Arch Bangla

Arch Bangla

Share

ArchBangla is a comprehensive online platform focused on Bangladeshi Architecture. It provides online presence for architectural discourse and development.

The website serves as a bridge between professional architects, architecture students, and society.

17/06/2026

সব উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে অনলাইনে ভবন
নকশা অনুমোদনের কার্যক্রম চালুর নির্দেশ
..
..
১জুন ২০২৬ এর সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মতো দেশের অন্যান্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকেও ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে অনলাইনে ভবন নকশা অনুমোদনের ব্যবস্থা চালু করে নাগরিক সেবা সহজ ও দ্রুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

16/06/2026

বিশ্বের সর্বোচ্চ আকাশচুম্বী ভবনের স্থপতি মনে করেন, শহরগুলোকে এখন আর এত উঁচু ভবন নির্মাণ করা উচিত নয়।

গর্ডন গিল, যিনি Adrian Smith + Gordon Gill Architecture-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং সৌদি আরবের আসন্ন ৩,২৮০ ফুট উচ্চতার জেদ্দা টাওয়ার-এর অন্যতম সৃজনশীল মস্তিষ্ক,
সম্প্রতি যুক্তি দিয়েছেন যে আমেরিকান স্থাপত্য উদ্ভাবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নতুন ক্ষেত্র হলো অ্যাডাপটিভ রিইউজ (Adaptive Reuse)—অর্থাৎ বিদ্যমান ভবনগুলোকে নতুন উদ্দেশ্যে পুনর্ব্যবহার ও রূপান্তর করা।

যদিও তাঁর বর্তমান প্রকল্পটি পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু স্থাপনা হওয়ার পথে রয়েছে, গিলের বিশ্বাস যে ভবনের উচ্চতা আর নগর উন্নয়নের প্রধান মানদণ্ড হওয়া উচিত নয়। বরং তিনি বিদ্যমান স্থাপনাগুলোকে আরও কার্যকর, টেকসই এবং জ্বালানি-সাশ্রয়ী সম্পদে রূপান্তরের পক্ষে মত দেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি শিকাগোর বিখ্যাত **উইলিস টাওয়ার**-এর সফল আধুনিকায়নের কথা উল্লেখ করেন, যা প্রমাণ করে যে পুরোনো ভবনগুলোকেও নবায়নের মাধ্যমে আরও বহু দশক ব্যবহারযোগ্য রাখা সম্ভব।

সংরক্ষণভিত্তিক উন্নয়নের এই প্রবণতা অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং পরিবেশগত জরুরিতার দ্বারাও সমর্থিত হচ্ছে।

AIA_আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস-এর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ১২৫ মিলিয়ন ভবনের প্রায় অর্ধেকই ৫০ বছরের বেশি পুরোনো, যা সৃজনশীল পুনঃব্যবহারের জন্য এক বিশাল সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শুধু ২০২৪ সালেই ডেভেলপাররা পুরোনো অফিস, কারখানা এবং ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে রূপান্তর করে প্রায় ২৫,০০০ নতুন অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ করেছেন।

প্রচলিত নির্মাণকাজে বিপুল পরিমাণ কংক্রিট, ইস্পাত এবং কাচের প্রয়োজন হয়। ফলে নতুন করে নির্মাণ শুরু করার পরিবর্তে পুরোনো ভবন পুনর্ব্যবহার করলে সাধারণত উৎপন্ন হওয়া কার্বন নিঃসরণের ৫০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস করা সম্ভব। এর মাধ্যমে আধুনিক শহরগুলোর জন্য আরও পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়নের পথ তৈরি হয়।

সূত্র: Kim, S. (২০২৬)। *Architect Behind World’s Tallest Skyscraper Has Warning About New Buildings*. Newsweek

15/06/2026

নতুন ঢাকার বনাম পুরান ঢাকার জন্য আলাদা নিয়ম:
-- -- ---- ---- --- --- --- --- --- --- --- --- --- -- -
আপনার ঝটপট উত্তর: A নাকি B? ----

পুরান ঢাকার ঐতিহাসিকভাবে গড়ে ওঠা সরু গলি আর নতুন ঢাকার (যেমন উত্তরা বা পূর্বাচল) চওড়া প্লটের চরিত্র সম্পূর্ণ আলাদা।

অনেকে মনে করেন পুরো ঢাকার নিয়ম একই হওয়া উচিত, আবার অনেকের মতে পুরান ঢাকাকে আলাদা চোখেই দেখতে হবে।

> রাজউকের ইমারত বিধিমালা কি পুরো ঢাকার জন্য একদম এক হওয়া উচিত?
A ) হ্যাঁ, পুরো ঢাকার নিয়ম একই হওয়া উচিত
B ) না, পুরান ঢাকার জন্য আলাদা শিথিল নিয়ম দরকার

13/06/2026

জমির মালিক এবং ডেভেলপারের উপর আরও একটি খড়গ। আল্টিমেটলি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ক্রেতা। ফ্ল্যাটের মূল্য হবে আকাশচুম্বী। অধরা থেকে যাবে সবার জন্য আবাসন।

ডেভেলপারদের সাথে জমির মালিকের সাইনিং মানির বাইরে ডেভেলপারের তৈরি ফ্ল্যাটের অপর ১৫% ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স দিতে হবে জমির মালিকদের।

13/06/2026

HA HOUSE by VTN ARCHITECTS
এই সদ্য সম্পন্ন ব্যক্তিগত বাড়ির প্রকল্পটি ভিয়েতনামের হো চি মিন শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ১৫ মিনিটের দূরত্বে একটি নতুন আবাসিক এলাকায় অবস্থিত।

পার্শ্ববর্তী এলাকাটি গড়ে উঠেছে নতুন নির্মিত ঘর নিয়ে, যেগুলি একটি ঘনবসতিপূর্ণ আবাসন গঠন করে এবং একে অপরের সঙ্গে বাইরের দেয়াল ভাগাভাগি (share) করে। তিন প্রজন্মের পরিবারের জন্য নির্মিত এই বাড়ির প্লটটি বেশ সরু—মাত্র ৭ মিটার প্রস্থ এবং ২০ মিটার দৈর্ঘ্য।

স্থপতির বর্ণনা অনুযায়ী:

উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া বিবেচনায় নিয়ে এবং প্রাকৃতিক সবুজ পরিবেশের সঙ্গে ঘরটি মিশে যেতে পারে এমন একটি বিকল্প আবাসন নকশা আমরা প্রস্তাব করি, যা এশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোর সাধারণ গৃহায়ন পরিকল্পনা থেকে আলাদা।

**ক্লায়েন্টের প্রধান চাহিদা ছিল** একটি বড় সবুজ বাগান, যেখানে শিশুরা খেলতে পারবে এবং প্রাপ্তবয়স্করা পরিবার-বন্ধুদের নিয়ে BBQ করতে পারবে। এছাড়াও তারা চেয়েছিলেন একটি বড় সুইমিং পুল, ব্যায়ামের জায়গা, ঠাকুরমার শোবার ঘর, একটি বসার ঘরসহ ডাইনিং এরিয়া ও রান্নাঘর, এবং যথেষ্ট পার্কিং স্পেস — সবই যেন নিচতলায় থাকে।

আমরা "বড় সবুজ বাগান"-টিকে কয়েকটি ছোট সংযুক্ত বাগানে ভাগ করার প্রস্তাব দিয়েছি, যা প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদান করবে এবং একই সাথে পরিবেশের সঙ্গে মানানসই হবে। বাড়ির মূল কাঠামোটি নিচতলা থেকে ধাপে ধাপে উপরের দিকে উঠে গেছে, একপাশে মোড় নিয়ে ক্রমাগত পিছিয়ে গেছে।

শীর্ষ তলায় বাড়িটি মূল রাস্তার দিকে দুই মিটার ক্যান্টিলিভারে বেরিয়ে এসেছে। বাড়ির ধাপযুক্ত বাগানগুলো ছাদ টেরেসের সঙ্গে মিশে উপরের তলা পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা বিভিন্ন গাছের ছায়ায় ছায়াযুক্ত একটি ধারাবাহিক সবুজ এলাকা তৈরি করে এবং একই সাথে প্রধান রাস্তা থেকে গোপনীয়তা রক্ষা করে।

প্রতিটি তলায় ছাদ বা টেরেস ভিন্ন ভিন্ন আকারে ও কাজে ব্যবহৃত হয়েছে—কিছু টেরেস ব্যক্তিগত বাগান হিসেবে ব্যবহারযোগ্য, যেগুলি সরাসরি বেডরুম থেকে প্রবেশযোগ্য, আবার কিছু টেরেস পাবলিক গার্ডেন হিসেবে ব্যবহার হয়। সবগুলো বাগান আলাদা হলেও একটি "একটানা সবুজ পরিবেশ"-এর অংশ, যেখানে শিশু ও বাসিন্দারা একটি বাইরের লোহার সিঁড়ি দিয়ে চলাচল করতে পারে।

ঘরের অভ্যন্তরীণ স্থাপত্য পরিকল্পনায় একটি বড় কেন্দ্রস্থ ফাঁকা জায়গা রাখা হয়েছে, যা নিচতলা ও প্রথম তলাকে যুক্ত করে এবং বসার ঘর, ডাইনিং, রান্নাঘর, লাইব্রেরি ও শিশুদের শোবার ঘরের মতো প্রধান কার্যকরী স্থানগুলোকে একত্রিত করে দেয়, যাতে বাসিন্দারা সহজে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।

বাড়ির ভেতরের বিভিন্ন আকার ও অনুপাতে রাখা বড় জানালা ও ফাঁকফোকর বাসিন্দাদের বাইরের সবুজ প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সুযোগ করে দেয়, যা প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের একটি সেতুবন্ধন তৈরি করে।

বাড়ির ভিন্ন ভিন্ন উচ্চতা ও কাঠামোর স্থানচ্যুতি এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে প্রাকৃতিক আলো ও ঠান্ডা বাতাস ঘরের ভেতর দিয়ে চলাচল করতে পারে। ফলে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস পায়, কারণ বাড়ির বাইরের গাছপালা সূর্যরশ্মি সরাসরি প্রবেশ করতে বাধা দেয়।

আমরা ফিনিশিং-এর খরচ কমাতে বাড়ির বাইরের অংশে ইট ব্যবহার করেছি। ভিয়েতনামের নির্মাণ সাইটে এটি একটি প্রচলিত উপকরণ, যা নির্মাণ ব্যয় হ্রাস করে কিন্তু মান বজায় রাখে। স্থানীয়ভাবে ইট পাওয়া যাওয়ায় পরিবহন খরচ ও কার্বন নিঃসরণও হ্রাস পেয়েছে।

এই প্রকল্পটি "হাউজ ফর ট্রিজ" সিরিজের একটি অংশ, যার লক্ষ্য এমন একটি ঘর নির্মাণ করা যেখানে প্রকৃতি ও মানুষ একে অপরের আরও কাছাকাছি থাকে। আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র গাছ লাগানো নয়, বরং এমন একটি জীবন্ত আবাস তৈরি করা যেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে।

11/06/2026

আবাসন সংকট কোনো অমোঘ নিয়তি নয়।
এটি হঠাৎ করে সৃষ্টি হয়নি, কিংবা প্রকৃতির কোনো অনিবার্য নিয়মও নয়। বরং এটি কয়েক দশক ধরে চলা বিনিয়োগহীনতা ও ভুল নীতিনির্ধারণের সরাসরি ফল। আর যেহেতু এই সংকট মানুষের সিদ্ধান্ত থেকেই তৈরি, সেহেতু ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিলেই এর সমাধান সম্ভব।

এর মানে কী?
এর মানে হলো—আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকারে মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে।

প্রথমত, বস্তি উচ্ছেদের পুরনো ও ব্যর্থ ধারণা থেকে সরে এসে যেতে হবে জনগণের নেতৃত্বে বস্তি উন্নয়নের পথে।

দ্বিতীয়ত, অনানুষ্ঠানিক বসতিগুলোকে শহরের ‘বোঝা’ নয়, বরং নগর কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।

তৃতীয়ত, সাশ্রয়ী, জলবায়ু-সহনশীল আবাসনে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে—কারণ জলবায়ু সংকটের যুগে আবাসনও জলবায়ু নীতির অংশ।

চতুর্থত, ধাপে ধাপে উন্নয়ন ও স্থানীয়ভাবে পরিচালিত সমাধানগুলোকে সমর্থন দিতে হবে।

পঞ্চমত, অর্থায়নের সুযোগ বিস্তৃত করতে হবে এবং ভূমি ও বাসস্থানের নিরাপদ অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

এবং সর্বোপরি, আবাসন নীতির কেন্দ্রে রাখতে হবে মানুষকে—তাদের অংশগ্রহণ, কণ্ঠস্বর ও সিদ্ধান্তগ্রহণের অধিকারকে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা আমাদের ভুলে গেলে চলবে না—বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের প্রায় ৩৭ শতাংশের জন্য দায়ী ভবন ও নির্মাণ খাত। ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আবাসন খাতই হতে পারে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রবেশদ্বারগুলোর একটি। আমরা কীভাবে ঘর বানাই, সংস্কার করি, অর্থায়ন করি এবং এই খাত পরিচালনা করি—তার ওপর নির্ভর করবে আমাদের শহরগুলোর ভবিষ্যৎ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনের সক্ষমতা।

আবাসন কেবল আরেকটি অর্থনৈতিক খাত নয়। এটি হলো এসডিজিগুলোর ছাদ—যার নিচে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, লিঙ্গসমতা ও জলবায়ু সহনশীলতা একত্রে দাঁড়িয়ে থাকে।

চ্যালেঞ্জ নিঃসন্দেহে বিশাল। কিন্তু সম্ভাবনাও তেমনি ব্যাপক। আবাসন সংকটের সমাধান হতে পারে আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগগুলোর একটি—সহনশীলতা, অন্তর্ভুক্তি এবং টেকসই নগর ভবিষ্যতের জন্য।

পুরো চিত্রটি বুঝতে চাইলে “World Cities Report 2026” খুঁজে দেখে নেওয়াই শ্রেয়।

আর হ্যাঁ—আপনার নির্মাণেও আপনি আবাসন ও টেকসই নগর উন্নয়নে বাস্তব ও অর্থবহ অবদান রাখার চেষ্টা করুন।
#আর্কবাংলা

11/06/2026

It's a proud moment for our country that two projects from Bangladesh have been recognized among 34 outstanding projects worldwide, spanning 15 countries and four continents for RIBA International Award for Excellence 2026

The Zebun Nessa Mosque in Savar, Designed by Ar. Saiqa Iqbal Meghna with Studio Morphogenesis Ltd team, has been recognized for its thoughtful integration of spirituality, community engagement, and inclusivity within an industrial context. The project reflects a sensitive architectural response shaped through participatory dialogue and human-centered design principles.

AND

The BRAC University Campus, Dhaka, designed by WOHA for BRAC University, has been awarded for its exemplary climate-responsive and socially integrated design approach. Transforming a former derelict site into a vibrant vertical campus, the project demonstrates an inspiring model of sustainable urban education infrastructure.

09/06/2026

আমাদের এই ব-দ্বীপ বস্তুত আবহমান কাল থেকেই Sustainable. আধুনিক সাস্টেইনেবল থিওরীর বহুলাংশ আমাদের স্থাপত্য ও জীবনধারার ঐতেহ্যের মাঝে প্রোথিত আছে।

আজ বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ মাথা গোঁজার ঠাঁই বা আবাসন সংকটে ভুগছেন। কিন্তু এই সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে আমরা প্রকৃতির আরও বড় একটা ক্ষতি করে ফেলছি। বর্তমানে দুনিয়াজুড়ে যে পরিমাণ ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাস বাতাসে ছড়াচ্ছে, তার প্রায় ৩৭ শতাংশেরই উৎস হলো আবাসন ও নির্মাণ খাত।

এই চরম বাস্তবতায় একটা প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই—আধুনিকতার চক্করে পড়ে আমরা কেন আমাদের আদি ও ঐতিহ্যবাহী নির্মাণসামগ্রীর গুণ এবং উপযোগিতাকে আমলেই নিচ্ছি না?

চলুন, প্রচলিত সিমেন্টের তৈরি ভবনের চেয়ে মাটির তৈরি ঘরবাড়ি কতটা টেকসই ও পরিবেশবান্ধব হতে পারে, তা একটা তুলনামূলক চিত্রের মাধ্যমে দেখে নেওয়া যাক:

🌍 *মাটিভিত্তিক নির্মাণ*
✔️ অন্তর্নিহিত কার্বন নিঃসরণ অত্যন্ত কম
✔️ চমৎকার তাপীয় আরাম নিশ্চিত করে, ফলে শীতলীকরণের প্রয়োজন কমে
✔️ ব্যয় কম এবং স্থানীয়ভাবে উপকরণ সংগ্রহ করা যায়
✔️ জীবিকা, কর্মসংস্থান ও ঐতিহ্যগত দক্ষতাকে সমর্থন করে
✔️ চক্রাকার উপকরণ ব্যবস্থার অংশ এবং অত্যন্ত পুনর্ব্যবহারযোগ্য

🏗️ *সিমেন্টভিত্তিক নির্মাণ*
✔️ উচ্চ কাঠামোগত দৃঢ়তা ও শক্তি
✔️ অধিক স্থায়িত্ব এবং পানি প্রতিরোধ ক্ষমতা
✔️ বহুতল ভবন ও ঘন নগর পরিবেশের জন্য উপযোগী
✔️ মানসম্মত প্রকৌশল নকশা ও নির্মাণবিধি দ্বারা সমর্থিত

বর্তমানে জলবায়ু-সচেতন আবাসন ব্যবস্থায় ক্রমবর্ধমানভাবে *সমন্বিত (হাইব্রিড) পদ্ধতির* ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—যেখানে স্থিতিশীলকৃত মাটির ব্লক, শক্তিশালী ভিত্তি এবং উন্নত নকশাকে একত্রিত করে সাশ্রয়ী, টেকসই ও নিম্ন-কার্বন আবাসন নির্মাণ করা হয়।

আধুনিক প্রকৌশলের সঙ্গে সমন্বয় ঘটালে ঐতিহ্যবাহী নির্মাণসামগ্রী এমন এক আবাসনব্যবস্থার পথ দেখায়, যা আরও পরিবেশবান্ধব, আরও সাশ্রয়ী এবং স্থানীয় জলবায়ুর সঙ্গে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নগরায়ণ যত বিস্তৃত হচ্ছে, নির্মাণের ভবিষ্যৎ হয়তো সেই উপকরণ ও জ্ঞানকে নতুনভাবে মূল্যায়ন ও উন্নত করার মধ্যেই নিহিত, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সেবা করে এসেছে।


source: UNhabitat

Photos from Arch Bangla's post 08/06/2026
07/06/2026

সস্তা বাড়ি নাকি টেকসই বাড়ি—আমরা কি ভুল প্রশ্ন করছি?
----- ---- --- ----- + + -------- ++ ------+++ -----
আমরা আবাসন নিয়ে আলোচনা করলে সাধারণত প্রশ্ন করি—
“বাড়িটি কতটা সস্তা বা দামে কম?”

কিন্তু ভবিষ্যতের শহরের জন্য প্রশ্নটা হওয়া উচিত—বাড়ি কি সাশ্রয়ী, টেকসই এবং জলবায়ু-সহনশীল?
.
কারণ কম দামী বাড়ি যদি গরমে বসবাসের অযোগ্য হয়, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ করে, বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে, দুর্বল material দিয়ে তৈরি হয়, বা দীর্ঘমেয়াদে maintenance cost বাড়িয়ে দেয়—তাহলে সেটি আসলে সস্তা নয়। সেটি শুধু প্রথম দিনের খরচ কমায়, কিন্তু ভবিষ্যতের খরচ বাড়ায়।

UNEP-এর Global Status Report for Buildings and Construction 2025–2026 বলছে,
housing affordability এখন বড় বৈশ্বিক সংকট। একই সাথে building sector জলবায়ু পরিবর্তনের সাথেও গভীরভাবে যুক্ত। তাই affordable housing এবং climate action—এই দুই বিষয়কে আলাদা করে দেখা যাবে না; একটির সমাধান করতে গিয়ে যেন অন্যটি আরও খারাপ না হয়।

বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের শহরে দ্রুত apartment, housing project ও urban redevelopment হচ্ছে। কিন্তু যদি এগুলোতে natural ventilation, shading, energy efficiency, flood resilience, heat protection, green space, low-carbon material এবং proper building code enforcement না থাকে—তাহলে “সস্তা আবাসন” ভবিষ্যতে মানুষের জন্য ব্যয়বহুল, অস্বাস্থ্যকর এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে।

আবার বাড়ি বানানোর সময় উল্লেখিত সমস্যা এড়াতে যদি অত্যধিক খরচ বেড়ে যায় সেটাও লাগসই হবে না।

তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত শুধু cheap housing নয়; বরং affordable sustainable housing—যেখানে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা, জীবনমান, energy cost, climate safety এবং ভবিষ্যৎ maintenance—সব একসাথে বিবেচনায় আসে।
.
সারকথা: সস্তা বাড়ি বনাম টেকসই বাড়ি—এটা ভুল দ্বন্দ্ব।

সঠিক প্রশ্ন হলো: কীভাবে এমন বাড়ি বানানো যায়, যা আজ সাশ্রয়ী, কাল নিরাপদ, এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই?

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


15/5, Bijoynagar
Dhaka
1000