Md. Al- Amin Miah

Md. Al- Amin Miah

Share

Math Magician

18/06/2026

এখন থেকে সারা দেশে একই প্রশ্নে SSC ও HSC পরীক্ষা হবে!!

অভিন্ন প্রশ্নপত্র পদ্ধতির সুবিধা
✅ ১. সবার জন্য সমান সুযোগ আগে এক বোর্ডের প্রশ্ন তুলনামূলক সহজ, অন্য বোর্ডের প্রশ্ন কঠিন—এমন অভিযোগ থাকত। অভিন্ন প্রশ্নে এ বৈষম্য কমবে। �

✅ ২. ফলাফলের তুলনা আরও নির্ভুল হবে সব শিক্ষার্থী একই প্রশ্নে পরীক্ষা দিলে কোন বোর্ডের ফল ভালো বা খারাপ তা বাস্তবভাবে মূল্যায়ন করা সহজ হবে।
✅ ৩. প্রশ্নপত্রের মান নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে একটি কেন্দ্রীয় প্রশ্নপত্র তৈরি হলে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে আরও ভালোভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে।
✅ ৪. প্রশ্নফাঁস ও অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে প্রশ্নপত্র ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রীভূত হওয়ায় নিরাপত্তা বাড়ানোর সুযোগ থাকবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। �

অভিন্ন প্রশ্নপত্র পদ্ধতির অসুবিধা
❌ ১. একটি ভুলে সারা দেশের ক্ষতি প্রশ্নে কোনো ভুল বা অস্পষ্টতা থাকলে তা একসঙ্গে দেশের সব পরীক্ষার্থীকে প্রভাবিত করবে।
❌ ২. অঞ্চলভিত্তিক পার্থক্য বিবেচনা কঠিন সব বোর্ডের শিক্ষার্থীর প্রস্তুতি ও শিক্ষার পরিবেশ এক নয়। একই প্রশ্ন সবার জন্য সমানভাবে উপযোগী নাও হতে পারে।
❌ ৩. প্রযুক্তিগত বা নিরাপত্তা ঝুঁকি একটি প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে পুরো দেশের পরীক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
❌ ৪. বোর্ডগুলোর স্বকীয়তা কমে যেতে পারে প্রতিটি বোর্ডের নিজস্ব প্রশ্ন প্রণয়নের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আমার মূল্যায়ন
যদি প্রশ্নপত্রের মান ভালো হয়, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং মূল্যায়ন পদ্ধতি স্বচ্ছ থাকে, তাহলে অভিন্ন প্রশ্নপত্র ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন হতে পারে। তবে এটি সফল করতে প্রশ্ন প্রণয়ন, নিরাপত্তা ও মূল্যায়নে সর্বোচ্চ সতর্কতা দরকার। �

একজন গণিত শিক্ষক হিসেবে আমার দৃষ্টিকোণ থেকে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শিক্ষার্থীদের **মুখস্থের চেয়ে ধারণাভিত্তিক (Conceptual) প্রস্তুতির গুরুত্ব আরও বাড়বে।**

আপনার কী মতামত??

16/06/2026

"উপদেশের মূল্য যখন অহংকারের কাছে হার মানে"
কিছুদিন আগে এক পরিচিত ব্যক্তিকে দেখলাম রাস্তার বিপরীত পাশ দিয়ে ব্যস্ত মোড় পার হচ্ছেন। বিষয়টি তখন মনে রাখলাম, কারণ রাস্তার নিয়ম ভঙ্গ করে চলা নিজের জন্য যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি অন্যদের জন্যও বিপদের কারণ হতে পারে।
কয়েকদিন পর তাঁর সাথে দেখা হলে কুশল বিনিময়ের একপর্যায়ে ভদ্রভাবে বললাম,
"সেদিন দেখলাম আপনি রাস্তার বিপরীত পাশ দিয়ে মোড় পার হচ্ছিলেন। যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যেত?"
আমি ভেবেছিলাম হয়তো তিনি বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নেবেন। কিন্তু তিনি বেশ আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে বললেন,
"আমি সাংবাদিক। এভাবেই চলাফেরা করি, মানুষকে সতর্ক করি!"
আমি বললাম,
"ভালো কথা। কিন্তু যেদিন নিজেই দুর্ঘটনার শিকার হবেন, সেদিন কী করবেন?"
উত্তরে তিনি হেসে উড়িয়ে দিলেন। তারপর কথার প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে আমার বাড়ি কোথায়, কী করি—এসব জানতে চাইলেন। যেন ভুলটা নিয়ে ভাবার চেয়ে উপদেশদাতাকেই যাচাই করা বেশি জরুরি!
এই ঘটনার পর মনে হলো—
জ্ঞান অর্জন করা সহজ, কিন্তু ভুল স্বীকার করার বিনয় অর্জন করা কঠিন।
অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যকে শিক্ষা দিতে ভালোবাসেন, কিন্তু নিজের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তা মেনে নিতে পারেন না। উপদেশকে শত্রুতা মনে করেন, সতর্কবার্তাকে অপমান মনে করেন, আর ভুল ধরিয়ে দেওয়াকে ব্যক্তিগত আক্রমণ মনে করেন।
মনে রাখা দরকার—
🚦 ট্রাফিক আইন সাংবাদিক, শিক্ষক, ডাক্তার, নেতা—কাউকেই ছাড় দেয় না।
🚦 দুর্ঘটনা পরিচয় দেখে আঘাত করে না।
🚦 অহংকার কখনো নিরাপত্তার বিকল্প নয়।
যে মানুষ ভুল দেখিয়ে দেয়, সে সবসময় শত্রু নয়; অনেক সময় সে-ই প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষী।
কারণ কবরস্থানে এমন অনেক মানুষ শুয়ে আছেন, যারা মনে করতেন— "আমার কিছু হবে না!"
💭 আপনার কী মনে হয়? মানুষ কেন গঠনমূলক সমালোচনা বা সুপরামর্শ সহজে গ্রহণ করতে চায় না?

14/06/2026

What a match!!!
#সাবাশবাংলাদেশ

14/06/2026

শিরোনাম: একটি জরুরি প্রশ্ন... 🤔
আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি, আমাদের কোনো আচরণ, কঠোর নিয়ম বা অবহেলার কারণে অন্য কোনো মুসলিম ভাইয়ের নামাজ ছুটে যাচ্ছে কি না?রাসূলুল্লাহ (সা.) মুসলিমদের একে অপরের জন্য সহজতা তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন, কঠিন করার নয়। কাউকে নামাজের সময় বা সুযোগ না দেওয়া এক ধরনের জুলুম। আর মজলুমের বদদোয়া সরাসরি আল্লাহর দরবারে পৌঁছে যায়।আসুন, নিজে নামাজ পড়ি এবং আমাদের আশেপাশে যারা আছেন—সেটা হোক অফিসে, দোকানে কিংবা বাসায়—সবাইকে সময়মতো নামাজ পড়ার সুযোগ ও পরিবেশ তৈরি করে দিই। রিজিকদাতা আল্লাহ, কাজের অজুহাতে নামাজ বন্ধ করার অধিকার কারোরই নেই।
আলহামদুলিল্লাহ, আমার বাসায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের নামাজের ব্যবস্থা আছে। আপনি অন্যকে সুযোগ দিচ্ছেন কি??
#নামাজের_গুরুত্ব #সহজতা_উত্তম #ইসলামিক_পোস্ট

13/06/2026

11/06/2026

Congratulations

Photos from Md. Al- Amin Miah's post 11/06/2026

আমার স্নেহের শিক্ষার্থীরা,
আসসালামু আলাইকুম।
আজ আমি তোমাদের সামনে একটি প্রশ্ন রাখতে চাই—
"তোমরা বড় হয়ে কী হতে চাও?"
কেউ ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউ শিক্ষক, কেউ বিজ্ঞানী, কেউ আবার দেশের একজন সৎ ও আদর্শ নাগরিক হতে চাও। কিন্তু মনে রেখো, স্বপ্ন দেখা সহজ, স্বপ্ন পূরণ করা কঠিন। আর সেই কঠিন কাজকে সহজ করার একমাত্র উপায় হলো পড়াশোনা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়।
প্রিয় শিক্ষার্থীরা,
একটি বীজ যদি মাটির নিচে কষ্ট না করে, তবে কখনো বিশাল বটগাছ হতে পারে না। তেমনি জীবনের এই ছাত্রজীবনের কষ্ট, নিয়মিত পড়াশোনা, বাড়ির কাজ, পরীক্ষার প্রস্তুতি—এসবই তোমাদের ভবিষ্যতের সফলতার বীজ।
আজ যারা পড়াশোনা করতে বিরক্ত বোধ করো, মনে রেখো—
"আজকের অলসতা আগামী দিনের আফসোস।"
তোমার মোবাইল, গেমস, সোশ্যাল মিডিয়া তোমাকে সাময়িক আনন্দ দিতে পারে, কিন্তু তোমার বই তোমাকে সারাজীবনের সম্মান দিতে পারে।
বন্ধুরা,
একবার ভেবে দেখো, তোমার বাবা-মা কত কষ্ট করে তোমাকে স্কুলে পাঠাচ্ছেন। তারা হয়তো নিজের শখ-আহ্লাদ ত্যাগ করছেন, কিন্তু তোমার মুখে হাসি দেখতে চান। তারা চান একদিন তুমি মাথা উঁচু করে দাঁড়াও।
তাই আজ থেকে নিজেকে একটি প্রতিজ্ঞা করো—
✔ প্রতিদিন নিয়মিত পড়ব।
✔ শিক্ষকের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনব।
✔ বাড়ির কাজ সময়মতো সম্পন্ন করব।
✔ মোবাইল ও সময়ের অপচয় কমাব।
✔ ভালো বন্ধু নির্বাচন করব।
✔ কখনো হাল ছাড়ব না।
মনে রেখো,
"পরীক্ষায় খারাপ করা ব্যর্থতা নয়, চেষ্টা না করাই প্রকৃত ব্যর্থতা।"
পৃথিবীর সকল সফল মানুষের জীবনে বাধা এসেছে। কিন্তু তারা থেমে যায়নি। তোমরাও থেমো না। আজ যে ছাত্র ক্লাসে মনোযোগ দেয়, আগামীকাল সেই ছাত্রই সমাজকে নেতৃত্ব দেয়।
প্রিয় শিক্ষার্থীরা,
তোমাদের প্রত্যেকের ভেতর অসীম সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে। হয়তো এই হলরুমেই বসে আছে ভবিষ্যতের একজন বিজ্ঞানী, একজন ভালো প্রশাসক, একজন ভালো শিক্ষক, একজন ভালো উদ্যোক্তা কিংবা একজন ভালো দেশনেতা।
তাই আজ থেকেই সিদ্ধান্ত নাও—
"আমি পারব, আমি শিখব, আমি সফল হব।"
শেষে একটি কথা বলেই শেষ করছি—
স্বপ্ন + পরিশ্রম + নিয়মিত পড়াশোনা + সততা = সফল জীবন।
আসুন সবাই একসাথে বলি—
"আমি পড়াশোনা করব, আমি আমার বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করব, আমি দেশ ও জাতির জন্য নিজেকে গড়ে তুলব।"
ধন্যবাদ সবাইকে।
মো: আল আমিন মিয়া
সহকারী শিক্ষক (গণিত)
পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ, রংপুর।

# # আজকের মোটিভেশনাল সেশনের কিছু স্থিরচিত্র

10/06/2026


10/06/2026

📚 শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে!
একসময় শিক্ষার্থীরা বই হাতে নিয়ে নতুন কিছু জানার জন্য ব্যাকুল থাকত। এখন অনেকেই বই খুলতে চায় না, বাড়ির কাজ করতে চায় না, ক্লাসে মনোযোগ দিতে চায় না।
মোবাইলের স্ক্রল, গেম, শর্ট ভিডিও আর তাৎক্ষণিক বিনোদনের ভিড়ে ধৈর্য ধরে শেখার অভ্যাস যেন হারিয়ে যাচ্ছে। কয়েক মিনিটের ভিডিও দেখতে পারলেও কয়েক পৃষ্ঠা বই পড়তে কষ্ট হয়!
শিক্ষক ক্লাসে প্রাণপণ চেষ্টা করেন, অভিভাবক উদ্বিগ্ন হন, কিন্তু শিক্ষার্থীর ভেতরে শেখার আগুন জ্বালাতে না পারলে কোনো পদ্ধতিই দীর্ঘস্থায়ী ফল দেয় না।
শিক্ষা শুধু পরীক্ষার নম্বরের জন্য নয়; শিক্ষা মানুষকে চিন্তা করতে শেখায়, ভালো-মন্দ বুঝতে শেখায়, নিজের জীবন গড়তে শেখায়।
আজ সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— আমরা কি শিক্ষার্থীদের শুধু পাশ করার শিক্ষা দিচ্ছি, নাকি শেখার আনন্দও দিচ্ছি?
যেদিন শিক্ষার্থীরা আবার জ্ঞান অর্জনকে আনন্দ হিসেবে নিতে শিখবে, সেদিনই শিক্ষা তার প্রকৃত উদ্দেশ্যে ফিরে আসবে।
✍️ একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো শিক্ষার্থীর মনে শেখার আগ্রহ সৃষ্টি করা।কোন পরামর্শ থাকলে কমেন্টস এ লিখতে পারেন।ধন্যবাদ

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Rangpur