Celebrating my 11th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
Viral Versions
সকল বিশ্ববিদ্যালয় খোঁজ খবর জানতে আমাদের সাথে থাকুন
·• нi •·
মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের
যন্ত্রণা যে কতো কঠিন,
কতো ভয়ানক
তা একমাত্র ভুক্তভোগীই অনুভব
করতে পারে।
—কাজী নজরুল ইসলাম
·• н2н •·
বৃষ্টিকে যদি ভালবাসতাম...
হয়তো এতো জল
উপহার পেতাম না...
যত জল পেয়েছি
তোমাকে ভালোবেসে...
বুঝতে পারিনি...
এত বেশি মেঘ ছিল
তোমার আকাশে সত্যিই বড়
বোকা ছিলাম আর আজও বোকাই
রয়ে গেলাম ..............
অপেক্ষায় আছি ,
অপেক্ষায় থাকবো...
যত দিন বেঁচে থাকি ,
তোমায় ম
Hi
14/07/2020
10/07/2020
আদি যুগ থেকেই #বাসক_পাতা ভেষজ গুণে গুণান্বিত। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায়ও বাসকের ভেষজ গুণাবলি প্রমাণিত হয়েছে। তাজা অথবা শুকনো পাতা বহু রোগে ওষুধের কাজ করে। বাসক পাতার নির্যাস, রস বা সিরাপ শ্লেষ্মা তরল করে নির্গমে সুবিধা করে দেয় বলে #সর্দি_কাশি এবং শ্বাসনালীর প্রদাহমূলক ব্যাধিতে বিশেষ উপকারী।
বাসক পাতার রস ১-২ চামচ হাফ থেকে এক চামচ মধুসহ খেলে শিশুর সদির্কাশিতে উপকার পাওয়া যায়। বাসক পাতার রস গোসলের আধ ঘন্টা আগে মাথায় কয়েকদিন মাখলে #উকুন মরে যায়। আমবাত ও ব্রণশোথে (ফোঁড়ার প্রাথমিক অবস্থা) বাসক পাতা বেটে প্রলেপ দিলে ফোলা ও #ব্যথা কমে যায়। যদি বুকে কফ জমে থাকে এবং তার জন্যে #শ্বাসকষ্ট বা কাশি হয় তাহলে বাসক পাতার রস ১-২ চামচ এবং কন্টিকারীরস ১-২ চামচ, ১ চামচ মধুসহ খেলে কফ সহজে বেরিয়ে আসে।
10/07/2020
ফুলের নামঃ বাসক
বৈজ্ঞানিক নামঃ Adhatoda vasica
#বাসকের ঔষধী গুণ:
তাজা অথবা শুকানো পাতা ওষুধের
কাজে লাগে। বাসকের পাতায়
'ভাসিসিন' নামীর ক্ষারীয় পদার্থ এবং
তেল থাকে। শ্বাসনালীর লালাগ্রন্থিকে
সক্রিয় করে বলে বাসক শ্লেষ্মানাশক
হিসেবে প্রসিদ্ধ । বাসক পাতার নির্যাস,
রস বা সিরাপ শ্লেষ্মা তরল করে নির্গমে
সুবিধা ক’রে দেয় বলে সর্দি, কাশি এবং
শ্বাসনালীর প্রদাহমূলক ব্যাধিতে বিশেষ
উপকারী। তবে অধিক মাত্রায় খেলে বমি
হয়, অন্তত: বমির ভাব বা নসিয়া হয়,
অস্বস্তি হয়। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায়
বাসকের ভেষজ গুণাবলি প্রমাণিত
হয়েছে।
এর মূল, পাতা, ফুল, ছাল সবই ব্যবহার হয়।
প্রয়োগ:
১. বাসক পাতার রস ১-২ চামচ হাফ থেকে
এক চামচ মধুসহ খেলে শিশুর সদির্কাশি
উপকার পাওয়া যায়।
২. বাসক পাতার রস স্নানের আধ ঘন্টা
আগে মাথায় কয়েকদিন মাখলে উকুন মরে
যায়। আমবাত ও ব্রণশোথে (ফোঁড়ার
প্রাথমিক অবস্থা) বাসক পাতা বেটে
প্রলেপ দিলে ফোলা ও ব্যথা কমে যায়।
৩. যদি বুকে কফ জমে থাকে এবং তার
জন্যে শ্বাসকষ্ট হলে বা কাশি হলে বাসক
পাতার রস ১-২ চামচ এবং কন্টিকারীরস ১-২
চামচ, ১ চামচ মধুসহ খেলে কফ সহজে
বেরিয়ে আসে।
৪. প্রস্রাবে জ্বালা-যন্ত্রনা থাকলে
বাসকের ফুল বেটে ২-৩ চামচ মিছরি ১-২
চামচ সরবত করে খেলে এই রোগে উপকার
পাওয়া যায়।
৫. জ্বর হলে বা অল্প জ্বর থাকলে বাসকের
মূল ৫-১০ গ্রাম ধুয়ে থেঁতো করে ১০০ মিলি
লিটার জলে ফোটাতে হবে।
৬. ২৫ মিলি লিটার থাকতে নামিয়ে তা
ছেঁকে নিয়ে দিনে ২ বার করে খেলে জ্বর
এবং কাশি দুইই চলে যায়।
৭. বাসকের কচিপাতা ১০-১২ টি এক টুকরো
হলুদ একসঙ্গে বেটে দাদ বা চুলকানিতে
লাগলে কয়েকদিনের মধ্যে তা সেরে
যায়।
৮. বাসকপাতা বা ফুলের রস ১-২ চামচ মধু
বা চিনি ১চামচসহ প্রতিদিন খেলে
জন্ডিস রেগে উপকার পাওয়া যায়।
৯. পাইরিয়া বা দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত
পড়লে বাসক পাতা ২০ টি থেঁতো করে ২
কাপ জলে সিদ্ধ করে ১ কাপ থাকতে
নামিয়ে ঈষদুষ্ণ অবস্থায় কুলকুচি করলে এই
রোগে উপকার পাওয়া যায়।
ভেষজ দাওয়াই:
শিশুর পেটে কৃমি থাকলে বাসকের
ছালের ক্বাথ খাওয়ালে এর উগ্র তিক্ত
স্বাদ কৃমি বের হয়ে যায়।
১o. যাদের হাঁপানির টান আছে তারা
বাসক পাতা শুকনো করে, ওই পাতা বিড়ি
বা চুরুটের মতো পাকিয়ে এর সাহায্যে
ধূমপান করলে শ্বাসকষ্ট প্রশমিত হয়।
১১. যাদের গায়ে ঘামের গন্ধ হয় তারা
বাসক পাতার রস গায়ে লাগালে দুর্গন্ধ দূর
হবে।
১২.বাসকপাতার রস ও শঙ্খচূর্ণ মিশিয়ে
নিয়মিত ব্যবহার করলে রং ফরসা হবে।
১৩. এক কলসি পানিতে তিন-চারটি
বাসকপাতা ফেলে তিন-চার ঘণ্টা
ভিজিয়ে রাখার পর সেই পানি বিশুদ্ধ
হয়ে যায়। এরপর ব্যবহার করতে পারেন।
১৪. পাতার রস নিয়মিত খেলে খিঁচুনি
রোগ দূর হয়ে যায়।
১৫. বাসক পাতার রস মাথায় লাগালের
উকুন চলে যায়।
১৬. বাসক পাতা বা ফুলের রস এক বা দুই
চামচ মধু বা চিনি দিয়ে খেলে জন্ডিস
ভালো হয়।
১৭. শরীরে দাদ থাকলে বাসক পাতার রস
লাগালে ভালো হয়ে যায়।
28/04/2020
এইচএসসির পর কী, কোথায়, কেন পড়বে? (পার্ট-১)
এবারের এইচএসসি পরীক্ষা কবে হবে বলা যাচ্ছে না।সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।।
এইচএসসির পর কী পড়বে, কোথায় পড়বে—এই সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব একটা সহজ নয় বর্তমানে। দেশে ১৫১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫০টির বেশি বিষয় রয়েছে। কেবল কম্পিউটারবিজ্ঞান–সংক্রান্ত বিষয় রয়েছে কমপক্ষে ১০টি। কম্পিউটারবিজ্ঞান, কম্পিউটার কৌশল, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার ও কমিউনিকেশন, কম্পিউটার ও ইলেকট্রিক্যাল, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি। এগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্যই–বা ছেলেমেয়েরা কেমনে জানবে? কাজেই ওরা ইলেকট্রিক্যাল না কম্পিউটার, সিভিল না মেকানিক্যাল, অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি না কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং—এসব নিয়ে দ্বিধায় থাকে ভর্তি হওয়ার আগের দিন পর্যন্ত।
তার ওপর আছে কোথায় পড়বে? ঢাবির সিএসইতে পড়বে নাকি বুয়েটে ইইই, বিইউপির বিবিএ নাকি কুয়েটে সিএসই, নর্থ সাউথে ইকোনমিকস নাকি রুয়েটে একটা কিছু? শাহজালালে স্থাপত্য নাকি চুয়েটে? বুয়েটে কেমিক্যাল নাকি বুটেক্সে টেক্সটাইল কেমিক্যাল? হোম ইকোনমিকস কলেজের রিসোর্স ইউটিলাইজেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপের সঙ্গে ড্যাফোডিলের ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপেরই–বা পার্থক্য কী?
কেমন করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত? কোন কোন বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া উচিত? ঘরের কাছের বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অনার্স ভালো না ঢাকায় এসে মেসে থেকে পড়া ভালো? এ প্রশ্নগুলোর জবাব খোঁজার আগে আমি বরং আমার নিজের অভিজ্ঞতার কথা একটু বলে নিই।
আজ থেকে ৩৫ বছর আগে আমি এইচএসসি পাস করি। আমাদের ইন্টারের পুরো সময়ে আমাদের পাড়ার এক সিনিয়র, বাদল ভাই (প্রকৌশলী, বর্তমানে অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী) দেখা হলেই বলতেন, ফিজিকস-কেমিস্ট্রি-ম্যাথ। সে সময় বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় কেবল এই তিন বিষয়ে পরীক্ষা হতো। বাংলা বা ইংরেজির কিছু থাকত না। আর বাদল ভাইয়ের কাছে মেধাবী শিক্ষার্থীর অর্থই হলো বুয়েটে চান্স পাওয়া! তিনি আমাকে সে সময় গণিত বা ফিজিকসের বিভিন্ন বিষয় দেখিয়ে দিতেন। তাঁর কারণে আর একটু হলে আমি এইচএসসিতে এই তিন বিষয়ে লেটার মার্কসহ ফেল করে যেতাম, কারণ আমার বাংলা ও ইংরেজির প্রস্তুতি ছিল কোনো রকম। প্রায় দুই বছর, পুরো এইচএসসির সময় আমি বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে পড়াশোনা করেছি। এ জন্য এইচএসসির সাজেশন খুঁজিনি। আমার কানের কাছে বাজত বাদল ভাইয়ের আপ্তবাক্য ‘বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার কোনো সাজেশন নেই’।
এসব বলার অর্থ হলো এইচএসসি পড়ার সময়েই বাদল ভাইয়ের কারণে আমার মনোজগৎ বুয়েটে পড়ার জন্য তৈরি হয়ে যায়। আমাদের সময় বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার ফরমেই নিজের পছন্দের বিভাগের নাম লিখতে হতো। ফরম নিতে এসে এসে শুনলাম, সবার পছন্দ হলো ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। মানে সেটা হল ফার্স্ট চয়েজ। কিন্তু তখন জানতাম না ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ব্যাপারটা কী? সেটাই বা কেন সবার প্রথম পছন্দের। ফরম পূরণ করার আগে আমার পুরকৌশলী চাচার পরামর্শ নিতে গেলে তিনি বলেছিলেন, ‘ইলেকট্রিক্যাল পড়ে তো চাকরি পাবে না। ইঞ্জিনিয়ারিং হলো সিভিল। অনেক চাকরি।’ কিন্তু আমি স্রোতের বাইরে থাকতে রাজি হইনি। কাজেই ইলেকট্রিক্যালই প্রথম পছন্দ দিয়ে সেটাই পড়েছি শেষ পর্যন্ত বুয়েটে।
মেডিকেল অবশ্য কলেজ পছন্দটা কঠিন ছিল না। কারণ, হাতে গোনা কয়েকটা মেডিকেলের মধ্যে ঢাকারটা সবার আগের ও বনেদি। এরপর বাড়ির কাছের চট্টগ্রাম মেডিকেল এভাবে দেওয়া যেত।
ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর বা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ই ছিল আমার বন্ধুদের বুয়েট-মেডিকেলের বাইরের অপশন।
আমাদের মধ্যে যাদের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে শখ, তারা অ্যাপ্লাইড ইলেকট্রনিকসকে এগিয়ে রাখতাম দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর জন্য।
আমাদের কমার্স বন্ধুদের জন্য অপশন বেশি ছিল না। মার্কেটিং, ফিন্যান্স অ্যাকাউন্টিং—এই তিন বিষয়ের যেকোনো একটিতে অনার্স। আইবিএতে তখন আন্ডারগ্র্যাড ছিল না। কাজেই অপশন নেই। আর তিন অনার্সের বাজার কমবেশি একই রকম। যেকোনো একটা পড়লেই হবে।
কলা বিভাগের অনার্সের মধ্যে তখন অনেক অপশন নেই। ইংরেজি বরাবরের মতো এগিয়ে। এরপর অর্থনীতি, লোকপ্রশাসন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন এবং অন্যান্য বিভাগ। আমাদের সময় ভর্তি পরীক্ষা আজকের মতো এত প্রতিযোগিতামূলক ছিল না। আমরা মোটামুটি জানতাম, আমাদের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়তে পারব। আরও সুযোগ ছিল। পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় বা বিষয় না পেলে পরের বছর আবারও ভর্তি পরীক্ষা দেওয়া যেত।
কিন্তু এখন?
যা করতে হবে একবারেই। সব সিদ্ধান্ত নিয়েই ভর্তি হতে হয়। আর এখনকার ছেলেমেয়েদের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভাগ নির্বাচনের পুরোটা হয় পরের মুখে ঝাল খেয়ে!
তাই নিজে জানুন, নিজের পছন্দকে গুরুত্ব দিন।।
©মূল লেখা- মুনির হাসান,
প্রথম আলোর যুব কার্যক্রমের প্রধান।
®সংস্কার- ফয়সাল, জাবি
24/04/2020
সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি
21/04/2020
#ঢাবি_ভর্তি_প্রস্তুতি_পার্ট-১
স্বপ্ন যদি হয় ঢাবি অনুরোধ থাকলো ছোট ভাই-বোন পুরো পোস্ট টা ১ বার হলেও মন দিয়ে পড়িস।
👉যা থাকছে এই পোস্টে
👌প্রশ্ন প্যাটার্ন
👌মানবন্টন
👌গাইডলাইন
👉আসন সংখ্যা
👉পাশের হার
👉প্রতি আসনে লড়ে কতজন?
👉কোন কোন টপিকস গুরুত্বপূর্ণ?
👉এই মহুর্তে আপনার কি করা উচিত?
👉এইচ এইচ সি এক্সামের ক্ষতি না করে কীভাবে ঢাবির প্রস্তুতি নিবে?
👉কোন বই পড়া উচিত?
👉কোন কোচিং ভালো?
👉কোচিং না করলে কি চান্স পাওয়া যায়না?
👉এখন কি ভর্তি প্রস্তুতি নেয়া ঠিক হবে?
👉রিটেন কেমন আসে? রিটেনের জন্য কোন বই আছে?
👉প্রশ্ন কি রিপিট হয়?
👉কোন বই থেকে কমন আসে?
👉কত পয়েন্ট লাগে?
👉কোন সাব্জেক্ট পেতে কী ধরনের কন্ডিশন?
যাক মুল কথায় আসা যাক এইবার-
👥ঢাবির খ ইউনিটে আসন সংখ্যা ২৩৭৮ (২০১৯ সার্কুলার অনুযায়ী)
👮♂️ভাইবাতে ২৪০০ পর্যন্ত ডাকা হয়।
👩🍳ভর্তি ফর্ম তোলার যোগ্যতাঃ
এস এস এস ৩.০০ & এইচ এচ চি ৩.০০ সর্বনিম্ন কিন্তু দুইটা মিলে ৭ লাগবে।
যেমনঃএস এস সি ৪ & এইচ এইচ সি ৩ ফর্ম তুলতে পারবেন।
আবার এইচ এই চি ৩.৫০ & এস এস সিতে ৩.৫০ বা তার বেশি পারবেন।
তবে ৩.০০ এর নিচে থাকলে ফর্ম তুলতে পারবেন না।
🧞♂️🕺(লড়াই)
লাস্ট ইয়ার ৪২ হাজার ৫৪ জন অংশ গ্রহন করে ২৩৭৮ সিটের বিপরীতে।
পার সিট লড়াই ১৭.৬৮ জন
তুলনামূলক অনেক কম লড়াই।
পাশের হারঃ২৩.৭২ ইয়ার লাস্ট ইয়ার
আগে কখনো বি ইউনিটে এত % পাশ করেনাই।
🙂ফর্ম তোলার যোগ্যতা, আসন,লড়াই পাশের হার জানলাম এবার বাকিগুলো জানবো।
👉প্রশ্ন কি রিপিট হয়?
না, ঢাবি বি ইউনিটে আমি এত ২০ বছরের এনালাইসিস করার পরো ১ টা প্রস্ন মাত্র রিপিট পাইছি তাও সেটা জব এক্সামের প্রশ্ন হয়ত কাকতালীয় ভাবে মিলেছে।
তবে কি কমন আসবেনা?
হ্যা অবশ্যই আসবে তবে ঘুরিয়ে পেচিয়ে কমন আসবে।
একটা এক্সাম্পল দেই বুঝে যাবেন।
He likes chocolate,and.....
a)so do i (✔️)
b)so i do
c)i don't either
d)neither do i
Ans: a [ব্যাখ্যা ( so + do( verb)+ i ( subject)
Rules:
Positive sentence এর agreement
এ
1.so+ verb + subject or
2.subj + verb + too/also বসে।]
এইটা ধরেন ১৮-১৯ সালে আসছিলো
২০-২১ সালে এরকম আসতে পারে যে
She likes dancing, and......
a)so i do
b)i don't either
c)so do i
d)neither do i
Answer: নিজেই পারবেন ইন শা আল্লাহ।
🙂রুলস থেকে কমন আসে প্রশ্ন রিপিট করেনা ঢাবি।
👉কোন বই থেকে কমন আসে?
🙏মাফ ও চাই দোয়া ঢাবির শিক্ষকরা বাজারের গাইড কিনে নিয়ে গিয়ে প্রশ্ন বানাই না যে এই বই থেকে কমন আসে বলতে পারবো।
তবে হ্যা ১ টা কথা বলতে পারি আপনাদের যে যত বেশি চর্চা করবে সে তত বেশি এগিয়ে থাকবে কারন বিগত সালের প্রশ্ন আপনি যত বেশি সলভ করবেন আপনার চান্স পাওয়ার সম্ভবনা তত বাড়তেই থাকবে।
👉এক্ষেত্রে ইংরেজির
Index English বই ফলো করতে পারেন।
এই বইটিতে ১৫০০০+ বিগত সালের প্রশ্ন আছে & প্রত্যেকটি কঠিন প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেয়া আছে।
👉সমজাতীয় কোন বইতে এত MCQ নাই আপনি HSC দিচ্ছেন যথেষ্ট ম্যাচিউরড যাচাই করে কিনবেন।
👉এই বইয়ের লেখকের যোগ্যতা যা আপনার স্বারাজীবনের স্বপ্নের চাইতেও বেশি
Raihan Borhan
LL.B from University of Dhaka
IBA from University of Dhaka
Ielts score 8.5 যা বাংলাদেশের ইতিহাসে ২য় সর্বোচ্চ
এই ৩ টির ১ টি অর্জন করাও কত টা কঠিন ভাবতে পারছেন?
এছাড়াও
বিসিএস কোচিং & ইউসিসির সিনিয়র ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবে আছেন ১৫ বছর ধরে🙂।
👉অমুক ভাই বললো এই বই ভালো তাহলে কোনটা কিনবো?
Index English এই প্রথম ২০২০ সালেই প্রকাশিত হবে সো আগে যারা চান্স পেয়েছে তারা যে বই পড়ে চান্স পেয়েছে সেই বইয়ের কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক।চান্স কিন্তু সেই তথাকথিত ভাইয়ের দরকার নাই আপনার দরকার আপনি যাচাই বাছাই করে কিনুন।
বইয়ের ডিসকাস টা বড় হয়ে গেলো আসলে ভালো বই ই যদি না পড়েন চান্সটা আসবে কিভাবে তাই আমাকে ডিটেইলে ব্যাপার টা বুঝাতে হলো।
পাশাপাশি ব্যারন্স & ক্লিফস টোফেল টা আয়ত্ত্ব করে নিলে ইংরেজিতে সেরা প্রস্তুতি হয়ে যাবে।
বাংলাঃ
এইচ এইচ সি বাংলা ১ম পত্র + ৯ & ১০ এর ব্যাকারন ( বোর্ড বই হিসেবে)
গাইড বইঃ
বর্তমানে বাংলা বর্ণমালা তে সব থেকে বেশি বিগত সালের প্রশ্ন দেয়া আছে
+ শর্টকাট টেকনিক যুক্ত করা আছে ( এক্সাম হলে শর্টকাট টেকনিক যে কী পরিমান আপনাকে হেল্প করবে বলে বুঝাতে পারবোনা কারন পার mcq ৩০-৪০ সেকেন্ড সময় পাওয়া যায় এর মধ্যে ইংরেজিতে সময় বেশি লেগে যায়)
👉বোর্ড বই থেকে ৫০ টি করে সেল্ফ টেস্ট থাকছে যা সলভ করলে আপনার প্রস্তুতি 👌👌👌
যদি নিজের প্রস্তুতি আরো ভালো করতে চান পাশাপাশি সাহিত্য জিজ্ঞাসা পড়তে পারেন ( সৌমিত্র শেখর)
🙂হয়ে গেলো বাংলার সেরা প্রস্তুতি।
জিকেঃ
আসলে জিকে সিলেবাস টা অনেক টাই বড় আর জিকে মনে রাখাও কিন্তু বেশি কঠিন তবে বই যদি হয় সাজানো গোছানো পড়ায় মন টা জমিয়ে বসে।
ঠিক এরকমই একটি চমক এনেছে খন্দকার আল মামুন রেজা ভাই
যা দেখে আমি নিজেই হতবিম্ব হয়ে গেছিলাম! এত সুন্দর করে সাজানো হয়েছে।
👉আলোচনা
👉ছবি
👉রেফারেন্স
এগুলো কমন ব্যাপার সবাই প্রায় এড করছে কিন্তু খন্দকার'স জিকে তে এগুলো তো থাকছেই
সাথে প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিগতে সালের প্রশ্ন আলাদা আলাদা ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
ধরুন বাংলাদেশ পরিচিতি থেকে
ঢাবিতে এত টি আসছে
১।
২।
৩।
রাবি তে এতটি আসছে
১।
২।
চবিতে এতটি
১।
২।
আপনি সহজেই নিজেই নিজের সাজেশন তৈরি করে ফেলতে পারবেন যে কোন আইটেম কোন বিশ্ববিদ্যায়ের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
কোন টপিকস থেকে বিগত সালে প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রশ্ন এসেছে।
🙂আর সব চাইতে মজার ব্যাপার এগুলোর চাইতে কী জানেন?
বাংলাদেশের প্রথম কোন জিকে বইতে সেল্ফ টেস্ট দেয়া হয়েছে তাও আবার ২৫ টি করে ( পূর্নাঙ্গ সেল্ফ টেস্ট)
আর বইয়ের শেষে পাবেন ১০ সেট পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট।
🙂আপনি এক সিনিয়র ভাই কে জিজ্ঞেস করলেন চাই খন্দকার'স জিকে টা কেমন?
তখন তো সে কিছুই বলতে পারবেনা কারন এটি ২০২০ এই ফিচার গুলো যুক্ত হয়েছে সো আপনাকে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।
এবার আসা যাক প্রশ্নব্যাংকে-
👉জয়কলি তে সব থেকে বেশি বিগত সাল যুক্ত করা।
👉পানকৌড়িতে বিগত সাল জয়কলির থেকে কয়েকবছর কম থাকলেও ব্যাখ্যা টা বেশি ক্লিয়ার।
👉বিজয় ( ঢাবি) এই প্রশ্নব্যাংকটিতে রয়েছে পর্যাপ্ত ব্যাখ্যা
👉এছাড়াও বিভিন্ন কোচিং এর তো প্রশ্নব্যাংক আছেই।
✍যেটা ভালো লাগে কিনতে পারেন🙂।
এই গেলো বই এর ব্যাপার।
👉কোন কোচিং ভালো?
সব কোচিং ই তাদের সেরাটা দিয়ে থাকার চেস্টা করে কেউ উ খারাপ নয় তবে চেস্টা করবেন খোঁজ খবর নিয়ে এডমিট হবার এ ব্যাপারে আর কিছু বলার নাই।
👉কোন কোন টপিকস গুরুত্বপূর্ণ?
আসলে এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া খুব টাফ কারন একটি আইটেম অন্য আইটেমের সাথে সম্পর্কিত তবে হ্যা বাংলা ইংরেজি ইংরেজির কিছু কমন আইটেম বলে দিচ্ছি যেখান থেকে প্রশ্ন কমন পাবেন ই ( জিকে পুরো বইটাই পড়া উচিত)
👉Right form verb
👉Preposition
👉Correct Spelling
👉Group verb
👉Idiom
👉One word ( ইংরেজির এক কথায় প্রকাশ) /Substitution
👉Figure of speech
👉Parts of speech ( Identification, Usages,Interchange, Position)
👉Subjunctive
👉Embedded
👉Agreement [Subject verb agreement + affirmative & negative agreement]
👉Synonym
👉Antonym
👉Voice
👉Narration
👉Tense & verb
👉Translation
👉Tag question
👉Conditional
👉Articles
+
👉Text book based passage
ইংরেজির ৬৫ টি আইটেম থেকে মাত্র ২১ টি বাছাই করে দিছি। ওপেন চ্যালেঞ্জ স্ক্রিনশর্ট দিয়ে রাখেন এখান থেকে ৫০-৮০% প্রশ্ন অনায়সে কমন পাবেন ই 👈আমি বলছি না বলছে ২৫ বছরের প্রশ্ন রিসার্সের সমীক্ষা।
আগের বছর ২৫ টি আইটেম দিয়ছিলাম আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর অশেষ রহমতে ঢাবিতে ১১ টি গ্রামার প্রশ্নের মধ্যে ১০ টি সেই টপিকস থেকে আসছিলো আর ৫ টি বোর্ড বই থেকে যা দাঁডালো তা হলো ১ টা আনকমন ছিলো শুধু।
👎ঢাবি বি ইউনিটে যা সাধারনত আসতে দেখা দেখতে পাওয়া যায়না
👉Analogy
👉Pin point error
👉number
👉Gender
👉suffix & prefix
👉Foreign phrase
👉identification phrase
👉identification clause
👉Dangling modifier
👉Inversion of verb
👉Adverb & its usages
👉Adjective & its classifications
👉Interjection
👉Miscellaneous
👉Literature
👉Redundancy
👉Sequence of tense
😃সবাই শুধু important এর সাজেশন দেয়া আমি নাহয় কোনগুলা এভোয়েড করে চলতে হবে সেগুলো সহ বল্লাম।
🙂যেইগুলো গুরুত্বপূর্ণ তে নাই। আবার ফেলে দেওয়াই যায়না তাই unimportant এ নাই সেগুলো মাঝামাঝি গুরুত্বপূর্ণ।
Un important থেকে প্রশ্ন আসার সম্ভবনা ১০%
Important গুলা থেকে ৯০%
Medium গুলো ৫০% -৫০%
✔মানবন্টন
👩⚕️MCQ 75
👨⚕️Written 45
🎓MCQ 75 এ
👨🔧English MCQ 16 টি ×১.২৫ = ২০
👩🔧Bangla MCQ 16 টি× ১.২৫ = ২০
👩🔬সাধারন জ্ঞ্যান MCQ 28 টি×.২৫= ৩৫
এই হলো ২০+২০+৩৫= ৭৫
ভুল উত্তরে কাটা যাবে . ৩০
রিটেন থাকবে ৪৫ মার্কস
যা যা ছিলো গতবছর
👉সৃজনশীল প্রশ্ন (১০ মার্কস)
👉বাংলা ৫ টি শব্দ ছিলো যা দিয়ে ৫ টি বাক্য বানাতে হবে
👉অনুবাদ
👉রাইট ফর্ম অব ভার্ব
👉ইংরেজি ৫ টি শব্দ ছিলো যা দিয়ে ৫ টি ইংরেজি শব্দ বানাতে হবে।
[একটা শর্টকার্ট টেকনিক শেয়ার করি ৫ টি শব্দ সব সময় কমন আসেনা) ফাকা রেখে আসবেন? না কখনোই রিটেনে এমন করবেন না কারন রিটেনে নেগেটিভ মার্কস নাই।
চলুন অর্থ না জানলে কী করা যাবে দেখি।
Architecture =
I know the meaning of .
Architecture = I don't know the meaning of .
Architecture = The meaning of is unknown to me.
৩ টা পদ্ধতির ১ টি ফলো করতে পারেন ( পারলে এরকম করবেনা না পারলে ফাঁকা রেখে দেয়ার চাইতে মন্দের ভালো)
👉রিটেনের জন্য কোন মান সম্মত বই এখনো বের হইনাই।
👉কোচিং না করে চান্স পাওয়া যাবে?
🙂নিশ্চয় ২০১৯-২০ সেশনে আমার ৬ জন ছাত্র ঢাবিতে & রাবিতে আছে যারা কোচিং করেনি একদম মফস্বল এলাকায় বাড়ি যা পড়তে বলেছিলাম বিশ্বাস রেখে শুধু পড়েছিলো🙂।
মোট ৩০ জন ছাত্র- ছাত্রী এর মধ্যে ৭ জন প্রত্যক্ষ।
👍কোচিং মূলত কী করে?
👉আপনাকে চাপে রাখবে
👉আপডেট রাখবে
👉গাইডলাইন দিবে
👉মডেল টেস্ট নিবে
যাদের এবিলিটি আছে করতে পারেন। আর যাদের আর্থিক সমস্যা আছে আমাদের সাথে থাকুন।
ইন শা আল্লাহ এডমিশন ইংরেজির ফুল কোর্স লাইভ নিবো গ্রুপে।
👉Next post:
Hsc এর পড়াশোনার ক্ষতি না করে কিভাবে ভর্তি প্রস্তুতি নিবেন?
👉সব পোস্টের নোটিফিকেশন পেতে এড দিয়ে সাথে থাকুন।
👌👌👌রেসপন্স করতে ভুলবেন না👌👌👌কিন্তু ভালো রেসপন্স পেলে
এই ধরনের ইনফরমেটিভ & কোয়ালিটি পোস্ট আরো পাবেন।
©Arfin Riaj
©Collected
নোট: প্রয়োজন না হলে পোস্টটি এড়িয়ে যাবেন।
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦ বাকি
পোস্ট খুঁজে পেতে #চাকরি_ও_ভর্তি লিখে সার্চ করুন।।
█▓▒░ ░▒▓█
আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমরা নিয়মিত পোস্ট করব।।
✿-----------------------✿-----------------------✿
1⃣বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির আগে+পরে এছাড়া
চাকরির পড়াশোনা নিয়ে সবসময়ই আপনাদের পাশে...।
2⃣নিজের সুবিধা মতো পড়তে শেয়ার করে
নিজের টাইমলাইনে রাখুন;
3⃣ফেসবুকের নিয়মানুযায়ী নিয়মিত লাইক , শেয়ার ,কমেন্ট না করলে পেজের পোস্ট আপনাদের হোম পেইজে আর দেখা যাবে নাহ
6⃣আমরা বিনা স্বার্থে আপনাদের কাছে তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি...।
7⃣আপনাদের কাছে প্রতিটি পোষ্ট পৌঁছাতে পারলে আমাদের পরিশ্রম সার্থক...।
💭পোস্টটি শেয়ার করে না রাখলে আর খুঁজে পাবেন না।
ℹকোন ধরনের পোস্ট চান সেটা কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন...।
আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে,
👌 G অথবা 💙 N অথবা 💚 T অথবা 💜 E অথবা 💔 B
(G= good, N=nice, T=Thanks, E= Excellent, B=Bad) লিখে কমেন্ট করবেন। তাহলে আর ভাল পোষ্ট নিয়ে হাজির হবো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Dhaka