Nazrul English Academy

Nazrul English Academy

Share

It's an ideal research institution for learning English. We serve here quality & standard educare. "Deeds not words" is our vision.

08/03/2026
19/08/2025

https://www.facebook.com/share/p/1D4gmg3KN7/

স্বপ্নপূরণের পথে এক দীর্ঘ যাত্রা: ক্যাডেট থেকে ডুয়েট 🌿

সালটা ২০১৫ আমি তখন অনেক ছোট ছিলাম, পরিবারের সিদ্ধান্তে বাবা-মাকে ছেড়ে হোস্টেল জিবনের যাত্রাটি শুরু হয়ে হয়েছিলো টাঙ্গাইল, শহীদ ক্যাডেট একাডেমি তে। স্বপ্নটা ছিল ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হওয়া, একটি বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের পরও আমি ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিয়ে আমার চান্স হইনি।
ক্যাডেট কলেজ ইংরেজি মাধ্যম হওয়ায়, ইংরেজিতে কোচিং থেকে ভালো প্রস্তুতি অর্জন করেছিলাম , সেই ছোট থেকেই আমি ইংরেজিতে পাকাপোক্ত হয়ে বড় হয়েছি। বিদ্যা কখনো বিফলে যায় না" ইংরেজিতে আমার গুরু ছিল " নজরুল ইসলাম ও আকাশ স্যার"।

অতঃপর গ্রামের একটি স্কুলে ভর্তি হই, সেখানে ডেডিকেটিভলি পড়াশোনা করিনি তেমন একটা কারো ভিতরে বড় কোথায় যাওয়ার কোনো এমবিশন ছিল না । এস এস সি বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলাম, ভালো কলেজ না পাওয়ায় রাজশাহী পলিটেকনিক এ ভর্তি হলাম।
ডিপ্লোমায় দীর্ঘ চারটি বছর হেলায় ফেলায় কাটালাম শুধুই পরীক্ষার আগের রাতে পড়তাম । তবে হ্যা মাঝখানে প্রোগ্রামিং হিরোর ব্যাচ ৬ এর ছাত্র ছিলাম ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোর্সটি খুবই খুবই ডেডিকেটিভলি শেষ করেছিলাম এর ফলে আমার প্রোগ্রামিং নলেজ টি খুব ভাল ছিল।

এবার আশা যাক এডমিশন জিবনে, প্রথম বছর -২০২৪ সাল এইটা ছিল জীবনের সবথেকে কালো অধ্যায় এজন্য এটি নিয়ে বেশি কিছু বলব না , প্রথম প্রথম গাজিপুরে এসে ভালোই পড়তাম কিন্তু স্বপ্ন আসতো না ডুয়েটের ,আমার গাজীপুরে এলাকাটাই ভালো লাগতো না মনে হতো আমাকে দিয়ে হবে না এই পড়াশোনা, কোচিং এ পরীক্ষা দিতাম না, ঘুরতাম ফিরতাম, ঠিক যেমন ডিপ্লোমা ৪ বছর কাটিয়েছি একটা বছর এভাবেই কাটালাম। ভর্তি পরীক্ষা দিলাম কোনোরকম প্রিপারেশন নিয়ে, যাই হোক চান্স হয়নি আর এইটিই হওয়ার ছিলো।

এবার আশা যাক দ্বিতীয় বছরে- "Learned From Mistakes"
(বাসায় তো বলে দিয়েছিল আমাকে দিয়ে চান্স হবে না আরো ১০০ বার দিলেও, কিন্তু আমার আম্মার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে আমার দ্বারাই হবে ডুয়েট জয় । তারপর জোর জবরদস্তি করে আবারও এলাম গাজিপুর। যাইহোক পরিবার থেকে কখনো আমার আর্থিক কোন সমস্যা হয়নি যথেষ্ট পরিমাণের সাপোর্ট পেয়েছি)
এবার একটু পরিশ্রমের গল্প করা যাক --

"পৃথিবীতে বড় বড় জিনিস পরিশ্রমের ফলেই অর্জন হয়, পরিশ্রম ব্যতীত সফলতা আসে না "

১ম বছরে যা যা ভুল করেছি সেই ভুল গুলো যেনো ২য় বার না হয় এজন্য আইডেন্টিফাই করতে লাগলাম যে জীবনে কি কি পরিবর্তন আনতে হবে।
-প্রথম বছর যে পরিবেশে ছিলাম সে পরিবেশ প্রথমে ত্যাগ করা লাগবে।
-এবং আল্লাহর তা'লা নৈকট্য
এইদুইটা ছিলো মেজর ডিসিশন

তারপর পলিটেকনিক এর বড়-ভাই রিফাত ভাইয়ের পরামর্শ নিয়ে একটি আবাসনে উঠে যাই রাজশাহী পলিটেকনিকের আমার একটি বন্ধুর সাথে রুমমেট হিসেবে।
মাঝখানে আসমাউল ভাই দেখা হলে বলতো " কিরে, দাড়ি কি একদম ছেড়েই দিলি? " আমি হেসে বলতাম "জি ভাই!! "

আর আমার বিশ্বস্ততার স্থান ছিলো PSZ, বাসুদেব ভাই য়ের ফিজিক্স ক্লাস একদম মাখন, আসমাউল ভাইয়ের গণিত ক্লাস এটা তো পুরাই আগুন।
কিন্তু আমি রসায়নে কাচা ছিলাম। একদিন রকি ভাই ক্লাসের সবাইকে আচ্ছা করে সবার জীবনের ফেলে আসা একবছর সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেয়, সেদিন নিজের ভেতর একটি অনুপ্রেরণা পেয়েছিলাম।

যাই হোক তারপর ছোট ছোট করে সিলেবাস গোছাইতে শুরু করলাম। প্রথম প্রথম কোচিং এ পরীক্ষা দিতাম কিন্তু আশা অনুযায়ী রেজাল্ট পেতাম না। বারবার ডিমোটিভেটেড হয়ে যেতাম দেখে পরীক্ষা দেওয়াই বাদ দিলাম। ফিজিক্স আর ম্যাথ মোটামুটি গুছিয়ে নিলাম কিন্তু প্রপার রিভিশন দেওয়া হতো না। এভাবে ৪-৫ মাস নন ডিপার্টমেন্ট গুছিয়ে নিলাম। ডিপার্টমেন্টের বেসিক আমার শর্টে থাকা অবস্থা মোটামুটি জানা ছিলো।
এদিকে এডমিশনের নোটিশ দিয়ে দিলো আমার হাতে সময় অনেক অল্প এদিকে আমি ডিপার্টমেন্ট অংশের "ক"খ" কিছুই পারি না। ভাবতাম যে এভাবে হয়তো ডুয়েট হবে না হতাশা লাগতো । তখন আস মাউল ভাইয়ের একটি কথা মনে পড়তো "আপনি ডুয়েট ভর্তি পরীক্ষার আগ পর্যন্ত জানেন না যে আপনি ডুয়েটিয়ান হবেন কি হবেন না"

অতঃপর একটা ভাই এর সাহায্য নিয়ে ২ মাসে মোটামুটি লজিকাল বিষয়গুলা শেষ করলাম ভালোভাবে। শেষ করলাম। আমার হাতে ২১ দিন বাকি পরীক্ষার,
ভাবতেছি এই ২১ দিনে এত বড় সিলেবাস কিভাবে শেষ করবো, কোচিং এর মডেলও শুরু হয়ে গেছে। যাই হোক চিন্তা করলাম, মডেল পরীক্ষা যাই হোক হয়ে যাক ডুয়েট এর জন্য পড়াশোনা শুরু করলাম। ৬-৭ মাসের পড়াশোনার রিভিশন শুধু এই ২১ দিন।

নাম দিলাম- " Mission Three Hell Weeks "
দৈনিক ১২ থেকে ১৪ ঘন্টার পড়ার একটি আউটলাইন তৈরি করলাম ২১ দিনের,সিলেবাস ছোট করলাম। চোখের সামনে বাউন্ডারি দেখতে পাচ্ছিলাম তখন পড়তে পড়তে চোখে কালো দাগ জমতে শুরু করলো। তারপরও কোচিং এ পরীক্ষা দিতাম সিরিয়াল আসতো ১৫০+ বার বার ডিমোটিভেড হতাম
মনে হতো আমার দারা হবে না এ যাত্রা , এ অবস্থায় আমার রুমমেট বন্ধু আলামিন ও বন্ধু কাদের আমাকে অনেক সাহস দিতো যে "কখন কার কিভাবে আল্লাহতালা রিজিক লেখে রাখছে সেটা আল্লাহই ভালো জানেন " । আসমাল ভাই গ্রুপে অনেক দিক নির্দেশনা দিতো সেগুলো আমলে নিতে লাগলাম।
৩ টা মডেল দিলাম আমার সিরিয়াল ২০০+ যাই হোক তখন চিন্তা করলাম কোচিং এ যা করেছি করেছি এই শেষ যাত্রায়, জীবনে আর একটা পরীক্ষাই দিবো হয়, এপার না হয় ওপার। পরীক্ষার আগের দুই দিন যাবত কোন ঘুম ছিল না চোখে । আল্লাহর কাছে খুব করে চাইতাম "যতটুকু প্রস্তুতি নিছি এর মধ্যেই যেনো তিনি আমার রিজিকের ব্যবস্থা করে দেন"

আল্লাহর নাম নিয়ে দুরুদ শরীফের উপর আমল করতে করতে পরীক্ষা দিতে গেলাম - যতটুকু যেভাবে পারছি পরিক্ষা দিলাম আলহামদুলিল্লাহ।। ডিপার্টমেন্ট ইংলিশ ফিজিক্স ভালোভাবে লিখলাম,বাকিগুলা একদমই ভালো হয়নি । বের হয়ে এসে সবার মুখে শুনে আরো হতাশ লাগতে শুরু হলো। সেদিন সন্ধায় অনেক কান্না করলাম , পিয়াস, কাদের আর নাইম অনেক শান্তনা দিয়ে বল্লো, আমার এটুকু দিয়েই ডুয়েট হয়ে যাবে। কিন্তু নিজের ভিতরটা কোনোভাবেই শান্ত হচ্ছীলো না । রাতে আম্মার সাথে কথা বলতে বলতে কেদে দিলাম, আম্মা শান্তনা দিলো, প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়াবে কোনো সমস্যা নাই।তিনি আমার এই অবস্থা দেখে হয়তোবা ভয় পেয়ে গেছিলো। তারপর মনকে শান্ত করার জন্য পরেরদিন তাবলিগ জামাতে চলে গেলাম সাত দিনের জন্য।
আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রাস্তায় থাকা অবস্থায় আল্লাহ তাআলা আমাকে ডুয়েটিয়ান হিসেবে কবুল করেন।

"নিশ্চয় আল্লাহ কোন সম্প্রদায়ের অবস্থা পরিবর্তন করেন না; যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থা নিজেরা পরিবর্তন করে "
সুরা-আর রাদ

" শীঘ্রই তোমার রব তোমাকে এত দিবেন, যে তুমি খুশি হয়ে যাবে।"
সূরা -আদ দুহা

কুরআনের এই দুটি আয়াত আমাকে অনুপ্রেরণার যোগান দিতো
--Md Kobirul Islam - DUET (2025 Batch)

30/07/2025

প্যালিনড্রোম (অর্থাৎ সামনে থেকে এবং পিছন থেকে সমান.উভয় দিক থেকে পড়লে একই!)

(ক) বাংলায় প্যালিনড্রোম বাক্য :-
সিমার মাসি
বল খেলব
বই চাইব
ঘুরবে রঘু
নাম লেখালেম না
বিকল্প কবি
তুমি কি মিতু ?
মার কথা থাক রমা
কীর্তন মঞ্চ পরে পঞ্চম নর্তকী
কাক কাঁদে কাঁক কা
চেনা সে ছেলে বলেছে সে নাচে
তাল বনে নেব লতা
চার সের চা
ঠাকুরদাদার কুঠা
খা সমস্ত রুটি রুস্তম সখা
না না কেনা না।
না বললে লব না
ওর মা আজ আমারও
বিরহে রাধা নয়ন ধারা হেরবি
থাক রবি কবির কথা
মামাতো মামা
কাকা তো কাকা
রবীন দা দানবীর।

(খ) বাংলায় প্যালিনড্রোম নাম :-
নিধুরাম রাধুনি
সুবল লাল বসু
রমা কান্ত কামার
সদানন দাস
রায়মণি ময়রা
হারান রাহা
ইলু দলুই
সুবর্ণা বসু
সদাই দাস

(গ) বাংলায় প্যালিনড্রোম শব্দ :-
মরম, মলম, দরদ, জলজ, বনমানব, নবজীবন, সহিস, কালিকা, সরেস, তফাত, বাহবা, সন্ন্যাস, সন্ত্রাস, নরুন, তখত, কনক, নয়্ন, সরস, নিড়ানি, খামোখা, কালিকা, হুবহু, ইহাই, বলিব।

(ঘ) বাংলাভাষায় সব থেকে বড় প্যালিনড্রোম হল :-
চেনা সে ছেলে বলেছে সে নাচে !

(ঙ) আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে খ্রীষ্টধর্ম অনুযায়ী পৃথিবীর প্রথম শব্দ ছিল প্যালিনড্রোম! জানেন কি কেউ কী সেই শব্দ ?
আদম প্রথম ইভকে introduce করেছিল এই বলে! !!
MADAM IN EDEN I'M ADAM !

27/07/2025

Celebrating my 7th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

Want your school to be the top-listed School/college in Tangail?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Biswas Betka (Supari Bagan Road)
Tangail
1900