17/06/2026
একটা ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানশুধু পাশ করায় না ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়।
শিক্ষা জাতীর মেরুদণ্ড না, সুশিক্ষা জাতীর মেরুদণ্ড।
An ideal institute for developing minds of children
17/06/2026
একটা ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানশুধু পাশ করায় না ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়।
শিক্ষা জাতীর মেরুদণ্ড না, সুশিক্ষা জাতীর মেরুদণ্ড।
15/06/2026
14/06/2026
13/06/2026
আমাদের ফুলগুলো।
এই সেই ঐতিহাসিক 7UP খাওয়ার ম্যাচ
7UP
30/04/2026
যদি মনে করেন আপনার স্কুল বা কলেজপড়ুয়া সন্তান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তাহলে নিচের লেখাটি পড়ুন—
১/ সন্ধ্যার পর আপনি (বাবা) ঘরে ফিরুন। সন্তান যতদিন HSC পাস না করে, আপনি বাজারে বা রাস্তার মোড়ের দোকানে আড্ডা দেওয়া বাদ দিন।
আপনি (মা) সন্ধ্যার পর পাশের বাসার ভাবির সাথে আড্ডা দেবেন না। কেউ এলে তাকে ইঙ্গিতে বুঝান যে সন্তানের পড়ায় সমস্যা হয়। আলাপে উৎসাহ কম দেখান—তাহলে আর আসবে না।
২/ সন্ধ্যার পর টিভি দেখা বন্ধ রাখুন। মোবাইলেও কিছু দেখা যাবে না। সন্তানকে বলুন পড়ার টেবিলে মোবাইল (যদি থাকে) নিয়ে না বসতে।
৩/ পড়ার রুম আলাদা হলে দরজা খোলা রেখে পড়তে বলুন। কিছুক্ষণ পরপর তাকে জিজ্ঞেস করুন তার কিছু লাগবে কিনা। পরিবারের সবার ঘুমের সময় এক রাখুন।
৪/ প্রাইভেট বা কোচিংয়ের বেতন আপনি গিয়ে দিয়ে আসুন। সম্ভব না হলে শিক্ষককে ফোন দিয়ে সন্তানের পড়াশোনার অবস্থা ও বেতন দিয়েছে কিনা জিজ্ঞেস করুন।
বই, খাতা, কলম সম্ভব হলে নিজে কিনে দিন।
বি. দ্র.: অনেকে বাড়ি থেকে টাকা এনে পুরোটা খরচ করে ফেলে বা কম দেয়। যারা পুরোটা খরচ করে ফেলে, শিক্ষক একাধিকবার বললে তারা আর কোচিং বা প্রাইভেটে আসে না। আবার অনেকে না পড়েও কোচিংয়ের কথা বলে বাড়ি থেকে টাকা আনে।
৫/ মোবাইল বা মোটরসাইকেল কিনে না দিলে পড়াশোনা করবে না—এমন বললে বোঝানোর চেষ্টা করুন। সম্ভব না হলে, ছেলে হলে তাকে বিদেশ বা অন্য কাজে পাঠানোর কথা ভাবতে পারেন। এগুলো দিলেও সে পড়বে না; বরং নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।
বি. দ্র.: সন্তানের জরুরি প্রয়োজনে আপনার ফোনটি সীমিত সময়ের জন্য দিতে পারেন, তবে মোটরসাইকেল নয়।
৬/ স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কোচিং বা প্রাইভেটের বেতন দিতে অথবা প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে দিতে সামর্থ্যের মধ্যে থাকলে দেরি করে তাকে বিব্রত করবেন না। তবে হিসেবের বাইরে টাকা দেবেন না।
৭/ সন্তানের ওপর অযথা খবরদারি করবেন না। বয়সে বড় বলেই সব বিষয়ে আপনার জ্ঞান নাও থাকতে পারে। প্রয়োজনে আশেপাশের সুশিক্ষিত মানুষের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।
তাকে সবসময় চাপে রাখবেন না; এতে ক্ষোভের সৃষ্টি হবে। তাকে বলতে দিন, তার সাথে বোঝাপড়া গড়ে তুলুন, পরামর্শ করুন। উপদেশ নয়—উদাহরণ দিন।
৮/ সবসময় বকাঝকা না করে ভালো কিছু করলে প্রশংসা করুন। বাবা-মা দুজন একসাথে বকবেন না। সন্তান নষ্ট হলে একজন আরেকজনকে দোষারোপ করবেন না যে, “তোমার জন্য ছেলে/মেয়েটা নষ্ট হয়েছে।”
৯/ টাকার পেছনে না ছুটে সন্তানের পেছনে সময় দিন। সন্তান নেশাগ্রস্ত বা বিপথে গেলে, বৃদ্ধ বয়সে আপনার চোখের সামনে আপনার ছেলে সেই সম্পদ নষ্ট করবে। তখন আপনার কিছুই করার থাকবে না। জীবনের শেষ সময়টা মানসিক যন্ত্রণায় কাটবে।
আজ থেকেই উপরোক্ত কাজগুলো ধীরে ধীরে শুরু করুন। পুরোপুরি লাইনে আনতে ৪০–৯০ দিনের একটি লক্ষ্য নির্ধারন করুন
21/02/2026
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি?
কপি করুন
| Monday | 09:00 - 14:00 |
| Tuesday | 09:00 - 14:00 |
| Wednesday | 09:00 - 14:00 |
| Thursday | 09:00 - 13:30 |
| Saturday | 09:00 - 14:00 |
| Sunday | 09:00 - 14:00 |