Al Ghazali Institute

Al Ghazali Institute

Share

An online-based religious education
একটি অনলাইন ভিত্তিক দ্বীনি শিক্ষা কেন্দ্র।

05/05/2026

⚪বালিকা মাদরাসা⚪

সিলেটের উপশহর এলাকায় বেশ বড় একটি বালিকা মাদরাসা আছে। এটি তেররতন বোর্ডের প্রধান মাদরাসা ও কেন্দ্রীয় কার্যালয়। মাদরাসাটি আবাসিক, ইবতিদায়ী থেকে দাওরা-ই হাদীস। গত অগাস্টে, বিশেষ কার্যোপলক্ষে, ওই মাদরাসায় আমি টানা একমাস রাত্রিযাপন করেছি। মাদরাসাটি কেমন দেখলাম, এই হইচইয়ের সময়ে সেকথা বলা দরকার।

আমার থাকার ঘর ছিল গেটের সোজাসুজি। তবু, কী আশ্চর্য, এই পুরো মাসে আমি একজন ছাত্রী বা শিক্ষিকার মুখও দেখতে পাই নি। একতলা দোতলা তেতলা সব আমি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখেছি, দেখে নিশ্চিত হয়েছি─ওই মাদরাসায় অঘটন ঘটতে পারে এমন একটি ছিদ্রও নেই।

মূল গেট দিয়ে ছোটরা ঢোকে। বড় মেয়েদের প্রবেশপথ আলাদা। শিক্ষিকারা ভেতরে থাকেন, ছাত্রীদের দেয়ালঘেরা এলাকায়─পাঠাগার নিদ্রাগার স্নানাগার শৌচাগার সব আলাদা। জ্যেষ্ঠ শিক্ষকেরা বাইরে থেকে এসে পড়ান, পড়ান দেয়ালে শ্লেটের মতো মাপে কাটা ও ঝাঁজরি দেয়া গবাক্ষের সামনে বসে, পাঠদান শেষে চলে যান। আবাসিক পুরুষ আছেন চারজন─এক বৃদ্ধ হিসাবরক্ষক এবং তিন নূরানী শিক্ষক। মেয়েমহল থেকে এই চারজনের খাবার আসে, আসে ইংরেজি "S" অক্ষরের মতো ঘোরানো একটি গবাক্ষের মধ্য দিয়ে─দর্শন-স্পর্শনের কোনো অবকাশ নেই।

আমি আপাদমস্তক মোল্লা নই, কঠিন পর্দাপন্থী নই, মেয়েদের ব্যাপারেও ছুঁতমার্গে আক্রান্ত নই। কাজেই ধরে নিতে পারেন, আমার এ পর্যবেক্ষণ নিরপেক্ষ। চাইলে মাদরাসাটি নিজের চোখে দেখেও আসতে পারেন। পরিচালক আবদুল কুদ্দুস সাহেবের বয়স সত্তরের মতো, পরহেযগার মানুষ। সাক্ষাৎ করে জেনে আসুন ওই আবাসিক বালিকা মাদরাসার ইতিহাসে কোনো দাগ আছে কি নেই।

আমি পরিষ্কার করে দুটি কথা বলতে চাই। এক. বালিকা মাদরাসার দরকার আছে। কেননা একটি জাতির অর্ধেক মানুষকে ইসলামী শিক্ষার আলো থেকে দূরে রেখে আলোকিত সমাজ গঠন করা সম্ভব নয়। দুই. আবাসিক বালিকা মাদরাসার দরকার আছে। কারণ বাংলাদেশের প্রত্যেকটি গ্রামে বা ওয়ার্ডে একটি করে বালিকা মাদরাসা বর্তমানে নেই এবং ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত হবার সম্ভাবনাও ক্ষীণ, গ্রামে গ্রামে দাওরা পর্যন্ত সেটা করতে পারার তো প্রশ্নই ওঠে না।

কাজেই স্রেফ আবেগতাড়িত হয়ে বালিকা মাদরাসার বা আবাসিক বালিকা মাদরাসার বিরুদ্ধে চিৎকার করবেন না। যৌনাপরাধ সমাজে ছিল এবং আছে; মাদরাসা থাকলেও তা আছে, না থাকলেও থাকবে; তার কারণ, সমাজে যৌনাপরাধী আছে। এপস্টেইন কোন্ মাদরাসার মুহতামিম ছিল? সীতাকুণ্ডে সাত বছরের যে বালিকাটি ধর্ষিতা ও গলাকাটা অবস্থায় জঙ্গল থেকে হেঁটে বেরিয়ে আসছিল, সে কোন্ আবাসিক মাদরাসার ছাত্রী?

──────────────
⚪আবদুল হক ॥ #বালিকা_মাদরাসা ॥ ০৪-০৫-'২৬।

05/05/2026

“আমি যদি কখনো মা হই… আমার মেয়েটাকে কেমন করে বড় করবো?” 🤍

আমি ঠিক করলাম-

আমি তাকে শুধু হিজাব পড়াতে চাই না,আমি তাকে হিজাব ভালবাসতে শেখাবো।আমি তাকে জোর করে ঢেকে রাখবো না,
বরং তাকে শেখাবো—হিজাব তার সম্মান, তার সৌন্দর্য, তার ইবাদত।

আমি চাই—সে যেন বুঝে হিজাব কোনো বোঝা না,
এটা তার নিজের জন্য, তার রবের জন্য।একদিন সে নিজেই এসে বলবে—“আম্মু, আমি হিজাব ছাড়া বাইরে যাবো না…”

সেদিন আমি বুঝবো—
আমি শুধু একজন মেয়েকে বড় করিনি,আমি একজন দ্বীনদার নারী গড়ে তুলেছি ✅✨

আমি চাই—আমার মেয়েকে এমনভাবে বড় করতে, যেন সে Fatimah bint Muhammad (রা.)-এর মতো লজ্জাশীলা, পবিত্র আর দ্বীনদার হয় তাই আমি শুধু দুনিয়াবি শিক্ষা না—
তার হৃদয়ে দ্বীন বসাতে চাই।

ছোট থেকেই তাকে শিখাবো—
নামাজ ভালোবাসতে, সেজদায় শান্তি খুঁজতে, আল্লাহর সাথে কথা বলতে।কুরআনের সাথে তার বন্ধুত্ব করাবো—
প্রতিদিন অল্প হলেও পড়তে, বুঝতে, ভালোবাসতে।

তাকে লজ্জা (হায়া) শেখাবো—
চোখের, কথার, আচরণের হিফাজত করতে। আমি নিজেই হবো তার জন্য উদাহরণ—কারণ সন্তান সবচেয়ে বেশি শেখে মায়ের কাজ দেখে।

তাকে বুঝাবো—হিজাব কোনো বাধা না, এটা তার মর্যাদা।
দুনিয়ার চেয়ে আখিরাতকে বেশি ভালোবাসতে শেখাবো—যাতে সে আল্লাহকে খুশি করার জন্য বাঁচে।ভালো সঙ্গ বেছে নিতে শেখাবো—
কারণ সঙ্গ মানুষকে বদলে দেয়।আমি তাকে শুধু বড় করবো না…
আমি তাকে গড়ে তুলতে চাই—একটা সুন্দর, পবিত্র হৃদয়ের মানুষ হিসেবে।আমি চাই—সে যেন ছোট থেকেই আল্লাহকে চিনে, ভালোবাসে।
খেলতে খেলতেও যেন “আলহামদুলিল্লাহ” বলতে শেখে 🌿

আমি তাকে গল্প শোনাবো—
Fatimah bint Muhammad (রা.), Maryam (আ.)—তাদের পবিত্র জীবন থেকে,যাতে সে বুঝতে পারে আসল সৌন্দর্য কী।

আমি চাই—
সে যেন নিজের সম্মান নিজেই বুঝে,
কাউকে খুশি করার জন্য নয়—আল্লাহকে খুশি করার জন্য বাঁচে।
আমি তাকে শেখাবো—আমি তার হাতে কুরআন তুলে দেবো—আর বলবো, “এটাই তোমার জীবনের গাইড” 🌙

আল্লাহ,আমাকে এমন মা বানাও—
যে নিজের সন্তানের জন্য দুনিয়া না, জান্নাত কামনা করে।আমার মেয়েকে দ্বীনের আলোয় আলোকিত করো… আমীন 🤍©️

02/05/2026

শৈশব কি স্ক্রিনের গহ্বরে হারিয়ে যাচ্ছে?
​আজকের পৃথিবীতে শিশুরা এমন এক পরিবেশে বড় হচ্ছে, যেখানে সর্বত্র স্ক্রিনের রাজত্ব। ড্রয়িংরুম থেকে ক্লাসরুম, গাড়ি থেকে খাবার টেবিল—সবই এখন ডিজিটাল ডিভাইসের দখলে। এক সময় শিশুদের শৈশব কাটত রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে কিংবা খেলার মাঠে দৌড়ঝাঁপ করে। অথচ এখনকার শিশুদের জগতটা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে কয়েক ইঞ্চির এক কাঁচের পর্দায়।
​শিশুদের জন্য কেন এটি বিপজ্জনক?
​শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা: দীর্ঘক্ষণ বসে স্ক্রিন দেখার ফলে শিশুদের শারীরিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং ওবেসিটি বা স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ছে।
​মানসিক ও সামাজিক দক্ষতা হ্রাস: বাস্তবের মানুষের সাথে কথা বলার চেয়ে স্ক্রিনে সময় কাটানোয় তাদের সামাজিক জড়তা বাড়ছে এবং সহমর্মিতার বোধ কমে যাচ্ছে।
​চোখের ক্ষতি: একটানা স্ক্রিনের নীল আলো চোখের অপূরণীয় ক্ষতি করছে, যা খুব অল্প বয়সেই চশমার ওপর নির্ভরশীল করে তুলছে।
​মনোযোগের অভাব: দ্রুতগতির ভিডিও আর গেমসের প্রভাবে শিশুদের ধৈর্য এবং পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যাচ্ছে।
​স্ক্রিন টাইম যখন আমাদের সন্তানদের কল্পনাশক্তি আর সৃজনশীলতাকে গিলে খাচ্ছে, তখন সময় এসেছে সচেতন হওয়ার। শিশুদের হাতে স্মার্টফোন বা ট্যাবের বদলে বই কিংবা খেলার সরঞ্জাম তুলে দিন। তাদের সাথে কথা বলুন, সময় কাটান।
​মনে রাখবেন, আজকের এই 'স্ক্রিন টাইম' যেন তাদের আগামীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে না দেয়।

02/05/2026

আজ পহেলা মে! শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের দিন।
​কিন্তু দিনটির ক্যালেন্ডারের পাতা ওল্টানোর সাথে সাথেই কেমন যেন বুকটা ধক করে ওঠে। ইশ! কিভাবে যেনো সময় চলে যাচ্ছে, আমরা টেরই পাইনা। মনে হয় এই তো সেদিন বছর শুরু হলো, অথচ দেখতে দেখতে বছরের পাঁচটা মাস চলে গেল। এই সময়ের দড়ি টেনে ধরে রাখার ক্ষমতা আসলে আমাদের কারোরই নেই।
​মাঝেমধ্যেই আমার মনে হয়, ইশ জীবনটা কতো ছোট! একটা নিঃশ্বাসের বিশ্বাস নেই। অথচ এই ছোট্ট জীবনটা নিয়েই আমাদের এতো ঝুট-ঝামেলা, এতো মারামারি, এতো কাড়াকাড়ি, এতো অহংকার। কি অদ্ভুত না?
​আমরা ভুলে যাই, দিনশেষে আমরা সবাই খালি হাতেই চলে যাবো। যা থাকবে, তা হলো কেবল আমাদের ভালো কাজ আর মানুষের প্রতি ভালোবাসা।
​মে দিবসের এই দিনে, আসুন আমরা শুধু অধিকারের কথা না ভেবে, জীবনের মূল্য নিয়েও একটু ভাবি। এই সংক্ষিপ্ত জীবনে অন্তত মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করি, হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে মিলেমিশে থাকি।
​সবাইকে মে দিবসের শুভেচ্ছা এবং জীবন নিয়ে একটু গভীর ভাবনার আমন্ত্রণ। ✨

02/05/2026

বাচ্চাদের বিয়ের সময়টাতে বাবা-মায়ের মনে নিশ্চয়ই একটাবার হলেও এই কথাটা উঁকি দেয় — ইশ, চোখের পলকে ছেলেটা/মেয়েটা কত বড় হয়ে গেল! এই তো সেদিন ওর জন্ম হলো, এতোটুকুন ছিল বাচ্চাটা!

বাবা-মায়ের মনে সেই পুরোনো দিনের স্মৃতিগুলো এতোটাই জীবন্ত হয়ে ধরা দেয়, যেন মাত্র গতকালের ঘটনা সেসব।

মানুষের অনুভূতিগুলো এমনই। আপেক্ষিক।

কোনো ছোট্ট একটা ঘটনায় আবদ্ধ হয়ে থাকলে মনে হয়, এরচেয়ে জটিল সমস্যা আর হতেই পারেনা। এমনকি তখন মনে হতে থাকে, সময় যেন কাটছেই না। কী যে দীর্ঘ লাগে পরীক্ষা আর বিপদ-আপদের মুহূর্তগুলোকে।

কিন্তু জীবনের বড় বড় ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে ভাববার সময়, অতীতের স্মৃতি আর বর্তমানের ডট কানেক্ট করতে গেলে বিষয়টা আর তেমন থাকে না। পুরোনো দিনের দুঃখকষ্টের মাত্রাটা আমাদের স্মরণ থাকে, কিন্তু সেটাকেই 'জীবন' বলে আখ্যা দেয়া হয় না। বার্ডস আই ভিউ থেকে যখন আমরা জীবনকে পুনরায় তাকিয়ে দেখি, তখন জীবনটা এমনই লাগে, ছোট্ট, সংক্ষিপ্ত, যেন পলক ফেলতেই শেষ হয়ে গেল।

তাই তো, দীর্ঘদিন সংসারের পরেও আমাদের মনে হয়, এই না মাত্র সেদিন বিয়ে হলো।

সন্তানরা বড় হয়ে গেলে মনে হয়, এই না মাত্র সেদিন ওর জন্ম হলো।

এমনকি বার্ধক্যে পৌঁছেও মনে হয়, এই না সেদিনকার কথা, কত ইয়াং ছিলাম, কত কী করতাম।

আল্লাহ তা'আলা পরকালের জীবনের বিপরীতে দুনিয়াবি জীবনকে ঠিক এভাবেই বর্ণনা করেছেন।

"যেদিন তারা একে দেখবে, সেদিন মনে হবে যেন তারা দুনিয়াতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল অবস্থান করেছে।" [সূরা নাযিয়াত : ৪৬]

"তিনি (আল্লাহ) বলবেন, তোমরা পৃথিবীতে কতদিন অবস্থান করলে বছরের গণনায়? তারা বলবে, আমরা একদিন অথবা দিনের কিছু অংশ অবস্থান করেছি। অতএব আপনি গণনাকারীদেরকে জিজ্ঞেস করুন। তিনি (আল্লাহ) বলবেন, তোমরা তাতে অল্পদিনই অবস্থান করেছ, যদি তোমরা জানতে।" [সূরা মুমিনুন : ১১২-১১৪]

দুনিয়ার জীবনটা আসলে খুবই ছোট, খুবই সংক্ষিপ্ত। কষ্টের সময়েও যেন মনে রাখি, এই সময় দীর্ঘদিনের জন্য থাকবে না। আবার সুখের সময়েও যেন ভুলে না যাই, এই নিয়ামত যেকোনো সময়ই শেষ হয়ে যেতে পারে।

আল্লাহর কাছেই আমাদের সবার গন্তব্য। পরকালেই শুরু হবে আমাদের সত্যিকার জীবন।


02/05/2026

ওহ

05/08/2024

আমি লুটপাটের যে মহড়া দেখেছি, অবিশ্বাস্য। আজ রাতে যেহেতু আইন-শৃংখলা বাহিনী কোথাও নেই, তাই নানান ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুট হবার আশঙ্কা আছে। প্রতিটি এলাকার ছাত্র ভাইয়েরা রাতভর জেগে পাহারা দিন। টিম গঠন করুন। আমাদের বিজয় আমাদেরকেই কলঙ্কমুক্ত রাখতে হবে।

কপি

14/03/2024
Photos from Tajkiashop তাযকিয়া শপ's post 13/03/2024

বেবি এন্ড জুনিয়র আইটেম এর বিশাল কালেকশন।
শহীদ মার্কেট, ৩য় তলা, কলেজ রোড ফেনী।

11/03/2024

Want your school to be the top-listed School/college in Feni?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka
Feni

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:15 - 20:45
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00