লিসবনের আকাশে ৫০ মিটার উচ্চতায় বসে উপভোগ করুন দুপুরের খাবার, টাপাস বা রাতের খাবার। অনন্য অভিজ্ঞতা নিতে আপনাকে খরচ করতে হবে জন প্রতি ১২৯ ইউরো সর্বনিম্ন!
Md Rasel Ahammed
A Bangladeshi Portuguese Citizen, Entrepreneur, Migration Consultant, Writer & Traveler, 3 Continent & 30 Plus Countries
রক ইন রিও লিসবোয়া ২০২৬-এর প্রথম দিনেই পেদ্রো সাম্পাইও এমন এক উন্মাদনার ঢেউ তুললেন, যেখানে হাজারো মানুষের লাফ, গান আর উচ্ছ্বাস এক হয়ে তৈরি করল এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। 🕺🎤💥
লিসবোয়ার আকাশ যেন কেঁপে উঠেছিল সুর, আলো আর শক্তির বিস্ফোরণে। এ শুধু একটি কনসার্ট ছিল না, এটি ছিল আবেগ, ঐক্য এবং সঙ্গীতের এক মহা উদযাপন।
রক ইন রিও আবারও প্রমাণ করল—সঙ্গীতের কোনো ভাষা নেই, কিন্তু এটি লাখো হৃদয়কে একসাথে স্পন্দিত করতে পারে। ❤️🌍
অল্প পুজিতে পর্তুগালে ব্যবসা শুরু করার এখনই উপযুক্ত সময়। অভিবাসন সংকট বা সংকুচন এবং নতুন সুযোগ
16/06/2026
পর্তুগালে প্রবাসীদের কল্যাণে সরকারের উদ্যোগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা....
সুইজারল্যান্ডের প্রাকৃতিক দৃশ্য যেকারো মন ভাল করে দিতে পারে! যতবারই যাই এবং দেখী মুগ্ধ হয়।
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পর্তুগালে টিকে থাকতে যা যা করনীয় হতে পারে; ভাষা, ড্রাইভিং ও ভোকেশনাল ট্রেনিং
১৭৫৫ সালের ১ নভেম্বর পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্প সংঘটিত হয়, যা “গ্রেট লিসবন আর্থকোয়েক” নামে পরিচিত। আনুমানিক ৮.৫ থেকে ৯.০ মাত্রার এই ভূমিকম্পের পর সুনামি ও অগ্নিকাণ্ড শহরটিকে প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়। এতে কয়েক হাজার মানুষ প্রাণ হারায় এবং অসংখ্য ভবন, গির্জা ও ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এই দুর্যোগ শুধু পর্তুগালের ইতিহাসেই নয়, বরং ইউরোপের সামাজিক, রাজনৈতিক ও দার্শনিক চিন্তাধারার উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত, লিসবনের ঐতিহাসিক Terreiro do Paço-এ অনুষ্ঠিত হবে শহরের প্রধান ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ফ্যান জোন। এখানে প্রতিদিন একটি বিশাল পর্দায় ১–২টি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে, যার মধ্যে পর্তুগালের সব ম্যাচ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
📍 টেরেইরো দু পাসো, লিসবন
📅 ১১ জুন – ১৯ জুলাই
📺 প্রতিদিন ১–২টি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার
🎟️ প্রবেশ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে
#লিসবন #পর্তুগাল #বিশ্বকাপ #ফিফাওয়ার্ল্ডকাপ2026 #ফুটবলফ্যানজোন
10/06/2026
১০ জুন পর্তুগালের জাতীয় দিবস (Dia de Portugal), যা মহান কবি Luís de Camões-এর মৃত্যুবার্ষিকীকে স্মরণ করে পালিত হয়। এই দিনটি পর্তুগালের ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা এবং জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। দেশজুড়ে সরকারি অনুষ্ঠান, সামরিক কুচকাওয়াজ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিভিন্ন সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে দিবস উদযাপন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত পর্তুগিজ সম্প্রদায়ও গর্ব ও উৎসাহের সঙ্গে এই দিনটি পালন করে, যা পর্তুগিজ জাতির ঐক্য, ঐতিহ্য এবং দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1229