22/06/2026
বিভিন্ন জাতের আমের পরিচিতি(০২)
We are a community dedicated to promote agricultural education. Please stay with our page to get update about agriculture in Bangladesh.
22/06/2026
বিভিন্ন জাতের আমের পরিচিতি(০২)
20/06/2026
ফসল পঞ্জিকাঃ আমন ধান চাষ
্জিকা
পরিষ্কার ছবির লিংকঃ https://drive.google.com/file/d/1dMDvatm0rtoKgCY7h4cGx_KNm4WJb1fx/view?usp=drive_link
20/06/2026
15/06/2026
🌱 **কন্দাল ফসল কী?** 🌱
👉 **যেসব ফসলের ভোজ্য অংশ মাটির নিচে কন্দ (Tuber বা পরিবর্তিত মূল/কাণ্ড) আকারে বৃদ্ধি পায়, সেগুলোকে কন্দাল ফসল বলা হয়।**
🔍 **সহজভাবে বললে**—
কন্দাল ফসল হলো এমন ফসল, যাদের খাদ্যযোগ্য অংশ মাটির নিচে থাকে এবং যেখানে উদ্ভিদ খাদ্য সঞ্চয় করে রাখে।
🌾 **কন্দাল ফসলের বৈশিষ্ট্য:**
✅ ভোজ্য অংশ মাটির নিচে অবস্থান করে
✅ শর্করা সমৃদ্ধ ও শক্তির ভালো উৎস
✅ তুলনামূলকভাবে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়
✅ খাদ্য ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বেশি
🥔 **কিছু পরিচিত কন্দাল ফসল:**
• আলু
• মিষ্টি আলু
• কচু
• ওল
• কাসাভা (ট্যাপিওকা)
🌿 কৃষি বিষয়ক আরও সহজ ব্যাখ্যা পেতে পেজটি ফলো করুন।
#কন্দালফসল #বাংলাদেশেরকৃষি
12/06/2026
বিভিন্ন জাতের আমের পরিচিতি(০১)
09/06/2026
🔽🔽🔽শাক সবজি লাগানোর বর্ষপঞ্জি 🔽🔽🔽
08/06/2026
🏵️বস্তায় আদা চাষ পদ্ধতি 🏵️
©️কৃষি তথ্য সার্ভিস, রাজশাহী
06/06/2026
ল্যাংড়া আম ভারত ও বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় এবং সুস্বাদু জাত। চমৎকার সুগন্ধ, পাতলা আঁটি এবং আঁশহীন মিষ্টি স্বাদের জন্য এই আম বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। এর নামের পেছনে রয়েছে এক চমৎকার ও ঐতিহাসিক গল্প।
এখানে ল্যাংড়া আমের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা হলো:
নামের উৎপত্তির ইতিহাস
ল্যাংড়া আমের নামকরণের ইতিহাস প্রায় আড়াই শ বা তিন শ বছর পুরোনো। এর উৎপত্তিস্থল ভারতের উত্তর প্রদেশের বারাণসী (বেনারস) এলাকায়।
জনশ্রুতি আছে, বারাণসীতে এক ফকির বা সাধু বাস করতেন, যিনি শারীরিকভাবে কিছুটা বিকলাঙ্গ বা খোঁড়া (ল্যাংড়া) ছিলেন। তিনি তার ডেরায় একটি আমের চারা রোপণ করেন। সেই গাছটিতে যখন প্রথম ফল আসে, তখন দেখা যায় আমের স্বাদ ও সুবাস অতুলনীয়। খোঁড়া সাধুর বাগানের আম হওয়ায় স্থানীয় মানুষ একে "ল্যাংড়া আম" নামে ডাকতে শুরু করে। পরবর্তীতে এই আমের কলম তৈরি করে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল এবং বাংলাদেশে এর চাষাবাদ ছড়িয়ে পড়ে।
মোগল আমল ও রাজকীয় কদর
মোগল আমলে ল্যাংড়া আমের জনপ্রিয়তা ব্যাপক বৃদ্ধি পায়। বারাণসীর ল্যাংড়া আম দিল্লির দরবারে মোগল সম্রাট ও নবাবদের কাছে নিয়মিত পাঠানো হতো। এর অনন্য স্বাদ ও সুগন্ধের কারণে এটি খুব দ্রুত রাজকীয় ফল হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
ভৌগোলিক বিস্তার ও বর্তমান অবস্থা
যদিও এর আদি নিবাস বারাণসী, তবে কালক্রমে এটি পুরো উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভারতে: উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ ল্যাংড়া আমের প্রধান উৎপাদনকারী অঞ্চল। বারাণসীর ল্যাংড়া আম তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের জন্য GI (Geographical Indication) ট্যাগ বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
বাংলাদেশে: বাংলাদেশের ল্যাংড়া আম অত্যন্ত উচ্চমানের। বিশেষ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ ও নাটোর জেলায় এই আমের বাণিজ্যিক চাষ হয়। জুনের মাঝামাঝি থেকে জুলাইয়ের প্রথম দিক পর্যন্ত এই আম বাজারে পাওয়া যায়।
ল্যাংড়া আমের চেনার উপায় ও বৈশিষ্ট্য
আকার ও রঙ: আমটি দেখতে কিছুটা ডিম্বাকৃতি। কাঁচা অবস্থায় গাঢ় সবুজ থাকে এবং পাকলেও এর ত্বক পুরোপুরি হলুদ না হয়ে হালকা সবুজ বা হালকা হলুদ রঙ ধারণ করে।
ভেতরের অংশ: পাকা ল্যাংড়া আমের ভেতরের অংশটি আকর্ষণীয় কমলারঙা বা হলুদাভ হয়ে থাকে।
স্বাদ ও সুবাস: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি সম্পূর্ণ আঁশহীন এবং এর আঁটি অত্যন্ত পাতলা হয়। মুখে দিলেই মিলিয়ে যায় এবং এর একটি তীব্র, মিষ্টি সুবাস রয়েছে।
05/06/2026
🔰🔰প্রতি বছর আম উৎপাদনের জন্য করণীয়🔰🔰
©️কৃষি তথ্য সার্ভিস, রাজশাহী