19/06/2026
English Match:
শিক্ষার্থীদের পুরো সপ্তাহের টপিক থেকে ২-৩ টা টপিক প্রাক্টিস দেয়া যেতে পারে। সপ্তাহের শেষ দিনে দুই-তিনটা কাগজে পৃষ্ঠা নম্বর লিখে লটারির মাধ্যমে টপিক সিলেক্ট করে প্রতিটা শিক্ষার্থীকে রিডিং টেস্ট করতে হবে।
আলহামদুলিল্লাহ! এভাবে তাদের রেসপন্স খুব ভালো পাওয়া যায়। পুরষ্কার হিসেবে তাদের চকলেট অথবা স্মাইলি টাইপ কিছু দেয়া যেতে পারে।
মনে রাখত হবে, মূল্যে নয় অর্জনেই হবে স্বার্থকতা।
এভাবেই রিডিং শেখাতে চেষ্টা অব্যাহত রাখলে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সাথে রিডিং শিখতে পারবে। 📖
18/06/2026
English Match:
শিক্ষার্থীদের পুরো সপ্তাহের টপিক থেকে ৩টা টপিক প্রাক্টিস দিয়েছিলাম। সপ্তাহের শেষ দিনে আজ তিনটা কাগজে পৃষ্ঠা নম্বর লিখে লটারির মাধ্যমে টপিক সিলেক্ট করে প্রতিটা শিক্ষার্থীকে রিডিং টেস্ট করি।
আলহামদুলিল্লাহ তাদের রেসপন্স খুব ভালো ছিলো। পুরষ্কার হিসেবে ছিলো তাদের প্রিয় চকলেট। মূল্যে নয় অর্জনেই তাদের স্বার্থকতা।
এভাবেই রিডিং শেখাতে চেষ্টা চালাচ্ছি প্রতিনিয়ত।
আল্লাহ ভরসা। নিজের কাছে তো স্বচ্ছ থাকতে পারবো,এটাই তৃপ্তি। ❤️
13/06/2026
🔴 ১৫ জুন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতি মনিটরিংয়ে কড়াকড়ি, হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে হবে দৈনিক হাজিরার তথ্য
দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। আগামী ১৫ জুন ২০২৬ থেকে সারাদেশে শিক্ষকদের দৈনন্দিন উপস্থিতি মনিটরিং কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
✳️ প্রতিটি ক্লাস্টারে প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে একটি WhatsApp গ্রুপ গঠন করা হবে।
✳️ প্রতিদিন কর্মদিবসে প্রধান শিক্ষককে সকাল ৯:২০ মিনিটের মধ্যে (ঢাকা মহানগরীতে সকাল ৭:৫০ মিনিটের মধ্যে) শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য গ্রুপে পাঠাতে হবে।
✳️ ক্লাস্টার থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে জেলা, জেলা থেকে বিভাগ এবং বিভাগ থেকে সরাসরি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে উপস্থিতির তথ্য পাঠানো হবে।
✳️ প্রধান শিক্ষককে উপস্থিতির তথ্য পাঠানোর পাশাপাশি শিক্ষক হাজিরা খাতার সংশ্লিষ্ট পাতার ছবিও শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে।
✳️ উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত শিক্ষকদের তালিকাও নির্ধারিত ফরমে প্রেরণ করতে হবে।
✳️সারাদেশের তথ্য একত্রিত করে প্রতিদিন জাতীয় শিক্ষক উপস্থিতি প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে এবং তা মহাপরিচালকের নিকট উপস্থাপন করা হবে।
⛔ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: শিক্ষক উপস্থিতি সংক্রান্ত ভুল, অসত্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক বা কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মতে, শিক্ষকদের সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, শ্রেণিকক্ষ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে এই নতুন মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।
11/06/2026
🌿 ইতিবাচক চিন্তার শক্তি 🌿
জীবনে সবকিছু আমাদের ইচ্ছামতো হয় না, কিন্তু প্রতিটি পরিস্থিতিকে ইতিবাচকভাবে দেখার অভ্যাস জীবনকে অনেক সুন্দর করে তোলে। ইতিবাচক চিন্তা হতাশার অন্ধকারে আশার আলো জ্বালায়, ব্যর্থতাকে শিক্ষায় পরিণত করে এবং কঠিন পথ চলাকে সহজ করে দেয়।
যখন আমরা ভালো কিছুর প্রত্যাশা করি, তখন মন শান্ত থাকে, আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং নতুন সুযোগগুলোকে গ্রহণ করার সাহস পাই। মনে রাখবেন, প্রতিটি ঝড়ের পরই যেমন আকাশ পরিষ্কার হয়, তেমনি প্রতিটি কঠিন সময়ের পরও সুন্দর একটি সকাল অপেক্ষা করে।
#ইতিবাচকতা
10/06/2026
ব্যক্তিত্বকে আকর্ষণীয় করার ১২টি উপায়:
🟡 রাজকীয়ভাবে হাঁটুন: যেকোনো জায়গায় এমন আত্মবিশ্বাসের সাথে পা রাখুন, যেন জায়গাটা আপনারই। মনে রাখবেন, আত্মবিশ্বাস সবাইকে টানে।
মেপে কথা বলুন: কথা কম বলুন, কিন্তু যেটুকুই বলবেন তা যেন অর্থপূর্ণ আর জাদুকরী হয়।
🟡 পোশাকে আনুন সফলতার ছাপ: এমনভাবে পোশাক পরুন যেন আপনি ইতিমধ্যেই সফল। মানুষ কিন্তু ছোটখাটো বিষয়ও গভীরভাবে খেয়াল করে।
🟡 চোখে চোখ রেখে কথা বলুন: সামনের মানুষটি চোখ সরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত সরাসরি তাকিয়ে থাকুন। এতে শুরুতেই অর্ধেক জয় আপনার হয়ে যাবে।
🟡 একটু রহস্য ধরে রাখুন: নিজের সব পরিকল্পনা বা মনের কথা হুট করে সবার সামনে প্রকাশ করবেন না। নিজেকে একটু আড়ালে রাখুন।
🟡 সস্তা প্রশংসা বা স্বীকৃতির পেছনে ছুটবেন না: অন্যের পাত্তা পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হবেন না। বরং নিজে এমন ব্যক্তিত্ব তৈরি করুন, যাতে আপনার প্রশংসা পাওয়াটা ভাগ্যের ব্যাপার মনে হয়।
🟡 ফিটফাট ও পরিচ্ছন্ন থাকুন: নিজেকে সবসময় পরিপাটি রাখুন। আপনি নিজে নিজের যত্ন না নিলে, দুনিয়ার কেউ আপনার যত্ন নেবে না।
🟡 আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখুন: পরিস্থিতি যাই হোক, মাথা ঠান্ডা রাখুন। হুট করে রেগে যাওয়া বা প্রতিক্রিয়া দেখানো দুর্বলতার লক্ষণ।
🟡 নীরবতার শক্তি বুঝুন: গম্ভীর ও শান্ত থাকতে শিখুন। মনে রাখবেন, সত্যিকারের শক্তিশালী মানুষরা চিৎকার করেন না, তারা শান্ত থেকেই বাজিমাত করেন।
🟡 মেরুদণ্ড সোজা রেখে দাঁড়ান: কুঁজো হয়ে থাকবেন না। আপনার দাঁড়ানোর ভঙ্গিই বলে দেয় আপনি কতটা আত্মবিশ্বাসী।
🟡 নিজেকে ভালোবাসুন: নিজের যত্ন নেওয়াকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন। এটি প্রমাণ করে যে আপনি নিজেকে ভালোবাসেন এবং নিজের জীবনকে সুন্দরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
🟡 লক্ষ্যে স্থির থাকুন: নিজের লক্ষ্য থেকে চোখ সরাবেন না। চারপাশের সস্তা জিনিসে মনোযোগ হারিয়ে ফেলা কেবল দুর্বলদেরই মানায়।
~সংগৃহীত~
10/06/2026
"যদি তুমি উড়তে না পারো, তবে দৌড়াও। যদি দৌড়াতে না পারো, তবে হাঁটো। যদি হাঁটতে না পারো, তবে হামাগুড়ি দাও। তবে যেভাবেই হোক, তোমাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতেই হবে।"
— মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
08/06/2026
সে ঠান্ডা মাথায় আপনাকে ১ ঘণ্টা ধরে সুক্ষ্ম সুক্ষ্ম কথা দিয়ে খোঁচালো; আর আপনি সহ্য করতে না পেরে যখনই চিৎকার করে উঠলেন, অমনি সে সবাইকে ডেকে বলল— "দেখো ওর ব্যবহার কত খারাপ!"
একে ডার্ক সাইকোলজির ভাষায় বলা হয় 'Reactive Abuse' বা প্রতিক্রিয়াকে অস্ত্র বানানো। এটা ম্যানিপুলেটরদের অন্যতম জঘন্য চাল।
বদ্ধ ঘরে বা আড্ডায় সে খুব নিখুঁতভাবে আপনার এমন সব দুর্বল জায়গায় আঘাত করবে যা কেবল সে-ই জানে। সে খুব শান্ত থেকে আপনাকে মেন্টাল টর্চার করতে থাকবে।
আপনি যখন সহ্য করতে করতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পর হুট করে চিৎকার করবেন, বা টেবিল চাপড়াবেন—
ব্যস! সে ঠিক এই মুহূর্তটার জন্যই ওত পেতে ছিল। সে এক সেকেন্ডে এক অদ্ভুত ‘অসহায় ভিকটিম’ সেজে চারপাশের মানুষকে ডেকে বলবে— "আমি তো কিচ্ছু বলিনি, ও হুট করে আমার ওপর চড়াও হলো। ও সবসময় আমার সাথে এমন করে।"
🚩 অপরাধীর চতুর আড়াল: সে যে ১ ঘণ্টা ধরে আপনাকে মানসিকভাবে খু*ন করেছে, সেই ইতিহাস এক সেকেন্ডে গায়েব হয়ে যায়। সবার সামনে হাইলাইট হয় শুধু আপনার ওই ২ সেকেন্ডের রাগটা। চারপাশের মানুষও উল্টো আপনাকেই ‘টক্সিক’ ভাবতে শুরু করে।
🚩 ফলাফল: আপনি জেনুইনলি টর্চারের শিকার হয়েও আজ সবার সামনে একজন ভিলেন’, আর আসল খু*নিটি আজ শান্ত মুখে কেঁদে কেঁদে সবার সান্ত্বনা কুড়াচ্ছে।
~সংগৃহীত~
03/06/2026
রেকর্ড ব্রেকিং শক্তিশালী এল নিনোর ঝুকিতে পৃথিবী!!
পৃথিবীর আবহাওয়া ও জলবায়ুর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক নিয়ামক হলো ENSO (El Niño–Southern Oscillation), যার দুটি প্রধান পর্যায় হলো এল নিনো (El Niño) ও লা নিনা (La Niña)।
এল নিনো হলো এমন একটি অবস্থা যখন মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উষ্ণ হয়ে যায়। অন্যদিকে, লা নিনা হলো এর বিপরীত অবস্থা, যখন ওই অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যায়।
এই পরিবর্তন সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলের পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে বিশ্বের আবহাওয়ার ধরনকে প্রভাবিত করে। এল নিনোর সময় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি, তাপপ্রবাহ, খরা এবং কিছু অঞ্চলে অতিবৃষ্টির প্রবণতা দেখা যায়। লা নিনার সময় সাধারণত বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি, বন্যার ঝুঁকি এবং কিছু অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের প্রবণতা বাড়তে পারে।
যেহেতু সমুদ্রের পানির তাপমাত্রার সাথে সিস্টেমের ডেভেলপমেন্ট ওতপ্রোতভাবে জড়িত তাই এ বছর শক্তিশালী এল নিনোর কারণে প্রশান্ত মহাসাগরে হারিকেন এবং টাইফুনের পরিমাণ বেশ বৃদ্ধি পেতে পারে।
বাংলাদেশে এল নিনোর প্রভাব সরাসরি ও নিশ্চিত নয়। বৈশ্বিকভাবে এল নিনো সাধারণত তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং কিছু অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বছরভেদে ভিন্ন হতে পারে।
ঐতিহাসিকভাবে কিছু এল নিনো বছরে বাংলাদেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত ও খরার প্রবণতা দেখা গেলেও, অনেক এল নিনো বছরে আবার স্বাভাবিক বা স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি বৃষ্টিপাতের রেকর্ড রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৫-১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনোর সময়ও বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছিল। একইভাবে, বর্তমান এল নিনো পরিস্থিতিতেও গ্রীষ্মকালজুড়ে ঘনঘন বৃষ্টিপাত, কালবৈশাখী এবং তুলনামূলক কম তাপপ্রবাহ লক্ষ্য করা গেছে।
এর কারণ হলো বাংলাদেশের আবহাওয়া শুধুমাত্র ENSO দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা, ভারত মহাসাগরের ডাইপোল (IOD), মাডেন-জুলিয়ান অসিলেশন (MJO), মৌসুমি বায়ুর শক্তি ও অবস্থান, আঞ্চলিক নিম্নচাপ এবং স্থানীয় আবহাওয়াগত প্রক্রিয়াগুলো অনেক ক্ষেত্রে ENSO-এর প্রভাবকে দুর্বল বা পরিবর্তিত করে দিতে পারে।
ফলে এল নিনো শুরু হলেই বাংলাদেশে অবশ্যই কম বৃষ্টি, খরা বা তীব্র তাপপ্রবাহ হবে এমন ধারণা সঠিক নয়। বরং এল নিনো বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাব্য প্রভাবক মাত্র, যার প্রভাব অন্যান্য আঞ্চলিক ও স্থানীয় আবহাওয়াগত উপাদানের সঙ্গে মিলিত হয়ে চূড়ান্ত আবহাওয়ার ধরন নির্ধারণ করে।
©Bangladesh Weather Observation Team Ltd.
ছবি : প্রতিকী
02/06/2026
আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় ইংরেজি শেখানোর পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। শিশুরা শুধু মুখস্থ করে পরীক্ষায় পাস করার জন্য ইংরেজি শিখবে, নাকি যোগাযোগের ভাষা হিসেবে শিখবে—তা নির্ধারণ করা জরুরি।
আমাদের যেখানে জোর দেওয়া উচিত:
মুখস্থ বিদ্যা বনাম বাস্তব প্রয়োগ: গ্রামারের কঠিন নিয়ম মুখস্থ করানোর চেয়ে ছোটবেলা থেকেই লিসেনিং (শোনা) এবং স্পিকিং (বলা)-এর ওপর বেশি জোর দেওয়া দরকার।
ভয় দূর করা: ইংরেজিকে একটা ‘ভীতি’ না বানিয়ে খেলার ছলে, কার্টুন, ছড়া বা গল্পের মাধ্যমে শেখালে শিশুরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তা গ্রহণ করবে।
শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ: প্রাথমিকে দক্ষ এবং সঠিক উচ্চারণে কথা বলতে পারেন এমন ইংরেজি শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।
ভাষা শেখা কোনো বোঝা নয়, এটি একটি দক্ষতা। প্রাথমিক পর্যায় থেকেই যদি এই ভিত্তিমূল শক্ত করা যায়, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অনেক এগিয়ে থাকবে।
ছোট ও সংক্ষিপ্ত (এক লাইনে স্ট্রেইট ফরওয়ার্ড)
প্রাথমিকে ইংরেজি শিক্ষাটা শুধু পরীক্ষার খাতায় নম্বর পাওয়ার জন্য না হয়ে, জীবনের প্রয়োজনে 'কথা বলতে ও বুঝতে পারার' দক্ষতা অর্জনের জন্য হওয়া উচিত। কঠিন ব্যাকরণের চেয়ে ছোটবেলা থেকেই লিসেনিং আর স্পিকিং-এ জোর দেওয়া প্রয়োজন।
একটু রসবোধ ও বাস্তবতার মিশ্রণে
ছোটবেলায় ইংরেজি বলতে গিয়ে ভুল করলে আমরা হাসাহাসি করি, আবার বড় হয়ে চাকরির ইন্টারভিউতে ইংরেজি না পারলে আফসোস করি! এই বৈপরীত্য দূর করতে হলে ইংরেজি শেখার পদ্ধতিতে জোর দিতে হবে।
02/06/2026
🎉 I earned the emerging talent badge this week, recognising me for creating engaging content that sparks an interest among my fans!