য দু'আ করা।
(মুসনাদে আহমদ ২১২৪৭(৫/১২১)
ছোট-বড় সকল প্রয়োজন আল্লাহকে বলবেন। খুব করে আল্লাহর কাছে চাইবেন। বেশি বেশি চাইবেন।
দু'আতেই সব সুখ! একমাত্র দোয়াই ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, মৃত্যু পর্যন্ত পিছিয়ে যায় (নেক হায়াৎ বৃদ্ধি পায়)।
🌿 ইয়া আল্লাহ, ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম, ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম,
আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দাও।
🌿 তুমিই আল্লাহ, তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি জাহান্নাম ও কবরের আযাব থেকে। আমি তোমার কাছে পানাহ চাই তাকদিরের খারাপ কিছু থেকে।
🌿 হে আল্লাহ! আমার উপর তোমার রহমত, দয়া, বরকত, শান্তি, ক্ষমা বর্ষণ করো।
🌿 ক্ষমা করে দাও আমার আগের পাপ, আমার পরের পাপ, আমার ছোট-বড় সকল পাপ, আমার গোপন পাপ, আমার প্রকাশ্য পাপ। আমার বাড়াবাড়ি এবং যে সকল পাপের কথা তুমি ভালো জানো। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি ভুলে যাই। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি পাপই মনে করি না।
🌿 আমাকে আশ্রয় দাও বিতাড়িত শয়তান থেকে, তার ওয়াসওয়াসা থেকে ও অতৃপ্ত নফস থেকে।
🌿 আমাকে আশ্রয় দাও দুনিয়ার জীবনের ফিতনা ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে। এবং দাজ্জালের অমঙ্গল থেকে। রহমতের দরজা খুলে দাও।
🌿 আমার রিজিকে প্রশস্ততা দাও। অঢেল বরকতময় রিজিক দাও। বেহিসাবি রিজিক দাও। এবং সেসব তোমার সন্তুষ্টি অনুযায়ী তোমার পথে ব্যয় করার নসীব দাও।
🌿 আমাকে সন্তুষ্টি ও কৃতজ্ঞতার জীবন দাও। পরিপূর্ণ সুস্থতা, নিরাপত্তা দাও।
🌿 আমাকে মৃত্যু অবধি পরিপূর্ণ হিদায়তের উপর অটল রাখো। আমাকে এক মূহুর্তের জন্যও নিজের জিম্মায় ছেড়ে দিও না। ইয়া রব্ব, আমার অভিভাবক, বন্ধু হিসেবে তুমিই যথেষ্ট হয়ে যাও।
🌿 হে আমার প্রতিপালক, আমাকে বানিয়ে দাও তোমার জন্য অধিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী, অধিক যিকরকারী, অধিক তাকওয়াবান, তোমার প্রতি অধিক বিনয়ী, অধিক আনুগত্যকারী, তোমার প্রতি বেশি বেশি তওবাকারী।
🌿 আমার জিহ্বাকে তোমার যিকর দ্বারা সুসজ্জিত, পবিত্র করে দাও। আমার কলবকে আখিরাতের ফিকির দ্বারা পূর্ণ করে দাও।
🌿 আমার তওবা কবুল করে নাও। আমার পাপকে ধুয়ে দাও, আমার দুআ কবুল করো। আমার জিহ্বাকে পবিত্র ও সুসংরক্ষিত রাখো।
🌿 আমার অন্তরকে সুপথে পরিচালিত করো। হিংসা, বিদ্বেষ, সংকীর্ণতাসহ সমস্ত অন্তরের রোগ থেকে আমার অন্তরকে পবিত্র রাখো।
🌿 আমার হৃদয়কে আজীবনের জন্য প্রশান্ত করে দাও।
🌿 যা কিছু আমাকে পীড়িত করে, সেসব কিছু আমার কাছ থেকে সরিয়ে নাও।
🌿 আমার ইজ্জত-আব্রুকে হেফাজত করো আমার মৃত্যু অবধি এবং এর পরেও দুনিয়ার কারো কাছে আমার মাথা নত হতে দিও না। সৃষ্টিরমুখাপেক্ষী হওয়া থেকে পানাহ দাও।
🌿 আল্লাহ! আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে আফিয়াতের সাথে সম্মানিত করো।
🌿 আমাকে দুনিয়ায় দাও উত্তম বাসস্থান, উত্তম পরিজন, উত্তম সঙ্গী ও উত্তম রিজিক। আখিরাতকে করো দুনিয়ার চেয়ে বহুগুণে উত্তম, পবিত্র ও সম্মানিত।
🌿 মৃত্যুকে আমার জন্য সহজ ও আনন্দদায়ক করে দাও। ইজ্জতের সাথে আমার মৃত্যু দাও। জবানে
কালিমা রেখে, অন্তরে তোমার ভরপুর ভালোবাসা, তাকওয়া রেখে মৃত্যুবরণ করার তওফিক দাও। আমাকে শাহাদাতের মৃত্যু দাও। রাসুলের শহরে আমার মৃত্যু দাও। জান্নাতুল বাকিতে দাফন হওয়ার নসীব দাও। আমার কবরকে প্রশস্ত, আরামদায়ক করে দাও।
🌿 তোমার নিয়ামত দেওয়ার পর তা ছিনিয়ে নিও না। এবং এর সাথে পরীক্ষাও রেখো না।
🌿 আমাকে এমন কষ্ট দিও না, যা আমার ইমানকে সংকটে ফেলবে, আমার অন্তর বিধ্বস্ত করে দিবে। আমার শরীর ভেঙে দিবে। আমলে ঘাটতি আনবে।
🌿 আমি তোমার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণ চাই। আমার জানা-অজানা যত কল্যাণ, সব তুমি আমায় দাও। আমার জানা-অজানা সমস্ত অকল্যাণ থেকে আমাকে আজীবন পানাহ দাও।
🌿 ইয়া রব্ব! তোমার কোনো বান্দা আমার উপর যেন প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে জুলুম করতে না পারে। আমিও যেন তোমার কোনো বান্দার উপর জুলুম না করি। আমাকে সবসময় এমন মানুষদের সঙ্গে রেখো, যাদের সঙ্গ ঈমানকে বৃদ্ধি করে।
🌿 মা-বাবা ও জীবনসঙ্গীর সন্তুষ্টি নিয়ে তোমার সাথে সাক্ষাতের তওফিক দাও।
🌿 ইয়া রব্ব। এমন দু'আ থেকে পানাহ চাই, যে দু'আ কবুল হয় না। আমার অন্তরের চাওয়াগুলো আমার চেয়ে তুমি ভালো জানো। আমার চাওয়াগুলো আফিয়াতের সাথে, উত্তমভাবে কবুল করে নাও।
লিখো আমিন, বলো আমিন 👈
আল্লাহ এ পোস্টটি যে শেয়ার করবে আমার মত তাকেও সওয়াবের ভাগীদার করে নিন আমীন 🤲
Daily Life Sunnah of Prophet Mohammad S.A.W
All praise be to Allah the Almighty. Non has the right to be worshiped except Allah alone, and peace be upon his Prophet Mohammad S.A.W.
his family, wives, relatives and companions.
༺══❀══༻🌸
✨ আসুন সবাই মিলে যিকির করি ✨
🌸༺══❀══༻🌸
🌸 سُبْحَانَ اللّٰهِ
সুবহানাল্লাহ
অর্থঃ আল্লাহ পবিত্র।
🌸 اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ
আলহামদুলিল্লাহ
অর্থঃ সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
🌸 اَللّٰهُ أَكْبَرُ
আল্লাহু আকবার
অর্থঃ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ।
🌸 لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
অর্থঃ আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।
🌸 أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
আস্তাগফিরুল্লাহ
অর্থঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।
🌸 لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ
লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
অর্থঃ আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তি নেই।
🌸 سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
অর্থঃ আল্লাহ পবিত্র এবং সকল প্রশংসা তাঁর।
🌸 سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيمِ
সুবহানাল্লাহিল আযীম
অর্থঃ মহান আল্লাহ পবিত্র।
🌸 حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকিল
অর্থঃ আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই উত্তম অভিভাবক।
🌸 اللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ ﷺ
আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ﷺ
অর্থঃ হে আল্লাহ, মুহাম্মাদ ﷺ এর উপর শান্তি বর্ষণ করুন।
🌸 يَا رَحْمٰنُ يَا رَحِيمُ
ইয়া রহমানু ইয়া রহিম
অর্থঃ হে পরম দয়ালু, হে অতি দয়াবান।
🌸 يَا غَفُورُ يَا تُوَّابُ
ইয়া গফুর, ইয়া তাওয়াব
অর্থঃ হে অধিক ক্ষমাশীল, হে তাওবা কবুলকারী।
🌸 رَبِّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي
রব্বিগফিরলী ওয়ারহামনী
অর্থঃ হে আমার রব, আমাকে ক্ষমা করুন ও দয়া করুন।
🌸 يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ
ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু বিরাহমাতিকা আসতাগীস
অর্থঃ হে চিরঞ্জীব, হে সবকিছুর ধারক, আমি আপনার রহমত কামনা করি।
🌸 رَضِيتُ بِاللّٰهِ رَبًّا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا
রাদিতু বিল্লাহি রব্বাও ওয়াবিল ইসলামি দীনা
অর্থঃ আমি আল্লাহকে রব হিসেবে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে মেনে নিলাম।
🌸 اللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ
আল্লাহুম্মাগফিরলী ওয়ালিওয়ালিদাইয়া
অর্থঃ হে আল্লাহ, আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে ক্ষমা করুন।
🌸 رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً
রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাহ ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাহ
অর্থঃ হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দান করুন।
🌸༺══❀══༻🌸
✨ আল্লাহ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি যিকির করার তাওফিক দান করুন ✨
🌸 আমীন يا رب العالمين 🌸
যখন প্রচন্ড অস্থিরতা কাজ করবে এবং কিছুতেই কোন কিছু গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে না বলে মনে হবে, তখন চট করে শুধু তিনটা জিনিস মুখে উচ্চারণ করতে থাকবেন,
১) দরুদ পাঠ করে ﷺ বলা যেন আল্লাহ আমার প্রিয় নবী ﷺ এর উপর শান্তি এবং সমৃদ্ধি বর্ষণ করতে থাকেন... তাহলে সত্যিকার অর্থে আপনার উপরেই শান্তি এবং সমৃদ্ধি বর্ষণের বরকত আসবে!
২) ইস্তিগফার! ইস্তিগফার! ইস্তিগফার! যত ক্ষমা চাইবেন, আল্লাহ তত আপনাকে বরকত দিবেন, বৃষ্টি দিবেন, সন্তান দিবেন, সম্পদ দিবেন (এটা কুরআনের আয়াত অনুযায়ী আল্লাহর ওয়াদা)
৩) আল্লাহর নাম ডাকবেন ইয়া সালাম (শান্তি দাতা), আমাকে প্লিজ শান্তি দিন। আমার অন্তরের ভেতর প্রশান্তি দিন, অন্তরের বাইরে নিরাপত্তা এবং আফিয়াহ দিন। আমি যা যা নিউজ পড়ছি, এরপর যত সেকেন্ড ফোনের স্ক্রোলিং করছি, এরপর মোবাইলটা সরিয়ে রেখে যখন বাস্তব দুনিয়ার জীবনে ফেরত যাচ্ছি, এই প্রতিটি পদক্ষেপে আমাকে শান্তি দিন, শান্তি দিন, আমার অস্থিরতা একদম দূর করে দিন। আমাকে বরকত দিন। কাজে সাফল্য দিন। আমার মুখে উপকারী কথা লাগিয়ে রাখুন। আমিন।
আস্তাগফিরুল্লাহ ...
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ...
ইয়া সালাম... ইয়া সালাম ... ইয়া সালাম...
রিপিট! রিপিট! রিপিট!
দেখবেন মাথার ভিতরে সব জটলা গুলো খুলে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ..
❝ *একটি প্রশান্তিময় মুনাজাত* ❞
*ইয়া তাওয়্যাব,ইয়া গফফার, ইয়া রহীম*...
আমি আপনার দরজায় এসেছি এক ভাঙা মন নিয়ে,এক অপরাধবোধে ভরা হৃদয় নিয়ে। আমার মুখে লজ্জা,অন্তরে কান্না-কারণ আমি জানি,আমি আপনাকে কতবার অসন্তুষ্ট করেছি,কতবার আপনার দেওয়া নিয়ামত ব্যবহার করেছি গুনাহের পথে। আপনি আমাকে কত হাজার বার সুযোগ দিয়েছেন, আমি আবারও ভুল করেছি। আপনি আমাকে সুযোগ দিয়েছেন,আমি ফেরার আগেই যেন গাফেলতায় ডুবে গিয়েছি। হে আল্লাহ,আমি আর পারছি না। আমি সত্যিই ফিরতে চাই...এবার এমনভাবে ফিরতে চাই,যেন আর কখনো পেছনে তাকাতে না হয়। এমন তাওবা চাই,যা আমার আত্মাকে নতুন করে গড়ে তোলে!
*ইয়া মালিকুল মূলক, ইয়া লতীফ, ইয়া হালীম*...
আপনি তো জানেন আমার অতীত। আপনি জানেন আমি কেমন ছিলাম,এবং এখন কেমন হতে চাই। আমি নিজের ভেতরের অন্ধকারের কথা কাউকে বলতে পারি না,কিন্তু আপনি সবকিছু জানেন। আপনি জানেন আমার সেই গোপন গুনাহগুলো, যেগুলোর কথা আমি ভুলেও কাউকে জানাতে পারি না,অথচ আপনি জানেন,দেখেছেন, আপনি আমার সীমা লঙ্ঘন সহ্য করেছেন। আজ সেই বোঝা কাঁধে নিয়ে আমি এসেছি আপনার দরবারে-নিজের গুনাহের বোঝা হালকা করতে, নিজের অসহায়ত্ব স্বীকার করতে, ক্ষমা চাইতে,নিজেকে ভেঙে আবার নতুন করে গড়ে তুলতে। হে আল্লাহ,আমাকে নতুন করে গড়ে তুলুন।আমাকে সত্যের পথে শক্ত রাখুন। গুনাহ এবং সময় নষ্টকে বানিয়ে দিন আমার চোখের বিষের মতন অপছন্দনীয়। বিষয় যেন আমার নাফস গুনাহের দোটানায় সময় নষ্ট না করে।আমাকে হালকা করে দিন। আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমাকে ফিরিয়ে নিন।
*ইয়া নূর, ইয়া হাদি, ইয়া কারীম*...
আপনি আমাকে এমন একটি হৃদয় দিন,যা গুনাহের চিন্তাতেই কাঁপে,যা তাওবার সুখে ভরে ওঠে। আমাকে এমন একজন বান্দা করে দিন,যে আপনার ভালোবাসার ভয়ে গুনাহ থেকে দূরে থাকে,শুধু জাহান্নামের ভয় নয় বরং আপনাকে কষ্ট না দেওয়ার ভয়েই কান্না করে।আমার অন্তরে আপনার ভয়,আপনার ভালোবাসা,আর আপনাকে হারানোর আতঙ্ক এমনভাবে গেঁথে দিন-যেন শয়তানের কোনো ধোঁকা আর আমাকে টানতে না পারে।হে আল্লাহ,আমি চাই না আপনি আমার প্রতি বিরক্ত থাকুন। আমি চাই না আপনি আমাকে দূরে ঠেলে দিন। বরং আপনি আমাকে এতটা ভালোবাসুন যেন সেই ভালোবাসাই আমাকে সব গুনাহ থেকে সরে যেতে বাধ্য করে।
*হে রহমানুর রাহিম*...
আমি জানি,এই পৃথিবীটা ধোঁকার জায়গা।এখানকার গ্ল্যামার,লোভ,প্রশংসা,চাহিদা, হিংসা,অহংকার-সব আমাকে আবারও গুনাহের দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে। তাই আমি চাই আপনি আমার চারপাশে এমন একটা রহমতের প্রাচীর গড়ে দিন-যা আমাকে আবারও পেছনের অন্ধকারে ডুবতে না দেয়। আপনি আমার সময়গুলো এমন ভালো কাজে ভরিয়ে দিন-যেন গুনাহের সুযোগই না থাকে। আপনি আমাকে এমন বন্ধু দিন,এমন সঙ্গ দিন,এমন পরিবেশ দিন,যেগুলো আমাকে আপনার কাছেই নিয়ে যায়। আপনি আমার জীবনকে এক তাওবাহকারীর জীবন বানিয়ে দিন-যেন মাসুম বাচ্চার মত পবিত্র।
اللَّهُمَّ اجْعَلْ تَوْبَتِي نَصُوحًا، وَاجْعَلْنِي مِنَ التَّوَّابِينَ الْأَوَّابِينَ، وَلَا تَجْعَلْنِي مِمَّنْ يَعُودُ بَعْدَ الْإِنَابَةِ، وَاغْسِلْ قَلْبِيْ مِنْ آثَارِ الذَنْبِ، يَا غَفُوْرُ، يَا تَوَّاب
"*আল্লাহুম্মাজ'আল তাওবাতী নাসূহা, ওয়াজ'আলনী মিনাত্ তাওয়াবীনাল আউয়াবীন,ওয়া লা তাজ'আলনী মিম্মান ইয়াঊদু বা'দাল ইনাবাহ্,ওয়াগসিল ক্বালবী মিন আছারিয যাম্ব,ইয়া গাফূর,ইয়া তাওয়্যাব*।
অর্থ: "হে আল্লাহ, আমার তাওবাকে পরিপূর্ণ করুন। আমাকে তাওবাকারী ও বারবার আপনার দিকে ফিরে আসা বান্দাদের মধ্যে রাখুন। আমাকে এমন করে দিন যে তাওবা করার পর আর ফিরেও না তাকায়। আমার হৃদয় থেকে গুনাহর ছায়াগুলো ধুয়ে দিন-হে ক্ষমাশীল,হে তাওবা কবুলকারী।"
আমিন,ইয়া রব্বি।
("*আমার প্রিয় দুআর ডায়েরি" বই'* থেকে)
*রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন:*
*চোখের জেনা হলো (হারাম) দৃষ্টিপাত করা, কানের জেনা হলো শোনা, মুখের জেনা হলো কথা বলা, হাতের জেনা হলো স্পর্শ করা এবং পায়ের জেনা হলো (হারাম উদ্দেশ্যে) হেঁটে যাওয়া* ।
> *( সহিহ মুসলিম)*
📖রাসূলুল্লাহ এক বক্তিকে [আবূ মূসাকে] এরূপ বলতে শুনলেন যে, "হে আল্লাহ আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করি এবং জানি যে, তুমিই আল্লাহ, তুমি ব্যতীত কোনো মা'বুদ নেই, তুমি এক, অনন্য, মুখাপেক্ষীহীন ও অন্যদের নির্ভরস্থল- যিনি জনকও নন, জাতও নন এবং যার কোনো সমকক্ষ নেই।" তখন রাসূলুল্লাহ বললেন, *সে আল্লাহকে তাঁর ইসমে আযম বা সর্বাধিক বড় ও সম্মানিত নামের সাথে ডাকল, যা দ্বারা যখন কেউ তাঁর নিকট কিছু প্রার্থনা করে তিনি তাকে তা দান করেন এবং যা দ্বারা যখন কেউ তাঁকে ডাকে, তিনি তার ডাকে সাড়া দেন।*
📚 _[তিরমিযী ও আবূ দাউদ_ ]
📖রাসূল (সাঃ) বলেছেন:-
👉 *যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ করলো এবং অশালীন কথাবার্তা ও গুনাহ হতে বিরত রইল, সে ঐ দিনের মত নিষ্পাপ হয়ে হজ্জ হতে ফিরে আসবে যেদিন তাকে তার মা জন্ম দিয়েছিল।*
📚(সহীহ্ বুখারী : ১৫২১)
🌸 *যিলহজ্জ ও আরাফার দিনগুলো সামনে আসছে* । এই বরকতময় দিনগুলোতে বেশি বেশি ইবাদত করার চেষ্টা করুন এবং এখন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করুন। আল্লাহ তাআলা এই দিনগুলোর আমলকে খুব ভালোবাসেন। মুসলিমদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ।
*সময়মতো সালাত আদায় করুন, কুরআন তিলাওয়াত করুন, রোজা রাখুন, হারাম ও গুনাহ থেকে বেঁচে থাকুন এবং ইবাদত বৃদ্ধি করুন। যদি সব ৯ দিন রোজা রাখা সম্ভব না হয়, তাহলে সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার চেষ্টা করুন। তাও যদি সম্ভব না হয়, তাহলে অন্তত আরাফার দিনের রোজা রাখুন* ।
📖রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:-
👉 *এমন কোনো দিন নেই, যেসব দিনে নেক আমল আল্লাহর কাছে এই দশ দিনের আমলের চেয়ে বেশি প্রিয়*।
📚( _তিরমিযী : ৭৫৭_ )
আরও বলেছেন: *আরাফার দিনের সওম সম্পর্কে আল্লাহর কাছে আশা করি যে, তা বিগত একবছর ও আগামী একবছর (এ দুই বছর)’র পাপের কাফফারা হিসেবে গ্রহণ করা হবে* ।
📚( _মুসলিম : ১১৬২_ )
> ❝হাদিসের পাঠশালা❞᭄🌷📖
সময় নিয়ে জিকির গুলো করবেন অনেক ফজিলত পাবেন! (ইনশা'আল্লাহ)
১.সুবহানাল্লহ। (سُبْحَانَ اللّٰهِ)
২.আলহামদুলিল্লাহ। (اَلْحَمْدُ لِلَّهِ)
৩.লা ইলাহা ইল্লাল্লহ। (لَا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ)
৪.আল্লহু আকবার । (اَللّٰهُ أَكْبَرُ)
৫.আস্তাগফিরুল্লাহ । (أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ)
৬.আল্লহুম্মাগফিরলি। (اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي)
৭.ইয়া রব্বিগফিরলি। ( يَا رَبِّ اغْفِرْ لِي)
৮.আল্লহুম্মা আজিরনি মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ)
৯.লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
(لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ)
১০.লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ জলিমীন।
(لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ)
১১.লা ইলাহা ইল্লাল্লহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللّٰهِ ﷺ
১২.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযুবিকা মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ)
১৩.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আ'ফিয়াহ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ)
১৪. রব্বি ইন্নি জলামতু নাফসী ফাগফিরলি।
(رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي)
১৫.আল্লহুম্মা হাসিবনী হিসাবাই ইয়াসীর।
(اَللّٰهُمَّ حَاسِبْنِي حِسَابًا يَسِيرًا)
১৬.ইয়া মুক্বল্লিবাল ক্বুলুব, সাব্বিত ক্বলবী আ'লা দীনিক।
(يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ)
১৭.আসতাগফিরুল্ল-হাল্লাযি লা-ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বইয়ুম ওয়াতুবু ইলাইহি।
(أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ)
১৮.আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদা-দ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ)
১৯.হাসবুনাল্লহ ওয়া নি'মাল ওয়াকিল।
(حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ)
২০.আল্লহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ সাঃ।
( اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ)
২১.আল্লহুম্মারযুকনি শাহাদাতাং ফি সাবিলিক, ওয়ায'আ'ল মাওতি ফি বালাদি রসুলিকা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ।
(اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ وَاجْعَلْ
مَوْتِي فِي بَلَدِ رَسُولِكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ)
২২.রব্বি ইন্নি লিমা আংযালতা ইলাইয়্যা মিন খইরিং ফাক্বির।
(رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِير)
২৩.রব্বানাগ-ফিরলি ওয়ালি ওয়ালিদাইয়্যা ওয়ালিল মুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াক্বুমুল হিসাব।’
(-رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ)
২৪. রব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা ক্বুররতা আ'য়ুনিউ ওয়াজ'আলনা লিলমুত্তাক্বীনা ইমামা।
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
২৫.আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আ'ফওয়া ওয়াল 'আ-ফিইয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরহ্'
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
২৬.রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাহ, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়াক্বীনা আজাবান্নার
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً ، وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةٌ ، وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
২৭.ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বইয়ুম বিরহমাতিকা আস্তাগিস
يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْتُ
২৮. রব্বির হাম-হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরা”
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَـمَا رَبَّـيَانِـي صَغِيرًا
২৯.রব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন।"
رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ
অনবরত এই সমস্ত জিকির গুলোর মাধ্যমে নিজের আমলনামা ভারী করে নিন (ইনশা'আল্লহ)
নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালার স্মরণেই অন্তর সমূহ প্রশান্তি লাভ করে। [সূরা রাদ-২৮]
জীবনে অনেক তো মুনাজাত করেছেন! এবার উত্তমরূপে এইভাবে একবার করুন।
✅নিজের জন্য দোয়ার লিস্ট
আমাদের দু'আর সবচেয়ে বেশি হক্কদার আমরা নিজেরাই। রাসুলুল্লাহ্ (সা)এর সুন্নাহ, কারো জন্য দু'আ করলে প্রথমে নিজের জন্য দু'আ করা। (মুসনাদে আহমদ ২১২৪৭ (৫/১২১)
দু'আ লিস্টটাতে আমি নিজের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের বেসিক চাওয়াগুলোই লেখার চেষ্টা করেছি। আপনারা অবশ্যই আপনাদের নোটবুকে দু'আগুলো নোট করে নিবেন। এসব ছাড়াও আমাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত অনেক অনেক প্রয়োজন আছে। সেসবও নোট করে রাখার চেষ্টা করবেন। ছোট-বড় সকল প্রয়োজন আল্লাহকে বলবেন। খুব করে আল্লাহর কাছে চাইবেন। বেশি বেশি চাইবেন।
দু'আতেই সব সুখ! একমাত্র দোয়াই ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, মৃত্যু পর্যন্ত পিছিয়ে যায় (নেক হায়াৎ বৃদ্ধি পায়)।
ইয়া আল্লাহ, ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম, ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম,
আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দাও।
তুমিই আল্লাহ, তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি জাহান্নাম ও কবরের আযাব থেকে।
আমি তোমার কাছে পানাহ চাই তাকদিরের খারাপ কিছু থেকে।
হে আল্লাহ! আমার উপর তোমার রহমত, দয়া, বরকত, শান্তি, ক্ষমা বর্ষণ করো।
ক্ষমা করে দাও আমার আগের পাপ, আমার পরের পাপ, আমার ছোট-বড় সকল পাপ, আমার গোপন পাপ, আমার প্রকাশ্য পাপ। আমার বাড়াবাড়ি এবং যে সকল পাপের কথা তুমি ভালো জানো। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি ভুলে যাই। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি পাপই মনে করি না।
আমাকে আশ্রয় দাও বিতাড়িত শয়তান থেকে, তার ওয়াসওয়াসা থেকে ও অতৃপ্ত নফস থেকে।
আমাকে আশ্রয় দাও দুনিয়ার জীবনের ফিতনা ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে। এবং দাজ্জালের অমঙ্গল থেকে।
আমার জন্য তোমার করুনার দরজা, তোমার রহমতের দরজা খুলে দাও।
আমার রিজিকে প্রশস্ততা দাও। অঢেল বরকতময় রিজিক দাও। বেহিসাবি রিজিক দাও। এবং সেসব তোমার সন্তুষ্টি অনুযায়ী তোমার পথে ব্যয় করার নসীব দাও।
আমাকে সন্তুষ্টি ও কৃতজ্ঞতার জীবন দাও। পরিপূর্ণ সুস্থতা, নিরাপত্তা দাও।
আমাকে মৃত্যু অবধি পরিপূর্ণ হিদায়তের উপর অটল রাখো। আমাকে এক মূহুর্তের জন্যও নিজের জিম্মায় ছেড়ে দিও না।
ইয়া রব্ব, আমার অভিভাবক, বন্ধু হিসেবে তুমিই যথেষ্ট হয়ে যাও।
হে আমার প্রতিপালক, আমাকে বানিয়ে দাও তোমার জন্য অধিক
কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী, অধিক যিকরকারী, অধিক তাকওয়াবান, তোমার প্রতি অধিক বিনয়ী, অধিক আনুগত্যকারী, তোমার প্রতি বেশি বেশি তওবাকারী।
আমার জিহ্বাকে তোমার যিকর দ্বারা সুসজ্জিত, পবিত্র করে দাও। আমার কলবকে আখিরাতের ফিকির দ্বারা পূর্ণ করে দাও।
আমার তওবা কবুল করে নাও। আমার পাপকে ধুয়ে দাও, আমার দুআ কবুল করো। আমার জিহ্বাকে পবিত্র ও সুসংরক্ষিত রাখো।
আমার অন্তরকে সুপথে পরিচালিত করো। হিংসা, বিদ্বেষ, সংকীর্ণতাসহ সমস্ত অন্তরের রোগ থেকে আমার অন্তরকে পবিত্র রাখো।
আমার হৃদয়কে আজীবনের জন্য প্রশান্ত করে দাও।
যা কিছু আমাকে পীড়িত করে, সেসব কিছু আমার কাছ থেকে সরিয়ে নাও।
আমার ইজ্জত-আব্রুকে হেফাজত করো আমার মৃত্যু অবধি এবং এর পরেও।
দুনিয়ার কারো কাছে আমার মাথা নত হতে দিও না। সৃষ্টির মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে পানাহ দাও।
আল্লাহ! আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে আফিয়াতের সাথে সম্মানিত করো।
আমাকে দুনিয়ায় দাও উত্তম বাসস্থান, উত্তম পরিজন, উত্তম সঙ্গী ও উত্তম রিজিক। আখিরাতকে করো দুনিয়ার চেয়ে বহুগুণে উত্তম, পবিত্র ও সম্মানিত।
মৃত্যুকে আমার জন্য সহজ ও আনন্দদায়ক করে দাও। ইজ্জতের সাথে আমার মৃত্যু দাও। জবানে কালিমা রেখে, অন্তরে তোমার ভরপুর ভালোবাসা, তাকওয়া রেখে মৃত্যুবরণ করার তওফিক দাও। আমাকে শাহাদাতের মৃত্যু দাও। রাসুলের শহরে আমার মৃত্যু দাও। জান্নাতুল বাকিতে দাফন হওয়ার নসীব দাও। আমার কবরকে প্রশস্ত, আরামদায়ক করে দাও।
তোমার নিয়ামত দেওয়ার পর তা ছিনিয়ে নিও না। এবং এর সাথে পরীক্ষাও রেখো না।
আমাকে এমন কষ্ট দিও না, যা আমার ইমানকে সংকটে ফেলবে, আমার অন্তর বিধ্বস্ত করে দিবে। আমার শরীর ভেঙে দিবে। আমলে ঘাটতি আনবে।
আমি তোমার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণ চাই। আমার জানা-অজানা যত কল্যাণ, সব তুমি আমায় দাও। আমার জানা-অজানা সমস্ত অকল্যাণ থেকে আমাকে আজীবন পানাহ দাও।
ইয়া রব্ব! তোমার কোনো বান্দা আমার উপর যেন প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে জুলুম করতে না পারে। আমিও যেন তোমার কোনো বান্দার উপর জুলুম না করি।
আমাকে সবসময় এমন মানুষদের সঙ্গে রেখো, যাদের সঙ্গ ঈমানকে বৃদ্ধি করে।
মা-বাবা ও জীবনসঙ্গীর সন্তুষ্টি নিয়ে তোমার সাথে সাক্ষাতের তওফিক দাও।
ইয়া রব্ব। এমন দু'আ থেকে পানাহ চাই, যে দু'আ কবুল হয় না। আমার অন্তরের চাওয়াগুলো আমার চেয়ে তুমি ভালো জানো। আমার চাওয়াগুলো আফিয়াতের সাথে, উত্তমভাবে কবুল করে নাও।
আমিন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
17/1, Topkhana Road
Dhaka
1000