04/06/2026
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তানুযায়ী আবশ্যকীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকায় প্রার্থীদের ফলাফল বাতিল সংক্রান্ত ...
..
Education is considered a fundamental human right and a core enabler for sustainable development.
SDG 4 – “Ensure inclusive and equitable quality education and promote lifelong learning opportunities for all” – is made up of a global monitoring framework of 10 targets and starting in 2020, 12 indicators.This goal promotes inclusive access to education for both genders as well as quality of services. SDG 4 encompasses early childhood education (4.2), primary and secondary education (4.1), and v
04/06/2026
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তানুযায়ী আবশ্যকীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকায় প্রার্থীদের ফলাফল বাতিল সংক্রান্ত ...
..
27/05/2026
বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের চাকরি হতে অব্যাহতি প্রদান সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন.
..
18/05/2026
সরকারি টিটিসির ১৯ জন শিক্ষককে সিলেকশন গ্রেড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের আদেশ
....
03/05/2026
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীদের টাইমস্কেল মঞ্জুরির জন্য খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়।
....
29/04/2026
প্রতিবছর DC সম্মেলন হয়, কিন্তু DEO সম্মেলন হয় না কেন?
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সকলকে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কি ৫ বছরের মধ্যে একদিনও কি বসার সময় পাবেন? যেখানে বিগত বছরগুলোতে জিডিপির ১.৫-২% বরাদ্দই ঠিকমত ব্যবস্থাপনা করতে পারে না সেখানে শিক্ষার উন্নয়নের জন্য শিক্ষাখাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫% শুনতে ভালো শুনালেও কতটুকু বাস্তবসম্মত তা বিবেচনার বিষয়!!!
ডিসি সম্মেলন নিয়ে মিডিয়া যে কভারেজ দেয়, অন্য কোন ক্যাডারের সম্মেলনে কী সেরকম কভারেজ পাওয়া যায়? আসলে বরাদ্দ বাড়ানোটাই মূল বিষয় নয়, মূল বিষয় আমাদের চিন্তায়, মননে আমরা মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়ন চাই কিনা?
...
28/04/2026
সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পদায়ন সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ
...
19/04/2026
সরকারি ১১ টি কলেজে পদ সৃজন করার জন্য প্রস্তাব পাঠানোর পর অর্থ মন্ত্রনালয় ৩ টি কলেজ বাদে বাকি ৮ টি কলেজের পদ সৃজনের প্রস্তাব পুনরায় পাঠাতে বলে। ২৫৫ টি ৪র্থ গ্রেডের অধ্যাপক পদের জন্য মাসিক বরাদ্দ প্রয়োজন ২৫৫x ৫০,০০০= ১,২৭,৫০,০০০ টাকা;
২১৩ টি ৫ম গ্রেডের সহযোগী অধ্যাপক পদের জন্য মাসিক বরাদ্দ প্রয়োজন ২১৩ x ৪৩,০০০= ৯১,৫৯,০০০ টাকা;
৪৫৮ টি ৬ষ্ঠ গ্রেডের সহকারী অধ্যাপক পদের জন্য মাসিক বরাদ্দ প্রয়োজন ৪৫৮ x ৩৫,৫০০= ১,৬২,৫৯,০০০ টাকা এবং
প্রভাষক পদের জন্য মাসিক বরাদ্দ প্রয়োজন ৫৩৫ x ২২,০০০ = ১,১৭,৭০,০০০ টাকা। মাত্র ১১ টি কলেজের ১৪৬১ টি পদ সৃজনের জন্য সরকারের প্রতি মাসে সর্বমোট ৪,৯৯,৩৮,০০০ টাকা বা প্রায় ৫ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বেতনের বেসিক স্কেল হিসাবে বছরে প্রায় ৬০ কোটি টাকা দরকার। অন্যান্য ভাতাদি বাবদ অর্থ প্রয়োজন হবে বছরে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। এই অতিরিক্ত খরচে ১১ টি কলেজে আনুমানিক ১-১.৫ লক্ষ শিক্ষার্থী গুণগত উচ্চ শিক্ষা পাবেন। এই উদ্যোগ অবশ্যই উচ্চ শিক্ষার জন্য ইতিবাচক দিক।
এই যে উচ্চ শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নের জন্য এত আয়োজন, এত ব্যয় করা হচ্ছে, এই উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য শিক্ষার্থী আসবে কোথা থেকে? মাধ্যমিক বিদ্যালয় শেষ করেই ত আসবেন। তাহলে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারের বরাদ্দ কেমন হওয়া প্রয়োজন? ৩২৮ টি পুরাতন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক রয়েছে ৭,৭০০ জন এবং শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ৫ লক্ষ। এছাড়াও ৩৭৯ টি সরকারিকৃত বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছে ৯,৮২৩ জন এবং শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ৬ লক্ষ। এই ১১ লক্ষ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের যথাযথ গুণগত শিক্ষা যারা প্রদান করবেন, তাদের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা নিয়ে কোন আলোচনা হয় নাই।
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষকের বেতন গ্রেড উন্নীত করণে কোন ধরনের পদক্ষেপ এখনও নেওয়া হয় নাই। এই ২০ হাজার শিক্ষকের বেসিক বেতনস্কেল ১০ম গ্রেড হতে ৯ম গ্রেডের উন্নীত করতে মাসে প্রয়োজন মাত্র ২ কোটি টাকা। বছরে ২৪ কোটি ও অন্যান্য ভাতাদি হিসাব করলে বছরে লাগবে মাত্র ৪০ কোটি টাকা!!!!
১১ টি সরকারি কলেজের আংশিক পদ সৃজন করার জন্য যে অর্থ লাগবে, ৭০৭ টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষকের জীবনমান তথা শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য সেই পরিমান টাকাও প্রয়োজন হবে না। এমনকি এই ১১ টি কলেজের ১,৪৬১ টি পদের অর্ধেক টাকা দিয়ে পুরা সরকারি মাধ্যমিক বিধ্যালয়গুলোকে একটি টেকসই সরকারি মাধ্যমিক সেক্টরে রূপান্তর সম্ভব। ১-১.৫ লক্ষ উচ্চ শিক্ষার শিক্ষার্থীর জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ এর অর্ধেক টাকা দিয়ে ১১ লক্ষ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গুনগত ও টেকসই মাধ্যমিক শিক্ষা প্রদান করা সম্ভব।
অথচ সরকারি কলেজের জন্য অহরহ পদ সৃজনের প্রস্তাব প্রেরণ করলেও সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য পদ সৃজন বা পদের উন্নয়নের কোন প্রস্তাব প্রেরণ করা হয় না কেন?
আসলে পদের উন্নয়ন চায় না নাকি সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন চায় না সেটাই বড় প্রশ্ন??
...
31/03/2026
Secondary Education Development Program -SEDP হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রোগ্রাম যা মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নের জন্য পরিচালিত হওয়ার কথা। এই প্রকল্প হতে ৪২ জন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও ৪১ জন সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাজস্বখাতে আসেন। এই প্রকল্পটি মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নের জন্য হলে এই প্রকল্পের প্রশিক্ষণও মাধ্যমিক সেক্টরের শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দ থাকা উচিত।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এডভান্স কোর্সে কোনো সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংশ্লিষ্টতা নেই। বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কলেজ শাখার সহকারী অধ্যাপকবৃন্দ কর্তৃক সম্পন্নকৃত এই ৩০ দিন মেয়াদি কোর্স কোন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাজে লাগবে?
মাধ্যমিক পর্যায়ের জন্য নির্ধারিত প্রোগাম শেষ হলে প্রকল্পের জনবল রাজস্বে আসার পর সরকারি মাধ্যমিকে কেন আত্তীকরণ করা লাগবে? এইসব প্রকল্পের পরিচালক, ডিপিডি সবই আসে কলেজ শাখা হতে কিন্তু জনবল কলেজ শাখায় আত্তীকরণ করা হয় না কেন?
....
19/03/2026
সরকারিকৃত স্কুলে সহকারী শিক্ষক (ধর্ম) পদে আত্তীকরণের ক্ষেত্রে অর্থ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে সরকারিকরণ করা হবে।
....
18/03/2026
মেধার জয় হোক
শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন এবং মেধাবীদের সঠিক বিকাশে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় মেধার ভিত্তিতে ভর্তি চালুর সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। দীর্ঘদিন পর লটারি পদ্ধতি বাতিল করে মেধা যাচাইয়ের চিরাচরিত পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়ার এই সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই।
করোনা মহামারীর বিশেষ পরিস্থিতিতে লটারি পদ্ধতি চালু করা হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি জাতীয় মেধার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। লটারি একটি ভাগ্যনির্ভর প্রক্রিয়া, যেখানে শ্রম ও মেধার চেয়ে ভাগ্য বড় হয়ে দাঁড়ায়। এতে অনেক পরিশ্রমী ও মেধাবী শিক্ষার্থী ভালো স্কুলে পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে, যা তাদের মানসিক বিকাশে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। পরীক্ষা না থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে শেখার ও প্রতিযোগিতার আগ্রহ কমে গিয়েছিল। এন্ট্রি লেভেলেই যদি কঠোর পরিশ্রমের বাধ্যবাধকতা না থাকে, তবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভবিষ্যতে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিকতা গড়ে ওঠে না।
সরকারি স্কুলগুলো সবসময়ই মেধাবীদের লালনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্যতম শিক্ষার্থীকে নির্বাচন করা হলে শিক্ষার একটি সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হয়। এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই লক্ষ্য অর্জনে কঠোর পরিশ্রমের অভ্যাস গড়ে তোলে। সঠিক মেধা যাচাই ও পরিচর্যার মাধ্যমেই আগামীতে দেশ সেবার উপযোগী আন্তর্জাতিক মানের নাগরিক গড়ে উঠবে, যারা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে।
কিছু মহল লটারি পদ্ধতি বহাল রাখার পক্ষে মত দিলেও, একটি আধুনিক ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে মেধা যাচাইয়ের বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার লটারির কুফল অনুধাবন করে পুনরায় মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে ভর্তির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আমাদের আগামী প্রজন্মকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের পথকে আরও সুগম করবে।
সৈয়দ মোশাররফ আলী
সহকারী শিক্ষক (ব্যবসায় শিক্ষা)
বসন্ত কুমারী গোপাল চন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,
হবিগঞ্জ।