বিশ্বজুড়ে কলারোয়া

বিশ্বজুড়ে কলারোয়া

Share

বিশ্বজুড়ে কলারোয়া (kalaroainfo.com)মূলত একটি তথ?

07/04/2026
16/08/2024

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Md Ibrahim Hossen Rakib, MD Anisur Rohman, MD Mizan, Prince Biplob Hossain, Hasan Alj, Israfil Hossain, MD Moshair Rahman

What types of content are you liking so far?

09/08/2024

কলারোয়া পৌরসভায় অন্তবর্তীকালীন আইন-শৃঙ্খলা কমিটির আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন---

09/08/2024

✅যে‌ পুলিশ ভাইটি ছাত্রছাত্রীর বুকে গুলি চালাতে না গিয়ে চাকরি থেকে অব্যাহতি নিলেন! সেই ভাইটির চাকরি সম্মানের সহিত পদোন্নতি দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

নয়তো মানবতা পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাবে।
ভুলে গেলে চলবে না উনি সত্যিকারের জনগণের বন্ধু। আপনার মত পুলিশ ডিপার্টমেন্টে থাকা খুবই জরুরী!

07/08/2024

কারো উসকানিমূলক পোস্ট, ভিডিও দেখার আগে তার ফেসবুক ওয়াল একবার ঘুরে আসবেন। যদি দেখেন বিগত ১ মাস তিনি শুধু ফুল, পাতার ছবি দিয়েছেন, এতবড় গনহত্যার পরেও সেখাচিনাকে খুনি বলতে পারেনি, গণহত্যার প্রতিবাদে এক লাইন লেখে নাই, যদি বলে থাকেন আমরা সকল হত্যার বিপক্ষে কিন্তু উনি গণহত্যার জন্য খুনিকে চিহ্নিত করেন নাই তাহলে তার কথাগুলোকে উসকানি হসাবে উড়িয়ে দিবেন। এমন ছুপাদের উসকানিতে নিজের সময় নষ্ট করবে না।

02/08/2024

পুলিশ ছাত্রদের পাখির মতো হত্যা করেছে, এখনো অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ দেখেন খুবি'র ছাত্ররা এক আহত পুলিশকে উদ্ধার করে রক্ষা করছে।

"এইসব দেখতে দেখতে" আমি অসুস্থ বোধ করছি! মোশারফ করিম। বাধন। Mosharraf Karim। Badhon। Quota Andolon 01/08/2024

সাবাশ!
একমাত্র সাইকো ছাড়া এতো বড় জেনোসাইড কেউ সাপোর্ট করতে পারে না। ভিডিওগুলো দেখে সবাই মানসিক ট্রমায় পড়ে গেছে। একটি দেশের জনগণের টাকায় পালা বাহিনীগুলো জনগণের বুকে গুলি চালাবে যেখাএ অবুঝ শিশুরাও আছে এটা কোন বিবেকবান মানুষ মেনে নিতে পারে না। এখনো যারা বিবেক বন্ধক রেখে ঘুমাচ্ছেন তারাও জেগে উঠুন।

"এইসব দেখতে দেখতে" আমি অসুস্থ বোধ করছি! মোশারফ করিম। বাধন। Mosharraf Karim। Badhon। Quota Andolon "এইসব দেখতে দেখতে" আমি অসুস্থ বোধ করছি! মোশারফ করিম। বাধন। Mosharraf Karim। Badhon। Quota Andolon

Photos from বিশ্বজুড়ে কলারোয়া's post 01/08/2024

পুলিশ, র‍্যাব এতোদিন বিনা বিচারে ক্রসফায়ারে মানুষ মেরেছে। যাদের মেরেছে কেউ কেউ ছিলো সন্ত্রাসী, অনেকের ক্ষেত্রেই পুলিশ, র‍্যাব কন্ট্রক্ট কিলিং করেছে, নারায়নগঞ্জের ৭ মার্ডার, টেকনাফের উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মার্ডার এমন অনেক উদাহরনই দেয়া যায়। প্রতিটা হত্যাকান্ডের পরেই পুলিশ, র‍্যাব একটা কমন গল্প ফাঁদতো। মানুষ প্রতিবাদ করতো না, তারা চাইতো সহজ এ্যাকশান, তাদের দৃষ্টিতে অপরাধীকে ক্রসফায়ার দেয়া ভাল। কিন্তু এতো এতো ক্রসফায়ার দিয়েও পুলিশ অপরাধী, মাদকের বিস্তার কমাতে পেরেছে? আইনের শাসন ছাড়া ক্রসফায়ার জাতীয় জিনিস কখনো টেকসই হয় না। আইনের শাসন নিশ্চিত করতে পারলে অপরাধী এমনিতেই কমে যায়। কিন্তু এই যে ক্রসফায়ার, যথেচ্ছা দুর্নীতি করার সুযোগ দেয়ার কারনে আজ পুলিশের কোন নৈতিক মান নেই। সারাদেশের মানুষ যার চাক্ষুস সাক্ষী সেখানেও তারা নিজেদের মতো করে গল্প ফেঁদে দেয়, কারন মূল অভিযুক্ত পুলিশ নিজেই। শধু গল্প ফেঁদেই তারা ক্ষ্যান্ত হয় না, জর্জ মিয়ার মতো একটা নাটক সাজিয়ে একটা কিশোরকে তারা প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে খুনের আসামীও করেছে। কী একটা অবস্থা এই দেশের। এটাই কি প্রথম এমন? না, পুলিশ এটা হরহামেশাই করে, অনেক আগে থেকেই। মানুষ তো প্রতিবাদ করে না, ক্ষমতাসীনদের সুবিধা হয় তাতে। এই রাষ্ট্রকে সংস্কার ছাড়া আপনি, আমি কেউ এখানে নিরাপদ না।

08/07/2024

আবেদ আলী গ্রামের একজন সাধারন মানুষ, কুলির কাজ করে টেনেটুনে সংরার চলে। সামাজিক বৈষ্যম্যের কারনে হোক আর দারিদ্রের কারনে হোক তিনি তো লেখাপড়া শিখে তথাকথিত মেধাবী হতে পারেননি। তিনি দেখেন তার চারপাশে অনেকেই আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে রাতারাতি। তিনি উপায় খুঁজতে থাকেন। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় ঢাকায় পাড়ি জমান। সেখানে ড্রাইভিং শিখে চাকুরি নেন পিএসসি তে। একেবারে পিএসসি চেয়ারম্যানের ড্রাইভার হয়ে বসেন। তার ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়, তিনিও রাতারাতি কোটিপতি বনে যান।

আবেদ আলীকে নিয়েই নিউজে নিউজে সয়লাব নেট দুনিয়া। কিন্তু যদি তুলনা করেন তবে আবেদ আলীরা খুব ছোট প্লেয়ার। তিনি শুধু নিজের ভাগ্য বদলের উপায় খুঁজে পেয়েছিলেন, অন্যদের ভাগ্য বদলের মাধ্যম হয়েছিলেন। তিনি কাদের জন্য প্রশ্নপত্র আউট করেছেন? যারা তার মতো রাতারাতি ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখে তাদের জন্য। সরকারী চাকুরী বা স্পেসিফিক্যালি বলতে গেলে বিসিএস এখন ছাত্ররা এতো সিরিয়াসলি নেয় কেন? দেশসেবার জন্য? সিরিয়াসলি? বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস, পড়াশুনা, জ্ঞান-গবেষনা বাদ দিয়ে সবাই লাইব্রেরীতে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে গাইড বই পড়ে। কেন পড়ে? তারাও বেনজীর, মতিউর হয়ে ভাগ্য বদলাতে চায় রাতারাতি। আবেদ আলীর সামনে তাহলে কোন পথা খোলা? আবেদ আলী কী একা? বিসিএস দেয়ার বয়স হওয়ার পর থেকেই শুনে আসছি প্রশ্ন আউট হয়, টাকার বিনিময়ে নিয়োগ হয়। তাহসানের মা জেড এন তাহমিদা খাতুন যখন পিএসসি'র চেয়ারম্যান ছিলেন তখন থেকেই এই রেওয়াজ জোরেশোরে শুরু হয়েছিলো।

দেশের চারিদিকে যে যেভাবে পারে কোটিপতি হচ্ছে। এখন আর লাখ টাকা কোন হিসাবে ধরা হয় না। কোটি টাকার নীচে কেউ গননায় ধরে না। এখানে মেধা দিয়ে, যোগ্যতা দিয়ে মানুষ ঠকানোর কারবার করতে হয়, সময়মতো সুযোগ না ধরতে পারলে আপনি পিছিয়ে পড়বেন। সেজন্য অন্য কারো ক্ষতি হচ্ছে কিনা, অন্য কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কিনা, অন্য কেউ মারা যাচ্ছে কিনা সেগুলো দেখতে গেলে আপনার জন্য বাংলাদেশ নামক ভূখন্ড না। টাকা বানানোর অনেক মেশিন আছে বাংলাদেশে। রাজনীতি, ভূমিদস্যুতা, জালিয়াতি, দুর্নীতি, লুটপাট, হায় হায় ব্যবসা, চেতনা ব্যবসা, ধর্ম ব্যবসা, কমিশন ব্যবসা, দালালি এগুলো সহজ তরিকা।

আপনি নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ব্যবসা করবেন? চাকুরী খুঁজবেন? আপনার স্টার্ট-আপ দাঁড় করাবেন? পথে নেমে দেখুন সেগুলো কতটা কঠিন বাংলাদেশে। প্রায় অসম্ভব। আপনার পূঁজি, মেধা, আইডিয়া, থিওরি, প্ল্যান খেয়ে দেয়ার জন্য ওৎ পেতে বসে আছে হাজার হাজার মানুষ। আমি বাংলাদেশে বসে নিজের স্বল্প মেধা খাটিয়ে এক সময় বিদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা রেমিট্যান্স নিয়ে গেছি। দেশ কী করেছে? প্রতি পদে পদে হয়রানি করেছে, অসহযোগীতা করেছে, ইনকাম ট্যাক্সে ঘুষ দিয়ে হয়রানি থেকে বাঁচতে হয়েছে। সেজন্য বাংলাদেশ এখন আর নিয়মতান্ত্রিক পথে ধনী হওয়ার দেশ নয়। এখানে ভালো পোস্টিং মানে যেখানে ঘুষের সুযোগ বেশী এমন জায়গা, এখানে ভালো অফিসার মানে যিনি কম ঘুষ নিয়ে, কম হয়রানি করে বড় বড় অনিয়ম করার সুযোগ দেন তিনি, এখানে ভালো মানুষ মানে লুটপাটের টাকা মসজিদ, মাদ্রাসায় যারা অঢেল ঢালতে পারবে তারা।

যাদেরকে ছোট থাকতে মেধাবী বলে সীল মেরে দেয়া হয় তাদের জীবনের একটা বড় সময় কেটে যায় পড়াশুনা করে। এখন এই পড়াশুনা করে মেধাবী তকমা পাওয়া কুতুবরা বেছে নেয় বিসিএস বা অন্য সরকারী চাকুরীতে ঢোকার সুযোগ, এ ছাড়া সমাজের মানুষ তাদের মূল্য দেয় না। অনেক পড়াশুনা করে আপনি যদি এলাকায় অনেক দান করতে না পারেন, এলাকার মানুষের, আত্মীয় স্বজনের অন্যায় কাজ ক্ষমতার জোরে অনুমোদন না করতে পারেন, এলাকার অযোগ্য মানুষকে চাকুরী না দিতে পারেন তবে আপনি হবেন এলাকার সবচেয়ে বড় অপদার্থ। সামাজিক সম্মান পেতে হলে আপনাকে মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা বানাতে হবে।

আজ যারা বড়লোক তাদের কোন না কোন প্রজন্ম কোন এক সময় টাকা বানিয়েছে সেটা হোক বৈধ বা অবৈধ যে কোন উপায়ে। দরিদ্র, মধ্যবিত্ত পরিবার স্বপ্ন দেখে তাদের ছেলেমেয়েরা তাদের পরিবারের সেই খুটিটি হোক যার মাধ্যমে তাদের উত্তর প্রজন্ম ধনীদের খাতায় নাম লেখাবে। বাংলাদেশে যেখানে নানান সহজ তরিকা আছে সেখানে মেধা, যোগ্যতা, পরিশ্রম, প্রতিযোগীতা দিয়ে কে নিজের ভবিষ্যতকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে চায়? সেজন্য ২/৪ বছর কঠিনভাবে গাইড পড়ে, প্রশ্ন কিনে তারা বিসিএস অফিসার হতে চায়, কোটা বাতিল করার আন্দোলন করে নিজের পথ পরিষ্কার রাখতে চায়। কারন তারা জানে বিসিএস অফিসার হয়ে গেলে তাদের জীবনে ও তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আর কোন দুঃশ্চিন্তা নেই। সুন্দরী বউ, অঢেল টাকা, অনেক ক্ষমতা সবই পাবে।

আর পাবে কী? সম্মান! আপনি সৎভাবে আয় করে এলাকার মানুষকে, মসজিদ, মাদ্রাসায় কত দান খয়রাত করতে পারবেন? আপনাকে মানুষ নিন্দা করবে, সমালোচনা করবে, বলবে বড় বড় ডিগ্রী নিয়ে আপনি অপদার্থ, আপনার সঙ্গে কেউ মেয়ে বিয়ে দিবে না। ওদিকে সহজ তরিকায় কোটিপতি বনে যাওয়া মানুষেরা লক্ষ লক্ষ টাকা বিলাতে পারে। সেজন্য এলাকায়, ধর্মীয় নেতাদের কাছে, মিডিয়ায় তারা খুব সম্মানিত থাকে সবসময়। তো এই যখন অবস্থা তখন কে না চাইবে সহজ তরিকাগুলো বেছে না নিতে? বিসিএসওয়ালারা পারলে, ব্যবসায়ীরা পারলে, রাজনীতিবিদরা পারলে আবেদ আলীরা কেন পারবে না? তাদের স্বপ্ন দেখতে দোষ কী? তারাও যে উপায়েই হোক নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাইবে। পুরো সমাজ ব্যবস্থা যে পথে হাটছে সেখানে একজন আবেদ আলী বা একজন আফজাল কেন পিছে পড়ে থাকবেন? তিনি বরং দৌড় দিয়ে এগিয়ে আছেন, সেটাকে তো এই সমাজে যোগ্যতা হিসাবে দেখবেন, সমালোচনা কেন করছেন আপনারা? তিনি তো চাইলেই বিসিএস দিয়ে মতিউর, বেনজীর, বিপ্লব, জিয়াউল হতে পারবেন না, কারন তার লেখাপড়া নেই, তিনি বিসিএস দিতে পারেননি। আবেদ আলী থেকে উপরে উঠুন, যাদের আপনারা নিয়োগ দিয়েছেন, যাদেরকে আপনারা প্রতিনিধি বানিয়ে পাঠিয়েছেন দেশ শাসনের জন্য তাদের আমলনামা দেখুন। আমলনামায় সাদা পাতা পাবেন? সবই দেখা যাবে কালো আর কালো।

সেজন্য গ্রামের এক স্বপ্নবাজ আবেদ আলী, আফজাল, আরাভ খান এদের দিকে আর আঙুল তোলার সুযোগ নেই। পারলে সমাজকে আগে বদলান।

Photos from বিশ্বজুড়ে কলারোয়া's post 28/06/2024

রাতের বেলা দিনের আলো।
এই ছবিগুলো DSLR ক্যামেরা দিয়ে সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে তুলেছিলাম। ফ্ল্যাশ লাইট কিংবা আলো ছাড়াই। রাত তখন প্রায় ১১ টা বাজে, বাইরে ঘুটঘুটে অন্ধকার। তিনতলার উইন্ডোর ওপাশে বস্তির টিনের ঘর। শুধুমাত্র দূরের লাইটগুলো ছাড়া কোন দেয়াল, ছাদ কিছুই দেখা সম্ভব ছিলো না। অন্ধকার মানে কিন্তু একেবারেই আলো নেই, ব্যাপারটা তা না, মানুষের চোখের সীমাবদ্ধতার কারনে মানুষ দেখতে পায় না। কিন্তু কুকুর জাতীয় অনেক প্রাণী ঘুটঘুটে অন্ধকারেও অনেক কিছু পরিষ্কার দেখে। যাইহোক, ক্যামেরার লেন্স অন্ধকারেও ছবি নিতে পারে। কিছু সেটিংস এর পরিবর্তন করে স্থির জায়গায় ক্যামেরা রেখে ছবি নিতে হয়। এ্যাপারচার কমিয়ে দিতে হয়, শাটার স্পীড বাড়িয়ে দিতে হয়, ISO ঠিক করতে হয়। যে ছবি দিনে তুলতে এক সেকেন্ডের শতগুণেরও কম সময় লাগে, এমন সেটিংস এ রাতে সেখানে ২০/৩০/৬০/১০০/১২০ সেকন্ড লাগতে পারে। দেখেন দূরের ওয়লের রঙ সবই বোঝা যাচ্ছে, কিন্তু মানুষের চোখে অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই না।

এই বস্তিটা এখন আর নেই, কোভিড শুরুর আগে ও পরে এখানে বহুতল বিল্ডিং উঠেছে। শুনেছিলাম পুলিশের কোন এক বড় কর্তার ছেলে নাকি তার প্রভাব খাটিয়ে জোর করে বস্তিবাসীদের উচ্ছেদ করে এখানে বিল্ডিং উঠিয়েছে। কোভিডের সময় যখন সরকারীভাবে সারাদেশে জনসমাগম, কাজ-কর্ম, অফিস-আদালত সব বন্ধ ছিলো ২০২০ এ, তখনও এখানে ডজন ডজন শ্রমিক কাজ করে গেছে, বাংলাদেশের প্রভাবশালী কারো কারবার, বুঝেনই তো।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Kalaroa, Satkhira
Dhaka
9410