Dhaka Medical College (DMC)

Dhaka Medical College (DMC)

Share

Dhaka,Bangladeshhttp://www.dmc.edu.bd/ It is the top medical college in Bangladesh.

Dhaka Medical College(DMC) and Hospital (DMCH), est in 1946 in a building constructed in 1904 as the Secretariat of East Bengal and Assam province, & transferred to Dhaka University (Arts Faculty) in 1921. Situated at the heart of the city in the academic zone along with University of Dhaka and Bangladesh University of Engineering and Technology. First class started on 10th July 1946, so 10th July is celebrated as "DMC DAY".

17/06/2026

ডা: জাহেদুর রহমানের সাথে দিল্লী এয়ারপোর্ট যা হলো তা কিন্তু এই প্রথম নয় ।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এরকম ঘটনার নজির আছে যেখানে প্রতিনিধি দলের প্রধানের প্রতি আচরণের প্রতিবাদে পুরো দলই অংশগ্রহণ থেকে বিরত থেকেছে। সেই অর্থে প্রশ্ন উঠতেই পারে—দলনেতা ফিরে গেলে প্রতিনিধি দলের বাকি সদস্যদের অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখা কতটা যৌক্তিক ছিল?

টিম লিডারই যখন অপমানিত বোধ করলেন তখন পুরো টিমের তার পাশে দাঁড়ানো উচিত ছিলো না কি ?

কাপটেন হীন দলটা কিভাবে এর পর সম্মেলনে যোগ দেয়?

এ থেকে ভারত যে মেসেজ টা পেল তা হলো বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের মধ্যে cohesion এর অভাব আছে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের রাষ্ট্রের উপর পূর্ণাঙ্গ নিয়ন্ত্রণ নেই , একটা ভঙ্গুর সরকার, একটা ভঙ্গুর রাষ্ট্র ! হয়তো বেশি বলে ফেললাম কিন্তু এরকম একটা পার্সেপশন তৈরী হতে পারে ।

মনে রাখতে হবে ডা: জাহিদ সাধারণ কোনো উপদেষ্টা নন তিনি প্রধান মন্ত্রীর স্ট্রাটেজিক উপদেষ্টাও বটে ।

কঠোর সমালোচনা পাশে সরিয়ে যদি বলি তাহলে বলবো,

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, এমন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কী ছিল? ঢাকার সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ হয়েছিল কি? পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশনা নেওয়া হয়েছিল কি? এসব প্রশ্নের উত্তর জানা জরুরি।

এগুলো না হয়ে থাকলে বলতে হয় এতে
সরকারের ভেতরের accountability, লাইন management এবং টিম work এর ক্ষেত্রে কিছু নাজুক অবস্থা বেরিয়ে পড়েছে যদি জাহেদ সাহেবের একক ভাবে ফিরে আসটা তার একক সিধান্তই হয় ।

প্রকাশ্যেই ভারত জেনে শুনেই বাংলাদেশ তথা বাংলাদেশ সরকার বা আরও সঙ্কীর্ণ করে দেখলে পিএম তারেক রহমান কে অবমাননা করেই একটা মেসেজ দিল ।

তাদের কাছে আগে ভাগেই সফরকারী টিমটার লিস্ট ছিলো , ওখানে আমাদের হাই কমিশনার ওই সময়ে উপস্থিত ছিলেন তারপরও এরকম হেনস্তা করাটা ইচ্ছাকৃতই। বলা হচ্ছে উনি লাল পাসপোর্ট নিয়ে যান নি বলে এমনটা হয়েছে । এটা অগ্রহণযোগ্য । ওনার সাথের টিম মেম্বারদের কি লাল পাসপোর্ট ছিলো ? তাদের কাছে কি জিও ছিলো না ? যা সরকার থেকে ইস্যু করা হয় এধরনের প্রতিনিধিদের বিদেশ সফরের প্রাক্কালে ভিসা প্রাপ্তি সহজ করার জন্য ।

কিন্তু তারপরও যা ঘটল দেখে শুনে মনে হয় যেন ইন্ডিয়া দেখতে চাউছে সরকারের গাটসটা কতটুকু এবং কি লিমিটস কতদূর যেতে পারে । একটা মেসেজ ।
মেসেজ টা হলো উই আর ওয়াচিং ইউ ।

অন দিস নোট, আমার মনে পড়ছে মুস্তাফিজের IPL থেকে নিরাপত্তার অজুহাতে বহিষ্কার হওয়া । বাংলাদেশ তখন একে জাতীয় অবমাননা হিসেবেই দেখেছিল স্রেফ ব্যক্তি বিশেষের অবমাননা নয় । কারণ মুস্তাফিজের ইস্যু টা এসেছে তাদের তথাকথিত অভিযোগ যে বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর সাম্প্রদায়িক হামলা চলছে তারই প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশীরা ভারতে আক্রান্ত হতে পারে । তাই মুস্তাফিজ নিরাপদ নয় । এটা মেনে নেওয়ার অর্থ হলো হিন্দুরা বাংলাদেশে আক্রান্ত এই অভিযোগের স্বীকৃতি দেওয়া । কিন্তু বাংলাদেশ সেই পথে যায় নি ভারতের ছোড়া ঢিল কেই কুড়িয়ে নিয়ে তাদের দিকেই ছুঁড়ে দিল । বাংলাদেশের টিম নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ দিয়েই ভারতে সফরে গেল না ।

প্রফেসর ইউনুস পুরোটা সময়ে প্রচণ্ড চাপের মুখে থাকলেও ভারত এভাবে বাংলাদেশকে হেনস্তা করার চিন্তা করতে পারেনি । তাই বলছি সবার আরেকটু গভীর ভাবে ভাবা উচিত বিষয়টার ইমপ্যাক্ট কি ? ।

জাহেদের ব্যর্থতা দিয়ে ইন্ডিয়ার অবন্ধুসুলভ অকূটনৈতিক আচরণ কে জাস্টিফাই করা যায় না ।

07/06/2026

লর্ড চেম্বারলেন মিউনিখ চুক্তি করে ভাবলেন হিটলারকে তুষ্ট করা গেছে ঠিক তেমনি হয়ত প্রধান মন্ত্রী ভাবছেন প্রথম চীন সফরে না গিয়ে অন্য কোথাও গেলে ভারত তুষ্ট হবে।

05/06/2026

আজ এত বছর পরও সেই ৩০ মে এর সকাল টা আমার মনে ভাসে । প্রায় বেলা ১০ টা নাগাদ আমি মেডিক্যালের মূল গেট দিয়ে ঢুকে এগোচ্ছি আর যতই সামনে যাচ্ছি দেখছি দলে দলে মেয়েরা হোস্টেল থেকে উদ্ভ্রান্তের মতো বেরিয়ে এসেছে কাঁধে হাতে ব্যাগ নিয়ে । ভয় এবং বিমর্ষ ভরা তাদের চেহারায় অভিব্যক্তিতে। কি এক অজানা আশঙ্কা আরও না জানি কিনা ঘটতে যাচ্ছে। সকালেই খবর এসেছে প্রেসিডেন্ট জিয়া নিহত হয়েছেন ।
আমার মনে তখন অন্য একটা অশুভ কথা উঁকি দিচ্ছিল । ভাবিছিলাম এমন কেন হলো মাত্র ১৭ দিন আগেইত শেখ হাসিনা প্রবাসে সেচ্ছা নির্বাসন থেকে দেশে ফিরে এলেন প্রেসিডেন্টের সম্মতিতে । রাজনৈতিক নেমেসিসের প্রত্যাবর্তনের সাথে সাথে ওপর জনের প্রস্থান ঘটল । খুবই কাকতালীয়।

আজকে যখন ফ্যাসিস্ট লীগের একটার পর একটা নেতা জামিন পেয়ে জেল থেকে বেরোয়ে আসছে আর অন্য দিকে মির্জা ফখরুল বলছেন সবার রাজনীতি করবার অধিকারের কথা । তখন আমার মনে সেই আগের eerie অনুভূতিটা ফিরে এলো ।

যেন একটা অজানা আশঙ্কা উঁকি দিচ্ছে ঈশান কোণে ।
আবার না কি কারও আগমনের সাথে সাথে অন্য কারো অকাল প্রস্থান ঘটে ।

যদিও আমি মনে করি না সব সময়ে হুবুহু একই ঘটনা ঘটবে ।
তবে জার্মান আর ইটালিয়ানরা কখনোই এই ভুলটা করে নি যে কোনো একটা ফর্মে নাৎসি বা ফ্যাসিস্টদের নুন্যতম রাজনৈতিক পুনর্বাসন করে নি।
তাই তারা আজও উন্নত ও সভ্য দেশ গুলোর
কাতারেই রয়ে গেছে এত ধ্বংস যজ্ঞের পরেও ।

বি এন পি আবারও কি নিজের পায়ে পকুড়াল মারল ? খাল কেটে কুমীর নিয়ে আসল? সময়ে তা
বলে দেবে ।
একটা প্রশ্ন থেকে যায় সেদিন প্রেসিডেন্ট জিয়া কেন শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ? এই কারণটা যারা জানেন তারা বলতে পারবেন আজ ও কি একই পরিস্থিতি ?

02/06/2026

Congratulations Mr Khalilur Rahman for becoming the next president of UNGA.

24/05/2026

ঘন ঘন সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যে দূরভিসন্ধি দেখছি । এভাবে সংঘর্ষ চিকেন নেকে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তার পরিণতি হতে পারে সীমান্ত রেখার পরিবর্তন ভারতের পক্ষে !

21/05/2026

দু তিনটা দেশে চাকুরী করে যখন বিলেতে আসি তখন চাকুরিতে যোগ দেবার আগে আমাকে একটা রাষ্ট্রীয় সংস্থা DBS অর্থাৎ Disclosure and Barring Service থেকে clearance নিতে হয় ।

বিষয় টা কি বুঝতে প্রথমে আমার অসুবিধা হচ্ছিল ।
আস্তে আস্তে বুঝলাম যেখানেই শিশুদের সঙ্গে কাজ, সেখানেই Disclosure and Barring Service বা DBS check লাগে। বুঝলাম এটা একটা স্ক্রিনিং প্রসেস । এগুলোর মধ্যে পরে ,

*স্কুল
* madrasa
* orphanage
* sports club
* transport service
* volunteer organization

যতদিন গেল তত আরও অনেক কিছু জানলাম কি করে সম্ভাব্য শিশু নির্যাতন বা ধর্ষণ ঘটার আগেই প্রতিরোধ করা যায় । তাই বলতে হয় বিলেতের সিস্টেম টা proactive এবং preventive।

কিন্তু সেই তুলনায় বাংলাদেশ কি Reactive ? যদি তাই হয় তবে দেখা দরকার,

শিশু ধর্ষণ রোধে বাংলাদেশ কেন এখনও Reactive State?

বাংলাদেশে যখনই কোনো শিশু ধর্ষণ, নির্যাতন বা হত্যার ঘটনা ঘটে, পুরো দেশ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়, টেলিভিশনে টকশো বসে, মানববন্ধন হয়, দ্রুত বিচার ও মৃত্যুদণ্ডের দাবি ওঠে। সরকারও নড়েচড়ে বসে — বিশেষ অভিযান হয়, পুলিশকে সক্রিয় করা হয়, কখনো আইন আরও কঠোর করা হয়।

কিন্তু কয়েকদিন পর পরিস্থিতি আবার আগের মতো হয়ে যায়। তারপর আরেকটি শিশু একই ভয়াবহতার শিকার হয়। বিচার হয় কিংবা হয়না । কিছু সময়ে পর অন্য একটি ঘটনা এসে সব নজর কেড়ে নেয় । ঠিক একথাগুলোই বলেছে নিহত শিশু রামিসার হতভাগা পিতা ।

এই পুনরাবৃত্তিই একটি বড় সত্যকে সামনে আনে:
বাংলাদেশ এখনো শিশু সুরক্ষার ক্ষেত্রে একটি “reactive state” — অর্থাৎ অপরাধ ঘটার পর প্রতিক্রিয়া দেয়, কিন্তু অপরাধ প্রতিরোধের জন্য পূর্ণাঙ্গ institutional safeguarding system গড়ে তুলতে পারেনি।

কিন্তু পরিসংখ্যানের দিকে লক্ষ্য করলে বলতে হয় পরিস্থিতি সুখকর নয় ।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৯–২০২১ সময়ে শিশু ধর্ষণের রিপোর্টেড সংখ্যা খুবই উদ্বেগজনক পর্যায়ে উঠেছিল।

উদাহরণ হিসেবে:

* ২০১৯ সালে অন্তত ১,০০৫ শিশু ধর্ষণের ঘটনা রিপোর্ট হয়েছিল, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

* ২০২০ সালে শিশুর উপর যৌন নির্যাতনের ঘটনা ছিল অন্তত ৬২৬টি।

* ২০২১ সালে রিপোর্টেড child r**e ছিল ৮১৮টি।

* ASK-এর হিসাবে ২০১৯–২০২১ ছিল সবচেয়ে খারাপ সময়গুলোর একটি।

অর্থাৎ বলাই যায় সমস্যাটা কোনো একক সরকারের না; এটা দীর্ঘদিনের structural crisis।

******
তো দেখা যাক,
Reactive state বলতে কী বোঝায়?

Reactive state সেই রাষ্ট্র, যা মূলত crisis-driven।

অর্থাৎ:

* ঘটনা ঘটবে
* জনরোষ তৈরি হবে
* মিডিয়া চাপ বাড়বে
* সরকার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে

কিন্তু ঘটনা ঘটার আগেই ঝুঁকি শনাক্ত করা, সম্ভাব্য অপরাধীকে শিশুদের কাছ থেকে দূরে রাখা, vulnerable child monitoring — এসবের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কোন কাঠামো নেই ।

বাংলাদেশে শিশু সুরক্ষার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে এই pattern-ই দেখা যাচ্ছে।

আইন হয়েছে, কিন্তু prevention architecture গড়ে ওঠেনি

বাংলাদেশে শিশু সুরক্ষা নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইন অবশ্যই আছে।

খালেদা জিয়ার আমলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ আসে। শেখ হাসিনা সরকারের সময় Children Act 2013 এবং po*******hy control আইন যুক্ত হয়। ২০২০ সালে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

অর্থাৎ রাষ্ট্র আইন করেছে, শাস্তি বাড়িয়েছে, ট্রাইব্যুনাল করেছে।

কিন্তু আধুনিক safeguarding state-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ — prevention infrastructure — এখনো দুর্বল।



তাই প্রশ্ন আসে তারপরও কেন বাংলাদেশ এখনো reactive?

১. DBS-style vetting system নেই

যুক্তরাজ্যে যে কেউ শিশুদের সঙ্গে কাজ করবে — শিক্ষক, কোচ, care worker, volunteer — তাদের background check বাধ্যতামূলক।

বাংলাদেশে nationwide child safeguarding clearance system কার্যত নেই।

ফলে শিশুদের আশেপাশে কারা কাজ করছে, তাদের পূর্ব ইতিহাস কী — তা systematicভাবে যাচাই হয় না।

২. S*x offender registry নেই

অনেক দেশে convicted child abuser database থাকে।

বাংলাদেশে integrated national s*x offender registry নেই।

ফলে repeat offender tracking দুর্বল থেকে যায়।
আমার ধারণা আমাদের এস্টাব্লিশমেন্ট বা সুশীল সমাজের মধ্যে এই কনসেপ্ট গুলো নেই ।

৩. Mandatory safeguarding training নেই

বাংলাদেশে অধিকাংশ শিক্ষক, মাদ্রাসা শিক্ষক, sports organizer বা community leader abuse red flag শনাক্ত করার প্রশিক্ষণ পান না। অথবা পান কি না আমার কাছে তথ্য নেই ।

ফলে অনেক নির্যাতন দীর্ঘদিন অদৃশ্য থেকে যায়।

৪. Reporting culture দুর্বল

বাংলাদেশে এখনো child abuse অনেক সময়:

* “পারিবারিক বিষয়”
* “সম্মানের ব্যাপার”
* “মীমাংসাযোগ্য ঘটনা”

— হিসেবে দেখা হয়।

ফলে:

* মামলা হয় না
* সামাজিক চাপ আসে
* শিশু চুপ করে যায়
* পরিবার ঘটনাকে চাপা দেয়

Reactive state সাধারণত তখনই নড়ে, যখন ঘটনা প্রকাশ্যে বিস্ফোরিত হয়।

৫. Social protection network দুর্বল

উন্নত safeguarding system-এ থাকে:

* social worker
* probation officer
* community child protection team
* risk assessment mechanism

বাংলাদেশে এই কাঠামো সীমিত ও জনবল সংকটে ভোগে।

ফলে vulnerable শিশুদের proactive monitoring হয় না।

কেউ প্রশ্ন করতে অনেক কঠোর আইন ও শাস্তির ব্যবস্থা তো আছে তা হলে শুধু কঠোর শাস্তি কেন যথেষ্ট নয়?

বাংলাদেশে প্রায় প্রতিটি ঘটনার পর কঠোর শাস্তির দাবি ওঠে।

কিন্তু আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায়ে দেখা গেছে — child s*xual abuse অনেক সময় opportunistic এবং repeat-pattern crime।

অর্থাৎ অপরাধী সুযোগ পেলে আবারও অপরাধ করতে পারে।

তাই আধুনিক রাষ্ট্রগুলো focus করে:

* access restriction
* monitoring
* institutional accountability
* mandatory reporting
* safeguarding culture

এর উপর।

অর্থাৎ শুধু punishment নয়, prevention-ই সেখানে মূল দর্শন।

Reactive state থেকে safeguarding state-

আমার মতে,
বাংলাদেশ যদি সত্যিই শিশু সুরক্ষায় অগ্রসর হতে চায়, তাহলে ad hoc প্রতিক্রিয়া ছেড়ে একটি integrated safeguarding framework গড়তে হবে।

তার মধ্যে থাকতে পারে:

* DBS-style background clearance
* National s*x offender registry
* স্কুল ও মাদ্রাসায় safeguarding officer
* বাধ্যতামূলক training
* mandatory reporting law
* child protection audit
* local child safeguarding committee
* online child exploitation monitoring



শেষ কথা

একটি আধুনিক রাষ্ট্রের উন্নয়ন শুধু flyover, GDP বা mega project দিয়ে মাপা যায় না।

একটি রাষ্ট্র কতটা সভ্য — তার অন্যতম বড় পরীক্ষা হলো সে তার শিশুদের কতটা নিরাপদ রাখতে পারে।

বাংলাদেশে প্রতিবার কোনো মর্মান্তিক ঘটনার পর ক্ষোভ তৈরি হয়, কিন্তু রাষ্ট্র যদি কেবল ঘটনার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েই সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সেই চক্র চলতেই থাকবে।

সময় এসেছে reactive state থেকে proactive safeguarding state-এ রূপান্তরের।

13/05/2026

বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের কারণেই না কি পশ্চিম বাংলায় বিজেপী ক্ষমতায়।তা হলে বাংলাদেশে
জামাতে ইসলামীর কেন নয়?

12/05/2026

পুশ ইন হলো ভদ্র ভাষায় একটাও গুলি খরচ না করে মেটিকিউলাস ডিজাইনে ‘ এথনিক ক্লিনসিং’ যা কিনা ওয়ার ক্রাইম সমতুল্য!এর আন্তর্জাতিক প্রচার সময়ের দাবী!

09/05/2026

খলিলুর রহমানের ইন্ডিয়া সফরে কোনও পূর্ণাঙ্গ joint communique আসেনি কিন্তু চায়নার ক্ষেত্রে উলটোটা হয়েছে ।
Very significant !

06/05/2026

বিজেপীতো পশ্চিম বাংলায় ক্ষমতায় এলো কিন্তু একে সংহত করতে ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন করিয়ে বাংলাদেশের উপর দায় চাপাবে আর সেই সাথে পুশ ইন !

Want your school to be the top-listed School/college in London?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


London