রমাদ্বান বিষয়ক রিসোর্সঃ—
বইঃ—
১) ধূলিমলিন উপহার রমাদান (সীরাত পাবলি.)
২) প্রোডাক্টিভ রমাদান (মাকতাবুল আসলাফ)
৩) রমাদান তৃষাতুর অপেক্ষা (সাবিল পাবলি.)
৪) আল্লাহুম্মা বাল্লিগনা রমযান (মাকতাবুল ইসলাম)
৫) রমাদ্বান প্ল্যানার (আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন)
উপকারী কিছু আলোচনা —
১) রমাদ্বান ওয়ার্নিং (মোহাম্মদ হোবলোস) -
https://youtu.be/lazmY68V7h4
২) প্রোডাক্টিভ রমাদ্বানের ২৪ টি স্পেশাল আমল (শাইখ আহমাদুল্লাহ) -
https://youtu.be/BLH8vtmA1ls
৩) রমাদ্বানে দুআর মাহাত্ম্য (আলী হাম্মুদা) -
https://youtu.be/Qqov4DnWXyc
৪) রমাদ্বানের বিশেষ লাইভ (আম্মারুল হক, শামসুল আরেফীন শক্তি) -
https://youtu.be/89R-z1iKxCo
৫) রমাদ্বানে জান্নাতের দরজাসমূহের খুলে দেওয়ার গুরুত্ব উপলব্ধি (মোহাম্মদ হোবলোস) -
https://youtu.be/3h5iuN5PKWU
৬) রমাদ্বান পেয়েও বেশি ইবাদাত যে কারণে করতে পারছিনা - শাইখ আহমাদুল্লাহ হাফি.
https://youtu.be/f-b_rJLmups
কিছু পিডিএফ —
১) রমাদ্বানের ফজীলত ও মাসাঈল —
https://t.me/mashwaraofficial/1579
২) রমজান প্রস্তুতিঃ মুমিনের পথ ও পাথেয় (মুফতি তারেকুজ্জামান হাফি)
https://t.me/mashwaraofficial/1764
৩) রামাদান আমার ভালোবাসা নামে শাইখ Atik Ullah হাফিযাহুল্লাহর মোট ৩৫ পর্বের লেখা আছে। ছোট ছোট দারুন সব রিমাইন্ডার। পিডিএফ —
https://t.me/mashwaraofficial/1627
৪) আতীক উল্লাহ শাইখের আরও একটি সিরিজের (খুলাসাতুল কুরআন) লেখাকে আমরা পিডিএফ বানিয়েছিলাম, লিংক, রমাদ্বানে এটাও সমান উপযোগী —
https://t.me/mashwaraofficial/1060
এছাড়াও —
১) রমাদ্বানে লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হওয়ার ১০ টি মূল কারণ —
https://t.me/mashwaraofficial/1697
২) রমাদ্বানের আদর্শ রুটিন —
https://t.me/mashwaraofficial/1729
৩) রমাদ্বান চেকলিস্ট —
https://t.me/mashwaraofficial/1743
৪) রমাদ্বানের ফিক্বহুস সিয়াম কোর্স —
https://t.me/mashwaraofficial/1745
এরপর
রামাদান আমার ভালোবাসা নামে শাইখ Atik Ullah হাফিযাহুল্লাহর ৩৪ পর্বের লেখা আছে। সর্বোচ্চ ১০-১৫ মিনিট লাগবে সবগুলো পর্ব পড়তে। ছোট ছোট দারুন সব লেখা।
PDF Link এবং রমাদান সম্পর্কিত একটি উপকারী রিসোর্স —
PDF Link -
https://t.me/mashwaraofficial/1627
রমাদান সম্পর্কিত একটি উপকারী রিসোর্স —
https://t.me/mashwaraofficial/1668
Mashwara Official
Sabina online school
Islam Learning School
হে ঈমানদারগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাবার- দাবার তৈরীর জন্য অপেক্ষা না করে খাওয়ার জন্য নবীর ঘরে প্রবেশ করো না। তবে তোমাদেরকে ডাকা হলে তোমরা প্ৰবেশ করো, তারপর খাওয়া শেষে তোমরা চলে যেও; তোমরা কথাবার্তায় মশগুল হয়ে পড়ো না। নিশ্চয় তোমাদের এ আচরণ নবীকে কষ্ট দেয়, কারণ তিনি তোমাদের ব্যাপারে (উঠিয়ে দিতে) সংকোচ বোধ করেন। কিন্তু আল্লাহ সত্য বলতে সংকোচ বোধ করেন না [১]। তোমরা তার পত্নীদের কাছ থেকে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এ বিধান তোমাদের ও তাদের হৃদয়ের জন্য বেশী পবিত্ৰ [২]। আর তোমাদের কারো পক্ষে আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া সংগত নয় এবং তার মৃত্যুর পর তার স্ত্রীদেরকে বিয়ে করাও তোমাদের জন্য কখনো বৈধ নয়। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।
[১] কোনো কোনো লোক খাওয়ার দাওয়াতে এসে খাওয়া দাওয়া সেরে এমনভাবে ধর্ণা দিয়ে বসে চুটিয়ে আলাপ জুড়ে দেয় যে, আর উঠার নামটি নেয় না, মনে হয় এ আলাপ আর শেষ হবে না। গৃহকর্তা ও গৃহবাসীদের এতে কি অসুবিধা হচ্ছে তার কোনো পরোয়াই তারা করে না। ভদ্রতাজ্ঞান বিবর্জিত লোকেরা তাদের এ আচরণের মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও কষ্ট দিতে থাকতো এবং তিনি নিজের ভদ্র ও উদার স্বভাবের কারণে এসব বরদাশত করতেন। শেষে যয়নবের ওলিমার দিন এ কষ্টদায়ক আচরণ সীমা ছাড়িয়ে যায়। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিশেষ খাদেম আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাতের বেলা ছিল ওলিমার দাওয়াত ৷ সাধারণ লোকেরা খাওয়া শেষ করে বিদায় নিয়েছিল। কিন্তু দু'তিনজন লোক বসে কথাবার্তায় মশগুল হয়ে গিয়েছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিরক্ত হয়ে উঠলেন এবং পবিত্ৰ স্ত্রীদের ওখান থেকে এক চক্কর দিয়ে এলেন। ফিরে এসে দেখলেন তারা যথারীতি বসেই আছেন। তিনি আবার ফিরে গেলেন এবং আয়েশার কামরায় বসলেন। অনেকটা রাত অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর যখন তিনি জানলেন তারা চলে গেছেন তখন তিনি যায়নবের কক্ষে গেলেন। এরপর এ বদ অভ্যাসগুলো সম্পর্কে লোকদেরকে সতর্ক করে দেয়ার ব্যাপারটি স্বয়ং আল্লাহ নিজেই গ্ৰহণ করলেন। আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর বর্ণনা অনুযায়ী এ আয়াত সে সময়ই নাযিল হয় ৷ [বুখারী ৫১৬৩, মুসলিম ১৪২৮] [দেখুন, তাবারী, ফাতহুল কাদীর]
02/01/2026
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته
প্রিয় বোনেরা, আলহামদুলিল্লাহ ২০২৫ সাল বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে। নতুন বছরের শুরুতে ২০২৬ সালে কুরআন ও কিরআত একাডেমি পক্ষ থেকে থাকছে বিশেষ ফ্রী তাজউইদ কোর্স করার সুযোগ আলহামদুলিল্লাহ -
🌷::: শাইখা রানিয়া হাবিবের "তাজউইদ রুলস ১য়,২য় এবং ৩য় খন্ড" (বাংলা সংস্করণ):::🌷
🌟 ক্লাস নিবেন: শাইখা তাসনীম 🌟
🌷 সপ্তাহে ২ টি করে লেকচার এবং সাথে থাকবে রেগুলার এসেসমেন্ট।
📌 ক্লাস শিডিউল:
শুক্রবার ও রবিবার রাত ৯ঃ০০ টা
(বাংলাদেশ সময়)
📌 ক্লাস শুরু হবে ০২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ শুক্রবার
📌 প্র্যাকটিস ক্লাসের শিডিউল পরবর্তীতে জানানো হবে ইনশাআল্লাহ।
📌 কোর্সটি করার যোগ্যতা:
-বিগিনার লেভেলের বোনেরা যারা তাজউইদ কখনও পড়েননি বা পড়ার পরও ভালোভাবে বুঝতে পারছেন না, কুরআনে ব্যবহার করতে পারছেন না।
-যারা ব্যাসিক তাজউইদ জানেন কিন্তু আরো বিস্তারিত জানতে চান।
-ডেডিকেটেড, হার্ড ওয়ার্কিং, পড়ার পেছনে যথেষ্ট সময় দিতে পারবেন।
-শুধু বোনদের জন্য (১৬ বছর ও তার বেশী)
⚠️ অনেক ব্যস্ততা আছে, সময় দেয়া সম্ভব না হলে এই কোর্সে জয়েন না করাই উত্তম হবে।
📌 সকল শর্ত মেনে যারা কোর্সটি করতে পারবেন, তারা আমাদের পেইজের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন প্লীজ। টেলিগ্রাম হালাকা গ্রুপের লিংক দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
🔺কোর্সের মূল গ্রুপ লিংক হালাকা গ্রুপে দেয়া হবে।
🌷 রমাদানের পূর্বে তাজউইদের এই ফ্রী তাজউইদ কোর্সটি নিঃসন্দেহে আমাদের কুরআন তিলাওয়াতকে আরও সহীহ ও শুদ্ধ করবে ইনশাআল্লাহ।
🌟 আলহামদুলিল্লাহ! চলুন, কুরআনের সঠিক তিলাওয়াত শেখার এই সুন্দর যাত্রায় যুক্ত হই ইনশাআল্লাহ।
📌 টেলিগ্রাম হালাকাহ গ্রুপের লিংক:
https://t.me/+uIQ5xmsZUp02OGM1
Assalamu alaykum...শুরু হতে যাচ্ছে কায়দা কোর্স ও তাজউইদ কোর্স। সহীহ ভাবে কোরআন শিখতে যোগাযোগ করুন। আরো আছে কিরাতে শূবাহ কোর্স, 30 পারা, সূরা কাহফ, সূরা আর রাহমান হিফজ কোর্স, আর রাহীকুল মাখতুম সিরাহ কোর্স। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন।
14/04/2024
আল্লাহুম্মা আজিরণি মিনান্নার
😭😭😭😭😭😭😭😭😭
- জাহান্নাম.!
- রাসুল (সাঃ) একদিন জিবরাঈল (আঃ) কে বললেন,
আপনি যতোবার আমার নিকট এসেছেন, ততোবার-ই আপনার
কপালে শোক ও দুশ্চিন্তার ছাপ ছিলো. এর কারণ কী.?
- জিবরাঈল (আঃ) রাসুল (সাঃ) এর প্রশ্নের জবাবে বললেন,
জাহান্নাম সৃষ্টির পর থেকে আমার ঠোঁটে কখনো হাসি ফুটেনি।
জাহান্নাম কেমন হবে.?
১। জাহান্নামের গভীরতা এমন যে, এর মুখ থেকে একটি পাথর
ফেলে দিলে, জাহান্নামের তলদেশে পৌছাতে ৭০ বছর সময়
লাগে। বিচারের দিন জাহান্নাম কে ৭০ হাজার শিকল দ্বারা
টেনে আনা হবে, যার প্রত্যেক শিকল ৭০ হাজার ফেরেশতা
বহন করবেন।
২। জাহান্নামে চাঁদ এবং সূর্যকে নিক্ষেপ করা হবে আর
জাহান্নামে তা অবলীলায় হারিয়ে যাবে।
৩। জাহান্নামবাসীদের শরীরের চামড়া ১২৬ ফুট পুরো করে
দেওয়া হবে যাতে করে আযাব অত্যন্ত ভয়াবহ হয়, তাদের
শরীরে আরও থাকবে তিল যার এক একটি উহুদ পাহাড়ের
সমান।
৪। প্রতিদিন জাহান্নামের আযাব পূর্বের দিন থেকে আরও তীব্র
আর ভয়াবহ করা হবে।
৫। জাহান্নামের খাদ্য হবে কাঁটা যুক্ত গাছ আর পানীয় হবে ফুটন্ত
পানি,পুঁজ ও রক্তের মিশ্রণ এবং উত্তপ্ত তেল।এরপরও
জাহান্নাম বাসীর পিপাসা এতো বেশী হবে যে তারা এই পানীয়
পান করতে থাকবে।
৬। জাহান্নামের এই ভয়াবহ কল্পনাতীত আযাব অনন্তকাল ধরে
চলতে থাকবে, জাহান্নাম বাসীরা এক পর্যায়ে জাহান্নামের
দেয়াল টপকিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাদেরকে লোহার
হাতুড়ি দ্বারা আঘাত করে ফেলে দেওয়া হবে।
- হে আল্লাহ, আমাদেরকে আপনি জাহান্নাম থেকে রক্ষা করুন।
এবং সকল ফেতনা থেকে রক্ষা করুন। আমিন 🤲
সংগৃহীতঃ
( #এই পোস্ট টা পড়ার মতো হেদায়েত কারো কাছে হয় কি না জানিনা, তবে যারা পড়বেন আলহামদুলিল্লাহ মন থেকেই ইনশাআল্লাহ ফিল করতে পারবেন)
অন্তরে ঝড় তোলা এমন মেসেজ কি শেয়ার না করে পারা যায়?
————-
বেহেস্ত নিয়ে মায়ের মুখে অনেক গল্প শুনেছি। কিন্তু মনে হচ্ছে সবচেয়ে সুন্দর গল্পটি শুনেছি আমার ছোট মেয়েটার কাছে I
মেলবোর্ন শহরের খুব কাছেই "Dandenong National Park" নামে একটা বড় পার্ক আছে I
এই পার্কটিতে হাজারো প্রজাতির গাছ-পালা আছে I
একদিন আমি আমার ফ্যামিলিকে নিয়ে সেই পার্কে বেড়াতে গিয়েছিলামI
আমার ছোট মেয়ের বয়স তখন মাত্র ছয় I আমার হাত ধরে পার্কের সরু পথ ধরে সে হাঁটছে আর আমার সাথে গল্প করছে I
কিছুটা কৃষ্ণচূড়ার মত দেখতে, "ক্রিপ মার্টল" নামে একটা খুব সুন্দর গাছ দেখে মেয়েটা আমাকে জিজ্ঞেস করলো, “Baba, do you want this tree to be in your garden in the heaven?”
আমি একটা গভীর ভালোবাসা আর মুগ্ধতা দিয়ে আমার মেয়েটার দিকে তাকালাম I
কি অদ্ভুত সুন্দর করে সে জানতে চাইলো, এমন একটা গাছ আমি আমার বেহেস্তের বাগানে চাই কিনা I
আমি সাথে সাথেই বললাম, "অবশ্যই চাই মামনি।”
আমার উত্তর শুনে সে বললো, তাহলে বলো, "সুবহানআল্লাহ।”
আমিও বললাম, “সুবহানআল্লাহ।”
এইবার মেয়ে তার নিজের মত করে বলে যাচ্ছে I -তুমি কি জানো বাবা, তুমি যদি খুব সুন্দর একটা গাছ দেখে কিংবা ফুল দেখে বলো "সুবহানআল্লাহ", তাহলে ফেরেস্তাগণ সাথে সাথে বেহেস্তে তোমার জন্য ঠিক একই রকম একটা গাছের বীজ বপন করবেন I
তুমি একদিন বেহেস্তে গিয়ে সেটা দেখতে পারবে I
আমি একটু অবাক হয়ে বললাম, তাই?
মেয়ে একটু জোর দিয়ে বললো," হাঁ, বাবাI আমাদের টিচার মিস উমনা আমাদেরকে এইকথা বলেছেন“I
তুমি জানো বাবা, আমি ঠিক করেছি পথে কিংবা পার্কে দেখা সুন্দর সুন্দর গাছ-পালা থেকে পাঁচ হাজার গাছ আমি সিলেক্ট করবো আর বলবো, "সুবহানআল্লাহ।"
আমি চাই বেহেস্তে আমার অনেক বড় একটা বাগান হবে, সুন্দর সুন্দর এই পাঁচ হাজার গাছ দিয়ে চারপাশটা ঘেরা থাকবে I দেখতে অনেক সুন্দর হবে, তাইনা বাবা ?
আমি মুগ্ধ হয়ে একটু কল্পনা করার চেষ্টা করলাম , তারপর বললাম, "হাঁ মামনি, অনেক সুন্দর হবে।“
এইসব কথা বলে বলে মেয়েটা আমাকে সেদিন কাঁদিয়ে ছাড়লো I
কারণ এরপর সে জিজ্ঞেস করলো, তুমি বেহেস্তে আমার সেই বাগান দেখতে আসবে বাবা ?
প্রশ্ন শুনে আমার অশ্রু ভেজা চোখ লুকাতে আকাশের দিকে তাঁকিয়ে বললাম, "আসবো বাবা, ইনশাআল্লাহ।"
সেদিন খুব দেখতে ইচ্ছে করছিলো, আমার মেয়ের বেহেস্ত আর তার কল্পনার বাগান I
মেয়েটার এই কথাটা নিয়ে আমি পরে খুব ভাবতাম I
জানার চেষ্টা করলাম তার ঐ তার্কিশ টিচার মিস উমনা কেন এমন কথা বললেন I
পড়তে পড়তে পরে জানতে পারলাম, এই গল্পের পিছনে আবার আরেকটা গল্প আছেI
আমাদের রাসূল সাঃ মেরাজ থেকে আসার পর একদিন সবাইকে বললেন, "তোমরা কি জানো, মিরাজে আমি আমাদের পিতা ইব্রাহিম আঃ কে দেখেছিলাম?"
সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে জানতে চাইলেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ আমাদেরকে বলুন, কোথায় দেখা হয়েছিল আর কি কথা হয়েছে আপনার সাথে ?"
নবীজি বললেন, "ফেরার পথে আমি উনাকে দেখতে পেয়েছিলাম I তিনি আমাকে দেখে বললেন, -আপনার উম্মতকে প্রথমে আমার সালাম জানাবেন I তারপর তাদেরকে বলবেন, আমি বেহেস্ত দেখেছি I বেহেস্তের মাটি খুব সুন্দর আর উর্বরI সেখানে যা কিছুই বপন করা হউক না কেন খুব ভালো ফসল হবেI কিন্তু ফসলের জন্য তাদেরকে পৃথিবীতেই বীজ বপন করতে হবে I
রাসূল সাঃ বললেন, "আমি আপনার এই কথা তাদেরকে জানাবো।”
তারপর ইব্রাহিম আঃ বললেন, -আমি আপনাকে খুব মূল্যবান তিনটা বীজের কথা বলবো I আপনি আপনার উম্মতকে এই তিনটা বীজের কথা জানিয়ে দিবেন I বীজ তিনটা হলো, "সুবহানআল্লাহ", "আলহামদুলিল্লাহ", "আল্লাহু আকবার” I
সহীহ বুখারীর এই হাদীসটি জানার পর আমি আমার মেয়ের গল্পের কারণটি জানতে পারলাম I
নিঃসঙ্গ আমরা রাতের আকাশে কি দেখি?
আকাশের দিকে তাকিয়ে আমি আসলে "সুবহানআল্লাহ" বলে এই পৃথিবীর সব সুন্দরকেও ভালোবাসা জানিয়ে দেই I
"আলহামদুলিল্লাহ" বলে এই জীবনে যা কিছু পেয়েছি তার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই I
আর সব লোভ-লালসা ও অহংকার ত্যাগ করে আত্মসমর্পনের ভাষায় বলি, "আল্লাহু আকবার।”
রাতের আকাশের দিকে তাকিয়ে এই শব্দ তিনটা বলা মাত্রই আমি অনুভব করি, দূর আকাশের কোন এক ছায়াপথ থেকে একটু যেন বেহেস্তের আলো এসে আমাকে ঘিরে ধরে।
26/09/2021
যজম দিয়ে আরবি ২৯ টি হরফ শিখুন ।। Quran Education by Qari Anamul Hasan ।। Arbi 29 Horof Welcome to Quran Shikkhaসম্মানিত দর্শক কুরআন শিক্ষা চ্যানেলের পক্ষ থেকে আপনাকে জানাচ্ছি আন্তরিক মোবারকবাদ । আমাদের আয়োজন গুলো ...
ইখফা হাক্বীকী : ইখফার সংজ্ঞা ( اخفاء): ইখফা শব্দেরআভিধানিক অর্থ গোপন করা বা লুকানো। হাক্বীকী শব্দের অর্থ আসল, সত্য, পূর্ণতা।পারিভাষিকঅর্থ: প্রথম হরফকে দ্বিতীয় হরফের মাঝে এমন ভাবে গুন্নাহ সহ ইখফা করা, যা ইযহার আর ইদগমের মধ্যবর্তী স্তর এবং দ্বিতীয় হরফটি শাদ্দাহ হতে মুক্ত হবে।ইখফার হরফ ১৫ টি হরফগুলো হলোص ذ ث ك ج ش ق س د ط ز ف ت ض ظ গুন্নাহ্ আদায়ের নিয়ম: ইখফা এর গুন্নাহ ১৭ নং মাখরাজ অনুযায়ী গুন্নাহ করতে হয়। আদায় করার সময় জিহ্বা তালুর সাথে না লাগিয়ে গুন্নাহ করতে হবে। এর ফলে গুন্নাহ'র আওয়াজ গোপন থাকবে।ইখফার হরফ উচ্চারণে বিশেষ সতর্কতা: ইকফার পারিভাষিক অর্থে ইখফা উচ্চারণের পদ্ধতি সম্পর্কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে নুনকে ইখফার হরফ এর সাথে উচ্চারণের সময় অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে, যেন সানাইয়্যা উলইয়্যা ( সামনের উপরের দুটি দাঁত)দাঁতের উপরের জিহ্বা না লাগে। আর থেকে মুক্ত করার উপায় হচ্ছে ইখফাহ উচ্চারণে সানাইয়্যা উলইয়্যা দাঁত হতে দূরে যবান কিছুটা দুরে সরিয়ে রাখা।ইখফার স্তর তিনটি ইখফার হরফের স্তরও তিনটি।ইখফার স্তর:গোপন বা হাইডিং লেভেলগোপন করার উপর ভিত্তি করে ইখফার হরফকে তিনটি লেভেল বা স্তরে ভাগ করা হয়েছে।(হাইডের ক্ষেত্রে) ১.সর্বোচ্য স্তরে হচ্ছে নিম্নের তিনটি হরফ ط د ت, নূনের মাখরাজের নিকটবর্তী হওয়ার কারণে এই ইখফাকে إخفاء قريب من الإدغام ইদগমের কাছাকাছি লুকানো বলে।ت د ط এই তিনটি হরফ মাখরাজের দিক সর্বাধি নিকটবর্তী হওয়ায় ن কে গোপন করে ط د ت এর ইখফা করা খুব কঠিন। এই তিনটি হরফকে গোপন করতে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। এই তিন হরফের ইখফাকে إخفاء قريب من الإدغام (ইদগমের কাছাকাছি লুকানো) বলে।২। সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছে নিম্নের দুটি হরফ ك ق إخفاء قريب من الإظار (ইজহারের কাছাকাছি লুকান) ق এবং ك এই হরফ দুটি মাখরাজের দিক থেকে ن হরফ থেকে সর্বাধিক দূরবর্তী এবং ইযহারের হরফগুলির নিকটবর্তী হওয়ায় এ হরফদুটির ইখফাকে إخفاء قريب من الإظار(ইজহারের কাছাকাছি লুকানো) বলে। এ দুটি হরফ ইযহারের হরফের নিকটবর্তী হওয়ায় ن কে লুকানো খুব সহজ হয়। ( এ দুটি হরফে মাখরাজ কমপ্লিটলি ব্লক হয়ে ن সম্পূর্ণ লুকিয়ে যায় )।৩। মধ্যবর্তী স্তর হচ্ছে বাকী ১০ টি হরফ, যা নূনের মাঝামাঝি মাখরাজ। ইখফার বাকী ১০ টি হরফ হচ্ছে-ث ج ذ ز س ش ص ض ظ ف । ن ( নূন) হরফের নিকট এবং দূরের মাঝামাঝি ইখফার এই ১০ টি হরফের মাখরাজ ।ফলে এই হরফগুলিতে ইখফা করতে (নূনকে লুকাতে) খুব কষ্ট হয় না।এই হরফগুলির মাখরাজ ইযহার ও ইদগমের মাঝামাঝি হওয়ায় এগুলিকে إخفاء متوسط بين الإدغام والإظهار ইদগম এবং ইজহারের মাঝামাঝি লুুকানো বলে।ইখফার হরফের স্তর:ইখফার হরফের স্তর তিনটি যথা১। উচ্চ স্তর: ن ( নূনের) সর্বাধিক নিকটবর্তী মাখরাজে তিনটি হরফ।যথা ط. د. ت ২। নিম্ন স্তর: ن ( নূন) হতে সর্বাধিক দূরবর্তী মাখরাজে দুইটি হরফ।যথা: ف. ك ৩।মধ্যম স্তর: ن ( নূনের) নিকটে ও দূরের মাঝামাঝি ইখফার বাকী ১০ টি হরফ। মধ্যম স্তরএখানে ইখফার তিনটি স্তর দেয়া হয়েছে।১. ط د ت এর ইখফা, এটিকে إخفاء قريب من الإدغام বলে, কারন এই হরফগুলো ن এর নিকটবর্তী২. ق ك এই হরফগুলো কে إخفاء قريب من الإظار বলে, কারণ এগুলো ইযহারের হরফের নিকটবর্তী৩. বাকি দশ হরফকে إخفاء متوسط بين الإدغام والإظهار বলে, কারণ এগুলো ইযহার ও ইদগমের মাঝামাঝি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
London