FreelancerStory Bangladesh

FreelancerStory Bangladesh

Share

ইন্টারনেটে কাজ করুন, ঘরে বসে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করুন

Freelancers.gov.bd – Official Freelancer ID Platform of Bangladesh 17/01/2026

🎉 বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এক নতুন সুযোগ! 🎉

এবার থেকে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সাররা পাবেন সরকারি আইডি কার্ড, যা তাদের জন্য খুলে দেবে অনেক সুবিধার দরজা।

💳 আইডি কার্ডের মাধ্যমে যেসব সুবিধা পাবেন:
✅ ব্যাংকিং সেবা আরও সহজভাবে গ্রহণ
✅ ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড পাওয়া
✅ আর্থিক প্রণোদনা
✅ সরকারি ও বেসরকারি প্রশিক্ষণ
🎯 এই উদ্যোগের লক্ষ্য:
✅ তরুণদের আত্মকর্মসংস্থান বাড়ানো
✅ বৈদেশিক মুদ্রা আয় বৃদ্ধি
✅ প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি

💥 আজই নিবন্ধন করুন এবং সুযোগগুলো উপভোগ করুন! ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ডের জন্য সরাসরি আবেদন করুন এই লিংকে:

Freelancers.gov.bd – Official Freelancer ID Platform of Bangladesh Recognizing and empowering Bangladesh’s freelancers with verified identity, income proof, and government-backed recognition.

31/10/2024

Welcome to freelancerstoy, where fashion meets quality! Discover a curated selection of timeless pieces and the latest trends, crafted for style and comfort. Let our team help you find the perfect outfit to express your unique style.

২০২৪ সালে উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন ১০টি ফ্রিল্যান্স পেশা - FreelancerStory.Com 14/01/2024

সারাবিশ্বে দক্ষ ফ্রিল্যান্স পেশাজীবিদের চাহিদা যেমন প্রতিদিনই বাড়ছে, সেই সাথে বাডছে দক্ষতা অনুযায়ী তাদের পারিশ্রমিকও। প্রজেক্টপ্রতি ফিক্সড বা আওয়ারলি এই পারিশ্রমিকের পরিমান সাধারণত ফ্রিল্যান্সারদের কাজের ধরণ এবং নিজ নিজ পেশায় তাদের দক্ষতার পরিধির উপর নির্ভর করে। তবে ফ্রিল্ল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে সকল পেশাজীরিদের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেলেও নির্দিষ্ট কিছু পেশাজীবিদের চাহিদা, এবং তাদের পারিশ্রমিকের পরিমান ২০২৪ সালে নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে।

২০২৪ সালে উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন ১০টি ফ্রিল্যান্স পেশা - FreelancerStory.Com সারাবিশ্বে দক্ষ ফ্রিল্যান্স পেশাজীবিদের চাহিদা যেমন প্রতিদিনই বাড়ছে, সেই সাথে বাডছে দক্ষতা অনুযায়ী তাদের পারিশ...

How to create a perfect fiverr gig and rank in 2022 20/02/2022

আসুন জেনে নিই
২০২২ সালে ফাইবারে কিভাবে পারফেক্টলি গিগ খুলতে হবে এবং গিগ র‍্যাঙ্ক করা যাবে

How to create a perfect fiverr gig and rank in 2022 How to Create Fiverr

নতুনরা কি শিখে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন - FreelancerStory.Com 10/02/2022

নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছেন তাদের ক্ষেত্রে প্রথমেই একটি ব্যাপার মাথায় আসে আর সেটা হলো ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো কিভাবে! কোন বিষয় শিখে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলে ভাল হবে? বর্তমানে ফ্র্যল্যান্সিং আলোচিত বিষয় হলেও, নতুনদের কাছে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকার কারণে এই রকম প্রশ্নের উদয় হয়।
এই বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে আসলে সিকুয়েন্সলি অনেক বিষয় চলে আসে আর আসাটাই স্বাভাবিক।
আজকে কথা বলবো শুধু কোন বিষয়গুলোতে দক্ষতা বাড়ানো উচিত ফ্রিল্যান্সিং কে টার্গেট করে, এবং কার কোন বিষয় বেছে নেওয়া উচিৎ

নতুনরা কি শিখে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন - FreelancerStory.Com নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছেন তাদের ক্ষেত্রে প্রথমেই একটি ব্যাপার মাথায় আসে আর সেটা হলো ফ্রিল্যান্.....

08/02/2022

মধ্যবিত্ত শিক্ষিত পরিবারের ছেলে মেয়েদের ক্ষেত্রে সাধারণত একটি পথ খোলা থাকে, সেটি হল চাকুরী। কিন্তু এ ক্ষেত্রে অনেক সীমাবদ্ধতা আছে।অধিকাংশই পছন্দসই চাকুরী এবং বেতন পান না।

তবে বর্তমানে অনলাইনের কল্যাণে ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং বেছে নিতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং হল গতানুগতিক চাকুরীর বাইরে অনলাইন ভিত্তিক নিজের ইচ্ছামত কাজ করার স্বাধীনতা।

উভয় বিষয় নিয়ে এখানে তুলনামূলক আলোচনা করা হল যাতে আপনি বুঝতে সক্ষম হন কোনটি আপনার প্রযোজ্য-চাকরি নাকি ফ্রিল্যান্সিং?

১) সময়ের স্বাধীনতা:
প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকরি মানে নিজের সময়ের নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বসের উপর ছেড়ে দেওয়া। আর চাকুরীটা যদি হয় ঢাকা শহরে, তাহলে কনো সন্দেহ নাই যে শহরের সেই বিখ্যাত যানজট আপনার সময়ের স্বাধীনতা হরণ করবে না।সেই সকাল৯–৫টা অথবা ৮-৮টা পর্যন্ত অফিস করার পর, পরের দিন যদি ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোন সমস্যা অথবা যানজটের কারণে নির্দিষ্ট সময়ের ভেতরে অফিসে প্রবেশ করতে না পারা মানেই বসের ঝাড়ির অপেক্ষা, সেই সঙ্গে মাসের বেতন থেকে নির্দিষ্ট একটা অংশ হিসাব করে কেটে নেয়া হবে।
>> যখন আপনি ফ্রিল্যান্সার : শুধু সময় অনুযায়ী বায়ারের কাজ জমা দেয়াটাই আসল কাজ। সেটি দিনে করা হচ্ছে নাকি রাতে, সেটি কারও জন্যই কোন প্রকার মানসিক চাপের বিষয় নয়। কারও কাছে জবাবদিহিতার কোন বিষয় থাকে না। অর্থাৎ আপনার সময়ের নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কেবল আপনার হাতেই, আপনি কীভাবে সময়কে উপভোগ করবেন সেটা আপনার একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার।

২) হতে চাই নিজের বস :
চাকরি মানেই যেকোনো কাজের ভুলের কারণে বসের মুখ থেকে অপমানজনক বকাঝকা শোনা। যে কোনো চাকরিজীবীদের জন্য এধরনের পরিস্থিতির মোকাবেলা করা খুবই সাধারণ একটি বিষয়। যারা স্বাধীনচেতা প্রকৃতির লোক তারা এ ধরনের আচরণ কোন ভাবেই মেনে নিতে পারেন না। ফলে অনেক ক্ষেত্রে অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে।
>> যখন আপনি ফ্রিল্যান্সার : ফ্রিল্যান্সার মানেই হচ্ছে নিজেই বস। কোনো বসের বকাঝকা খাওয়ার ভয় এজগতে নাই। আপনার চাহিদা, প্রয়োজন আনুযায়ী কাজ করতে অথবা বিরতি দিতে পারেন।

৩) আবদ্ধ গৃহ ছেড়ে পৃথিবীতে ভ্রমণ:
যারা সরকারি চাকরিজীবী তাদের বিষয়টা ভিন্ন। কিন্তু বেসরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে যেমন লংটাইম ডিউটি করতে তেমনি মাথায় অনেক চাপ নিতে হয়। সেজন্য ভ্রমণ পিপাসুদের ভ্রমণের নেশাকে ভুলে যেতে হয়।মুক্ত পাখির মতো বিশ্বব্যাপী ছুটে বেড়ানোর স্বপ্ন বাদ দিয়ে চাকরির যান্ত্রিক জীবনটাকেই বেছে নিতে হয়।
>> যখন আপনি ফ্রিল্যান্সার : আপনার সাথে যদি একটা ল্যাপটপ আর মোডেম থাকে অথবা আন্য কোন ভাবে নেট সংযোগ নেওয়ার ব্যবস্থা থাকে তাহলে মন চাইলেই আপনি পর্যটক হয়ে যেতে পারেন। কেননা কোন জায়গাতে বসে বায়ারের কাজ করছেন এবং জমা দিচ্ছেন, সেটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নয়। আর এটাই হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিংয়ের আসল মজা।

৪) দরকার বড় অংকের মাসিক আয় :
চাকরিতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গড় বেতন হতে পারে ৮-২০ হাজার টাকা। মধ্যবিত্ত পরিবারের অর্থনৈতিক সমস্যা লেগেই থাকে। যদি আপনি হোন পরিবারের বড় আর পরিবারে যদি ছোট ভাই – বোন থাকে, তাহলে অবশ্যই তাদের বিয়ে এবং লেখা-পড়ার খরচ বহন করতে হবে আপনাকে।বাবা-মা যদি হয় অসুস্থ্য তাহলে অর্থনৈতিক সমস্যা দুই-তিন ধাপ বেড়ে যাবে।আমি অনেককে দেখেছি এই ভাবে ঘানি টানতে টানতে বয়স পৌঁছে যায় পঁয়ত্রিশের কোঠায়, তখন তারা বিয়ের সুযোগ পায়।মূলত আমি যা বুঝাতে চাচ্ছি, সেটা হল এই অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে যৌবনের সঠিক সময় হারাতে হচ্ছে। আর কম বেতনের কারণে নিজের অনেক স্বপ্ন ভেতরেই কবর দিয়ে দিতে হয়।
>> যখন আপনি ফ্রিল্যান্সার : আমাদের দেশে একজন মাস্টার্স করা ছেলের চাকরিতে মাসিক বেতন হয় ৮ থেকে ২০ হাজার টাকা। তখন এ দেশের প্রচুর ফ্রিল্যান্সার দেখা মেলে যারা ছাত্র অবস্থাতেই মাসে লাখ টাকার ওপরে অনলাইন থেকে আয় করছে।
৬) স্বপ্ন যখন প্রতিষ্ঠানের মালিক হওয়া :
স্বপ্ন দেখা মানুষের সাধারণ প্রবৃত্তি, তবে সেটা বাস্তবসম্মত হওয়াটা খুবই ভাল। আপনার স্বপ্নজগতেই পারে ছোট হলেও একটা প্রতিষ্ঠানের মালিক হওয়া। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বেতনের টাকা দিয়ে সংসার চলতেই টানটান অবস্থা। তখন কীভাবে সম্ভব স্বপ্ন বাস্তবায়ন?
>> যখন আপনি ফ্রিল্যান্সার : ১–২ বছর যাওয়ার পর অনেক ফ্রিল্যান্সারদেরই কাজের চাপ বেড়ে যায়। তখন সেই কাজ করানোর জন্যই বাধ্য হয়ে কাজ করার জন্য অনেক লোক খুঁজে নিতে হয়। আর আপনি যদি অন্যদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করেন এক দিকে যেমন আপনার স্বপ্ন পূরণ হবে অন্য দিকে মানুষের কল্যাণ হবে।
৭) যানজট কমিয়ে দিচ্ছে কাজের সময় :
ঢাকা শহরের দুটি বিশেষত্ব হচ্ছে আবহাওয়া দূষণ ও যানজট। প্রতিদিন অফিসে যেতে এবং আসতে যানজটের জন্য কমপক্ষে ৫–৬ ঘণ্টা সময় ব্যয় হয়। যানজট কেবল আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করছে না উপরন্তু আপনার স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
>> যখন আপনি ফ্রিল্যান্সার : যানজটের কুপ্রভাবের ফলে অনেকেই সমাধান হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং পেশাটাকেই এখন পছন্দ করছে।

৮) শিল্প-সাহিত্য চর্চাঃ
প্রত্যেকের মাঝে যে (নতুন নতুন) প্রতিভা লুকায়িত আছে তা পৃথিবীর নিকট নতুন এবং কেউই চেষ্টা না করে এ ক্ষমতার বিস্তার সম্বন্ধে জানতে পারেনা। আমরা অনেকে লক্ষ্য নির্ধারণ করি শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে কেন্দ্র করে।কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এগুলো সাধনার বিষয়। অনেক সাধককে আমরা জানি যারা শেষ জীবনে সফলতার মুখ দেখেছে।এ শ্রেণির কিছু লোক আছে যাদের বিকল্প অর্থনৈতিক উৎস থাকায় ভাল আছেন।আর বাকিদের দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই।এরা খুব স্বাধীন চেতা হওয়ার কারণে কোন চাকরি করতে পারে না।

>> যখন আপনি ফ্রিল্যান্সার: এ পেশাতে জবাবদিহিতার কোন ঝামেলা না থাকায় আপনি সহজেই আয় করতে পারেন। অভাবের কারণে অনেকের সৃজনশীল ক্ষমতা ধংস হয়ে যায়। আপনার সৃজনশীল কাজ যেমন বই, নাটক প্রকাশ করতেও টাকার প্রযোজন। আপনি চাইলে আপনার সৃজনশীলতা অনলাইনের মাধ্যমে প্রকাশ কারেও আয় করতে পারেন।

আরও অনেক কারণ দেখানো যেতে পারে কেন চাকরিজীবী না হয়ে ফ্রিল্যান্সার হবেন। তবে আমাদের সামাজিক বাস্তবতা চাকরিজীবী হওয়ার পক্ষেও অনেক যুক্তি দেখায়।

– চাকরি করতে গেলে অফিসে বিভিন্ন ধরনের লোকদের সাথে পরচয় হয় ফলে অনেক কিছু শেখা যায় তাদের কাছ থেকে। ফ্রিল্যান্সারদের ক্ষেত্রে কিছু শিখতে হলে সম্পূর্ণভাবে অনলাইনের ওপর নির্ভর করতে হয়।

– চাকরিজীবীদের জীবনে সুশৃংখলার পাশাপাশি , সময়ানুবর্তিতার চর্চা থাকে। কিন্তু ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেটি দেখা যায় না। অনেক ক্ষেত্রে স্বাধীনতার অপব্যবহার দেখা যায়।

চাকরিজীবী হবেন নাকি ফ্রিল্যান্সার হবেন সেটি আপনার নিজের সিদ্ধান্ত। সবক্ষেত্রে ভালো–খারাপ দুদিকই রয়েছে। তবে সামাজিক নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে এখনও এদেশে ফ্রিল্যান্সিংটাকে কেউ পেশা হিসেবে নিতে ভয় পাচ্ছেন। তবে যদি পেশা হিসাবে নিতে পারেন তবে সে ক্ষেত্রে বেশি লাভমান হওয়ার সম্ভাবনা আছে বেশি।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প যাত্রা শুরু করে ষাটের দশকে। তবে সত্তরের দশক শেষের দিকে রপ্তানিমুখী খাত হিসেবে এই শিল্পের উন্নয়ন ঘটতে থাকে। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানিমুখী শিল্পখাত। যারা প্রথমের দিকে পোশাক শিল্পকে ব্যাবসা এবং পেশা হিসেবে নিয়েছেন তাদের বর্তমান অবস্থান আমরা ভাল ভাবেই জানি। ইতিহাস এও বলে যে প্রথমের দিকে এটার সামাজিক সীকৃতি ছিল না।

তবে সরকার যেভাবে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টিকে গুরুত্ত্ব দিচ্ছে, তাতে খুব শিগগিরই এর পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা যায়। আর শিক্ষিত তরূণ সমাজের কাছে এ শিল্প যেভাবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, ফলে এতে কোন সন্দেহ থাকে না যে দ্রুতই কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে যেখান থেকে ফ্রিল্যান্সার নিয়োগ দেয়া হবে, এই ফ্রিল্যান্সারদেরকে অফিসে যেয়ে কাজ করতে হবে না, তারা দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে বা নিজের ঘরে বসে কাজ করতে পারবে।এটাই হল ফ্রিল্যান্সিং এর আসল সৌন্দর্য্য।

07/02/2022

আপওয়ার্ক (Upwork)

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সাইট হচ্ছে আপওয়ার্ক (Upwork). আর মূলত ফ্রিল্যান্সিং এর আইডিয়া নিয়ে ১৯৯৮ সালে সর্বপ্রথম কোনো ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস হিসেবে বিশ্বে হাজির হয় ওডেক্স; যা আপওয়ার্ক এর পূর্বসূরী। অর্থাৎ ২০১৫ সালে ওডেক্স এর সাথে ইল্যান্স যুক্ত হয়ে নতুন নামে তথা আপওয়ার্ক হিসেবে বাজারে আসে।

সেবার মান উচ্চ হওয়ায় ফ্রিল্যান্সার এবং বায়ারদের জন্য নির্ভরতার অন্যতম মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্ক। মাইক্রোসফট থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন নামীদামী প্রতিষ্ঠানও এই সাইটটির ফ্রিল্যান্সার দিয়ে বিভিন্ন কাজ করিয়ে থাকেন। আপওয়ার্ক এ কাজের পরিমাণ অন্যান্য ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোর তুলনায় তুলনামূলক বেশি হওয়ায় আপনার দক্ষতা থাকলে এখানে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকবে। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আর্কিটেকচার থেকে শুরু করে কাস্টমার সার্ভিস সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে রয়েছে এখানে কাজ করার সুযোগ।

আপওয়ার্ক এ একজন ফ্রিল্যান্সার মূলত দুই ধরনের কাজ পেয়ে থাকেন। যথাঃ ঘন্টা ভিত্তিক এবং মূল্য ভিত্তিক। অর্থাৎ আপনি যদি কোনো কাজ ঘন্টাভিত্তিক করেন তাহলে আপনার প্রতি ঘন্টা নির্দিষ্ট রেট অনুযায়ী কোনো একটি কাজের জন্য ঐ ক্লায়েন্ট টাকা পরিশোধ করে থাকবেন। আর আপনি যদি কোনো কাজ মূল্য ভিত্তিক করেন তাহলে ক্লায়েন্ট আপনাকে কোনো একটি কাজের জন্য নির্দিষ্ট চুক্তি অনুযায়ী ক্লায়েন্ট অর্থ পরিশোধ করবেন।

তবে এক্ষেত্রে কোনো একটি জব বিড এর জন্য আপওয়ার্ক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নিয়ে থাকে। এছাড়াও ক্লায়েন্ট কতৃক ফ্রিল্যান্সারদের প্রদত্ত পেমেন্ট থেকে ক্ষেত্রে বিশেষ ৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ নিয়ে থাকে। তবে অন্যান্য সাইটগুলোর তুলনায় তুলনামূলক বেশি অর্থ নেয় না আপওয়ার্ক। আর ক্লায়েন্ট কতৃক এই প্রাপ্ত অর্থ আপনি ব্যাংক ট্রান্সফার, পেপাল, পেওনিয়ার, ডিরেক্ট ডিপোজিট ইত্যাদির মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারেন।

ফাইভার (Fiverr)

২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ফাইভার ছোট – বড় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বায়ারদের নিকট এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ফ্রিল্যান্সারদের নিকট অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ফ্রিল্যান্সিং সাইট। কন্টেন্ট রাইটিং, ডিজিটাল মার্কেটি, ডিজাইন থেকে শুরু করে অন্যান্য মার্কেটপ্লেসের মতো প্রায় সব ক্ষেত্রই ফাইভারে রয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য ছোট ছোট কাজের সুবিধা রয়েছে ফাইভারে।

বিভিন্ন সেবা বেশি মূল্য থেকে একদম কম মূল্যে থাকার সুবিধার্থে বায়ারদের অন্যতম পছন্দের একটি মার্কেটপ্লেস ফাইভার। শুধু বায়ার কেন বরং নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ও কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে ফাইভার অত্যন্ত জনপ্রিয়। এর কারণ অন্যান্য মার্কেটপ্লেসের মতো যেকোনো কাজে বিড করার জন্য ফাইভার কে কোনো অর্থ পরিশোধ করতে হয় না। তাই একজন নতুন ফ্রিল্যান্সারের কাছে এটি খুবই দারুণ এবং সুবিধাজনক একটি ব্যাপার।

ফাইভ ডলারে ফ্রিল্যান্সার পাওয়া যাবে এই ধারণা থেকেই ফাইভারের উৎপত্তি হয়েছিল। এবং এখনো ফাইভারে হাজার হাজার ডলার ব্যয়ে যেমনি কোনো কাজ করাতে পারে। ঠিক তেমনি পাঁচ ডলার পরিমাণ অর্থ দিয়েও কাজ করাতে পারে। এজন্যই মাত্র পাঁচ ডলারে ফ্রিল্যান্সার পাওয়া যায় বলে অধিকাংশ ক্লায়েন্টেই তুলনামূলক সস্তায় কোনো কাজ করাতে চাইলে ফাইভারকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। তাই একজন নতুন ফ্রিল্যান্সারের এখানে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

ফাইভারে একজন ফ্রিল্যান্সার মূলত ফিক্সড প্রাইস প্রজেক্ট তথা মূল্য ভিত্তিক কাজ করে থাকেন। ফাইভারে সকল কাজই এই মূল্য ভিত্তিক অর্থাৎ কোনো একটি কাজের জন্য ক্লায়েন্ট চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত অর্থ একজন ফ্রিল্যান্সারকে দিয়ে থাকেন। এখানে ঘন্টা ভিত্তিক কিংবা প্রতিযোগিতা ভিত্তিক কোনো কাজ পাওয়া যায় না। এখান থেকে প্রাপ্ত অর্থ ও আপনি পেপাল, পেওনিয়ার এবং ব্যাংক ট্র্যান্সফার পদ্ধতিতে উত্তোলন করতে পারবেন।

অন্যান্য ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এর মতো ফাইভারেও একজন ফ্রিল্যান্সার যে কোনো কাজের জন্য বিড করতে পারে। অতঃপর মূল্য সহ বিভিন্ন দিক বিবেচনায় ক্লায়েন্ট কাজটি তার পছন্দসই কোনো এক ফ্রিল্যান্সার কে দিয়ে থাকেন। এছাড়াও বায়াররা সরাসরি ফ্রিল্যান্সার সার্চ করেও বিভিন্ন কাজের জন্য ফ্রিল্যান্সারদের প্রস্তাব দিয়ে থাকেন। সর্বোপরি বিডিং চার্জ না থাকায় একজন নতুন ফ্রিল্যান্সারের কাছে তুলনামূলক সুবিধাজনক একটি ফ্রিল্যান্সিং সাইট হচ্ছে ফাইভার।

06/02/2022

অনেকেই অনলাইনের জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস ফাইবারে অ্যাকাউন্ট খোলেন কিন্তু কাজ পান না। তাঁরা জানতে চান, এ ক্ষেত্রে কী কী পদক্ষেপ নিলে কাজ পেতে পারেন। যাঁরা একেবারে নতুন, তাঁরা এ প্ল্যাটফর্মে কাজ করার জন্য অবশ্যই দক্ষ হয়ে তারপর আসবেন। আপনি কী ধরনের কাজ করেন, তার ওপর নির্ভর করে আপনার গিগ সাজাতে পারেন। মনে রাখবেন, একটা ভালো গিগ আপনার ভাগ্য ঘুরিয়ে দিতে পারে। সাধারণ সব ধরনের কাজের ক্ষেত্রে যে ব্যাপারগুলো নজর দিতে পারেন, সেগুলো জেনে নিন:

১. আপনার গিগের থাম্বনেইল ঠিক আছে কি না এবং সেটা যুগোপযোগী কি না, সেটা ভালোমতো যাচাই করুন।

২. সম্ভব হলে গিগ ভিডিও বানান। যাঁদের গিগে ভিডিও আছে, তাঁদের কাজ পাওয়ার হার তুলনামূলক ভালো। তবে খেয়াল রাখবেন, ভিডিও যেন আপনি যে ধরনের কাজ করছেন, সেটার ভালো একটা ধারণা দেয় এবং ভালো মানের হয়।

৩. গিগ টাইটেল ঠিক আছে কি না এবং ক্রেতাকে আকৃষ্ট করতে পারছে কি না, সেটা ভালোভাবে যাচাই করুন।

৪. যে সেবা দিচ্ছেন, সেটার প্রতিযোগিতা কেমন, সে অনুযায়ী আপনি আপনার সেবা সাজিয়েছেন কি না দেখুন। আপনার বিভাগে যাঁরা ভালো করছেন, তাঁদের থেকে আপনার গিগ সাজানোর পার্থক্য কী কী, সেটা বোঝার চেষ্টা করুন।

৫. ক্রেতাকে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে চেষ্টা করুন। সে ক্ষেত্রে ইংরেজিতে লেখা এবং বানানের দিকে সতর্ক থাকুন এবং পেশাদারির পরিচয় দিন।

৬. ফাইভারের এডুকেশন সেন্টার এবং ফোরামে তাদের নিজস্ব কিছু নীতিমালা আছে। সেখান থেকে আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী ঘেঁটে দেখে ধারণা নিন।

Photos from FreelancerStory Bangladesh's post 30/01/2022

এই ৫৫ টি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস থেকে কাজ করলে ইনকামের উপর পাওয়া যাবে ৪% প্রণোদনা

29/01/2022

আনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে আপনার কোন একটি বিষয়ে স্কিল থাকার পরেও মার্কেটপ্লেসগুলোতে একাউন্ট করে চেষ্টা করছেন কিন্তু কাজ পাচ্ছেন না বা পর্যাপ্ত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও কাজ পাচ্ছেন না আবার হয়ত মার্কেটপ্লেসে কয়েকটি প্রজেক্ট করেছেন কিন্তু এখন আর কাজ পাচ্ছে না ‼️

এই সকল বিষয় গুলোর কারনে অনেকেই অনেক আকাঙ্খা নিয়ে, স্বপ্ন নিয়ে ফ্রিল্যান্সিংএ হতাশ হয়ে যান।

আসলে এটি হয় মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে আপনার In Depth Knowledge না থাকার কারনে, মার্কেটপ্লেসের আসলে অনেক বিষয় আপনি ভালভাবে না বুঝলে এখানে আপনি ভাল করতে পারবেন না।

দুঃখজনক হলেও সত্য ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ শেখানোর ব্যাপারে অনলাইনে অনেক কোর্স বা রিসোর্স থাকলেও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই মার্কেটপ্লেইসগুলো নিয়ে ক্লায়েন্ট ইম্প্রেস এর বিষয় গুলো নিয়ে এখন পর্যন্ত তেমন কোন পূর্নাঙ্গ রিসোর্স বা গাইডলাইন নেই। অনেকে অনেক ইনস্টিটিউশন থেকে কাজ শিখলেও দুঃখজনক হলেও সত্যি সেখান থেকেও কোন পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন পান না।

সেই প্রয়োজনিয়তার দিকটি অনুভব করে FreelancerStory Bangladesh আপনাদের জন্য Marketplace Crash Course (Fiverr & Upwork) শুরু করতে যাচ্ছে। যাদের এনাফ স্কিল থাকার পরেও, ডেডিকেশন থাকার পরেও Marketplace এ কাজ পাচ্ছেন না বা সফল হচ্ছেন না কোর্সটি শুধুমাত্র তাদের জন্য। ১৬টি ক্লাস তথা ৩২ ঘন্টার এই Crash কোর্সটি করাবেন Freelancerstory এর CEO, Najmul Haque.

তিনি প্রায় ১২ বছর ধরে ফ্রিল্যান্সিং করে বর্তমানে সাকসেসফুল লাইফ লিড করছেন। তাই নিঃসন্দেহে আপনি উনার কাছ থেকে ভালো গাইডলাইন পাবেন। আমাদের লক্ষ্য থাকবে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ধরিয়ে আপনাকে Marketplace এ সাকসেস ফুল করে তোলা।

Course Duration: 16 class(32 Hours)
Course Fee: 2000 BDT
Course Details & Registration Link: http://edu.freelancerstory.com/.../fiverr-upwork-crash...
Registration Deadline: 5th Feb 2022
Class Start: 10th Feb 2022

যেকোন প্রয়োজনে নিচের নম্বরটিতে কল দিতে পারেনঃ
০১৫১১৮২৫১৩৪
ধন্যবাদ

Which Computer Configure is Best For Freelancing 26/01/2022

আমাদের প্রায় সময়ই অনেকে জিজ্ঞাসা করে ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কোন কম্পিউটার ভাল, গ্রাফিক্স ডিজাইন করব কোন কম্পিউটার ভাল? ওয়েব ডেভলাপমেন্টের জন্য কোন কম্পিউটার ভাল , ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য কোন কম্পিউটার ভাল, আমরা একটি বেসিক আইডিয়া দেয়ার চেষ্টা করেছি এই ভিডিওতে

Which Computer Configure is Best For Freelancing Which Computer Configure is Best For Freelancing

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Dhaka
1207