Old Dhaka Club

Old Dhaka Club

Share

পুরান ঢাকার ইতিহাস-ঐতিহ্য জানতে ‘ওল্ড ঢাকা ক্লাব’-এর সঙ্গে থাকুন...

Photos from Old Dhaka Club's post 23/06/2026

বিশ্বকাপে রঙিন পুরান ঢাকা...

জিয়াউল জিয়া

সারা বাংলাদেশই এখন মেতে আছে ফুটবল বিশ্বকাপে। এর মধ্যেও আলাদা করে চেনা যায় পুরান ঢাকার সূত্রাপুরকে। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা ও তরুণদের উদ্যোগে হেমেন্দ্র দাস রোডের গলিজুড়ে আঁকা হয়েছে গ্রাফিতি, ফুটে উঠেছে কিংবদন্তি ও জনপ্রিয় ফুটবল তারকাদের প্রতিকৃতি। বিভিন্ন দেশের পতাকা, দেয়ালচিত্র ও সমর্থকদের সাজসজ্জায় পুরো এলাকা যেন পরিণত হয়েছে এক খোলা আকাশের ফুটবল গ্যালারিতে...

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় সূত্রাপুরের দেয়ালে আঁকা হয়েছে লিওনেল মেসি, নেইমার জুনিয়র ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর গ্রাফিতি। সূত্রাপুরের এক সেলুনে যারা চুল কাটছেন, তাদের গায়ের প্রিয় দলের জার্সি।

‘গোল’ লেখা রঙিন দেয়ালচিত্র আর ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলের প্রতিকৃতি ফুটে উঠেছে হেমেন্দ্র দাস রোডের গলির দেয়ালে। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রতীক আঁকা দেয়ালচিত্রের পাশে চলছে কর্মব্যস্ততা। উৎসব আর জীবিকার গল্প যেন মিলেমিশে একাকার।

বিভিন্ন দেশের পতাকা ও ফুটবলভিত্তিক গ্রাফিতিতে সাজানো হয়েছে হেমেন্দ্র দাস রোডের গলিপথ। বিশ্বকাপের আবহে রঙিন হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

‘Wanna Play?’—দেয়ালচিত্রের এই এক প্রশ্নই যেন পুরো এলাকার ফুটবল উন্মাদনাকে জাগিয়ে তোলে। ব্রাজিলের জার্সি, মাথায় ক্যাপ আর দেয়ালে আঁকা নেইমারের গ্রাফিতি—ফুটবল উন্মাদনা যখন যাপিত জীবনের অংশ। দূর দেশের ফুটবল প্রেম আর নিজের দেশের আবেগ যখন একই সুতায় (তারের জটলায়) বাঁধা পড়ে। বিশ্বকাপের এ সময়ে শিশুদের আগ্রহের কেন্দ্রেও এখন ফুটবল।

23/06/2026

নিন্দুকেরা বলাবলি করছে, মেসি পেনাল্টি মিস করেছেন...মেসি আসলে ইচ্ছে করেই সেটা করেছেন...কারণ, এন্টি আর্জেন্টাইনরা সব সময় বলে থাকেন যে, আর্জেন্টিনা পেনাল্টি ছাড়া জিততে পারে না...মেসি প্রমাণ করলেন পেনাল্টি ছাড়াও জিততে পারে আলবিসেলেস্তারা...জয় হোক আর্জেন্টিনার, জয় হোক ল্যাটিন ফুটবলের...

22/06/2026

ঢাকাইয়া কুট্টি কারা, কুট্টি ভাষার উদ্ভব কীভাবে হলো?

জিয়াউল জিয়া

ঢাকাইয়া কুট্টি (পুরান ঢাকাইয়া নামেও পরিচিত) ভাষা হচ্ছে একটি বাংলা উপভাষা, যে উপভাষায় পুরান ঢাকার কুট্টি সম্প্রদায় কথা বলে। এই উপভাষার শব্দভান্ডারে সামান্য বৈচিত্র থাকলেও এই উপভাষাটি মূলত প্রমিত বাংলার সঙ্গে যথেষ্ট বোধগম্য।

সোব্বাসীদেরকে আদি বা আসলি ঢাকাইয়া হিসেবে অনেক গবেষকই মতামত প্রদান করেছেন। সোব্বাসীরাই যদি আদি ঢাকাইয়া হয়ে থাকে, তবে ঢাকাইয়া কুট্টি কারা? অনেকেই ঢাকাইয়া কুট্টিদের ‘আদি ঢাকাইয়া’ হিসেবে জানে। কুট্টি ও সোব্বাসী দুটোই যে পুরো পৃথক দুই জাতি, তা আনিস আহমেদ তার ‘ঢাকাইয়া আসলি’ গ্রন্থেও উল্লেখ করেছেন।

কুট্টিদের নিয়ে মোশাররফ হোসেন ভূঞা তার ‘ঢাকাইয়া কুট্টি ভাষার অভিধান’ বইতে লিখেছেন, ‘‘১৮ শতকের মধ্যভাগ থেকে পূর্ববঙ্গে চাল একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পণ্য ছিল। চাল রপ্তানিকারকেরা ছিলেন মাড়োয়ারি ও মধ্য ভারতের মানুষ। তারা পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে ধান সংগ্রহ করে সেগুলো ঢেঁকিতে ভানতেন এবং কুটতেন। এসব ধান কুটতে ঢাকার আশপাশের এলাকা থেকে শ্রমিকেরা আসতো। শ্রমিক-ব্যবসায়ী ও দিল্লির সৈন্যদের কথোপকথনের মধ্য দিয়ে একটি ভাষার উদ্ভব ঘটে। সেটিই কালের পরিক্রমায় ‘কুট্টি’ হিসেবে পরিচিতি পায়।’’

হেকিম হাবিবুর রহমানের মতে, ১৭৭০ সালে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফরিদপুর থেকে কিছু লোক ঢাকায় এসে ভিড় জমায় ও বসতি স্থাপন করে। ঢাকা শহরের আমীর- কবীরগণ খাজনার পরিবর্তে প্রজাদের নিকট হতে যে ধান আদায় করতেন, এসব লোকেরা তা ঢেঁকিতে ভানত এবং এ আয় দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো। ধান থেকে চাল-তুষ বার করাকে ধান কোটা বলা হয়। এজন্যই এ শ্রেণীর লোকদের ‘কুট্টি’ বলে অভিহিত করা হতো।

কুট্টিরা ঢাকায় এসেছে ১৭৭০ সালের পর। কুট্টি ভাষাকে অনেকে ঢাকার আদি ভাষা বলে মনে করেন বটে কিন্তু কুট্টি ভাষা ঢাকার আদি ভাষা নয়। অর্থাৎ, ১৭৭০ এর পরে কুট্টি ভাষার আবির্ভাব। তবে ঢাকাইয়া ভাষা বলতে এখন মানুষ কুট্টি ভাষাকেই বোঝে। নাটক-সিনেমাতেও কুট্টি ভাষার ব্যবহার রয়েছে। এমনকি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, সৈয়দ মুজতবা আলীর মতো সাহিত্যিকদের রচনাতেও কুট্টি ভাষার উল্লেখ দেখা যায়।

22/06/2026

ইরান বনাম বেলজিয়ামের ম্যাচটা দেখতে পারিনি...পরে ম্যাচ হাইলাইটস দেখলাম...ম্যাচের ফলাফল হতে পারত বেলজিয়াম ৪-০ ইরান...এরকম একটি সম্ভাব্য হার থেকে দলকে বাঁচিয়েছেন ইরানের গোলকিপার আলিরেজা রেইরানভান্দ...অসাধারণ দৃঢ়তায় আগলে রেখেছেন গোলপোস্ট...আটকে দিয়েছেন বেলজিয়ামকে...

21/06/2026

পুরান ঢাকার বিয়ের খাবারের একাল-সেকাল...

জিয়াউল জিয়া

পুরান ঢাকায় বিয়েশাদির মতো বিশেষ আনন্দমুখর অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ আগে ছিল পোলাও-মাংস। আজকাল অবশ্য কাচ্চি বিরিয়ানি ছাড়া বিয়ের অনুষ্ঠান কল্পনাই করা যায় না। তবে একটু অতীতে ফিরে গেলে মনে পড়বে জাফরানি মোরগ পোলাওয়ের সুঘ্রাণ আর স্বাদ। জাফরানি মোরগ পোলাও থেকে খাসির বিরিয়ানি- কীভাবে পুরান ঢাকার স্বাদে বিরাট এই পরিবর্তন এলো তা নিয়েই জানব। পুরান ঢাকার বিয়ের খাবারের স্বাদ, পরিবার, আরও অনেক কিছু নিয়ে গল্প হবে আজ।

স্বাদের ইতিহাস

চকবাজার থেকে জেল রোড ধরে আট মিনিট হাঁটলেই পৌঁছে যাবেন আমাদের গন্তব্যে- ৪৮, আবুল হাসনাত রোড। এই বাড়ির বাসিন্দা খ্যাতিমান সৈয়দ পরিবার। পুরান ঢাকায় ঘটে যাওয়া সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের নীরব সাক্ষী এই পরিবার, কারণ তারা তিন শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে একই ঠিকানায় বসবাস করে আসছেন।

এই পরিবারের সদস্য খাদ্যরসিক সৈয়দ আহমেদ আলী বলেন, ‘যদি বিয়ের খাবারের কথা বলেন, তবে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে এখন বিভিন্ন রীতিনীতির সংমিশ্রণ ঘটেছে এবং এখন আর একচেটিয়া কোনো ‘‘ঢাকাইয়া মেনু’’ নেই। অথচ পাঁচ দশক আগেও কিন্তু এমনটা ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সত্যি বলতে, কিছু প্রথা এখনো বেশ বহাল তবিয়তে রয়েছে। কিন্তু খাবারের পাতে দিন শেষে কাচ্চি, চিকেন রোস্ট আর রেজালাই রাজত্ব করে এখন।’ পুরান ঢাকার বিয়ের ঐতিহ্যের সঙ্গে খাবারের ব্যাপারটি ভীষণ গভীরভাবে জড়িত।

উৎসবের এলাকা, খাবারের রাজত্ব

বংশালের জাহানারা ফাউন্ডেশন মিউজিয়ামের সভাপতি জিনাত পারভীন দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাইয়া জীবনযাত্রা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে আসছেন। তিনি বলেন, ‘পুরান ঢাকার মানুষের জন্য বিয়ে একটি বিশেষ জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। শুরুটা হয় পানচিনি, জামাই খাওন, বলাবলি এবং সবশেষে বিয়ের মাধ্যমে। এরপরেও থাকে একের পর এক অনুষ্ঠান। যেমন বউভাত, ফিরানি ইত্যাদি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এক সময় এসব প্রতিটি অনুষ্ঠানেরই ছিল নিজস্ব স্থানীয় বৈশিষ্ট্য ও নিজেদের নানা আচার অনুষ্ঠান। আজও মূল বিয়ের আগে পানচিনি বা বাত পাকার মত অনুষ্ঠান পুরান ঢাকার বিয়েতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।’

মুসলিম বিয়েতে, এই দিনটি মোহরানা (বিয়ের দেনমোহর) নির্ধারণের জন্য আলোচনার মাধ্যমে পারস্পরিক বোঝাপড়ার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই আলোচনাগুলো থেকে বরকে দূরে রাখা হয় এবং বাত পাকা অনুষ্ঠানের ভোজ থেকে বঞ্চিত থাকার ক্ষতিপূরণ হিসেবে ‘জামাই খাওয়ানো’ রীতির উদ্ভব ঘটে। কনের পরিবার বর, তার আত্মীয়-স্বজন এবং ঘনিষ্ঠ সদস্যদের জন্য খাবার পাঠায়। ঐতিহ্যগতভাবে, জামাই খাওয়ানোর জন্য পাঠানো খাবারের তালিকা অনেক লম্বা ও বৈচিত্র্যময় হয়ে থাকে এবং আজও কনের বাড়ি থেকে বরের বাড়ি পর্যন্ত সব খাবার বহনের জন্য প্রায়ই ট্রাকের প্রয়োজন হয়!

যদিও এই আচার-অনুষ্ঠানের জাঁকজমক আর বিলাসিতা ঢাকাবাসীর কাছে এক প্রিয় রীতি হিসেবে রয়ে গেছে, তবুও এর অতিরঞ্জিত ব্যয়বহুলতা এখনো কিছু প্রশ্ন তোলে। জামাই খাওয়ানোর এই রীতি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি আধুনিক সময়ের বাস্তবতার সঙ্গেও ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।

মুরগির বিশেষ কদর

বেশিরভাগ মানুষ এটি জেনে অবাক হবেন যে, ঢাকাইয়াদের বিয়ের ঐতিহ্যবাহী খাবারে গরু বা খাসির মাংস নয়, বরং মুরগি ব্যবহৃত হতো। মুরগির এই জনপ্রিয়তার রহস্য কী? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে মুঘল রান্নাঘরের গোপন রহস্যে। সেই সময় পোলাও রান্নার প্রক্রিয়া ছিল অত্যন্ত শ্রমসাধ্য এবং বর্তমান ঢাকাসহ অন্যান্য অঞ্চলের ঘরোয়া রান্না থেকে অনেকটাই আলাদা।

খাদ্য ইতিহাসবিদ সাদ উর রহমান তার বই ‘ঢাকাই খাবার ও খাদ্য সংস্কৃতি’-তে মোরগ পোলাও রান্নার জটিল প্রক্রিয়ার বিশদ বর্ণনা দিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘চারটি মুরগি ১৬ টুকরো করে কাটা হতো, যার সঙ্গে এক কেজি সূক্ষ্ম দানার চিনিগুঁড়া চাল মেশানো হতো। এরপর কিশমিশ, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, আলুবোখারা, ঘি, দুধের সর ও জাফরান দিয়ে একসঙ্গে ধীরে ধীরে রান্না করা হতো।’ এই ধৈর্য ও পরিশ্রমসাধ্য প্রস্তুতিই ছিল পুরান ঢাকার মোরগ পোলাওয়ের বিশেষত্ব।

তিনি আরও' বলেন, ‘মাংস ও ভাত এমন নিখুঁতভাবে মেশানো হতো যে মাংস দানাগুলোর মাঝেও আলাদা করে চেনা যেত। ভাত ঘি শুষে নিয়ে এক ধরনের তেলতেলে অনুভূতি তৈরি করত, কিন্তু কখনোই চিটচিটে হতো না। চাপ দিলে তেল ছাড়ত।’

মুঘল মোরগ পোলাওতে কাঁচা মরিচ বা ঝাল মসলা ব্যবহার হতো না। এত সব জেনে সহজেই কল্পনা করা যায়, আমাদের আধুনিক রান্নাঘর থেকে যে পোলাও বের হয়, তা এক সময়ের বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোতে পরিবেশিত আসল মোরগ পোলাওয়ের তুলনায় অনেকটাই ফিকে।

বিয়ের অনুষ্ঠানে একটি উল্লেখযোগ্য প্রথা ছিল আর তা হলো বোরহানির পর কখনোই ফিরনি পরিবেশিত হতো না, বরং পরিবেশিত হতো জর্দা বা মুতাঞ্জন। জাফরানে ভেজানো সুগন্ধি চালে কাজু, কিসমিস, বাদাম, খোয়া মেশানো হতো এবং ওপরে থাকত রূপার তবক। একে আরো অসাধারণ করে তুলত হালকা মিষ্টি, মসলা দেওয়া মাংসের টুকরোগুলো।

কাচ্চি এবং অন্যান্য ঐতিহ্য

উৎসবের উপাদান হিসেবে পরিচিত হলেও, ১৯৪৭ সালের দেশভাগ-পরবর্তী সময়ে কাচ্চি বিরিয়ানি বিয়েবাড়ির মূল খাবার হিসেবে জনপ্রিয়তা পায়। জিনাত পারভীনের মতে, কাচ্চি বিরিয়ানি বেশ ভারী, আবার একইসঙ্গে সুস্বাদু খাবার হওয়ায় শীতকালীন উৎসবগুলোতে এর জুড়ি নেই। মধ্য এশীয় এই খাবারটি স্থানীয় শেফদের হাতে স্বাদের চূড়ায় পৌঁছে গেছে এবং আজ তা উষ্ণতা ও আভিজাত্যের প্রতীক।

তিনি বলেন, ‘কাচ্চির দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তার কারণ হচ্ছে, এটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি খাবার। নরম খাসির মাংস, সুগন্ধি চাল এবং নিখুঁত মশলার মিশ্রণে তৈরি এই বিলাসবহুল খাবারটি দ্রুতই ঢাকা শহরের বিয়েবাড়ির অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে, যেখানে ঐতিহ্যের সঙ্গে লুকিয়ে থাকে ভোজনরসিকতা।’

বিয়ে নাকি ঠিক হয় স্বর্গে, আর বিয়ের মতো আনন্দময় অনুষ্ঠান বিশেষ করে বাঙালি বিয়ে ভালো খাবারের আয়োজন ছাড়া অসম্পূর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রীতি-নীতি নদীর মতো বদলায়। একসময় যেখানে মুরগির রকমারি পদ ছিল বিয়ের মূল আকর্ষণ, আজ তার জায়গা নিয়েছে কাচ্চি। পুরান ঢাকার বিয়ের মেনুও বদলেছে। এক দশক আগেও কাচ্চির আগে নান রুটি ও সবজি পরিবেশন ছিল অকল্পনীয়, হয়তো ৫০ বছর পর এটাই হয়ে উঠবে বিয়ের প্রচলিত ধারা, যেটা নিয়ে তখন গল্প লেখা হবে।

21/06/2026

এই গরমে বুড়িগঙ্গার পাড়ে বসে নদীর হাওয়া খাওয়ার মজাই আলাদা...

ফটো ক্রেডিট: কল্লোল কর্মকার

Photos from Old Dhaka Club's post 20/06/2026

পুরান ঢাকার আরমানিটোলার ঐতিহ্যবাহী আর্মেনিয়ান চার্চ...

20/06/2026

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ধুপখোলা মাঠ...

জিয়াউল জিয়া

ঢাকার গেণ্ডারিয়া এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক ধুপখোলা মাঠ ঢাকা মহানগরীর অন্যতম বৃহৎ মাঠ। এ মাঠে পুরান ঢাকার বিভিন্ন থানার শিশু-কিশোর-যুবকরা খেলাধুলা করে। বয়স্করা করেন হাঁটাহাঁটি। এটি শুধু একটি খেলার মাঠ নয়; আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সাথে অবসর সময় কাটানোর জন্য জনপ্রিয় একটি পার্ক।

এ মাঠে বাংলাদেশের জাতীয় দলের বেশকিছু খেলোয়াড় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এখনও প্রতি বছর এই মাঠে জাতীয় পর্যায়ের খেলা হয়। বর্তমানে মাঠটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আওতাধীন সর্বসাধারণের খেলার মাঠ।

মাঠটি ১৯৮৪ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ সর্বপ্রথম খেলাধুলার জন্য ঢাকা মহানগরী সিটি করপোরেশনের জন্য আওতাধীন করেন। মাঠ কমপ্লেক্সের আয়তন প্রায় ৭.৪৭ একর। খেলাধুলা, শরীরচর্চা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ওয়াজ-মাহফিল এবং বিনোদনের জন্য মাঠটি ব্যবহৃত হয়। এটি পুরান ঢাকার একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান এবং স্থানীয় মানুষের কাছে গর্বের জায়গা।

ধুপখোলা বেড়াতে গেলে মাঠটির প্রাকৃতিক পরিবেশ সবাইকে মুগ্ধ করে। কংক্রিটের জঞ্জালে ভরা পুরান ঢাকায় এমন চমৎকার একটি খেলার মাঠ থাকতে পারে নিজ চোখে না দেখলে কল্পনা করা কঠিন।

মাঠটি মূলত তিন ভাগে বিভক্ত। মাঠের পশ্চিমাংশ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ। দক্ষিণ-পূর্বাংশ ইস্ট অ্যান্ড ক্লাবের এবং উত্তর-পূর্বাংশ সবার জন্য উন্মুক্ত খেলার মাঠ। তিনটি অংশের প্রত্যেকটি আকারে একেকটি ফুটবল মাঠের চেয়ে বড়।ই-পেপার অ্যাক্সেস

ধুপখোলার স্থানীয় বাসিন্দা ওবায়দুর রহমান কাজলের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ‘২০১৬ সালে মাঠে একটি বাণিজ্যিক শিশুপার্ক নির্মাণের উদ্যোগের প্রতিবাদে সভা-সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাধ্য হয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন গণশুনানির আয়োজন করলে এলাকাবাসী বাণিজ্যিক আগ্রাসন থেকে মাঠটি রক্ষার পক্ষে অবস্থান নেন। গণদাবির মুখে বাণিজ্যিক শিশুপার্ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে ২০২৪ সালে মাঠটিতে গ্যালারিসহ খেলার মাঠ, সজ্জিত শিশু কর্নার, ভলিভল, হ্যান্ডবল খেলার জায়গাসহ মাঠের চারপাশে সকাল-সন্ধ্যা হাঁটার জন্য আলাদা রাস্তা ও বিশ্রামের জন্য বসার ব্যবস্থা করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ।’

তিনি বলেন, ‘মাঠে গরুর হাট বসতো। চারদিকের মার্কেট, বখাটে ও নেশাখোরদের উৎপাত মাঠের পরিবেশ নষ্ট করে তুলেছিল। পরিকল্পিত সংস্কার করায়, এসব বন্ধ হয়ে খুব সুন্দর পরিবেশ হয়েছে। ভোর থেকে রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত মাঠে হাঁটাহাঁটি করতে বা বসতে কোনো সমস্যা হয় না এখন।’

তিনি আরো বলেন, ‘ঐতিহ্যবাহী এই মাঠে বছরের দুই ঈদের জামাতে ৩০ থেকে ৪০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করেন। বার্ষিক ওয়াজ-মাহফিল, ঘুড়ি উৎসবসহ বিভিন্ন উৎসবের মেলা হয় এখানে। তাছাড়া জানাযার নামাজও অনুষ্ঠিত হয় এই মাঠে।’

স্থানীয় বাসিন্দা লোটন (৬১) বলেন, ‘ধুপখোলা মাঠের ইস্ট অ্যান্ড ক্লাবটি ১৮৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মোহামেডান ক্লাব, রহমাতগঞ্জ ক্লাবসহ পুরাতন আরো দুই-একটি ক্লাবের পরপরই এই ক্লাবটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে আজও সুনামের সঙ্গে টিকে আছে।

ক্লাবটির বর্তমান আহ্বায়ক মোরশেদ আহমেদ চৌধুরী এবং সদস্য সচিব আব্দুল কাদির। এ মাঠে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল, মোহাম্মদ রফিক, মার্শাল আইয়ুবসহ জাতীয় পর্যায়ের অনেক খেলোয়াড় খেলাধুলা করেছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এক হাজারেরও বেশি শিশু ও তরুণ এই মাঠে ক্রিকেট, ফুটবল, ভলিভলসহ বিভিন্ন ধরনের খেলা খেলেন। তিনটি ক্রিকেট ও দু’টি ফুটবল একাডেমিও রয়েছে এখানে।’বাংলাদেশ সংবাদ

মূল মাঠের চারপাশে বিভিন্ন গাছপালা বেষ্টিত কংক্রিটের হাঁটার রাস্তা ও বসার বেঞ্চ রয়েছে। মাঠের পশ্চিম পাশের রাস্তা লাগোয়া রয়েছে ঐতিহ্যবাহী ধুপখোলা বাজার ও মসজিদ। উত্তর পাশে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আওতাধীন ধুপখোলা কমিউনিটি সেন্টার ও ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত কুব্বাত আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বিভিন্ন ধরণের টং দোকান।

উত্তর-পূর্ব পাশে রয়েছে আজগর আলী হাসপাতাল। পূর্বে আনন্দ কুটির কমিউনিটি সেন্টার ও বিভিন্ন রকমের দোকানপাট। দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত বিখ্যাত ইস্ট অ্যান্ড ক্লাব। ক্লাবের সাথে ভলিভল ও হ্যান্ডবল খেলার নির্দিষ্ট জায়গা রয়েছে। রয়েছে চব্বিশের আন্দোলনে শহীদ, শহীদ জোনায়েদ চত্বর। দক্ষিণ পাশে রয়েছে মসজিদ, শিশুদের জন্য সাজানো গোছানো পার্ক, ওয়াসার বিশুদ্ধ খাবার পানির পাম্প, ও একটি পাবলিক টয়লেট। এছাড়াও দক্ষিণ পাশের বেজে বিকেল থেকেই দেখা মেলে হরেক রকমের ভাসমান ফাস্টফুড কর্ণার, যেখানে ভোজন রসিকরা সহজেই রসনা মেটাতে পারে।

পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়ার ঐতিহ্যের সাথে মিশে থাকা ধুপখোলা মাঠটি, এ অঞ্চলের শিশু-কিশোর-যুবক-বৃদ্ধ সবার বিনোদনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এর চারপাশ বেষ্টিত শ্যামল বৃক্ষরাজি, মাঠের সবুজ ঘাসের দীর্ঘ লন, শিশু-কিশোর-যুবকদের খেলা ও আনন্দ-কোলাহল যে কারো ক্লান্তচিত্তকে আকৃষ্ট করবে- একটুখানি বিশ্রামে বসে প্রাকৃতিক পরিবেশে উন্মুক্ত আকাশ উপভোগের জন্য।

19/06/2026

কেমন আছে পুরান ঢাকার আদি বাসিন্দারা...

জিয়াউল জিয়া

নানা ইতিহাস আর ঐতিহ্যের কারণেই পুরান ঢাকার সুনাম দেশব্যাপী। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যের অন্যতম একটি অনুষঙ্গ হলো এই বানর। বানর হচ্ছে একমাত্র বৃহদাকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা আজও এই কংক্রিটের অরণ্যে মানুষের সাথে টিকে আছে।

একটা সময় পুরান ঢাকার বেশির ভাগ এলাকাই ছিল ঘন জঙ্গল আর গাছপালায় ভরপুর। এরপর হয়েছে নগরায়ণ, আধুনিকতার জোয়ারে বদলে গেছে চারপাশ। ঢাকা থেকে গাছপালা নদী-নালা, খাল-বিল হারিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে হারিয়ে গেছে ঢাকায় বসবাসরত বিভিন্ন বন্য প্রাণী। ঢাকার ঐতিহ্যের অন্যতম অনুষঙ্গ এই বানরগুলো একেবারে হারিয়ে না গেলেও আর আগের মতো দেখা যায় না। কালের বিবর্তনে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ঢাকার এই আদি বাসিন্দারা।

পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়া এলাকার দীননাথ সেন রোডের সাধনা ঔষধালয়ের কারখানা ও কারখানার পার্শ্ববর্তী কবরস্থানে এখনো প্রায় এক থেকে দেড় শত বানরের দেখা পাওয়া যায়। যার নামে এই দীননাথ সেন রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে তিনি হচ্ছেন সুচিত্রা সেনের শ্বশুর। এই বানরগুলো এই এলাকায় ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বসবাস করে আসছে। ১৯১৪ সাল থেকে সাধনা চত্বর বানরের জন্য নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

সাধনা ঔষধালয়ের ওষুধ বানানোর প্রধান উপকরণ ছিল গুড়। শোনা যায়, কারখানায় যখন ওষুধ বানানোর কাজ চলত তখন গুড়ের গন্ধে বানরগুলো এখানে আসত এবং চুরি করে গুড় খাওয়ার চেষ্টা করত।

এরপর থেকে সাধনার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ড. যোগেশ চন্দ্র ঘোষ তার ওষুধ কারখানার একটি কক্ষ বানরদের জন্য ছেড়ে দেন। সেই সঙ্গে বানরদের সকাল-বিকাল খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করেন।

সাধনা ঔষধালয় ছাড়াও পুরান ঢাকার আরো কিছু এলাকায় এখনো বানর দেখা যায়। ওয়ারীর নবাব স্ট্রিটের রবিদাশপাড়া, বংশাল, টিপু সুলতান রোড, জনসন রোড, নারিন্দার মৈশুণ্ডি, ফরাশগঞ্জ এলাকার বিবি রওজার পাশেও দেখা পাওয়া যায় কিছু বানরের।

বাংলাদেশে বানরের প্রজাতিগুলো হচ্ছে- রেসাস ম্যাকাক, পিগ টেইল ম্যাকাক, আসামিজ ম্যাকাক, স্ট্যাম্প টেইল ম্যাকাক, লজ্জাবতী বানর ও প্যারাল্যা বানর।

পুরান ঢাকার বানরগুলো ‘রেসাস ম্যাকাক’ প্রজাতির। দক্ষিণ এশিয়াই এদের আদিভূমি। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব ন্যাচারের (আইইউসিএন) বিপন্ন প্রজাতির রেড লিস্টে ঢুকে গেছে পুরান ঢাকার এই প্রাণী।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বন্য প্রাণী গবেষক মনিরুল এইচ খান পুরান ঢাকার বানর প্রসঙ্গে বলেন, ‘পুরান ঢাকার বানরগুলোর মূল সমস্যা হচ্ছে খাবার ও বাসস্থান। দেয়ালের ফাঁক-ফোকরে ওরা নানা ধরনের কষ্ট সহ্য করে বসবাস করে যার কারণে বাসস্থানের খুব বেশি সমস্যা না হলেও দেয়ালের সাথে বেশি ঘষা লেগে লেগে বানরের পিছনের দিকে ও শরীরে বিভিন্ন স্থানে নানা ধরনের ক্ষতের সৃষ্টি হয়। পুরান ঢাকার বানরের মূল সমস্যা হচ্ছে খাবার। দর্শনার্থীদের দেওয়া খাবারের ওপর নির্ভরশীল এই বানরগুলো। যা বানরের খাবারের চাহিদার তুলনায় একেবারেই যৎসামান্য।’

ঢাকার বানরগুলো চাহিদা অনুযায়ী খাবার না পাওয়ার কারণে এই বানরগুলো অনেকটা দুর্বল। পুরান ঢাকার বিশুদ্ধ খাবার পানির অনেক বেশি অভাব দেখা যায়। এই বানরগুলো খাবার পানির জন্য মানুষের বাড়ির ছাদের পানির টাংকি, নালা-নর্দমা ও বিভিন্ন দূষিত পানির উৎসের ওপর নির্ভর করে থাকে। এসব দূষিত পানি পান করার ফলেও বানরগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ছে এবং দীর্ঘ মেয়াদে অসুস্থতার কারণে মারাও যাচ্ছে।

বানরের খাবারের বিষয়ে ঢাকা সিটি করপোরেশনের সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ও কালচারাল অফিসার খন্দকার মিল্লাতুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পাঁচ বছর আগে আমরা বানরের খাবার সরবরাহ করতাম, এখন আর করা হয় না। তবে কেউ যদি আমাদের কাছে বানরের খাবার সরবরাহ করার জন্য আবেদন করে তাহলে আমরা আবার বানরগুলোর খাবার সরবরাহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

রেসাস প্রজাতির বানর উন্নত দেশে চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণার কাজে ব্যবহার করা হয়। বিজ্ঞানীরা জীব রসায়নের বিভিন্ন আবিষ্কার করে প্রথমে রেসাস বানরের ওপর প্রয়োগ করে ফলাফল প্রত্যক্ষ করেন। মানুষ ও বানরের শারীরিক গঠনের মধ্যে যথেষ্ট মিল থাকায় বিজ্ঞানীরা বানরকেই বাছাই করে থাকেন। বহির্বিশ্বে বানরের যথেষ্ট চাহিদা এবং কিছু অসাধু মানুষ বানর পাচার করার কারণেও বাংলাদেশ থেকে দিনের পর দিন বানরের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

বন বিভাগের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ অঞ্চলের প্রধান ড. তপন কুমার দের কাছে পুরান ঢাকার বানরদের সংরক্ষণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘পুরান ঢাকার বানর সংরক্ষণের বিষয়ে বন বিভাগের কোনো উদ্যোগ নেই। খাবারের অভাবে বানরগুলো বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে যাচ্ছে, যার কারণে মানুষ ও বানর উভয়েরই নানা রকমের সমস্যা তৈরি হচ্ছে। ভবিষ্যতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সবার সাথে আলোচনা করে ঢাকার বানরদের সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আমাদের এই সুন্দর পৃথিবী যেমন আমাদের বসবাসের স্থান তেমনি অপরাপর বন্য প্রাণীদের বসবাসের স্থান। পৃথিবীতে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার অধিকার আছে তাদেরও। আর সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে আমাদেরই দায়িত্ব পৃথিবীতে বসবাসরত প্রত্যেকটা বন্যপ্রাণীর প্রতি সুনজর দেওয়া ও সংরক্ষণ করা। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ আপনার আমার সবার একটু সচেতনতা, উদ্যোগ ও ভালোবাসার হাতই সুন্দরভাবে বাঁচিয়ে রাখতে পারে পুরান ঢাকার এই আদি বাসিন্দাদের।

18/06/2026

Our Buriganga...

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


RaySaheb Bazar
Dhaka
1100