বাবা— নির্ভরতার নাম, নিঃশব্দ ভালোবাসার এক অনন্য ছায়া। বাবা শব্দের ভেতরে লুকিয়ে আছে পাহাড়সম নিরাপত্তা, সমুদ্রের মতো মমতা, আর আকাশের মতো বিস্তৃত ভালোবাসা। তিঁনি হয়তো খুব বেশি কথা বলেন না, কিন্তু তাঁর প্রতিটি দায়িত্ব, প্রতিটি ত্যাগই আমাদের জন্য এক নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রমাণ।
নিজের স্বপ্নগুলো আড়াল করে, সন্তানের স্বপ্ন পূরণে যে মানুষটি নিরলস পরিশ্রম করে যান– তিঁনিই বাবা। রোদে পুড়ে, ক্লান্ত শরীর নিয়ে ঘরে ফেরেন, তবুও মুখে হাসি রাখেন– শুধু পরিবারের সুখের জন্য। আমরা অনেক সময় মায়ের ভালোবাসা প্রকাশ্যে দেখি, কিন্তু বাবার ভালোবাসা লুকানো থাকে দায়িত্বের আড়ালে। তাই জীবনে যত ব্যস্ততাই থাকুক, বাবার কষ্টগুলো বুঝতে শিখুন, তাঁর প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করুন। কারণ বাবা শুধু একজন অভিভাবক নন– তিঁনি আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় ভরসা, সবচেয়ে শক্ত ভিত্তি!
রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা। 🖤
— মাহমুদুল হাছান
Muslimah Dairy - মুসলিমাহ ডায়েরি
Islam Is A Complete Lifestyle.
চারিদিকে কেবল মৃত্যুর মিছিল। পানিতে ডুবে, ট্রেন দুর্ঘটনায়, বাস দুর্ঘটনায়, আগুনে পুড়ে। কেউ কেউ আবার হিংসা-বিদ্বেষের শিকার হয়ে, শয়তানের অনিষ্টে।
দুর্ঘটনা সত্য। জীবনের পথে এমন বিপদ আসবেই। আর সেটা যদি হয় বাংলাদেশে, তাহলে এর মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। কারণ এ দেশের পরিবহন ব্যবস্থা নাজুক, শৃঙ্খলা ও দায়বদ্ধতার অভাব প্রকট।
তাই এসব দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে সর্বদা সতর্ক থাকা জরুরি। পাশাপাশি নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শেখানো এই দোয়াটি নিয়মিত পাঠ করা উচিত। এটি এ ধরনের বিপদ-আপদ থেকে হেফাজত করতে পারে, ইনশাআল্লাহ।
"اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَدْمِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ التَّرَدِّي وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْغَرَقِ وَالْحَرَقِ وَالْهَرَمِ وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ يَتَخَبَّطَنِي الشَّيْطَانُ عِنْدَ الْمَوْتِ وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أَمُوتَ فِي سَبِيلِكَ مُدْبِرًا وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أَمُوتَ لَدِيغًا"
আবুল ইয়াসার (রা.) থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ (সা.) এরূপ দোয়া করতেন—"হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাপা পড়ে মৃত্যুবরণ হতে আশ্রয় চাই। আশ্রয় চাই গহ্বরে পতিত হয়ে মৃত্যুবরণ হতে। আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই পানিতে ডুবে ও আগুনে পুড়ে মৃত্যুবরণ হতে, এবং অতি বার্ধক্য হতে। আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই মৃত্যুকালে শাইত্বানের প্রভাব হতে। আমি আশ্রয় চাই আপনার পথে জিহাদ থেকে পলায়নপর অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা হতে। এবং আমি আশ্রয় চাই বিষাক্ত প্রানীর দংশনে মৃত্যুবরণ হতে।" (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ১৫৫২)
— Mahmud Bin Noor
আমি তোমাকে জীবনের বাস্তবতা বলি:
তুমি যখন সিঙ্গেল থাকো, মানুষ বিয়ের জন্য চাপ দেয়।
তুমি বিয়ে করলে, তারা সন্তানের কথা জিজ্ঞেস করে।
তোমার একটি সন্তান হলে, তারা জিজ্ঞেস করে পরেরটা কবে।
তোমার ছেলে থাকলে, তারা মেয়ের কথা তোলে।
তোমার মেয়ে থাকলে, তারা ছেলের কথা তোলে।
তুমি চাকরি পেলে, তারা জিজ্ঞেস করে কেন আরও ভালো কিছু নয়।
তুমি ব্যবসা শুরু করলে, তারা তার সফলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
তুমি সফল হলে, তারা তোমার সফলতাকেই প্রশ্ন করে।
তুমি একটু ধীর হলে, তারা জিজ্ঞেস করে কী ভুল হলো।
তুমি এটা অর্জন করলে, তারা ওটার কথা বলে।
তুমি সেটা ঠিক করলে, তারা আবার অন্য কিছু তুলে আনে। এটা আসলে কখনোই শেষ হয় না। তাই তোমাকে এমনভাবে বাঁচতে শিখতে হবে, যেখানে তুমি এই সব শব্দকে চুপ করাতে পারো, নিজের শান্তি রক্ষা করো, এবং মানুষের মতামতের ওপর নির্ভর করে বাঁচা বন্ধ করো।
— সংগৃহিত
জুমু'আর দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এটি যেন আর দশটা সাধারণ দিনের মতো না কেটে যায়। তাই আসুন, আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল দ্বারা এই দিনটিকে বিশেষ করে তুলি—
▫️ সূরা কাহফ তিলাওয়াত করুন
পুরাটা না পারলেও অন্তত প্রথম দশ আয়াত পাঠ করা।
▫️অজস্র দরূদ পাঠ করুন
▫️ আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়টাকে দোয়ার জন্য নির্ধারিত করো—এটা এমন এক মুহূর্ত, যেখানে দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। তাই আজকে সব ব্যস্ততা একপাশে সরিয়ে রাখো। বসে পড়ো আল্লাহর সামনে, আর নিজের মতো করে কান্না করো। নিজের জন্য, প্রিয়জনদের জন্য, আর পুরো উম্মাহ—বিশেষ করে যারা দুঃখ-কষ্ট, জুলুম আর বিপদের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে—তাদের জন্য দোয়া করো। মনে রেখো, যখন তুমি অন্যের জন্য দোয়া করো, তখন ফেরেশতারা তোমার জন্য দোয়া করে। এগুলোই হওয়া উচিত আজকের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। যে সময় আমরা অন্যকে ভুলে যাই, আজ তাদের মনে রাখার দিন।
▫️ সুন্দর পোশাক পরুন ও পবিত্রতা রক্ষা করুন
▫️ খুশু ও খুজু সহকারে জুমু'আর নামাজ আদায় করুন
▫️ সামর্থ্য অনুযায়ী সদকা করুন
▫️ বেশি বেশি আস্তাগফিরুল্লাহ পাঠ করুন
এই দিনটিকে একটি বিশেষ উপহার হিসেবে গ্রহণ করুন। আল্লাহ যেন আমাদের ইবাদত কবুল করেন এবং শুক্রবারকে আমাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে নূর বানিয়ে দেন।
আামিন।🖤🌸
> Muslimah Diary
23/04/2026
ইস্তেগফারের গল্প।
আমি প্রতিদিন ২০০০ ইস্তেগফার এবং ১০০০ ছোট দুরূদ পাঠ করি এবং মাত্র ১.৫ সপ্তাহের মধ্যে আমি একটি চাকরি পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ।
যদি আমার কাছে আল্লাহ থাকেন, তাহলে আমার কাছে সবকিছুই আছে। যদি আল্লাহ আমার সঙ্গে থাকেন, তবে আমার কাছে পুরো বিশ্বজগত, সবকিছু—তারও বেশি কিছু আছে।
যিনি সবকিছু সৃষ্টি করেছেন এবং নিয়ন্ত্রণ করেন, তিনি কীভাবে আমার মতো একজনের প্রতিও মনোযোগ দেন? সুবহান’আল্লাহ।
আমি যখন আল্লাহকে ডাকি, আল্লাহ সাড়া দেন এবং আমাকে স্মরণ করেন। আল্লাহ আমাকে দেখেন, শোনেন এবং আমার দোয়া কবুল করেন। আল্লাহ বারবার আমার গুনাহ ক্ষমা করেন, এমনকি যখন আমি নিজের অপরাধবোধের জন্য নিজেকেই ক্ষমা করতে পারি না।
আমি যখন ভেঙে পড়ি, আল্লাহ আমাকে সুস্থ করে তোলেন। আল্লাহ আমাকে এমনভাবে ভালোবাসেন, যেভাবে আর কেউ পারে না। আল্লাহ আমাকে এমনভাবে রক্ষা করেন, যা আমি দেখতে পাই না, এবং তিনি আমাকে সবকিছু দিয়ে থাকেন। আলহামদুলিল্লাহ।
তাহলে আমরা কীভাবে আমাদের রবকে ভুলে যেতে পারি?
— সংগৃহিত
*তোমাদের অন্তরে যা আছে, তোমাদের প্রতিপালক সে সম্পর্কে সর্বাধিক অবগত।*
কিছু মানুষ তোমাকে ভুলভাবে বিচার করতে পারে, আবার কেউ কেউ তোমাকে বৃষ্টির জলের মতো পবিত্র মনে করতে পারে… কিন্তু তাদের প্রশংসা তোমার কোনো উপকার করবে না, আর তাদের ধারণাও তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। আসলে যা গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো তোমার প্রকৃত অবস্থা… এবং আল্লাহ তোমার সম্পর্কে কী জানেন। তাই মানুষের কথায় নিজেকে সংজ্ঞায়িত করতে দিও না। তুমি জানো তুমি কে, আর আল্লাহ জানেন তোমার অবস্থা ও নিয়ত—এমনকি তোমার হৃদয়ে লুকানো কথাগুলোও। সুতরাং আল্লাহর সাথে তোমার সম্পর্ক ঠিক করে নাও… তারপর শান্ত হৃদয়ে সামনে এগিয়ে চলো, এই বিশ্বাস নিয়ে যে তাঁর জ্ঞানই তোমার জন্য যথেষ্ট। ✨
— সংগৃহিত
⚠️ “কেন তুমি বেশি করে নারীদের জন্য নসীহত দাও?”
⚠️ কারণ সে জানে তাবাররুজ (প্রদর্শন) হারাম, তবুও সে নিজেকে প্রকাশ করে।
⚠️ সে জানে বাইরে সুগন্ধি ব্যবহার করা হারাম, তবুও সে তা ব্যবহার করে।
⚠️ সে জানে বাইরে মেকআপ করা ঠিক নয়, তবুও সে করে।
⚠️ সে জানে ভ্রু প্লাক করা ও চুল বাড়ানো হারাম, তবুও সে তা করে।
⚠️ সে জানে স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞতা হারাম, তবুও সে অকৃতজ্ঞ হয়।
⚠️ সে জানে গীবত ও পরনিন্দা শাস্তির কারণ, তবুও সে এতে লিপ্ত হয়।
⚠️ সে জানে স্বামীর আনুগত্যে রয়েছে ঈমানের মাধুর্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টি, তবুও সে অবাধ্য হয়।
⚠️ সে জানে গায়রে মাহরামদের সাথে মেলামেশা ঠিক নয়, তবুও সে মিশে।
হে আমার বোনেরা, আল্লাহকে ভয় করো। এই বিষয়গুলো হালকা নয়। এসব তোমাকে জান্নাত থেকে বঞ্চিত করতে পারে—তাহলে কেন নিজেই নিজেকে বঞ্চিত করবে? অন্যরা জান্নাতের দিকে ছুটছে, আর তুমি নিজেকে দূরে ঠেলে দিচ্ছ—কেন?এসব থেকে দূরে থাকো। আমরা আল্লাহর কাছে হেদায়েত ও নিরাপত্তা কামনা করি। আমীন।
— সংগৃহিত
22/04/2026
দ্বীন পালনে এবং পর্দা পালনে বাবা-মা (পরিবার) বাধা দিলে করণীয়—
আমাদের আশে-পাশে এমন অনেক বাবা-মা (পরিবার) রয়েছে— যারা তাদের ছেলে-মেয়েদের দ্বীন পালনে বাধা দেয়। বিশেষ করে মেয়েদের পর্দা পালনে বাধা এবং অসহযোগিতা করে। এবং বিয়ের বিষয়েও বেদ্বীন ছেলের কাছে মেয়েকে বিয়ে দেয়। এমন বাবা-মায়ের জন্য লজ্জা। এমন পরিস্থিতিতে যে বোনেরা রয়েছেন, তাদের জন্য পরামর্শ হলো—
১। শরীয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি খুবই স্পষ্ট— পর্দা পালন করা ফরজ, আর ফরজের ক্ষেত্রে কারো বাঁধা মানা জায়েজ নয়, এমনকি বাবা-মা হলেও। আল্লাহর হুকুম সবার উপরে। যদি বাবা-মা এমন কিছু করতে বলেন যা আল্লাহর আদেশের বিরোধী, সেখানে তাদের মানা যাবে না; তাদের আপত্তি থাকলেও পর্দা পালন চালিয়ে যেতে হবে।
২। দ্বীন পালনে কিংবা পর্দা পালন করার কারণে— আপনার সাথে তারা (বাবা-মা/পরিবার) খারাপ ব্যবহার করে এবং মানসিকভাবে কষ্ট দেয়। এক্ষেত্রে বলবো— সবর করুন করুন এবং আল্লাহর কাছে তাদের হেদায়েতের জন্য দু'আ করুন। দ্বীন পালন করতে গিয়ে যত বেশি বাধা ও কষ্ট সহ্য করবেন, আল্লাহ আপনাকে তত বেশি প্রতিদান দিবেন এবং আখিরাতে সম্মানিত করবেন। তাই হতাশ হবেন হবে না। হযরত আছিয়া (আ.) এর কথা চিন্তা করুন, যিঁনি ফে*রাউনের স্ত্রী ছিলেন। ফে*রাউনের মতো এতো বড় জা*লিমের স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও তাঁর তাকওয়া ও দ্বীন পালনে অবিচল থাকার কারণে, তিঁনি আল্লাহর কাছে সম্মানিত এবং জান্নাতের সর্বশ্রেষ্ঠ নারীদের একজন।
৩। বাবা-মাকে নরমভাবে, ধৈর্য ধরে বুঝানোর চেষ্টা করুন। এবং অন্য আত্মীয় বা বিজ্ঞ আলেমের মাধ্যমে তাদের বুঝানোর চেষ্টা করুন।
৪। প্রাপ্তবয়স্ক হলে পরিবারকে বিয়ের জন্য বলুন। এবং বিয়ের সময় ছেলের সাথে আলাদা করে এ বিষয়ে কথা বলে নিবেন, যে— “আমি আপনার কাছে একটা জিনিসই চাই, তা হলো আমাকে দ্বীন পালনে সহযোগিতা করতে হবে এবং পর্দা পালনের ব্যবস্থা করে দিতে হবে।” প্রয়োজনে ছেলের মায়ের সাথে আলাদা করে খুব দরদ দিয়ে এই কথাগুলো বলবেন। যেন বিয়ের পর তিনিও আপনাকে এ বিষয়ে সহযোগিতা করে। আরেকটা কথা— বিয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই দ্বীনদার ছেলেকে বিয়ে করবেন, বেদ্বীন কোনো ছেলেকে বিয়ে করবেন না।
পরিবারের বিরোধিতা সহ্য করে আল্লাহর হুকুম মানা একটি বড় ইবাদত। তাই বলবো— সবর করুন এবং আল্লাহর নিকট দু'আ করুন। তিঁনি যেন আপনাকে এই অবস্থা থেকে হেফাজত করেন। দ্বীন পালন ও পর্দা পালনের জন্য পরিবারের দেওয়া এই কষ্টকে পরীক্ষা হিসেবে দেখুন। মনে করুন— আল্লাহ আপনাকে এভাবেই পরীক্ষা করছে। আপনাকে এ পরীক্ষায় অবশ্যই উত্তীর্ণ হতে হবে। দুনিয়াতে যে যত বেশি কষ্ট সহ্য করবে, আখিরাতে সে তত বেশি সুখে থাকবে।
লেখা : মাহমুদুল হাছান
হিদায়াত যেভাবে হারিয়ে যায়...
এমন অনেক ভাই বোন আছেন আমাদের আশেপাশে যারা একটা সময় দ্বীনে ফিরেছিলেন। নামাজ, রোযা, জুব্বা, পাগড়ি, পর্দা, লিবাস, তাহাজ্জুদ, আমল, আখলাক, লেনদেন সব মিলিয়ে মিলিয়ে তারা যেনো ছিলেন একেকজন দ্বীনের পথে অনুপ্রেরণার বাতিঘর। তাদেরকে দেখে, তাদের দাওয়ায় মুগ্ধ হয়ে অনেকেই দ্বীনে ফিরেছে, আল্লাহ কে চিনেছে, জীবনকে আখিরাতমুখী করেছে।
কিন্তু, অত্যন্ত দুঃখের ব্যাপার হলো, সময়ের পরিক্রমায় তারা নিজেরাই আজ হারিয়ে গেছে, তাদের সেই অশ্রুভেজা দীর্ঘ নামাজ নেই, নেই আইয়ামে বীজের সিয়ামের খবর, তাহাজ্জুদ তো দূর কী বাত, ফরজ নামাজেও খুব একটা আজকাল দেখা যায় না, হয়তোবা অফিসে বা বাসায় একাকি আদায় করেন, কথাবার্তায় সেই নূর নেই, নেই সেই আখিরাতের ফিকির, উম্মতের প্রতি, আশেপাশের প্রতিটা মানুষের আখিরাতের চিন্তায় বিভোর হয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগার সেই দিনগুলো, নেই দাওয়াহ এর সেই স্পৃহা, আর না আছে আল্লাহর ভালোবাসা, তার দ্বীন নিয়ে তেমন কোন আলোচনা৷
কারো কারো বাহ্যিক লেবাস টাও থাকেনা, হুট করে দেখা যায় দাড়িগুলো ছোট হয়ে গেছে, জুব্বা পাঞ্জাবী এখন শার্ট প্যান্টে প্রতিস্থাপিত হয়েছে, ব্যাংক জব বা এমন কোন জবে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে যেখানে হালাল হারামের মিশ্রণ, নন মাহরামের সাথে রেগুলার যোগাযোগ করতে হয়, নামাজ জামাতে পড়ার ব্যাপারটাও সেক্রিফাইস করতে হয় দুনিয়ার সার্ভাইভালের সার্থে!
অন্যদিকে, বোনদের ক্ষেত্রেও অনেকের নেই সেই পর্দা, হারিয়ে গেছে নন মাহরাম এড়িয়ে চলার কঠোর মনোভাব, নামাজ হয়ে গেছে শত ব্যস্ততার মাঝে বোঝাস্বরুপ, কখনো পড়া হয়, কখনো খেয়াল ই থাকেনা, ফেসবুকের প্রোফাইলে যেখানে দ্বীনি পোস্ট, কোটেশন শোভা পেতো, সেখানে হরেক সেলিব্রেটির ফানি পোস্ট, আর নিজের বেপর্দা ছবি, বিভিন্ন গেট টুগেদারের হাস্যজ্বল গ্রুপফিতে আপন উপস্থিতি সহ এমন বেদনাদায়ক পরিবর্তন এর কত শত বাস্তবতা!
খুব ই কষ্টের, দুঃখের এই ব্যাপারগুলো কেনো ঘটে? আসলে কী সেই কারণ বা কারণগুলো, যা কিনা হিদায়াতের আলো পাওয়া মানুষগুলোকে বদলে দেয় সময়ের পরিক্রমায়? আল্লাহর ভাষায়, হে মানুষ কি সেই জিনিস যা তোমাকে তোমার রব্বের ব্যাপারে গাফেল করে রেখেছে?! এই মানুষগুলোতো একসময় এমন ছিলনা, তারা তো গাফেল ছিল না, তাহলে আজ তাদের কেনো এই করুণ দশা???
ব্যাপারটা ভালোভাবে জানা বোঝা প্রয়োজন। অন্তত আমাদের যাদের মাঝে ন্যুনতম ঈমানের আলো রয়েছে৷ হিদায়াত কে মৃত্যু পর্যন্ত ধরে রাখার দৃঢ় সংকল্প রয়েছে অন্তত তাদের জন্য এটা খুব ই গুরুত্বপূর্ণ।
হিদায়াত হলো নূর, উজ্জ্বল আলোর মত, কঠিন অন্ধকারের মাঝে পথ হারিয়ে ফেলা পথিকের কাছে উজ্জ্বল আলোকরশ্মি যেমন, জীবনের এই কঠিন পরীক্ষায় হিদায়াত হচ্ছে সেই আশার আলো। জীবনকে সঠিক দৃষ্টি দিয়ে চেনার, জানার আলো। হাজারো শয়তানী বিচ্যুতির অন্ধকারের মাঝে সিরাতল মুস্তাকিমে সরল পথে চলার একমাত্র অবলম্বন।
রব্বের দেয়া অন্যসব নিয়ামতের মত হিদায়াতও এক প্রকার নিয়ামত। বলতে গেলে সবচেয়ে মূল্যবান নিয়ামত, কারণ ঈমানের চেয়ে বড় কোন সম্পদ আর হতে পারেনা। নিয়ামতের কদর করলে, তা আল্লাহ বাড়িয়ে দেন, কিন্তু তার কদর না করলে, সঠিক রুপে যত্ন না নিলে তা ঠিক ই এক সময় হারিয়ে যায়৷ তেমনি হিদায়াতের ক্ষেত্রেও তা একই।
হিদায়াতের দুটো দিক আছে, এক হলো আক্বলের হিদায়াত, আর অন্যটা হচ্ছে অন্তরের ইসলাহ। আক্বলের বা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে হিদায়াত হচ্ছে আল্লাহ কে এবং আল্লাহর দ্বীন কে সকল ভুল ত্রুটির উর্ধে বিশ্বাস করা। নিজের বিবেক বুদ্ধি, জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা কে স্বীকার করে নিয়ে আল্লাহকে রব হিসেবে পারফেক্ট এবং তার দ্বীন কে সকল সন্দেহ থেকে মুক্ত হয়ে জীবনের একমাত্র চলার পথ বিশ্বাস করার যে মনোভাব তা আকলের হিদায়াত থেকে আসে।
আমরা যারা জেনারাল লাইন থেকে বা বিভিন্ন সংশয় থেকে পড়াশোনার মাধ্যমে দ্বীনে এসেছি তাদের অনেকের মাঝে আলহামদুলিল্লাহ আকলের হিদায়াত এর ব্যাপারটা রয়েছে। মানে যারা নাস্তিক, কাফির, সংশয়বাদীদের কোন প্রশ্নে, ভুল ব্যাখ্যায় ঈমানের ক্ষেত্রে আশংকায় ভোগেন না, তারা আল্লাহর রহমতে আল্লাহকে এমন ভাবে জেনেছেন এবং তার দ্বীনকে এমনভাবে বুঝেছেন যে, কোন প্রশ্ন, ব্যাখ্যা, সংশয় ই তাদের বিশ্বাসে ফাটল ধরাতে পারেনা।
অন্যদিকে হিদায়াতের অন্য দিক অন্তরের ইসলাহ হচ্ছে এমন এক নিয়ামত যেখানে একটা মানুষ ইমোশনালি আল্লাহর সাথে কানেক্টেড ফিল করে, তার আমল, আখলাকে পরিবর্তন আনে, সে আমলের দিকে বেশি সচেতন, তাদের আমলে খুলুসিয়াত দেখা যায় অন্যদের চেয়ে বেশি। নামাজ, রোযা, তাহাজ্জুদ থেকে শুরু করে নফল দোয়া দুরুদ আমলে তাদের জিন্দেগি, দ্বীনের পথে মানুষকে ডাকার ব্যাপারে যেনো তারা সবার অগ্রগামী। গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার ক্ষেত্রেও তারা সবচেয়ে বেশি এগিয়ে। সোহবতের নূর তাদের জীবনে যেনো আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে।
কিন্তু সমস্যা হলো, খুব অল্প সংখ্যক ভাইবোনেরাই আছেন যাদের মাঝে আক্বলের হিদায়াত, অন্তরের ইসলাহ এই দুই দিক থেকেই হিদায়াত রয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, অনেকেই বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে ইসলাম কে সত্য এবং আল্লাহকে পারফেক্ট রব্ব হিসেবে উপলব্ধি করে থাকেন, তবে কোন আল্লাহ ওয়ালার সোহবতে নিজেকে নিজের ভেতরের সত্বার ইসলাহে যথেষ্ট গুরুত্ব দেন না, বা ততটা সময় দেয়া হয়ে উঠেনা, ফলে শয়তান ইন দ্যা লং রান, তাদেরকে ধীরে ধীরে ভেতরের পুরোনো সব পাপের রোগে আক্রান্ত করে আবারো দ্বীনহারা বা লেবাসি প্র্যাক্টিসিং বানিয়ে ফেলে যাদের অন্তরে দ্বীনের সেই জজবা বা গুরুত্ব আর থাকেনা, তারা হয়ে যায় নামের দ্বীনি ভাই বা বোন, দ্বীন তাদের আকলে সত্য হিসেবে থাকলেও জীবনের আচরণে আমলে আর থাকেনা! আফসোস!
অন্যদিকে এমন কিছু ভাইবোন আছেন, যারা বিভিন্ন দাওয়াতি দলের সাথে যুক্ত হয়ে, কারো বয়ান শুনে, কোন পীর বুজুর্গের সোহবতে থাকায়, বা দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করার কারণে আমল আখলাকে যথেষ্ট এগিয়ে থাকেন, কিন্তু দ্বীনকে ইন্টেলেকচুয়ালি যে উপলব্ধি করতে হবে সেটা আর তাদের হয়ে উঠেনা। যুগের প্রচলিত সংশয় বা ইসলামের এমন কোন বিধান যা এই যুগে আমলে সচরাচর দেখা যায়না, সেইসব বিধানের ব্যাপারে কেউ একটু কুযুক্তি বা বানোয়াট ইতিহাসের কথার ভেলকিবাজি দিয়ে তাদের অন্তরে দ্বীন সম্পর্কে সংশয় তৈরি করে ফেলতে পারে। বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে তাদের দ্বীনের সত্যতার ব্যাপারে, রব্বের দেয়া বিধানের পারফেকশনের ব্যাপারে পূর্ণ ধারণা না থাকায়, যে কোন সময় তারা নাস্তিক, কাফিরদের চালে আটকে গিয়ে বা ভ্রান্ত মতাদর্শের কবলে পড়ে দ্বীন থেকে একটা সময় ছিটকে পড়েন!
তাই পরিপূর্ণ হিদায়াতের জন্য ইন্টালেকচুয়ালি দ্বীনকে বোঝা, আল্লাহকে ভালোভাবে চেনা যেমন অক্সিজেন এর মত জরুরি তেমনি নিজের নফসের ইসলাহের মাধ্যমে পুরোনো সব বাজে অভ্যাস, গুনাহের রোগের চিকিৎসাও জরুরি। প্রথমটার জন্য প্রয়োজন বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনা, দ্বিতীয়টার জন্য প্রয়োজন প্রকৃত খাঁটি আল্লাহ ওয়ালা লোকের সোহবতে নিজেকে শুধরানো। যে কোন এক দিকে দুর্বল হলেই বা হিদায়াতের অভাব থাকলেই শয়তান সেই দিক দিয়ে ঢুকে পুরো ঈমান ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে হিদায়াত কেড়ে নিয়ে যাবে!
এই জন্যই হিদায়াত পাওয়া যেমন কঠিন, তা আজীবন ধরে রাখা তার চেয়ে অনেক অনেক বেশি কঠিন। যারাই চান আজীবন ঈমান আমল নিয়ে বেঁচে থেকে ঈমান নিয়ে, হিদায়াতের উপলব্ধি অন্তরে নিয়ে মরতে তাদের উচিত দুই দিকেই হিদায়াত ধরে রাখার ব্যাপারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া! আল্লাহ আমাদের সকলকে এই বাস্তবতা বোঝার তৌফিক দিন। আমীন
-২০২১
Writing : collected
রমাদান আসার আগেই ইহতিসাবের চর্চা শুরু করুন। রমাদান আসার আগেই আমাদের উচিত বেশি বেশি ইহতিসাব করার অভ্যাস গড়ে তোলা।
‘ইহতিসাব’ (احتساب) শব্দের অর্থ হলো— আল্লাহর কাছ থেকে সওয়াব বা প্রতিদানের আশা করে কোনো কাজ করা। অর্থাৎ, কোনো কাজ করার সময় মনে মনে এই বিশ্বাস রাখা যে— আমি এই কাজটি করছি শুধু আমার প্রিয় রবের সন্তুষ্টি ও প্রতিদানের আশায়, যিনি একমাত্র পুরস্কার দেওয়ার মালিক। একটি সহজ উদাহরণ ধরুন, দৈনন্দিন জীবনে আপনি আপনার স্বামীর হারিয়ে যাওয়া মোজা খুঁজে দিচ্ছেন। কাজটা খুবই সাধারণ। কিন্তু যদি মনে মনে বলেন— *হে আল্লাহ, এই মোজাজোড়া খুঁজে দেওয়ার মাধ্যমে আমি কেবল আপনার কাছেই প্রতিদানের আশা করি।* তাহলে দেখবেন, এই সাধারণ কাজটিও ইবাদতে পরিণত হয়ে গেছে। একটিমাত্র ইহতিসাবের মাধ্যমে কাজটির বারাকাহ বহুগুণে বেড়ে যায়।
▪️ ইহতিসাবের কিছু বাস্তবসম্মত উদাহরণ আমাদের প্রতিদিনের আমলগুলো ইহতিসাবের মাধ্যমে কত সুন্দর করা যায়, চলুন কিছু উদাহরণ দেখি—
▪️ কুরআন তিলাওয়াতের সময়
মনে মনে ভাবুন— *হে আমার প্রিয় রব, আমি প্রতিটি হরফ উচ্চারণের মাধ্যমে কেবল আপনার কাছ থেকেই কমপক্ষে ১০টি করে নেকি পাওয়ার আশায় তিলাওয়াত করছি।*
▪️ অজু করার সময়
মনে মনে বলুন— *হে আল্লাহ, নামাজের আগে এই অজুর মাধ্যমে আপনি আমার গুনাহগুলো ঝরিয়ে দেবেন—এই আশায় আমি অজু করছি।*
▪️ নামাজ আদায়ের সময়
ভাবুন— *হে আল্লাহ, এই নামাজ আমি পড়ছি এই আশায় যে, এর মাধ্যমে আপনি আমার জন্য জান্নাতে যাওয়ার পথ আরও প্রশস্ত করে দেবেন।*
▪️রোজা রাখার সময়
মনে মনে বলুন— *হে আল্লাহ, এই যে রোজা রাখছি এর মাধ্যমে আমি আশা করছি—‘রাইয়্যান’ নামের জান্নাতের দরজা দিয়ে আপনি আমাকে জান্নাতুল ফিরদাউসে ডেকে নেবেন।*
▪️বুঝতে পারছেন বিষয়টা? এভাবে চিন্তা করে ইহতিসাবের মাধ্যমে নিয়ত ঝালাই করে নিলে, রামাদানে আপনার আমলগুলো আরও বিশুদ্ধ হবে। হাতে সময় থাকলে কোন আমলের কী প্রতিদান, এ বিষয়ে ভালো করে পড়াশোনা করে জেনে নিন। যেমন, রোজাদারদের প্রতিদান আল্লাহ নিজে স্বয়ং সাজিয়ে রেখেছেন (রোজা আমার জন্য, আমিই এর প্রতিদান দেব সহীহ বুখারী ১৯০৪)
এমন আরও ৩টা উদাহরণ দেখুন, যেখানে নির্দিষ্ট আমলের নির্দিষ্ট পুরস্কার আমরা ইসলামের মাধ্যমে পেয়েছি-
১) আল্লাহর পথে দান/খরচ করার পুরস্কার: *আল্লাহ বলেন, "যারা আল্লাহর পথে সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ এমন: একটি দানা থেকে ৭টি শিষ, প্রতিটি শিষে ১০০ দানা-অর্থাৎ কমপক্ষে ৭০০ গুণ; আর আল্লাহ চাইলে আরও বাড়িয়ে দেন।* (সূরা বাকারা ২৬১)
২) কুরআনের একটি অক্ষর তিলাওয়াত-এর পুরস্কার: *রসূল ﷺ বলেছেন, "কুরআনের একটি অক্ষর পড়লে ১টি নেকি; আর সেই নেকি ১০ গুণ।” (আলিফ-লাম-মীম তিনটি আলাদা অক্ষর-এই কথাও এসেছে।)* (তিরমিযী ২৯১০)
৩) নবী -এর উপর একবার দরুদ পাঠের পুরস্কার: *রসূল আল্লাহ বলেছেন-"যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরুদ পাঠায়, তার উপর দশবার রহমত/দরুদ পাঠান।* (সহীহ মুসলিম ৪০৮)
এবার এই প্রতিদানগুলো উল্লেখ করে আল্লাহর কাছে 'ইহতিসাব' করার উদাহরণ দেখুন-
১) হে আল্লাহ, আমি এই সামান্য সাদাকা করার মাধ্যমে আপনার কাছেই ৭০০ গুণ পুরস্কারের আশা করছি।
২) হে আল্লাহ, আমি এই দুই পেইজ কুরআনে এখন পর্যন্ত যত আরবি হরফ পড়েছি, প্রতিটার জন্য ১০ গুণ করে নেকি আপনার কাছেই চাচ্ছি।
৩) হে আল্লাহ, আমি প্রিয় রসূল রি-এর উপর দরুদ পড়লাম, আমি আশা করছি আপনি এর বিনিময়ে আমার ওপর দশগুণ রহমত নাযিল করবেন।
এভাবে ইহতিসাব করলে কী হয়?
তখন আর অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কিছু পাওয়ার জায়গাটা শূন্য থাকে না। সেখানে আল্লাহ যে প্রতিদান দেওয়ার ওয়াদা করেছেন, সেটাই জায়গা করে নেয়। আপনার অন্তরজুড়েও সেই ওয়াদা গেঁথে যায়। এতে নিয়ত যেমন শুদ্ধ হয়, তেমনি নেক আমল করার স্পৃহাও দেখবেন বহুগুণে বেড়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ। এই এক ইহতিসাবের প্র্যাকটিস রামাদানে আপনার আমলের ঝুড়িকে বদলে দেবে।
কারণ এখন তো আপনি আর কেবল- "ওহ! করতে হবে বলেই করছি" বা "এই আমল করলে অমুকে আমাকে খুব ভালো মুসলিম বলবে”-এই ধরনের ঠুনকো এবং ফেইক জায়গা থেকে আমল করছেন না।
আর এভাবেই রামাদানের আগে আপনার অন্তর দারুণভাবে পরিষ্কার হয়ে উঠবে ইন শা আল্লাহ।
— বই: একটি সফল রমাদান ডায়েরি।
— মুসলিমা ডায়েরি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1344
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 21:00 |
| Tuesday | 09:00 - 21:00 |
| Wednesday | 09:00 - 21:00 |
| Thursday | 09:00 - 21:00 |
| Friday | 09:00 - 21:00 |
| Saturday | 09:00 - 21:00 |
| Sunday | 09:00 - 21:00 |