আপনার বয়স ২২-৩০ এর মধ্যে হলে আপনার টার্গেট হবে সবার আগে ২ লাখ টাকা জমানো।
এরপর নিজে পারলে ভালো, না পারলে কোন এজেন্সি মাধ্যমে মদিনা ৬০% দিন বেশি থাকবে এমন প্যাকেজে উমরাহ বুক করা।
প্যাকেজে মধ্যে ৫ স্টার হোটেল বাদ দিয়ে বলবেন কুবা রোডের ভাংগাচুরা হোটেলে ব্যবস্থা করতে। খাবার প্যাকেজ নরমাল,সব নরমাল।
মদিনায় ল্যান্ড করেই আগে বিশাল ঘুম দিবেন,ফজর যোহর আসর যে কোন জায়গায় পড়বেন।
মাগরিবের নামাজ পড়তে চলে যাবেন সোজা মসজিদুল নবী (সা) তে।সেখানে দোতলায় নামাজ পড়বেন,নামাজ শেষে পা ছড়িয়ে শুয়ে আকাশ দেখবেন।
আকাশ দেখা শেষ হলে ৪ গ্লাস পানি খাবেন,জমজমের। নাম জমজম হলেও এই পানি স্বাদ দুনিয়া যে কোন পানি থেকে আলাদা। মনে হবে মহান আল্লাহ আপনাকে জান্নাত থেকে পানি খাওয়াচ্ছেন ( সুবহানাল্লাহ)
পানি খাওয়া শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে আশে পাশে সাহাবাদের মসজিদ দেখবেন।যে কোন এক সাহাবা মসজিদে এশার নামাজ পড়ে নিবেন।
এরপর বের হয়ে মদিনা চারিদিকে হাটবেন। আপনি ফিল করবেন মদিনার বাতাস,মদিনার রাস্তা,সব কিছু কেমন আরামদায়ক।আপনার সেই সময় মনে হবে,মদিনা শহর মনে হয় জান্নাতে এক টুকরো।কারন এই শহরে ঘুমিয়ে আছেন প্রিয় নবী (সা)।
হাটতে হাটতে একটা ঘাসের জমিতে বসবেন।রাস্তা থেকে এক টুকরো মুরগি ফ্রাই নিয়ে রাস্তায় ছিটিয়ে দিবেন।কোথা থেকে এক পাল বিড়াল এসে আপনাকে ঘিরে ধরবে,কোলে উঠবে,মুরগি খাবে।আপনি শুধু বিড়ালের কান্ডকারখানা দেখবেন।এরপর গা ঝাড়া দিয়ে মসজিদে নবী ( সা) এসে তাহাজ্জুদ পড়ে নিবেন,সামনে কাতারে।
নামাজ পড়া শেষে মানুষজনের সাথে কথা বলবেন।বাইরে গিয়ে পুলিশ অফিসারদের সাথে গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে গল্প করবেন। মসজিদে মেহমানদের সাথে দ্বীন নিয়ে আলোচনা করবেন।মনে হবে,আরেহ এই তো আমার পরিচিত বন্ধু,কত দিনের চেনা।
আস্তে আস্তে ফজরে সময় হবে। ফজর পড়ে নবী (সা) রওজায় সালাম দিবেন, আপনার মনের কথা বলবেন। সালাতুল ইসরাকে নামাজ পড়ে বাসায় গিয়ে ঘুম দিবেন।
সিম্পল কিছু কাজ।৷ কিন্ত এই কাজের যে শান্তি,দুনিয়া সব সম্পদ হাতে দিলে আপনি এই শান্তি পাবেন না।
যদি সুযোগ হয়,একবার হলেও মদিনায় যাবেন,বেহেস্ত স্বাদ আপনি দুনিয়া পাবেন।
সংগৃহীত ____
হে কাবার মালিক!
কবুল করে নেন আমাদের 🖤
Neuron Nursing Admission Information
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Neuron Nursing Admission Information, Education, Dhaka.
নিউরন নার্সিং কোচিং বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় এবং সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদেরকে নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করে। নিউরন নার্সিং কোচিং এর লক্ষ্য হলো নার্সিং শিক্ষার্থীদেরকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করা। �নার্সিং (ডিপ্লোমা ও বিএসসি) ভর্তি প্রস্তুতি প্রোগ্রামে ভর্তি চলছে....
�নার্সিং(বিএসসি) কোর্সের জন্য ভর্তি যোগ্যতাঃ SSC এবং HSC উত্তীর্ণ হতে হবে। SSC ও HSC সর্বমোট জিপিএ ৭.০০ থাকতে
21/06/2026
21/06/2026
আড়াই বছর প্রাইমারিতে চাকরি করছি।নতুনদের জন্য অভিজ্ঞতা থেকে দু চারটে কথা লিখছি।
১.যাদের খুঁতখুঁতে স্বভাব,অল্পতে রাগ উঠে,চাপ নিতে পারেন না তারা আসবেন না এই পেশায়।
২.যাদের প্রচন্ড ইগো,তারাও আসবেন না এই পেশায়।
৩.যারা খুব বেশি মেধাবী তাদেরও নিরুৎসাহিত করছি।
৪.যারা ভাবছেন আপাতত ঢুকি,তারা আসবেন না। প্রাইমারির চেয়ারে এমন এক অদৃশ্য আঠা আছে,একবার বসলে ছেড়ে যাওয়া কঠিন।হ্যাঁ অনেককেই দেখবেন চলে গেছে অন্য জবে,তার পারসেন্টেজ অনেক কম।
প্রাইমারি চাকরিটা হচ্ছে মন্দের ভাল।এটা কথিত সম্মানের,পাওয়ার হীন নিরীহ পেশা। আমার পরিচিত একজন আছে যিনি বুয়েট ইঞ্জিনিয়ার, প্রথমে চাকরি করতেন বিদ্যুৎ বিভাগে, পরে আসলেন ব্যাংকে, শেষে এখন প্রাইমারির শিক্ষক।তিনি ভালবাসেন পেশাটাকে।
আমার পরিচিত বড় ভাই /কলিগ, ঢাবির দুই সাব্জেক্টে মাস্টার্স,চট্রগ্রাম ভার্সিটি'র গ্র্যাজুয়েট ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট। পলিটিক্যাল সায়েন্স,আই আর, সোস্যাল সায়েন্স এ মাস্টার্স। শখ করে প্রাইমারিতে জয়েন করছিলেন,অসম্ভব মেধাবী,বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার যোগ্যতা রাখেন,অথচ আর বের হয়ে যেতে পারেনি।
প্রাইমারিতে আপনার পোস্টিং হবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রত্যন্ত অঞ্চলে, অধিকাংশ স্কুলেই পিয়ন নেই,ভাগ্য খারাপ থাকলে পতাকা উঠানো,স্কুল বন্ধ করা,খোলার দায়িত্ব ইভেন টয়লেট ও আপনাকেই পরিস্কার করতে হবে।
প্রধান শিক্ষক ক্লাস নিবেন না,এসে সাইন করে চলে যাবেন,আপনার টানা ৭/৮ টা ক্লাস নিতে হবে।আফসোস করবেন,লাভ নাই।
বাচ্চাদের উপর প্রচন্ড রাগ উঠবে,বাট কিচ্ছু বলতে পারবেন না। স্কুলে বাচ্চা কমে গেলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাচ্চা আপনাকেই কালেক্ট করতে হবে। প্রতি মাসে হোম ভিজিট, উপবৃত্তির কাজ,অনলাইন তথ্য হালনাগাদ, ভোট গ্রহন,আদমশুমারী, খেলাধুলা পরিচালনা,পরীক্ষায় গার্ড, অফিসার প্রটোকল ইভেন গেস্ট আসলে তাকে চা বানিয়ে,পান আনিয়ে আপনাকেই খাওয়াতে হবে।
পান থেকে চুন খসলে এলাকার পাতি নেতা আপনাকে লুঙ্গি তুলে দেখিয়ে যেতেও দ্বিধাবোধ করবে না। স্কুলের সামনের চায়ের দোকানদার,ভ্যান ওয়ালা, ওটো ওয়ালা আপনার থেকে সালাম এর আশা করবে।
অফিসের চাপ এর কথা আর নাই বলি।আপনার বস প্র.শি,সহকারি শিক্ষা অফিসার,শিক্ষা অফিসার,স্কুলের সভাপতি,সকল সদস্য,এলাকার মাতাব্বর, পাতি নেতা,অন্য অফিসের অফিসাররা সহ সকলেই 🤣
যত ধরনের ঝামেলা,জুনিয়র হিসেবে সব আপনার কাধে,আর যত ধরনের ট্রেনিং,আর্থিক বিষয় সব ভোগ করবে সিনিয়ররা।এভাবে ৫ বছর কাটিয়ে দিলে এসব আর আপনার পথে বাধা হবে না। আপনার সয়ে যাবে।
যা বললাম,একটা কথাও মিথ্যা না।মান সম্মানের ভয়ে এসব কেউ আপনাকে এসব বলবে না।
তারপরও দিন শেষে একটা চাকরি করতে হবে।একদম ই যাদের অন্য কোন আশা নেই তারা আসতে পারেন। শুভ কামনা নিরন্তর
/
-লিখেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক।
বেডি মানুষ মূলত ছেলে পটানোর জন্য ফুটবল খেলা দেখার ভান করে!
জামায়াতের নারী এমপি মারদিয়া মমতাজ খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইস্যু নিয়ে সংসদে কথা বললেন যেগুলো মুগ্ধ হয়ে শুনলাম৷
তিনি বলেন, "মাননীয় স্পিকার, আমি অবাক হলাম এটা দেখে যে বাংলাদেশে কওমি শিক্ষার মতো একটি ঐতিহ্যবাহী ধারাকে নিয়ে এবারের বাজেটে কোনো নির্দেশনা নেই।"
এছাড়াও তিনি বেসরকারি চাকরিজীবীদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, "বেসরকারি পে-স্কেলের বিষয়েও কিছু নির্দেশনা আসা উচিত। এটার অভাবেই সরকারি চাকরিতে সুযোগ পাওয়ার জন্য ঘুষ ও নিয়োগ বাণিজ্যের মতো অনৈতিক চর্চা তৈরি হয়। যারা বেসরকারি চাকরি করেন, তারাও মানুষ। তারাও আপনাকে ভোট দিয়েছেন। তাদের প্রতিদিনের বৈষম্য ও কষ্টটা সবচেয়ে ভালো বোঝেন তারাই, যারা এই খাতে কাজ করেন।"
সত্যি বলতে, খুব কম সংসদ সদস্যকেই বেসরকারি চাকরিজীবীদের সমস্যা ও বৈষম্যের বিষয়টি এত স্পষ্ট ও আন্তরিকভাবে তুলে ধরতে দেখা যায়। একই সঙ্গে কওমি শিক্ষাব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ও তিনি যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করেছেন।
রাজনীতির মতভেদ যাই থাকুক, সংসদে যখন জনগণের বাস্তব সমস্যাগুলো নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়, তখন সেটি অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। বেসরকারি চাকরিজীবীদের অধিকার, বেতন কাঠামো এবং কওমি শিক্ষার উন্নয়ন এসব বিষয় নিয়ে আরও বেশি আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।
Bangladesh
আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মগবাজার, ঢাকা এর তথ্য :
*মোট কর্মী- ১৭৯০ জন*
*যার মধ্যে ১৪৮০ জন মহিলা কর্মী চাকুরীরত আছে*।
●২০০০ সাল থেকে মে'২০২৬ পর্যন্ত মোট ১,৫৭,৭৩,২৯১ জন আদ্-দ্বীন হাসপাতাল থেকে সেবা নিয়েছেন ।
●এ পর্যন্ত ২০,৬৮,৬৫৭ গর্ভবতী মা আদ্-দ্বীন হাসপাতাল থেকে সেবা নিয়েছেন ।
●২০০০ সাল থেকে মে'২০২৬ পর্যন্ত মোট ডেলিভারির সংখ্যা ৩,০৩,৮২৯ জন, এর মধ্যে নরমাল ডেলিভারী ৯৫,২৬৭ জন এবং সিজার অপারেশন ২,০৮,৫৬২ জন।
●২০০০ সাল থেকে মে'২০২৬ পর্যন্ত মোট ১,৬১,০৪১ জন রোগীর বিভিন্ন সার্জারি অপারেশন হয়েছেন ।
●ঔষধসহ সিজারিয়ান অপারেশনের বিল ১০,৮০০ টাকা (ভর্তি রোগীর ডাক্তার ভিজিট ফ্রি ও খাবার ফ্রি)
নরমাল ডেলিভারি মাত্র ৪,৫০০ টাকা (গরিব রোগীর জন্য ১২০০ টাকা)
●পিত্তথলির পাথর অপারেশন মাত্র ২৪,৫০০ টাকা ঔষধসহ (ভর্তি রোগীর ডাক্তার ভিজিট ফ্রি ও খাবার ফ্রি)
●শিশু ওয়ার্ডের ৬৬টি বেড সম্পূর্ণ ফ্রি (মায়েদের খাবারসহ)
●অপুষ্টিজনিত শিশুদের জন্য ১৫ টি বেড সম্পূর্ণ ফ্রি (ঔষুধ, বাচ্চার খাবার, মায়ের খাবারসহ)
●এ পর্যন্ত ৫০০ জন প্রোস্টেট অপারেশন বিনামূল্যে করা হয়েছে,
●৫০০ জন রোগীর প্রসবজনিত ফিস্টুলা অপারেশন বিনামূল্যে করা হয়েছে।
●২০২১ সালে চালু হওয়া
ডায়ালাইসিস সেন্টারে ১ম বছর ২৫০ টাকার মধ্যে ১৫,০০০ হাজার রোগীর সেবা দেওয়া হয়েছে।
●এই হাসপাতলে ২২৩ টি বেড ভাড়া বিনামূল্যে
●২০০৮ সাল থেকে নামমাত্র মূল্যে ১২৪ টি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছি।
প্রথম বছরে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস বিনামূল্য দেয়া হয়েছে,
দ্বিতীয় বছর থেকে ৬০ টাকা এবং পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করে ৩৮০ টাকা হয়েছে।
●এই হাসপাতালের ৭০০টি বেডের মধ্যে প্রতিনিয়ত প্রায় ৬৯০টি বেডে রোগী পূর্ণ থাকে ।
●প্রতিদিন ২০০০ জনের উপরে রোগী বহির্বিভাগ এ সেবা নিতে আসেন এবং তারা মাত্র ২২০ টাকায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা সেবা নিয়ে থাকেন l
●প্রতিদিন ১৫০ জন রোগী এই হাসপাতালে ভর্তি হন।
●এই হাসপাতালে বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় ১০১ বেডের NICU আছে । যেখানে প্রতিদিন আদ্-দ্বীন ও আদ দ্বীনের বাহিরে জন্ম নেওয়া অসুস্থ নবজাতক বাচ্চারা সেবা নেয় ।
●সময়ের আগে জন্ম নেওয়া অনেক অসুস্থ নবজাতক এখানে ভর্তি হয় । এখানে তারা চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে মায়ের কোলে ফিরে গিয়েছে।
৬০০ গ্রামের বাচ্চারাও এখান থেকে সুস্থ হয়ে মায়ের কোলে ফিরে গিয়েছে এবং অন্যান্য হাসপাতালের NICU থেকে আদ্-দ্বীনের NICU এর সেবামূল্য অনেক কম।
●পাশাপাশি ICU এবং CCU তে প্রতিদিন অনেক ভর্তি থাকা রোগী এখান থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছে এবং অন্যান্য হাসপাতাল থেকে CCU ও ICU এর খরচ অনেক কম।
●প্রতিদিন গড়ে ৬০ জন রোগী ডেলিভারি হয় তার মধ্যে নরমাল ডেলিভারি ২০ থেকে ২৪ জন।
প্রতিদিন ২ থেকে ৩ জন মায়ের পূর্বে সিজার থাকা নরমাল ডেলিভারি করা হয়ে থাকে ।
●২০২৫ সালে মোট নরমাল ডেলিভারি হয়েছে ৬০৪৪ জন এবং সিজার অপারেশন হয়েছে ১২২০০ জন।
২০২৫ সালে পূর্বে সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি ৫৫০ জন।
●খুলনা বিভাগে ১৫৭০০০ জন গরিব রোগীদের বিনামূল্যে চোখের ছানী অপারেশন করা হয়েছে।
●আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ, মগবাজারে বর্তমানে ৫৫০ জন ছাত্রি অধ্যায়নরত আছেন, তার মধ্যে ১৮০ জন বিদেশি শিক্ষার্থী
●ফাতেমা নার্সিং কলেজ ও ইনস্টিটিউট, মগবাজারে ৪৪০ জন শিক্ষার্থী অধ্যায়নরত আছেন ।
●বাংলাদেশের মধ্যে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল সবথেকে বেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ।
●সব থেকে বেশি নরমাল ডেলিভারি হয় আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ।
●স্বল্পমূল্যে মান-সম্মত সেবা দেওয়া হয় আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ।
●আদ্-দ্বীন হাসপাতালে এনআইসিউ-এর চিকিৎসা ব্যয় খুবই কম | ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩০,১০০ জন নবজাতক আদ্-দ্বীন হাসপাতালের এনআইসিইউ বিভাগে সেবা গ্রহণ করেছে |
●আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ইপিআই কার্যক্রমের মাধ্যমে ২০০০ সাল থেকে ১০,৩০,২৩১ জন শিশু ও মহিলাকে টিকা প্রদান করা হয়েছে | *এরমধ্যে ৯,৫২,৪১৫ জন শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে* |
●আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ এ ২০০০ সাল থেকে ৫,১৩,৪০৯ জন রোগীকে সেবা প্রদান করা হয়েছে |
●মহিলা রোগীদের ক্ষেত্রে শুধু মহিলা সার্জন না এনেস্টেশিয়ার ডাক্তার ও মহিলা থাকেন | যারা খাস পর্দা করেন তাদের জন্য আদ্-দ্বীন হাসপাতালে এই ধরনের বিশেষ ব্যবস্থা আছে |
ফ্রিল্যান্সিং ও কন্টেন্ট কিয়েটরদের আয়ের ওপর কর সম্পূর্ণ মওকুফ। এখন হতে বৈধ পথে হতে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা দেশে নিতে পারবেন।
পেটে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক কিশোরের পেট থেকে চিকিৎসকরা যখন সার্জারি করে দাঁত, চুল ও হাড় যুক্ত একটি মাংসপিণ্ড বের করেন, তখন খোদ চিকিৎসকেরাই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। 🤯
বিজ্ঞানের ভাষায় এই বিরল অবস্থাকে বলা হয় 'ফিটাস ইন ফিটু' (Fetus in fetu) বা প্যারাসাইটিক টুইন (Parasitic Twin)। অনেক সময় একে 'টেরাটোমা' (Teratoma) নামক এক বিশেষ ধরনের টিউমার হিসেবেও ধরা হয়।
মায়ের গর্ভে যখন যমজ সন্তানের ভ্রূণ তৈরি হয়, তখন খুব বিরল কিছু ক্ষেত্রে একটি ভ্রূণ অন্য ভ্রূণের ভেতরে ঢুকে যায়। যে ভ্রূণটি ভেতরে ঢুকে যায়, সেটি আর সম্পূর্ণ মানুষ হিসেবে বড় হতে পারে না। কিন্তু সেটি অন্য ভ্রূণটির (যে পরবর্তীতে জন্ম নেয়) শরীরের ভেতরেই একটি 'প্যারাসাইট' বা পরজীবী হিসেবে আটকে থাকে।
যেহেতু এর আলাদা কোনো অস্তিত্ব থাকে না, তাই এটি যার শরীরে থাকে, তার রক্ত থেকেই পুষ্টি নেয়। এভাবেই বছরের পর বছর ধরে সেই মাংসপিণ্ডটি পেটের ভেতরেই ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে এবং এর ভেতরে চুল, দাঁত, হাড় এমনকি কখনো কখনো হাত-পায়ের মতো কিছু কোষও তৈরি হয়ে যায়!
আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো, এই কন্ডিশনটি সাধারণত বছরের পর বছর ধরে অগোচরেই থেকে যায়। ২০১৬ সালে ভারতের ১৮ বছর বয়সী কিশোর নরেন্দ্র কুমারের ক্ষেত্রে ঠিক এমনটাই ঘটেছিল। দীর্ঘদিনের পেটের ব্যথা, বমি আর ওজন কমে যাওয়ার কারণ খুঁজতে গিয়ে স্ক্যান করার পর চিকিৎসকরা তার পেটে ২.৫ কেজি ওজনের এমন একটি প্যারাসাইটিক টুইনের খোঁজ পান। পরে সফল সার্জারির মাধ্যমে সেটি বের করে আনা হয়।
পুরো পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত এমন কেস পাওয়া গেছে মাত্র ২০০ টির মতো
Rabiul Islam রাজশাহী কি বগুড়ার মতো অর্থনীতি তে শক্তিশালী জেলা কে ধরে রাখতে পারে? ( গুগোলে সার্চ করে সত্যত্বা নিশ্চিত হতে পারেন)
★ বগুড়ায় অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপের ম্যাচ হয়।
★ বগুড়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ হয়।
★ বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের ৫ তারকা হোটেল আছে।
★ বগুড়া কোটিপতিদের শহর। অন্যতম অর্থনৈতিক ও ধনী জেলা।
★ বগুড়ায় হবে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর।
★ উত্তরবঙ্গের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের হোটেল নাজ গার্ডেন বগুড়ায়।
★ ব্যবয়াসিক হাব বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের রাজধানী বগুড়া।
★ সার্ক এর সাংস্কৃতিক রাজধানী বগুড়া।
★ প্রচীন বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী বগুড়া।
★ রাজশাহী কে ছাপিয়ে শিক্ষা নগরী এখন বগুড়া।
★ বিদেশে পণ্য রপ্তানিতে এগিয়ে বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে জনবহুল জেলা বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে উচু ভবন বগুড়ায়।
★ উত্তর বঙ্গ/ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি হাসপাতাল tmss medical বগুড়ায়।
★ বগুড়া উত্তর বঙ্গ ও বাংলাদেশ কে Represent করে তার আন্তর্জাতিক মানে অবকাঠামো ও পরিচিতির মাধ্যমে।
★ বগুড়ায় ২ টি ক্যান্টনমেন্ট আছে। যা অন্য জেলায় নেই।
★ বিভাগীয় জেলা না হয়েও বগুড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও ভারতীয় এম্বাসির শাখা রয়েছে।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যাংক ও তার শাখা আছে বগুড়ায়
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কলকারখানা আছে বগুড়ায়।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ রিজার্ভ আছে বগুড়ার ব্যাংকগুলো তে।
★ উত্তর বঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সোনা হিরা কেনা বেচা হয় বগুড়া তে।
★ রাজশাহী বিভাগে একমাত্র RDA আছে বগুড়া তে।
★উত্তর বঙ্গে মধ্যে বগুড়া সবচেয়ে ব্যয়বহুল জেলা
★উত্তরবঙ্গে ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (VTTI) রয়েছে একটি তা বগুড়ায়।
★ উত্তর বঙ্গে সবচেয়ে বেশি BCS ক্যাডার বগুড়া থেকেই হয়।
★ উত্তরবঙ্গে বগুড়ার মানুষ আয় বেশি এবং ব্যায় ও করে বেশি।
★ উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় NGO বগুড়ার Tmss
★ বেসরকারি চিকিৎসা সেবায় উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে উন্নত জেলা বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি tax আসে বগুড়া থেকে।
★ হালকা প্রকৌশল শীল্পে উত্তরবঙ্গের রাজধানী বগুড়া।
★ কৃষি পণ্য ও হালকা যন্ত্রপাতি বিদেশে রপ্তানি তে উত্তরবঙ্গের শীর্ষ জেলা বগুড়া।
★ দেশির প্রযুক্তিতে বাস ট্রাক পাওয়ারটিলার ভটভটি নির্মাণে উত্তরবঙ্গের শীর্ষ জেলা বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবজি বিদেশে রপ্তানি তে বগুড়া শীর্ষে
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘনবসতি পূর্ণ শহর বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করে বগুড়ার মানুষ।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিদেশি কোম্পানি বগুড়ায় আছে।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কোম্পানির অফিস বগুড়ায় আছে।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে কম খরচে হেলিকপ্টার সেবায় এগিয়ে বগুড়া
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সদর উপজেলা শিক্ষায় বগুড়া এগিয়ে।
★ উত্তর বঙ্গের একমাত্র কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নেকটার বগুড়ায় অবস্থিত।
★ উত্তরবঙ্গে একমাত্র বগুড়া তেই কেবল কার সার্ভিস MoMoInn এ আছে।
★ উত্তরবঙ্গে একমাত্র BAF শাহীন কলেজ বগুড়ায় আছে।
★ উত্তরবঙ্গের একমাত্র মেরিন একাডেমি বগুড়ার Tmss এ অবস্থিত।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্রান্ডের শো রুম আছে বগুড়ায়
★ উত্তর বঙ্গের সবচেয়ে ব্যস্ততম শহর বগুড়া।
★AI গুগোলের তথ্য অনুযায়ী উত্তরবঙ্গে যদি বর্তমানে কোনো বিভাগীয় জেলা না থাকতো তাহলে সবচেয়ে আগে বিভাগের যোগ্যতা রাখতো বগুড়া।
তাই বগুড়া তে বিভাগের দাবি বগুড়াবাসীর।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Dhaka
6271