16/06/2026
We're looking for a dedicated Muslimah teacher who is passionate about education and Islamic values. Join us in nurturing young minds with knowledge, faith, and good character.
An Islamic English Medium School
16/06/2026
We're looking for a dedicated Muslimah teacher who is passionate about education and Islamic values. Join us in nurturing young minds with knowledge, faith, and good character.
14/06/2026
ভোর ৪ টা।
সময়টা আবার খেয়াল করেন। মাথার উপর উড়াউড়ি করছে ফজরের আযান। বলছে— ঘুম থেকে নামাজ উত্তম। টিএসসি থেকে যেন বলা হচ্ছে— উভয়টা থেকে খেলাই উত্তম। আজকের তোলা এই ছবিটি ঢাকা ভার্সিটির টিএসসি থেকে। এদের অধিকাংশই নিজেদের মুসলিম দাবি করে, এবং এদের অধিকাংশই আজকে ফজর পড়েনি। এই চিত্র শুধু ঢাবিতে নয়, বরং সারা দেশে, সারাবিশ্বে।
يَا أَيُّهَا الْإِنسَانُ مَا غَرَّكَ بِرَبِّكَ الْكَرِيمِ
হে মানুষ! তোমাকে তোমার মহান রবের থেকে কোন জিনিস ধোঁকায় ফেলল? (সূরা ইনফিতার ৮২:৬)
যে ছেলেটি ঘুমের জন্য ফজরে উঠতে পারে না, ফজর কাজা করে– সে ছেলেটি ফুটবল ম্যাচ দেখার জন্য ভোরে উঠে যায়। ঘুম বাদ দিয়ে, নামাজ না পড়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে বসে বেহুদা খেলা দেখে।
আমরা নিজেকে মুসলিম পরিচয় দেই, লজ্জা হওয়া উচিৎ!
আবার দেখবেন, পরিবারের মাঝে, বন্ধুদের মাঝে ভীষণ রাগারাগি হয়ে যাচ্ছে কে কোন দল সাপোর্ট করে তা নিয়ে। আবার সেটা হই হই করে ফেইসবুকে আপলোড করছে। এর মাঝেই ক'জন খুন হয়ে যায় শুধু দলাদলি নিয়ে। বাজি ধরে জমি খোয়ায়, টাকা গচ্চা যায়। বিশাল সাইজের পতাকা বানিয়ে টাকা অপচয় করে।
মা বাবা তাদের দুধের বাচ্চাকে প্রিয় দলের জার্সি পরিয়ে বেশ উৎসাহ প্রকাশ করে। বাচ্চার ছোট বেলায় আপনার গেঁথে দেয়া চিন্তা ভবিষ্যতে ওর চিন্তার ভিত্তি শক্ত করতে সাহায্য করে। আপনি জানেন, তারা কাফির। আপনি জানেন তারা পথভ্রষ্ট। আপনি নিজেই চান আপনার বাচ্চারা ভবিষ্যতে তাদের রোল মডেল হোক? একজন মুসলিম হিসেবে আপনি কি সেটা সুস্থ মস্তিষ্কে চাচ্ছেন? আপনি চান আপনার সন্তানেরা এই বেহুদা বিষয় নিয়ে বাজি ধরুক? মারামারি করুক?
মুসলিম বাচ্চার রোল মডেল হবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লাম। বর্তমানে আপনার পছন্দের যেকোনো হক্বপন্থী আলেমকে তার রোল মডেল বানাতে পারেন, যে কিনা আল্লাহ ও রাসূলের অনুসরণ করে।
কিন্তু তা না করে ছোট্টবেলা থেকেই এই পথভ্রষ্টতার রাস্তাটা কেন বাচ্চাদের জন্য সুন্দরের সাথে উন্মুক্ত করে দিচ্ছি? আল্লাহর কাছে বাবা মা হিসেবে দাঁড়াবো কিভাবে? তাদেরকে ১০ জন আলেমের নাম জিজ্ঞাসা করলে বলতে পারবে না, কিন্তু ১০ দেশের ১১ জন করে ১১০ জন খেলোয়ারের নাম বলতে পারবে।
আপনি মুসলিম বাবা/মা? তাহলে একটু চিন্তা করি?
দুনিয়ার মোহ, গাফলতি, অহংকার ও লাগাতার গুনাহ মানুষের অন্তরকে ধীরে ধীরে অন্ধকার করে দেয়। তখন মানুষ সত্য শুনেও প্রভাবিত হয় না এবং নসীহাহ শুনেও বদলায় না। জানি যতই নসীহা (সতর্ক) করা হোক না– একটা অংশ কখনোই হেদায়েতের দিকে আসবে না; তারা মনে করে এই দুনিয়া খেল-তামাশা আর বিনোদনের জন্য। আমাদের এই মুসলিম ভাই-বোনদের এমন অবস্থা দেখে মাঝে মাঝে খুব দুঃখ লাগে, আফসোস হয়–
“অতএব তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা মগ্ন থাকুক বেহুদা কথায় আর খেল-তামাশায় মত্ত থাকুক যতক্ষণ না সেদিনের (কেয়ামত) সাথে তারা সাক্ষাৎ করে যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেয়া হয়েছে।” (সূরা আয-যুখরুফ ৪৩ঃ৮৩)
(সংশোধিত ও পরিমার্জিত)
11/06/2026
We strive to provide our students with a truly Islamic environment—one that nurtures their understanding of Aqeedah and helps them discover what Islam truly is, along with the beauty it holds.
We guide them on how to apply Islamic knowledge in every aspect of life and encourage them to stay away from anything un-Islamic. We do our best to protect them from what is haram and to shape their character upon faith and sincerity.
At the same time, we acknowledge our shortcomings. We are not perfect, and we continuously seek forgiveness from our Lord for where we fall short.
May Allah replace our shortcomings with something beneficial and accept our efforts. Ameen.
04/06/2026
"আমি আমার সন্তানকে হাফিয বানাতে চাই" — কিন্তু আমি কি হাফিয তৈরির মতো পরিবেশ তৈরি করছি?"
প্রায় সব মা-বাবাই চান তাদের সন্তান কুরআনের হাফিয হোক। যখন কোনো ছোট্ট শিশু সুন্দর করে কুরআন তিলাওয়াত করে, হাফেজ হয়ে যায়, তখন আমাদের হৃদয়ও সেই স্বপ্ন দেখে নিজের সন্তানকে নিয়ে।
কিন্তু একটি প্রশ্ন কি কখনো নিজেকে করেছি?
আমি কি সেই স্বপ্নের জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করছি?
হাফিয তৈরি হয় না শুধু স্কুলে বা মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে।
হাফিয তৈরি হয় যখন একজন মা সন্তানের ঘুমের চেয়ে তার কুরআনের চিন্তা বেশি করেন।
হাফিয তৈরি হয় যখন একজন বাবা ক্লান্ত শরীর নিয়েও সন্তানের সবক শুনে দেন।
হাফিয তৈরি হয় যখন একটি পরিবার কুরআনের জন্য নিজেদের রুটিন পরিবর্তন করে।
হাফিয তৈরি হয় যখন ফজরের আগে ঘুম ভেঙে যায় কুরআনের জন্য, যখন খেলাধুলা ও বিনোদনের মাঝেও কুরআনের জন্য সময় বের করা হয়, যখন প্রতিদিনের রিভিশনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
একজন শিক্ষক দিনে কয়েক ঘণ্টা একটি শিশুর সাথে থাকেন। কিন্তু মা-বাবা তার সাথে থাকেন বেশিরভাগ সময়।
তাই সন্তানের হিফযের সফলতা শুধু শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভর করে না; বরং অনেকাংশে নির্ভর করে ঘরের পরিবেশ, পরিবারের আগ্রহ এবং মা-বাবার সহযোগিতার উপর।
দুঃখজনকভাবে আমরা অনেক সময় চাই ফলাফল, কিন্তু সেই ফলাফলের জন্য প্রয়োজনীয় ত্যাগ করতে চাই না।
আমরা চাই সন্তান হাফিয হোক, কিন্তু তাকে সময়মতো ঘুমাতে পাঠাই না।
আমরা চাই সে কুরআন মুখস্থ করুক, কিন্তু বাসায় তার রিভিশনের ব্যবস্থা করি না।
আমরা চাই সে এগিয়ে যাক, কিন্তু হিফযকে তার জীবনের অগ্রাধিকারে পরিণত করি না।
মনে রাখুন, কুরআনের হাফিয হওয়া একটি মহান নিয়ামত। এই মর্যাদা অর্জনের পথে মা-বাবার ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্কুল পথ দেখাবে, শিক্ষক শেখাবেন, কিন্তু সেই পথ ধরে সন্তানকে এগিয়ে নিতে মা-বাবার সহযোগিতা অপরিহার্য।
আমরা শুধু হাফিয হওয়ার স্বপ্ন না দেখি; বরং হাফিয তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ত্যাগ, সময় ও পরিশ্রম করতেও প্রস্তুত হই।
আল্লাহ আমাদের সন্তানদের কুরআনের হাফিয, কুরআনের বাহক এবং কুরআনের আমলকারী বানিয়ে দিন। আমীন।
29/05/2026
WE ARE HIRING
We’re looking for Practicing Muslim Female for the following areas:
• Assistant Teacher (Vacancy 02)
Candidates must be a Practicing Mualimah with:
• Must have graduation
• Pure Aqeedah and Bid’ayat free A’mal
• Must wear Abaya and Niqab
• Fluency in English communication
Salary: 14,000–20,000 BDT
Based on qualification, experience and performance in the interview and Demo class
APPLY NOW
SEND YOUR RESUME:
[email protected]
CALL FOR QUERIES:
01712-184331, 01332-773672
LOCATION:
Lalbagh, Dhaka
27/05/2026
"Neither their meat nor blood reaches Allah. Rather, it is your piety that reaches Him." Surah Al Hajj (22:37)
May Allah accept from us and from you. Ameen. Eid Mubarak...
تقبل منا ومنكم
Eid Mubarak ✨
May Allah accept our sacrifice. Ameen.
26/05/2026
4 Things to Prioritize on the Day of Arafah
1. Takbir | Fill your tongue with the remembrance of Allah after every prayer starting from Fajr of the Day of Arafah until the 13th of Dhul Hijjah after Asr.
اللّهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الْحَمْدُ
2. Fasting { For those not in Hajj, fasting the Day of Arafah wipes away the sins of the previous and coming year by Allah’s mercy.
3. Dua | This is the greatest day for supplication. Ask Allah for everything, forgiveness, guidance, provision, steadfastness, and Jannah. Make dua with certainty and sincerity.
4. Tahlil | Repeat abundantly the best words ever spoken by the Prophets. It renews faith, strengthens the heart, and draws you closer to Allah.
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ ، وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ.
May Allah allow us to maximize the Day of Arafah and accept from us all. Ameen.
Abu Bakr Zoud
25/05/2026
*ইয়াওমে আরাফার ফযীলত ও আমল*
যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন হলো আরাফার দিন। ৯-ই যিলহজ্জ যেদিন হাজীগণ আরাফার ময়দানে অবস্থান করেন সেটা হলো আরাফার দিন। এ দিন নিয়ে আমাদের দেশের উলামায়ে কেরাম-এর দুটি মতামত পাওয়া যায়। কেউ বলেন, আমাদের দেশের চান্দ্র তারিখ অনুযায়ী আরাফার সাওম পালন করতে হবে। যেহেতু আমরা লোকাল মুনসাইটিং-এর ভিত্তিতে সকল ইবাদতের সিদ্ধান্ত নেই। আবার আরেক দল আলেম বলেন, আরাফার স্থান অনুযায়ী ৯-ই যিলহজ্জ তারিখে আরাফার সাওম পালন করতে হবে। সে মোতাবেক সৌদি আরবে যেদিন ৯-ই যিলহজ্জ সেদিন বিশ্বের সকল স্থানে আরাফার সাওম পালন করতে হবে। কেননা এটি আরাফার স্থানের সাথে সম্পর্কিত বিষয়।
এখানে উভয় মতামত গ্রহণের সুযোগ আছে। সকল উলামায়ে কিরামের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের উচিত। তবে এ সংক্রান্ত হাদীসগুলো বিশ্লেষণ করে আমার কাছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মত হচ্ছে, যেদিন হাজীগণ আরাফার ময়দানে অবস্থান করেন সেই দিনটিকেই “আরাফার দিন” হিসাবে গণ্য করা উচিত। আর সেভাবেই আমরা আমলগুলো করতে পারি এবং রোযা রাখতে পারি।
*আরাফার দিনের কিছু ফযীলত :
১. আল্লাহর দীন ও নি‘আমত পরিপূর্ণ হওয়ার দিন : মহানবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নবুওয়াতের শেষ দিকে বিদায় হজ্জের সময় আরাফার দিন শুক্রবার আল্লাহ ইসলামকে পরিপূর্ণ দীন হিসাবে ঘোষণা করেন। আল্লাহ বলেন,
﴿ ٱلۡيَوۡمَ أَكۡمَلۡتُ لَكُمۡ دِينَكُمۡ وَأَتۡمَمۡتُ عَلَيۡكُمۡ نِعۡمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ ٱلۡإِسۡلَٰمَ دِينٗاۚ ﴾ [المائدة: ٣
‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম এবং তোমাদের ওপর আমার নি‘আমতকে সম্পূর্ণ করলাম। আর ইসলামকে তোমাদের জন্য দীন হিসাবে মনোনীত করলাম।’ (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত নং ৩)
এ আয়াতটি আরাফার ময়দানে অবস্থানের সময়ে নাযিল হয়েছে। সেটি আমারা বুখারীর বর্ণনা থেকে জানতে পারি।
উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, একজন ইয়াহূদী তাঁকে বলল, হে আমীরুল মুমিনীন, আপনাদের কিতাবে একটি আয়াত আছে, যা আপনারা পাঠ করে থাকেন। তা যদি আমাদের ইয়াহূদী জাতির ওপর অবতীর্ণ হতো, তবে অবশ্যই আমরা সে দিনকে ঈদের দিন হিসাবে পালন করতাম। তিনি বললেন, কোন আয়াত? সে বলল, ‘আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দীন পরিপূর্ণ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার নি‘আমত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দীন মনোনীত করলাম।’ উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বললেন, এটি যে দিনে এবং যে স্থানে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওপর অবতীর্ণ হয়েছিল তা আমরা জানি। তিনি সেদিন আরাফায় দাঁড়িয়েছিলেন আর সেটা ছিল জুমু‘আর দিন।’ সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩০১৭
তাহলে আরাফার একটি বড়ো ফযীলত হলো, এ দিনের সুন্দর ক্ষণে বরকতময় মুহূর্তে আল্লাহ তা‘আলা দীন পরিপূর্ণ করার ঘোষনাটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওপর নাযিল করলেন এবং এ মহান আয়াতটি দিয়ে তিনি মুসলিম উম্মাকে দীন পরিপূর্ণ করার বার্তাটি প্রদান করলেন।
২. এই দিন সবচেয়ে বেশি মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয় : আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
مَا مِنْ يَوْمٍ أَكْثَرَ مِنْ أَنْ يُعْتِقَ اللهُ فِيهِ عَبْدًا مِنَ النَّارِ مِنْ يَوْمِ عَرَفَةَ وَإِنَّهُ لَيَدْنُو ثُمَّ يُبَاهِى بِهِمُ الْمَلاَئِكَةَ فَيَقُولُ مَا أَرَادَ هَؤُلاَءِ،
‘এমন কোনো দিন নেই, যেদিন আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদেরকে আরাফার দিনের চেয়ে জাহান্নাম থেকে বেশি মুক্তি দিয়ে থাকেন। তিনি সেদিন বান্দাদের খুব নিকটবর্তী হন। তাদেরকে নিয়ে ফেরেশতাদের কাছে গর্ব করে বলেন, এরা কী চায়? (অর্থাৎ তারা যা চায় আমি তাই দেব)। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩৪৮; ইবনু মাজা, হাদীস নং ৩০১৪।
৩. এ দিন আল্লাহ ফেরেশতাদের কাছে তাঁর বান্দাদের নিয়ে গর্ব করেন : নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ يُبَاهِى مَلاَئِكَتَهُ عَشِيَّةَ عَرَفَةَ بِأَهْلِ عَرَفَةَ فَيَقُولُ انْظُرُوا إِلَى عِبَادِى أَتَوْنِى شُعْثاً غُبْراً.
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা আরাফার দিন বিকালে আরাফায় অবস্থানকারী ব্যক্তিদের নিয়ে ফেরেশতাদের নিকট গর্ব করেন। অতঃপর বলেন, তোমরা আমার বান্দাদের দিকে লক্ষ করো। তারা আমার কাছে এসেছে মাথায় এলোমেলো চুল নিয়ে ধুলি মলিন অবস্থায়’। মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ৮০৩৩; সহীহুত তারগীব, হাদীস নং ১১৫৩; সহীহুল জামে', হাদীস নং ১৮৬৮।
এ হাদীস দ্বারা বুঝা যায়, তাদের (আরাফার ময়দানে অবস্থানকারীদের) ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে। যেহেতু তারা ক্ষমা চাইতে চাইতে সারাটি দিন কাটিয়ে দিয়েছে।
৪. এ দিনের সিয়াম দুই বছরের গুনাহের কাফফারা : কাতাদা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আরাফা দিনের সিয়াম সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,
صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِى قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِى بَعْدَهُ،
‘আরাফার দিনের সিয়াম সম্পর্কে আল্লাহর কাছে আমি আশা করি যে, তা বিগত এক বছর ও আগত এক বছরের গোনাহের কাফফারা হবে।’ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৬২; আবূ দাঊদ হাদীস নং ২৪৪৫।
৫. আরাফার দু‘আ সবচেয়ে উত্তম দু‘আ : নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন
خَيْرُ الدُّعَاءِ دُعَاءُ يَوْمِ عَرَفَةَ وَخَيْرُ مَا قُلْتُ أَنَا وَالنَّبِيُّونَ مِنْ قَبْلِى لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ.
‘সকল দু‘আর শ্রেষ্ঠ দু‘আ হলো আরাফার দিনের দু‘আ। আর শ্রেষ্ঠ কালিমা (যিকর) যা আমি পাঠ করেছি ও আমার পূর্ববর্তী নবীগণ পাঠ করেছেন তাহলো, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহূ লা শারীকা লাহূ লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন কদীর’। অর্থ : আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো মা‘বূদ নেই। তিনি অদ্বিতীয়, তাঁর কোন শারীক নেই। তাঁরই রাজত্ব। তার জন্যই সকল প্রশংসা। তিনি সব কিছুর ওপরে ক্ষমতাবান’। তিরমিযী, হাদীস নং ৩৫৮৫; সহীহাহ, ১৫০৩। শাইখ আলবানী রাহিমাহুল্লাহ হাদীসটি সহীহ বলে উল্লেখ করছেন।
আর ইবনু আব্দিল বার বলেন,
«وفي الحديثِ دليلٌ على أنَّ دعاءَ يومِ عرفة مُجابٌ في الأغلب، وأنَّ أفضلَ الذكرِ لا إله إلا الله .. »
‘‘হাদীসটির মধ্যে দলীল এবং প্রমাণ রয়েছে যে, আরাফার দিনের দু‘আ অধিকাংশ ক্ষেত্রে কবুল করা হয় এবং উত্তম ও শ্রেষ্ঠ যিকির হচ্ছে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।” সুতরাং, এই যিকির আমাদের সবার করা উচিত।
উপরোক্ত ফযীলতগুলো আরাফার ময়দানের বাহিরেও প্রয়োগ হতে পারে। আল্লাহ তা‘আলা অবশ্যই এমনটি বলেননি, যারা আরাফার ময়দানের বাহিরে থাকবে তাদের দু‘আ আমি কবুল করবো না। সুতরাং আমাদের উচিত, সেই সুযোগটি গ্রহণ করা। পাশাপাশি অন্যান্য ‘আম আমলগুলো পালনের মাধ্যমে আমলের পাল্লা ভারী করা। যেমন— তাকবীর, দু‘আ ও ইস্তিগফার ইত্যাদি। আল্লাহ আরাফার সকল ফযীলত আমাদেরকে অর্জন করার তাওফীক দান করুন। আমীন!
শায়খ মানজুরে ইলাহী
22/05/2026
Recently, many schools are making models of the Ka‘bah, Zamzam, and even Hajr e Aswad for activities.
But the symbols of Allah deserve honour and reverence, not to become ordinary classroom crafts. Scholars have clearly advised against making such models.
We can teach children about Hajj through stories, drawings, videos, and explanations while still preserving the respect these sacred symbols deserve.
May Allah grant us proper adab towards His symbols. Ameen.