(কেমন দেশ দেখতে চান?
এখন সিদ্ধান্ত আপনারই হাতে..)
কোন দল ক্ষমতায় গেলে পরের দিন থেকে কী পরিস্থিতি হতে পারে—
১. বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে:
সারাদেশে জনগণকে নিয়ে শুকরানা নামাজ আদায় করা হবে। কাউকে একটি ফুলের টোকাও দেওয়া হবে না। সারাদেশ থেকে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, দখলদারি ও দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যাবে। সরকারি অফিস-আদালতে ঘুষ ছাড়াই সব কাজ সম্পন্ন করা যাবে। সিন্ডিকেট ভেঙে যাবে এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। মা-বোনেরা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারবেন।
২. অন্য দল ক্ষমতায় এলে:
জয়ের দিন রাতেই রাস্তা বন্ধ করে বিজয় মিছিল করা হবে। বিরোধী মতের ওপর আক্রমণ হবে, বাড়িঘর ভাঙচুর ও ঘের-বেড়া দখল করা হবে। আন্তঃকোন্দলে নিজের দলের অসংখ্য নেতাকর্মী ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ, এমনকি হত্যার ঘটনাও ঘটতে পারে। প্রতিটি স্থানে চাঁদাবাজি শুরু হবে। সন্ত্রাসে ছেয়ে যাবে গোটা জনপদ। মা-বোনেরা শাসকগোষ্ঠীর কাছে নির্যাতনের শিকার হবেন। দুর্নীতি ও ঘুষ চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে। ক্যাম্পাসের হল দখল, মাদক সিন্ডিকেট গঠন, টেন্ডার বাণিজ্য, অন্য ছাত্র সংগঠনগুলোকে ট্যাগ দিয়ে নির্যাতন ও ক্যাম্পাসছাড়া করা হবে।
এর বাইরে টাকা পাচার ও ব্যাংক লুটের ঘটনাও ঘটতে পারে।
সুতরাং সিদ্ধান্ত আপনার...
Nurul Islam Saddam
মাদ্রাসা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মাদ্রাসা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ, Dhaka.
যারা আল্লাহর পথে জীবন দেয় তাদেরকে তোমরা মৃত বলো না বরং তারা জীবিত।
04/03/2025
পশ্চিম আফ্রিকার সবচেয়ে বড় মসজিদ মাসালিকুল জিনান (জান্নাতের পথে) এ ইফতার আয়োজন।
সেনেগালে অবস্থিত এই মসজিদে ভেতরে-বাইরে মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার মুসল্লি নামাজ পড়তে পারেন।
"মানুষ যতক্ষণ তাড়াতাড়ি ইফতার করে, ততক্ষণ তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে।"
(সহিহ বুখারি: ১৯৫৭, সহিহ মুসলিম: ১০৯৮)
05/01/2025
সংগ্রাম আর সাহসী জীবন
সততায় ভরা মন
জ্ঞানের আলোয় বিপ্লব হবে
নতুন উজ্জীবন
19/10/2024
With Bangladesh Islami Chhatrashibir – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
14/10/2024
04/10/2024
আলিয়া মাদরাসা শিক্ষা দিবস উপলক্ষে সেমিনার ২৪ অনুষ্ঠিত
আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও ছাত্রদের কঠোর পরিশ্রম প্রধান শর্ত -ড. শামছুল আলম।
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, অধ্যাপক ড. মো: শামছুল আলম বলেন, আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও ছাত্রদের কঠোর পরিশ্রমের প্রয়োজন। আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীরা জাতীয় সকল গুরুত্ব সেক্টরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে, যা অনস্বীকারর্য । তবে অন্যান্য ধারার মত আলিয়া মাদ্রাসাতেও কিছু প্রতিবন্ধকতা আছে, সেটা কাটিয়ে ওঠার জন্য সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরী।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) ‘আলিয়া মাদরাসা শিক্ষা দিবস উপলক্ষে’ ‘বাংলাদেশ মাদরাসা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি একথা বলেন।
ড. শামছুল আলম আরও উল্লেখ করেন, "দুঃখজনকভাবে অনেক শিক্ষার্থী আলিয়া মাদরাসায় পড়ার কারণে পরিচয় দিতে সংকোচ বোধ করেন। আমাদের সমাজে একটি নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করা হয়েছে যে, এখানে শিক্ষার মান উন্নত নয় বা দক্ষ শিক্ষকের অভাব রয়েছে। তবে, আমরা বিষয়টাকে সেভাবে দেখছিনা। আমাদের আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীরা জাতীয় সকল সেক্টরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে, তাই আমাদের এই হীনমন্যতা কাটিয়ে উঠতে হবে।”
তিনি বলেন, "যদি শিক্ষকেরা আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং শিক্ষার্থীরা লেখাপড়াকে ইবাদত মনে করে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতির পাশাপাশি কঠোর পরিশ্রম করেন, তাহলে আমরা এই পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে পারব, ইনশাআল্লাহ।"
বাংলাদেশ মাদরাসা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় আহবায়ক মাওলানা মু. তৈয়ব হোসাইনের সঞ্চালনায় ও কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কেফায়েত উল্লাহ এর উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে সেমিনারের কার্যক্রম শুরু হয়।বাংলাদেশ মাদরাসা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আবদুছ ছবুর মাতুব্বর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, "আলিয়া মাদরাসায় আরবি, ইংরেজি, অংক ও আইটি শিক্ষা দেওয়া হয়। ফলে এ শিক্ষা নিয়ে আলেম হওয়ার পাশাপাশি ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিসিএস, ব্যবসায়ীসহ যেকোনো পেশা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে আলিয়া মাদরাসা শিক্ষায় যুগোপযোগী আলিম তৈরি হচ্ছে না।"
প্রবন্ধে তিনি আরও উল্লেখ করেন, "অতিরিক্ত সিলেবাস-কারিকুলাম, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনকে লক্ষ্যহীন ও অস্থিতিশীল করে তোলে এবং যোগ্য শিক্ষক না পাওয়াই এর প্রধান কারণ।"
সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম আব্দুল কাদের। তিনি বলেন, "মাদরাসা শিক্ষার কারিকুলামে পরিবর্তন, দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দিতে হবে।"
প্রবন্ধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ আলোকপাত করেছেন অধ্যক্ষ ড. আবু ইউসুফ খান (তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা, যাত্রাবাড়ী), মুহাদ্দিস ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার (মদিনাতুল উলুম কামিল মাদ্রাসা, ঢাকা), অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান (আরবি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া), অধ্যক্ষ ড. আনোয়ার হোসেন মোল্লা (উত্তর বাড্ডা কামিল মাদ্রাসা, ঢাকা), উপধ্যক্ষ ড. খলিলুর রহমান মাদানী (তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা, যাত্রাবাড়ী), অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম (আরবি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন আহমেদ (মিসবাহুল উলুম কামিল মাদ্রাসা, ঢাকা), প্রধান মুহাদ্দিস মাও. মাহমুদুল হাসান (মিসবাহুল উলুম কামিল মাদ্রাসা, ঢাকা), চেয়ারম্যান হাবিবুল্লাহ মু. ইকবাল (তানজিমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন), সাবেক আহবায়ক রফিকুল ইসলাম মিয়াজি ও সাবেক আহবায়ক মাও. মুস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
সেমিনারে 'বাংলাদেশ মাদরাসা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ' ১০ দফা দাবি তুলে ধরেন।
১. আলিয়া মাদরাসা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট অফিস, উইং-মাদরাসা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সকল শাখায় মাদরাসা শিক্ষিতদের নিয়োগ প্রেষণে পদায়ন করতে হবে।
২. আলিয়া মাদরাসা শিক্ষার সিলেবাস-কারিকুলাম প্রণয়নে মাদরাসা শিক্ষায় শিক্ষিতদের নিয়ে কমিশন ও কমিটি গঠন করতে হবে।
৩. শিক্ষকদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করতে হবে।
৪. জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে মাদরাসা শিক্ষায় শিক্ষিত ডি ই টি ই ও নিয়োগ করতে হবে।
৫. আলিয়া মাদরাসা শিক্ষার রিক্রুটিং সেন্টার নামে খ্যাত ইবতেদায়ী মাদরাসা স্থাপনের পথ খুলে দিতে হবে।
৬. ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের মাধ্যমে শিক্ষা উপভোগ্য করে উপস্থাপন করতে হবে।
৭. শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুয়া’মালাত ও মুয়া’শারাতের অনুশীলনে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
৮. জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য নিয়মিত কাউন্সিলিং করতে হবে।
৯. সহ-শিক্ষার বিষবাষ্পে পরিবেশ ভারি হয়ে উঠছে, যা মাদরাসায় ছাত্রী শিক্ষার্থীদের ভর্তি হতে নিরুৎসাহিত করছে।
১০. পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে উচ্চ শিক্ষার জন্য ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করলেও সঠিক সাবেজেক্ট দেওয়া হচ্ছে না এবং চাকরির ক্ষেত্রে সমসাময়িক বৈষম্যের অভিযোগ উঠছে।
সেমিনারে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শিক্ষার মান উন্নয়নে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
১ গ্লাস পানি, রাজত্ব, এবং জীবন
---
খলিফা হারুনুর রশিদ পানি পান করতে যাবেন, গ্লাস ঠিক ঠোঁটের কাছে নিয়েছেন, এমন সময় হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমিরুল মুমিনীন! একটু থামুন। পানি পান করার আগে আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিন।"
খলিফা বললেন, "বলো কি জানতে চাও?"
বহলুল (রহঃ) বললেন, "মনে করুন আপনি প্রচন্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে এমন মাঠে আছেন যেখানে পানি নাই। পিপাসায় আপনার প্রাণ ওষ্ঠাগত। এমন অবস্থায় আপনি এক গ্লাস পানির জন্য কতটা মূল্য ব্যয় করবেন?"
খলিফা বললেন, "যেহেতু পানি না পেলে আমার মৃত্যু হবে তাই আমার পুরো সম্পত্তিও ব্যয় করে দিতে পারবো।"
হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "ঠিক আছে এবার বিসমিল্লাহ বলে পানি পান করেন।"
খলিফা পানি পান করলেন। এবার হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমার আর একটি প্রশ্ন আছে।"
খলিফা বললেন, "বলো।"
বহলুল (রহঃ) বললেন, "এই পানি যদি আপনার শরীর থেকে না বের হয়, পেটেই জমা থাকে। প্রসাব বন্ধ হয়ে যায়, সেই পানি বের করবার জন্য কত টাকা ব্যয় করবেন?"
-প্রসাব বন্ধ হলে তো আমি সহ্য করতে পারবো না। মারা যাবো। জীবন বাঁচাতে একজন ডাক্তার যতটা চায় ততটাই দিবো। আমার পুরো রাজত্ব চাইলেও দিয়ে দিবো।"
হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, তাহলে বোঝা গেল আপনার পুরো রাজত্ব এক গ্লাস পানির দামের সমানও নয়। মাত্র এক গ্লাস পানি পান করতে বা বের করতে আপনি পুরো রাজত্বও দিয়ে দিতে চান। তাহলে কত গ্লাস পানি নিয়মিত পান করেন আর বের করেন, এটা একটু ভাবেন আর এই নেয়ামত যিনি দিয়েছেন তার শুকরিয়া আদায় করেন।"
শরীর থেকে পানি বের করার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যে অঙ্গ তাহলো কিডনি। করাচির এক ডাক্তারকে (কিডনি বিশেষজ্ঞ) একবার একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, "বিজ্ঞান এখন এতো উন্নত, আপনারা একজনের কিডনি অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন করেন তাহলে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করতে পারছেন না কেন?"
ডাক্তারের উত্তরটি ছিলো খুবই আশ্চর্যজনক।
তিনি বলেছিলেন, "সায়েন্সের এই উন্নতি সত্ত্বেও কৃত্রিম কিডনি তৈরি করা খুব কঠিন। কারণ আল্লাহ তায়ালা কিডনির ভেতরে যে চালনি যুক্ত করেছেন তা খুব সুক্ষ্ম এবং পাতলা। এখনো পর্যন্ত এমন যন্ত্র আবিষ্কার হয়নি যা এমন সুক্ষ্ম ও পাতলা চালনি তৈরি করতে পারে। আর যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে চালনি তৈরি করাও হয় তবুও কিডনির ভেতর এমন একটি জিনিস আছে যা তৈরি করা আমাদের ক্ষমতার বাইরে। জিনিসটি হলো একটি মস্তিষ্ক (sensor)। এই মস্তিষ্ক ফায়সালা করে যে, এই মানুষের শরীরে কতটুকু পানি রাখা চাই আর কতটুকু ফেলে দেওয়া চাই। তার ফায়সালা শতভাগ সঠিক হয়।
ফলে আমরা যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করেও ফেলি, তবুও আমরা এতে মস্তিষ্ক তৈরি করতে পারবো না, যা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রতিটি মানুষের কিডনিতে সৃষ্টি করেছেন।"
পানি পান এবং নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াটি খুব করে মনে পড়ে যখন সূরা যারিয়াতের ২১ নং আয়াত পড়ি। সেখানে মহান রব বলেছেন-
"তোমরা কী নিজেদের সত্ত্বা নিয়ে কখনো চিন্তা করে দেখেছো?"
Zulfiqar Hasan ভাইয়ের ওয়াল থেকে ....
23/09/2022
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Dhaka