19/05/2026
বাংলাদেশে আজ পহেলা যিলহজ্ব ১৪৪৭ হিজরী
আপনার ‘মুসলিম নাসীহা’ অ্যাপে হিজরী তারিখ ১ যিলহজ্ব না দেখালে তারিখ সমন্বয় করে নিন।
হিজরী তারিখ সমন্বয় করতে হোম স্ক্রিনে থাকা হিজরী তারিখে ট্যাপ করুন অথবা ‘নামাযের সময় সেটিংস’ থেকে ‘হিজরী তারিখ সমন্বয়’ অপশনে যান।
আরও জানতে দেখুন: https://www.youtube.com/shorts/y2oZYjgfBUY
উল্লেখ্য, হিজরী তারিখ চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল। তাই প্রতি হিজরী মাসের শুরুতে আপনার এলাকার চাঁদ দেখার উপর ভিত্তি করে হিজরী তারিখ সমন্বয় করে নিতে হবে।
25/04/2026
মুসলিম নাসীহা অ্যাপে হিজরী তারিখ কিভাবে সমন্বয় করবেন?
হিজরী তারিখ চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল। তাই প্রতি হিজরী মাসের শুরুতে আপনার এলাকার চাঁদ দেখার উপর ভিত্তি করে হিজরী তারিখ সমন্বয় করে নিতে হবে।
কিভাবে সমন্বয় করবেন জানতে দেখুন: https://www.youtube.com/shorts/y2oZYjgfBUY
01/04/2026
শাওয়ালের ছয় রোযা রেখেছেন কি?
-----------------------------------
আবু আইয়ূব আনসারী রা. থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمّ أَتْبَعَهُ سِتّا مِنْ شَوّالٍ، كَانَ كَصِيَامِ الدّهْرِ.
যে ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখল এরপর শাওয়ালে ছয়টি রোযা রাখল, এটি তার জন্য সারা বছর রোযা রাখার সমতুল্য হবে।
—সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১৬৪; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ১৭১৬; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৪৩৩; সুনানে তিরমিযী, হাদীস ৭৫৯
19/03/2026
সাদাকাতুল ফিতর আদায় করি
-------------------------------
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন,
فَرَضَ رَسُولُ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ زَكَاةَ الْفِطْرِ طُهْرَةً لِلصّائِمِ مِنَ اللّغْوِ وَالرّفَثِ، وَطُعْمَةً لِلْمَسَاكِينِ، مَنْ أَدّاهَا قَبْلَ الصّلَاةِ، فَهِيَ زَكَاةٌ مَقْبُولَةٌ، وَمَنْ أَدّاهَا بَعْدَ الصّلَاةِ، فَهِيَ صَدَقَةٌ مِنَ الصّدَقَاتِ.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সদাকাতুল ফিতরের বিধান করেছেন রোযাদারকে অর্থহীন ও অশ্লীল কথা-কাজ থেকে পবিত্র করার জন্য এবং মিসকীনদের খাবারের ব্যবস্থা হিসাবে। যে ব্যক্তি তা (ঈদের) নামাযের আগে আদায় করবে সেটা গ্রহণযোগ্য সদকা হিসাবে পরিগণিত হবে। আর যে নামাযের পর আদায় করবে সেটা সাধারণ সদকা হিসাবে বিবেচিত হবে।
—সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ১৬০৯; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ১৮২৭; মুস্তাদরাক হাকিম, হাদীস ১৪৮৮
18/03/2026
লাইলাতুল কদরের দুআ
------------------------
হযরত আয়েশা রা. নবীজীকে জিজ্ঞাসা করেন- ইয়া রাসূলাল্লাহ, যদি আমি জানতে পারি, আজ লাইলাতুল কদর তাহলে আমি কী দুআ করতে পারি? নবীজী বললেন, তুমি বলো-
اللّهُمّ إِنّكَ عَفُوٌّ، تُحِبُّ الْعَفْوَ، فَاعْفُ عَنِّي.
আয় আল্লাহ! আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। আপনি ক্ষমা করতে ভালবাসেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।
—জামে তিরমিযী, হাদীস ৩৫১৩
* বাংলাদেশে আজ ২৯ রমযানের রাত। আজ রাতই এ বছরের সর্বশেষ সম্ভাব্য লাইলাতুল কদর
17/03/2026
মাগফিরাত লাভ করতে সচেষ্ট হই
----------------------------------
জাবের রা. থেকে বর্ণিত,
إِنّ النّبِيّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ رَقَى الْمِنْبَرَ، فَلَمّا رَقَى الدّرَجَةَ الْأُولَى قَالَ: آمِينَ، ثُمّ رَقَى الثّانِيَةَ فَقَالَ: آمِينَ، ثُمّ رَقَى الثّالِثَةَ فَقَالَ: آمِينَ، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ، سَمِعْنَاكَ تَقُولُ: آمِينَ ثَلَاثَ مَرّاتٍ؟ قَالَ: لَمّا رَقِيتُ الدّرَجَةَ الْأُولَى جَاءَنِي جِبْرِيلُ، فَقَالَ: شَقِيَ عَبْدٌ أَدْرَكَ رَمَضَانَ، فَانْسَلَخَ مِنْهُ وَلَمْ يُغْفَرْ لَه، فَقُلْتُ: آمِينَ ...
একবার নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারে আরোহণ করলেন। প্রথম ধাপে উঠে বললেন, আমীন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে উঠেও বললেন, আমীন। সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করলেন, আল্লাহর রাসূল! আপনাকে (এভাবে) তিনবার আমীন বলতে শুনলাম?
তখন নবীজী বললেন, আমি যখন মিম্বারের প্রথম সিঁড়িতে আরোহণ করলাম তখন জিবরীল আগমন করলেন এবং বললেন, ওই ব্যক্তি হতভাগা যে রমযান মাস পেল, আর রমযান গত হয়ে গেল কিন্তু তার গুনাহ মাফ হল না। আমি বললাম, আমীন।
—আলআদাবুল মুফরাদ বুখারী, হাদীস ৬৪৪; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ৭৪৫১
16/03/2026
লায়লাতুল কদরের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত না হই
-----------------------------------------
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,
دَخَلَ رَمَضَانُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ هَذَا الشَّهْرَ قَدْ حَضَرَكُمْ، وَفِيهِ لَيْلَةٌ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ، مَنْ حُرِمَهَا فَقَدْ حُرِمَ الْخَيْرَ كُلَّهُ، وَلَا يُحْرَمُ خَيْرَهَا إِلَّا مَحْرُومٌ.
রমযান মাস শুরু হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, নিশ্চয় যে মাস তোমাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছে তাতে এমন একটি রাত (লায়লাতুল কদর) রয়েছে যা হাজার মাস থেকেও উত্তম। যে ব্যক্তি লায়লাতুল কদরের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো, সে সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হলো।
—সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ১৬৪৪; মুসনাদুল বাযযার, হাদীস ৭২৭৩; আল-মুজামুল আউসাত তাবারানী, হাদীস ১৪৪৪
15/03/2026
রমযানের শেষ দশকের মূল্যায়ন করি
---------------------------------------
উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. বর্ণনা করেন-
كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَجْتَهِدُ فِي الْعَشْرِ الْأَوَاخِرِ، مَا لَا يَجْتَهِدُ فِي غَيْرِهِ.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানের শেষ দশকে (ইবাদত করতে) সবচেয়ে বেশি মেহনত করতেন।
—সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১৭৫; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ১৭৬৭; সুনানে তিরমিযী, হাদীস ৭৯৬; সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদীস ২২১৫
14/03/2026
রমযানের গুরুত্বপূর্ণ আমল ইতিকাফ
--------------------------------------
উবাই ইবনে কা‘ব রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন-
إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الْأَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ، فَلَمْ يَعْتَكِفْ عَامًا، فَلَمَّا كَانَ فِي الْعَامِ الْمُقْبِلِ اعْتَكَفَ عِشْرِينَ لَيْلَةً.
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানে শেষ দশ দিন ইতিকাফ করতেন। এক বছর ইতিকাফ করেননি। পরবর্তী বছর বিশ রাত (দিন) ইতিকাফ করেছেন।
—সুনানে আবু দাউদ, হাদীস: ২৪৬৩; সুনানে ইবনে মাযাহ, হাদীস ১৭৭০; সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদীস ২২২৫; সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস ৩৬৬৩